পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতি কি এবার অতীত হতে চলেছে? বারুদের গন্ধ ভুলে স্বাভাবিক ছন্দে চলবে হরমুজ Strait of Harmuz) দিয়ে যাতায়াত? ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে অন্তত সেরকমই ইঙ্গিত মিলেছে। শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President social media post) জানিয়েছেন, রবিবার ইরানের সঙ্গে আমেরিকার চুক্তি সই হবে যার ফলে খুলতে চলেছে বিশ্বের তৈল ধমনী হরমুজ প্রণালী।

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে একাধিক শান্তি চুক্তির (US-Iran Peace Agreement) কথা হলেও বারবার বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে। দুই দেশ একে অন্যের জায়গা থেকে একচুল সরতে রাজি না হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতি গোটা বিশ্বের আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আবহে শনিবার ট্রাম্পের সোশ্যাল মিডিয়ার টুইট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ওবামা আমলের পারমাণবিক চুক্তির কথা মনে করিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, ‘ইরানের সঙ্গে বারাক ওবামার জেসিপিওএ চুক্তিটিতে পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়টি অত্যন্ত শিথিল ছিল। ইরান ৬ বছর আগেই পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেত এবং এতদিনে তা ব্যবহারও করে ফেলত। ইরানের সঙ্গে আমার চুক্তিটি এর সম্পূর্ণ বিপরীত। পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে এক বিরাট প্রাচীর থাকবে এখানে। প্রকৃতপক্ষে, ওরা আর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না, এবং তারা তা পাবেও না। কিনেও না, তৈরি করেও না, বা অন্য কোনো উপায়েও না।’ এখানেই শেষ নয়, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিষ্ক্রিয় করার দাবিও করেছেন ট্রাম্প।

বিশ্বের জ্বালানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ হরমুজ। এখান দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রফতানি হয়। আজ যদি সত্যিই শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং হরমুজ খুলে যায় তাহলে সেটা গোটা বিশ্বের কাছে নিঃসন্দেহে অনেক বড় স্বস্তির খবর হতে চলেছে।

–

–

–

–

–
