দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের কথা মাথায় রেখে এবার বড় পদক্ষেপ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আবহে ভারতে পেট্রোল-ডিজেলের বর্ডারে যাতে টান না পরে সেই কথা মাথায় রেখে দেশবাসীকে সংযমী হওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। এবার নিজের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী। ইতি মাধ্যমেই এসপিজির (SPG) কাছে নির্দেশিকা পৌঁছে গেছে বলে জানা গিয়েছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari) ওই একই পথে হেঁটেছেন। তিনিও জানিয়েছেন নিরাপত্তার জন্য ঠিক যতটুকু দরকার তার বেশি যেন বাড়াবাড়ি না করা হয়। সেইমতো মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ের গাড়ির সংখ্যাও কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আজ থেকেই তা কার্যকরী করতে হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত স্পেশ্যাল প্রোটেকশন গ্রুপ বা এসপিজি-র কাছে পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নিরাপত্তা সুনিশ্চিত রেখেই কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমাতে হবে। পেট্রল-ডিজ়েলচালিত গাড়ির পরিবর্তে বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের উপর জোর দিতে হবে। তবে তার জন্য নতুন কোনও গাড়ি এখন কেনা যাবে না। গত রবিবার প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে বলেন, ‘‘বিশ্ব দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার এক পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা কোভিড-১৯ অতিমারি দিয়ে শুরু হয়েছিল এবং এখন পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের কারণে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।’’যেহেতু পেট্রল, ডিজ়েল, রান্নার গ্যাস, ভোজ্য তেল, সোনা, তামা, রাসায়নিক সার— এই পণ্যগুলির একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় ভারতকে, সেক্ষেত্রে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ভান্ডারে চাপ পড়ে। সেই কথা মাথায় রেখে যতটা সম্ভব বাড়ি থেকে কাজ করা, ব্যক্তিগত পরিবহন কম ব্যবহার করে গণপরিবহনে যাতায়াত, অতিরিক্ত সোনা রুপো না কেনার পরামর্শ দিয়েছিলেন মোদি। এরপরই কেন্দ্রকে খোঁচা দেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সমাজমাধ্যমে লেখেন, প্রধানমন্ত্রী যেগুলো বলছেন সেগুলো কোনও সমাধান নয় আসলে তার সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ।

–

–

–

–

–

–
–
