“‘যারা খুনের রাজনীতি করত, তারা এখন বিজেপিতে নাম লিখিয়েছে”, চন্দ্রকোনা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সূর্য দলুই এবং ঘাটাল বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী শ্যামলী সর্দারের সমর্থনে প্রচারে এসে বিজেপি-সিপিএমের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির নীতি ও দলের নেতাদের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুললেন। তিনি বলেন, “সিপিএমের আমলে সন্ত্রাস অত্যাচার পশ্চিম মেদিনীপুরের মানুষ ভুলে যায়নি। আর যাই হোক যে সিপিএমের সাথে লড়াই করে, মানুষকে সংগঠিত করে ১১ সালে তৃণমূল এসেছিল সেই সিপিএমের হার্মাদদের কখনও দলে নিতে পারবো না। ভালো, ভদ্র, সভ্য, শিক্ষিত ও মার্জিত লোক কোনওদিন বিজেপি করতে পারে না। যত ছেঁচোর, চোর, চিটিংবাজ, দুনম্বরী, মাতাল, হার্মাদ আর জল্লাদ- সব বিজেপিতে। যারা খুনের রাজনীতি করত, তারা এখন বিজেপিতে নাম লিখিয়েছে।” তিনি জানান, ঘাটাল ব্লকের মনোহরপুর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সিপিএম কর্মী সামিউল আলম এখন বিজেপির যুব মোর্চার নেতা। বিজেপির জল্লাদ আগে ছিল সিপিএমের হার্মাদ। তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচন বিধি ভঙ্গ এবং গোলমালের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, মনোহরপুর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সিপিএম সদস্য সৌমেন মণ্ডলও বর্তমানে বিজেপির মণ্ডল নেতা বলে উল্লেখ করেন তিনি। সব মণিমাণিক্য নিয়ে তৈরী হয়েছে বিজেপি। এবার আমি হিসেবে নিয়ে এসেছি কারা মুখ্যমন্ত্রীর প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। বিজেপি আসুক রিপোর্ট কার্ড নিয়ে। আমি আছি। তথ্য পরিসংখ্যান নিয়ে লড়াই হোক।”
পাশাপাশি প্রার্থীদের হয়ে সওয়াল করে তিনি বলেন, ”দল এবার যোগ্য ও শিক্ষিতদের সুযোগ দিয়েছে।” বলেন, সূর্য দলুইয়ের প্রশংসা করে তিনি জানান, ”২২ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে জনপ্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি। ২০০৪ সালে অঞ্চল তৃণমূল যুব সভাপতি হিসেবে যাত্রা শুরু করে ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন। বর্তমানে তিনি চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের সভাপতি এবং ২০২২ সালে নেতাজি সুভাষ ওপেন ইউনিভার্সিটি থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক হয়েছেন। অন্যদিকে, ঘাটালের প্রার্থী শ্যামলী সর্দার একজন উচ্চশিক্ষিত তরুণী এবং তপশিলি জাতির প্রগতিশীল মুখ। বর্তমানে ঘাটাল ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন শ্যামলী।”

আরও পড়ুন – বিমানবন্দরে দেরি, সভার অনুমতি দিচ্ছে বিজেপি! কমিশনের পর্যবেক্ষকদের বিরুদ্ধে সরব মমতা

_

_

_

_
_
_
_
