বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের সরকারি কর্মী থেকে অবসরপ্রাপ্তদের ডিএ মেটানোর ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। বকেয়া ডিএ যাতে দ্রুত নির্দেশিকা অনুযায়ী নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়, তার জন্য ছাড়পত্র দিল অর্থ দফতর। অর্থ দফতরের (Finance Department) নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, সরকারি দপ্তরের ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং আধিকারিকরা (ডিডিও) (DDO) এবার বকেয়া ডিএ বিল (DA Bill) প্রস্তুত করতে পারবে।

নবান্ন (Nabanna) থেকে জারি হওয়া নির্দেশিকায় স্পষ্ট করা হয়েছে, এইচআরএমএস পোর্টালের মাধ্যমে কর্মীভিত্তিক বকেয়া ডিএ-র (DA) হিসাব তৈরি করে বিল (DA Bill) জেনারেট করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বকেয়া টাকার হিসাব যাচাইয়ের পর তা জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (জিপিএফ) অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুযায়ী রাজ্যের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে সদর্থক ভূমিকা সব সময় নিয়েছে রাজ্য সরকারি। অর্থ দফতরের ১৩ মার্চের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতেই এই প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। রোপা ২০০৯ ডিএ নিয়ম অনুযায়ী সেই বকেয়া কর্মীভিত্তিতে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল সেই বিজ্ঞপ্তিতে।

আরও পড়ুন : প্রথম কিস্তি মিলতে পারে ৩১ মার্চেই! বকেয়া ডিএ মেটাতে বিশেষ পোর্টাল নবান্নের

প্রাথমিকভাবে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ দু’টি কিস্তিতে মেটানো হবে। তার মধ্যে প্রথম কিস্তি চলতি মার্চ মাসের মধ্যেই দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় কিস্তি দেওয়া হবে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, গ্রুপ এ, বি ও সি শ্রেণির কর্মীদের বকেয়া ডিএর টাকা তাঁদের জিপিএফ তহবিলে জমা পড়বে। অন্যদিকে, গ্রুপ ডি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত পেনশন প্রাপকেরা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই অর্থ পাবেন।

–

–

–

–

–
