বিধানসভায় সই জাল-কাণ্ডের তদন্তে এবার কালীঘাটে তৃণমূলের কার্যালয়ে সিআইডি-র দল। তৃণমূল সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বাড়ির ঠিক পাশেই এই কার্যালয়। মঙ্গলবার দুপুরে ওখানে বিশাল কেন্দ্রীয় বহিনী নিয়ে উপস্থিত রয়েছেন ৩০ জন সিআইডি (CID) অফিসার। সঙ্গে কালীঘাট থানার ওসি-সহ পুলিশ বাহিনী। প্রায় ৪৫ মিনিট অপেক্ষার পরে ভিতরে ঢোকে সিআইডি টিম। একই সঙ্গে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসেও সিআইডি টিম পৌঁছেছে।

সই জাল-কাণ্ডের তদন্তে মঙ্গলবার দুপুরে ৩টে ১৫ মিনিট নাগাদ তৃণমূল সুপ্রিমোর বাড়ির সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ের সামনে হাজির হয় সিআইডি টিম। ৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তৃণমূলের মূল কার্যালয়ে তল্লাশি চালাতে ঢুকতে চান তদন্তকারী আধিকারিকরা। মহিলা আধিকারিকরা ঘিরে ফেলেন কার্যালয়ের গেট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ওই কার্যালয়ে তল্লাশি চালাতে চেয়ে ঢুকতে চান আধিকারিকরা। কিন্তু নিজেকে কেয়ারটেকার বলে দাবি করা প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী জানান, মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি থাকায় তিনি তল্লাশির অনুমতি দিতে পারবেন না।

এই নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি চলে। শুভাশিস বলেন, “আমি আইনজীবী, আপনারা আমাকে জানিয়ে আসেননি। যাঁদের চিঠির ভিত্তিতে এসেছেন তাঁরা এই মুহূর্তে নেই। ওনারা ফিরুন। আপনি ২ দিন পর আসুন।” পাল্টা সিআইডি আধিকারিকরা বলেন, “আপনি কাজে বাধা দিচ্ছেন, এর পরিণতি আপনার জানার কথা।” শুভাশিস পাল্টা বলেন, “আমি বাধা দিচ্ছি না। আপনারা দুদিন অপেক্ষা করুন। অভিষেক ফিরে এলে আপনাদের সহযোগিতা করব। আমার যা বলার বললাম। আপনারা কী করবেন, আপনাদের ব্যাপার।” এরপর ভিতরে চলে যান তিনি। কলকাতা পুলিশের বিশাল টিম ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।

দীর্ঘ টালবাহানার পরে বিকেল ৪টের পরে ভিতরে ঢোকে সিআইডি-র আধিকারিকরা। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসেও পৌঁছোয় সিআইডি-র দল।

–

–

–

–
–
–
