কেন্দ্রীয় এজেন্সি আর দিল্লির ‘দাদাগিরি’র বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন রাজ্য সভানেত্রী জয়া দত্ত। সোমবার ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে বিজেপি নেতৃত্বকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ইডি-সিবিআই বা কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দমানো যাবে না। তাঁর কথায়, লড়াইয়ের ময়দান থেকে উঠে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন জয়া অভিযোগ করেন, দিল্লির শাসকরা বাংলার সংস্কৃতি আর ভাষার ওপর আঘাত হানার চেষ্টা করছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বাঙালিরা কোন ভাষায় কথা বলবে কিংবা প্রেমে পড়বে, সেটাও কি এখন নরেন্দ্র মোদি বা অমিত শাহ ঠিক করে দেবেন? ভিন রাজ্যে কর্মরত বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের ওপর আক্রমণের প্রসঙ্গ টেনে বিজেপিকে কড়া ভাষায় বিঁধেছেন জয়া।

বিজেপির ‘রোহিঙ্গা’ তত্ত্বেও এদিন পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন জয়া। তিনি বলেন, বিজেপি প্রচার করেছিল বাংলায় নাকি কোটি কোটি রোহিঙ্গা রয়েছে। কিন্তু খোদ নির্বাচন কমিশনও এই রাজ্যে একজন রোহিঙ্গাকেও খুঁজে পায়নি। এর পরেই শুভেন্দু অধিকারীর নাম না করে সরাসরি ‘কাঁথির মেজখোকা’ ও ‘মীরজাফর’ বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, যদি বাংলায় কোনো রোহিঙ্গা থেকে থাকে, তবে সে ওই অধিকারীই।

কেন্দ্রীয় এজেন্সির তৎপরতা নিয়ে জয়া দত্তর দাবি, ভোটের আগে ইডি-সিবিআই পাঠিয়ে তৃণমূলকে চুপ করানোর কৌশল নিয়েছে বিজেপি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার ১০ কোটি মানুষের আশীর্বাদে তিনবার ক্ষমতায় এসেছেন। বাংলার মানুষের কাছে তিনি মাথা নত করবেন, কিন্তু দিল্লির ‘জমিদারদের’ কাছে নয়। কেন্দ্রীয় শক্তি যত বাড়বে, ‘বাংলার বাঘিনী’র নেতৃত্বে তৃণমূল তত বেশি শক্তিশালী হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আরও পড়ুন – নারী নিরাপত্তা থেকে ভিন রাজ্যে বাঙালি খুন: বিজেপিকে আক্রমণ সুদীপের

_

_

_

_

_
_

