বিদ্রোহী সাংসদদের প্রথমদিনের বৈঠকে ছিলেন না কিন্তু এবার নাকি ওই শিবিরেই নাম লেখাচ্ছেন যাদবপুরের তৃণমূল (TMC) সাংসদ সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh)। সোমবারই এনডিএ-র (NDA) শরিক হতে চেয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন বিদ্রোহী ব্লকের সদস্যরা। কাকলি ঘোষদস্তিদারকে মুখ্য সচেতক করে এই চিঠি দেওয়া হয়। তাতে না কি সই রয়েছে ২০ সাংসদের। ছিল না সায়নীর নাম। তবে, এবার জল্পনা রাজধানীর পথে তিনিও।

সদ্য তৃণমূলের সংগঠন-কমিটি ভেঙে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এর পর নতুন করে সংগঠন তৈরি করে তিনি। সেখানেও যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রীর পদ পেয়েছিলেন সায়নী ঘোষ। কিন্তু তার পরেও বেসুর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বস্ত সৈনিক।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই সক্রিয় রাজনীতির ময়দানে পা রাখেন সায়নী ঘোষ। যদিও তাঁর আগে বামমনস্ক বলেই পরিচিত ছিলেন অভিনত্রী। তাঁকে তৃণমূল যুবর দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হন সায়নী। পরনে সাদা শাড়ি, পায়ে হাওয়াই চটি– তৃণমূল সাংসদের সাজ-পোশাক দলনেত্রীর ‘রেপ্লিকা’ বলেই কথা ওঠে। একইসঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের ঘনিষ্ঠবৃত্তে ছিলেন তিনি।

রাজ্যে পালাবদলের পরে প্রথমে বিধানসভা তার পরে লোকসভায় তৃণমূলের ভাঙন ধরেছে। সোমবার দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) যখন দিল্লিতে, তখন সেখানেই আদালত বৈঠক করে তৃণমূল ব্লক গড়ে স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দেন ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। মুখ্য সচেতক হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারই (Kakoli Ghosh Dastidar) সেই চিঠি জমা দিয়েছেন। বৈঠকে কেন্দ্রীয় ভূপেন্দ্র যাদব ও রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও উপস্থিত ছিলেন। জানানো হয় এই ব্লক বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ-কে (NDA) সমর্থন করবে। সেই বৈঠকে ছিলেন না যাদবপুরের সাংসদ। কিন্তু সূত্রের খবর, এবার দিল্লি যাচ্ছেন সায়নী। বিদ্রোহী ব্লকে যোগ দিচ্ছেন তিনিও। এখন ঘোষণা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

–

–

–

–
–
–
