বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পরে দলের একাধিক নেতা নেত্রীকে দল ছাড়তে দেখা গিয়েছে। তবে সাংসদ পদমার্যাদার কোনও কর্মীর ক্ষেত্রে এমন সিদ্ধান্ত বিরল। এবার তেমনই সিদ্ধান্ত নিতে দেখা গেল বারাসতের সাংসদ (MP, Barasat) কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে (Kakoli Ghosh Dastidar)। নির্বাচনের পরে কাকলির নিরাপত্তা কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের তরফ থেকে বাড়ানোর পরে তাঁর দলবদল নিয়ে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে তাঁর পদত্যাগ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কোনও সিদ্ধান্তের ঘোষণা এখনও করা হয়নি।
বারাসত সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে নিজের পদত্যাগের (resignation from post) ঘোষণা করেন। সেই সঙ্গে দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির (Subrata Bakshi) কাছে নিজের পদত্যাগ পত্রও জমা দেন। তাঁর অভিযোগ মূলত ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাকের বিরুদ্ধে। তবে তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেন সাম্প্রতিক সময়ের দুর্নীতি ও অপরাধের কথা। মূল্যবোধসহ শিষ্টাচারের মতো একাধিক গুণাবলির দলে প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন।

তবে বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত সাংগঠনিক জেলায় আশানুরূপ ফলা না হওয়ার দায়ও গ্রহণ করেন কাকলি। সেই দায়ভার নিয়েই বারাসত সাংগঠনিক জেলার (Barasat parliamentary district) জেলা সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগের (resignation) সিদ্ধান্ত বলে জানান তিনি। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর মতামত হিসাবে পুরোনো কর্মীদের দলে গুরুত্ব বাড়ানোর কথাও তিনি পদত্যাগের চিঠিতে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন : আমরা ফিরে আসব: বিজেপির বুলডোজার রাজনীতির প্রতিবাদে সরব মমতা

সম্প্রতি লোকসভার মুখ্য সচেতকের পদ থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে সরিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বসানোর ঘোষণা করে তৃণমূল। তারপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন কাকলি। তবে তাঁর দল ছাড়ার সিদ্ধান্তে তৃণমূল কোনও বিবৃতি জারি করেনি। দলের মুখপাত্র তথা বিধায়ক কুণাল ঘোষ জানান, এটা দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। পদত্য়াগ তিনি করেছেন বা করেননি, তা নিয়ে দলের তরফে কোনও বক্তব্য থাকলে জানিয়ে দেওয়া হবে।

–

–

–
–
–
