শান্তি বৈঠক পুরোপুরি ব্যর্থ হতেই হরমুজ প্রণালী (Strait Of Hormuz) নিয়ন্ত্রণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)।সোমবার সন্ধ্যা থেকে ইরানগামী জাহাজ এবং ইরানি বন্দর থেকে যে সমস্ত জাহাজ বেরোবে তাদের আটকানো হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি ইরান (Iran)। সেদেশের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ (MB Ghalibaf) এক্স হ্যান্ডেলে বর্তমানে আমেরিকার পেট্রোল-ডিজেলের দামের একটা ছবি শেয়ার করে লেখেন, হরমুজে যত চাপ বাড়বে, তেলের দাম তত বাড়বে। ওটা মার্কিন জনতাকে যে মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা সামলাতে হবে তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট থেকে সেটা স্পষ্ট।

প্রায় দুমাস ধরে ইরানের সঙ্গে সংঘাত চলার পর সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। ইসলামাবাদ শান্তি বৈঠক (US Iran Peace Talk) নির্ধারিত হয়। কিন্তু সেটাও পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যে রয়েছেন খোদ ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, এমনটাই অভিযোগ ইরানের। এরপর ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, “ইরানের সঙ্গে ফের আলোচনার টেবিলে বসা হবে না কি না তা আমি জানি না। বিষয়টি নিয়ে আমি একেবারেই চিন্তিত নই। আমার কিছু যায় আসে না।” এখানেই শেষ নয় কড়া সুরে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য “আমি আত্মবিশ্বাসী যে তেহরান শেষ পর্যন্ত আমেরিকার দাবি মেনে নেবে। অন্যথায়, মার্কিন সেনা ইরানে হামলা চালাবে।” সোমবার বিকেল থেকে হরমুজের উপর আমেরিকার নিয়ন্ত্রণ শুরু হওয়ার যে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে তার পাল্টা জবাবে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে ইরান। ট্রাম্প যদি হরমুজ দিয়ে জাহাজের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাহলে আখেরে তার খেসারত দিতে হবে আমেরিকাকে। প্রায় দু’মাস ধরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে রেখেছিল ইরান। তার জেরে গোটা বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহে টান পড়েছে। এবার নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হলে যে বিশ্ববাজারে যে পেট্রোপণ্যের দাম এক লাফে অনেকটা বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের।

–

–

–

–

–

–

–
–

