পাইপলাইন তৈরি হয়েছে, তবু কলে জল নেই। তাহলে এই ‘জল জীবন মিশন’ কার স্বার্থে? যোগীরাজ্যে প্রয়াগরাজের মতো এলাকায় তীব্র জলকষ্টে সরব সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav)। এই ঘটনায় বিজেপির (BJP) ডবল ইঞ্জিন সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ব্যর্থতার ছবিটা আরও জোরালো হচ্ছে।
প্রয়াগরাজ (Prayagraj) থেকে শুরু করে স্থানীয় গ্রামাঞ্চলেও জল জীবন মিশনের (Jal Jeevan Mission) বাস্তব চিত্র নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। প্রকল্পের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও বহু এলাকায় এখনও নলকূপ অকেজো, ট্যাপ থেকে জল পড়ছে না, কোথাও আবার পাইপলাইনই সম্পূর্ণ হয়নি। নওয়াবগঞ্জের (Nawabganj) গঙ্গা তীরবর্তী তাজপুর (Tajpur) (ভিখানপুর) ও বুদুনা (buduna) এলাকায় ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে জলাধার তৈরি হলেও বাস্তবে পরিষেবা কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থাও বসানো হলেও বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমেনি, নলকূপ অচল।

महाकुंभ के नाम पर प्रयागराज में 50 हज़ार करोड़ से भी अधिक पैसा हड़पा गया लेकिन लोग आज भी बूँद-बूँद के लिए तरस रहे हैं।
भाजपा राज में ‘जल जीवन मिशन’ का अर्थ है : ‘जल’ की व्यवस्था में ही सारा ‘जीवन’ व्यर्थ होना।
भ्रष्टाचार की पाइप लाइन लखनऊ से दिल्ली तक बिछ गई लेकिन पानी लोगों… pic.twitter.com/XxY3guIZjv
— Akhilesh Yadav (@yadavakhilesh) May 23, 2026
একই ছবি দেখা যাচ্ছে মুঙ্গারি, করছনা এলাকায়। প্রায় দুই বছর আগে যমুনা তীরবর্তী এলাকায় জলাধার নির্মাণ করা হলেও এখনও পর্যন্ত পাইপলাইন সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে “ঘরে ঘরে নল থেকে জল” দেওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেছে। জেলার একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতে পরিস্থিতি প্রায় একই রকম বলে অভিযোগ উঠছে। জেলার ৪০৮টি গ্রামে ১৭৮টি পানীয় জল প্রকল্পের মাধ্যমে পরিষেবা দেওয়ার দাবি করা হলেও বাস্তবে তার অর্ধেকেরও বেশি গ্রামে নল শুকনো বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এদিকে ২০১৪ সালের নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিটি পরিবার থেকে মাসিক ৫০ টাকা জল কর সংগ্রহের কথা বলা হয়েছিল। সেই রাজস্ব আদায় নিয়েও শুরু হয়েছে প্রশ্ন। পঞ্চায়েত রাজ দফতর ব্লকভিত্তিক আয় ব্যয়ের হিসাব চেয়েছে এবং তথ্য যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতের নীতিনির্ধারণে ব্যবহৃত হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

সেখানেই যে মহাকুম্ভকে ঘিরে বিজেপির নেতারা গোটা বিশ্ব থেকে প্রচারের আলোয় উঠে এলেন, নিজেদের পকেট ভরলেন, সেই প্রয়াগরাজের মানুষের করুণ পরিণতি নিয়ে সরব সমাজবাদী পার্টির প্রেসিডেন্ট অখিলেশ যাদব। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, মহাকুম্ভে হাজার হাজার কোটি টাকার খরচের কথা প্রচার হলেও, বাস্তবে সাধারণ মানুষ আজও এক ফোঁটা পানীয় জলের জন্য হাহাকার করছেন। তাঁর অভিযোগ, ‘জল জীবন মিশন’-এর নামে শুধু দুর্নীতির পাইপলাইন তৈরি হয়েছে, কিন্তু গ্রামের মানুষের ঘরে জল পৌঁছয়নি। আর সেই অভিযোগেরই যেন প্রতিচ্ছবি দেখা যাচ্ছে প্রয়াগরাজের একের পর এক গ্রামে।

–

–

–
–
–
