<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<Data><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/11/lo1IYMfx2jVFqYwE8cKrn8c0GHGtxhcuAvFNPRi9.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[সপ্তম বেতন কমিশনের প্রথম বৈঠক: ভুয়ো তথ্যে কান না দেওয়ার আবেদন, শীঘ্রই চালু হচ্ছে নতুন ওয়েবসাইট]]></Title><PublishDate>Tue, 11 Aug 2026 00:26:22 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>রাজ্যের সপ্তম বেতন কমিশনের প্রথম বৈঠক সোমবার নবান্নে অনুষ্ঠিত হল। বৈঠকে কমিশনের কার্যপরিধির আওতাভুক্ত বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, নিগম এবং সরকারি উদ্যোগের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি কমিশনের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রাথমিক রূপরেখা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।&nbsp;</p>
<p>বৈঠকের পর কমিশনের তরফে&nbsp; জানানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই একটি পৃথক ওয়েবসাইট চালু করা হবে। ওই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কমিশনের কাজ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য, বিজ্ঞপ্তি, মতামত আহ্বান, তথ্য সংগ্রহ এবং বিভিন্ন স্মারকলিপি গ্রহণের ব্যবস্থা করা হবে। কমিশনের কার্যকলাপ সংক্রান্ত সমস্ত সরকারি তথ্য ওই ওয়েবসাইটেই প্রকাশ করা হবে।&nbsp;</p>
<p>একই সঙ্গে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে কমিশনের সুপারিশ সংক্রান্ত বিভিন্ন ভুয়ো, বিভ্রান্তিকর এবং ভিত্তিহীন নথি ছড়িয়ে পড়ছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। কমিশনের দাবি, তারা এখনও কাজ শুরু করেছে মাত্র এবং এখনও পর্যন্ত কোনও ধরনের সুপারিশ করেনি।&nbsp;</p>
<p>এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পক্ষ থেকে সরকারি কর্মচারী-সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অননুমোদিত এবং তথ্যভিত্তিক নয় এমন কোনও নথি বা খবরের উপর ভরসা না করার আবেদন জানানো হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, কেবলমাত্র কমিশনের অনুমোদিত সরকারি সূত্র থেকেই তথ্য গ্রহণ করা উচিত।&nbsp;</p>
<p>উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতন ও ভাতা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একাধিক সম্ভাব্য সুপারিশের তালিকা ঘুরে বেড়াচ্ছিল। সেই প্রেক্ষিতেই প্রথম বৈঠকের পর কমিশনের এই প্রেস বিজ্ঞপ্তিকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/first-meeting-of-seventh-pay-commission]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/CLJwAehX6t5kwhllgPOpwSSEJmDytlo03krnbSsV.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[কোচের প্রস্তাব ফিরিয়েছেন, লক্ষ্মণ কি এবার আগারকরের চেয়ারে?]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 23:50:16 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;ভারতীয় ক্রিকেটের একটা খুব চালু চর্চা এবার সামনে এনে ফেললেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। তিনি সরাসরি স্বীকার করলেন বোর্ড তাঁকে কোচের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু তিনি ফিরিয়ে দেন। বরং সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের ডিরেক্টরের পদেই আরও দু&rsquo;বছর থাকতে রজি হয়েছিলেন।</p>
<p>এই বুঝি লক্ষ্মণ কোচ হয়ে গেলেন, এমন একটা আলোচনা বছরভর চলতেই থাকে। তিনি কোচ হতে চান আর বোর্ড তাঁকে এই দায়িত্ব দিচ্ছে না, নাকি লক্ষ্মণই রাজি হচ্ছেন না এটা নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছে। এখনও তার রেশ রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘকায় হায়দরাবাদি এবার সরাসরি খোলসা করলেন যে তাঁর সামনে সত্যিই কোচ হওয়ার প্রস্তাব এসেছিল। সেটা ২০২৪-এ। রাহুল দ্রাবিড় কোচ হিসাবে কাজ শেষ করার পর।</p>
<p>কিন্তু লক্ষ্মণ ভারতীয় দলের হেড কোচ হতে চাননি। তার বদলে সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের প্রধান কর্তা হিসাবে আরও দুই বছর থেকে যেতে রাজি হয়ে যান। লক্ষ্মণের এই দায়িত্ব শেষ হবে ২০২৬-এ। তিনি বলেছেন, বোর্ড কর্তারা আমাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন। আমি এখানে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি সামনে মেলে ধরতে পারছি। তাই আরও দুই বছর থেকে যেতে রাজি হয়েছি। লক্ষ্মণ এরপর স্পষ্ট বলেন, আমাকে ২০২৪-এ ভারতীয় দলের হেড কোচ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমি রাজি হইনি। বলে দিয়েছিলাম কখনও হেড কোচের দায়িত্ব নেব না। এটা আপনার সবাই জানেন। মূলত পরিবার ছেড়ে বছরের অনেকটা সময় তিনি বাইরে থাকতে রাজি ছিলেন না।&nbsp;</p>
<p>দ্রাবিড়ের পর ভারতীয় দলের কোচ হয়েছেন গৌতম গম্ভীর। লক্ষ্মণ নিজের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে সেন্টার অফ এক্সেলেন্সকে সাজিয়ে নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ঠিক করেছিলাম দু&rsquo;বছর পর আমি চলে যাব, কিন্তু সিওইর গঠন, প্রসেস ও প্রোটোকল একইভাবে চলবে। এই আমি চলে যাব কথাটার মধ্যে কি অন্য ইঙ্গিত লুকিয়ে আছে। অজিত আগারকরের এক বছরের বর্ধিত মেয়াদ শেষ হচ্ছে সেপ্টেম্বরে। তাঁকে ফের এক্সটেনশন দেওয়ার সম্ভাবনা কম। লক্ষ্মণ কি এবার সিওই ছেড়ে প্রধান নির্বাচকের চেয়ারে বসবেন? তিনি অবশ্য ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি শব্দও বলতে চাননি।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/vvs-laxman-may-be-chief-selector-of-india-team]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/1SrHJc6WXEGlPuwt66XxUD4sBNw8JwKwDGdmHmTs.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[রোনাল্ডোর বিয়ের গুজবে পর্তুগালের গির্জায় ভিড়]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 23:45:24 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>আর পাঁচটা সাধারণ বিয়ের অনুষ্ঠান নয়, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর বিয়ে বলে কথা! স্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে শত শত মানুষ তাই ক্যামেরা, মুঠোফোন হাতে নিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন পর্তুগালের মাদেইরার ফুনশাল ক্যাথিড্রালের সামনে। বর-কনে এলেন ঠিকই, তবে তাঁরা রোনাল্ডো ও জর্জিয়া নন!&nbsp;&nbsp;</p>
<p>শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে ফুনশাল ক্যাথিড্রালের সামনে অপেক্ষায় ছিলেন প্রচুর মানুষ। পর্তুগালের কিংবদন্তি ফুটবলারকে এক ঝলক দেখবেন বলে অনেক আশা নিয়ে এসেছিলেন। ইউরোপের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে রোনাল্ডো ও জর্জিনার বিয়ের তারিখ ও স্থান নিয়ে খবর প্রকাশের পরই মানুষের উৎসাহ বাড়ে। তা থেকেই গির্জার সামনে এই ভিড়। শেষ পর্যন্ত তাঁদের হতাশ হয়েই ফিরতে হয়েছে। গির্জায় চার হাত অবশ্য এক হয়েছে। তবে বিয়ে করেছেন নিকোল ও ফাবিও নামের দু&rsquo;জন পাত্র-পাত্রী। নিকোলের প্রবেশের সময় রাস্তার দুই পাশে ভিড় করে ছিলেন কৌতূহলী মানুষ। কিন্তু কনে দেখে তাদের ভুল ভাঙে।&nbsp;</p>
<p>বিষয়টি নিশ্চিত করে ফুনশাল ক্যাথিড্রাল কর্তৃপক্ষ সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছে, রোনাল্ডোকে ঘিরে তৈরি হওয়া গুঞ্জনে বাইরে অনেক সাংবাদিক ও পর্যটকের ভিড় হয়েছিল। এমন পরিস্থিতি আমরা আগে কখনও দেখেনি।&nbsp;</p>
<p>গুজবের সূত্র বেশ শক্তিশালীই ছিল। কারণ, ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড &lsquo;দ্য সান&rsquo; স্থান, বিয়ের সময়, অতিথিদের তালিকা নিয়েও বিস্তারিত তথ্য দিয়েছিল। বাস্তবে দেখা গেল, পুরোটাই গুজব।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/portugal-cathedral-over-crouded-ronaldo-weading-remure]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/ZPOoCnjbr1H7KTkVTqRw06KBJpN8hj8eTT2HP5ff.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[ছিটকে গেলেন নাচো, এসিলের আগে বেকায়দায় ইস্টবেঙ্গল]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 23:39:50 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>&nbsp;</p>
<p>কুয়েতের আল আরাবি-র বিরুদ্ধে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচের আগে ঘোর সমস্যায় ইস্টবেঙ্গল। দলের স্প্যানিশ সেন্টার ব্যাক নাচো মনসালভে চোটের কারণে ছিটকে গিয়েছেন। তাঁকে পুরো মরশুমেই পাওয়া নিয়ে সংশয়। যে কারণে তাঁর পরিবর্ত নেওয়া হতে পারে। ডুরান্ডে হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন নাচো। তারপর থেকে একদিনও অনুশীলনে নামতে পারেননি। সোমবারও স্প্যানিশ ডিফেন্ডার অনুশীলনে অনুপস্থিত।&nbsp;</p>
<p>ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁকে বাকি মরশুমে পাওয়ার আশা কার্যত ছেড়ে দিয়েছেন কোচ হাবাস। তিনি পরিবর্ত চেয়েছেন ক্লাবের কাছে। কিন্তু সেক্ষেত্রেও বড় সমস্যা রয়েছে। নাচোকে ছাড়তে গেলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এবার লগ্নিকারী ছাড়াই দল গড়ছেন ক্লাব কর্তারা। আর্থিক সমস্যার মধ্যেও লড়াই করার মতো একটা দল গড়েছে ক্লাব। এখনও ষষ্ঠ বিদেশি চূড়ান্ত করতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। তারমধ্যে শুরুতেই নতুন রিক্রুট হওয়া ডিফেন্ডারের চোটে জোর ধাক্কা খেয়েছে দল। নাচোর চোটের পরিস্থিতি ঠিক কী? কতটা গুরুতর তাঁর হাঁটুর চোট, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রেখেছে ম্যানেজমেন্ট।&nbsp;</p>
<p>এই পরিস্থিতিতে আল আরাবি ম্যাচের প্রস্তুতি চলছে ইস্টবেঙ্গলের। কুয়েতের ক্লাবটি যখন ছয় বিদেশি নিয়ে কলকাতায় খেলতে এসেছে, তখন ইস্টবেঙ্গলের হাতে মাত্র তিন বিদেশি। হাবাসের অনুশীলনে যা ইঙ্গিত, তাতে প্রথম একাদশে মহম্মদ রশিদ ও দানি রামিরেজ শুরু করবেন। বেঞ্চে থাকবেন শুধু অস্ট্রেলীয় অ্যাটাকার ক্রিস ইকোনমিডিস। আল আরাবি-র গতির সঙ্গে পাল্লা দিয়েই ৪-৩-৩ ফর্মেশনে দলকে খেলাতে চাইছেন ইস্টবেঙ্গলের অভিজ্ঞ স্প্যানিশ কোচ। নাচো না থাকায় জাহিদদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ভারতীয় রক্ষণ নিয়ে খেলতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। আনোয়ার, নুঙ্গা, সন্দীপ মাণ্ডিদের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/east-bengal-footballer-nacho-out-of-the-season]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/aIr9ZadhIMowam4MSpF7Ij2aJrJ772RF0CZ3Wwfa.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[দিনভর ভ্যাপসা গরমের পর সন্ধেতেই মুষলধারে বৃষ্টি শহরে, জলযন্ত্রণা-যানজটে চরম ভোগান্তি নিত্যযাত্রীদের]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 22:36:48 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>দিনের বেলায় ছিল তীব্র ভ্যাপসা গরম আর মেঘ-রোদের কবাডি। কিন্তু সন্ধে নামতেই বদলে গেল কলকাতার মেজাজ। আচমকা আকাশ কালো করে নামল মুষলধারে বৃষ্টি। হাওড়া এবং সংলগ্ন এলাকাতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ পশলা পশলা বৃষ্টি শুরু হয়। কিছুক্ষণের বৃষ্টিতেই তিলোত্তমার নিচু এলাকাগুলিতে জল জমতে শুরু করায় অফিসফেরত নিত্যযাত্রীদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। বিভিন্ন রাস্তায় শুরু হয় যানজট।</p>
<p>বৃষ্টি নামায় সাময়িকভাবে তাপমাত্রার পারদ খানিকটা কমলেও, আপাতত আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থেকে রেহাই পাওয়ার কোনও স্থায়ী আশার কথা শোনাতে পারেনি আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিসের মতে, সন্ধের এই বৃষ্টি সাময়িক স্বস্তি দিলেও পচানি গরম এখনই পিছু ছাড়ছে না।</p>
<p>তবে এর মধ্যেই বৃষ্টির আমেজ বাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে একটি নতুন ঘূর্ণাবর্ত তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তীতে এটি আরও ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এই নিম্নচাপ সক্রিয় হলে বুধবারের পর থেকে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে এবং ভারী বর্ষণ শুরু হতে পারে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/city-news/heavy-rainfall-in-kolkata-at-monday-evening]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/GGlOGj4qBpWd25HnFr1wHtj7u6pVgEeGxdfBzJoy.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[Durand Cup: সাহালের হ্যাটট্রিক, সিআইএসএফের বিরুদ্ধেও বড় জয় বাগানের]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 22:01:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মোহনবাগান। সোমবার গ্রুপ লিগের শেষ &nbsp;ম্যাচে &nbsp;সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ৬-০ গোলে জিতল মোহনবাগান। &nbsp;সাহালের হ্যাটট্রিক সেইসঙ্গে গোল পেলেন ম্যাকলারেন, মনভীর,অভিষেক। শেষ ম্যাচে সাউথ ইউনাইটেডকে ৮-০ গোলে হারিয়েছিল বাগান।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>১৭ মিনিটে প্রথম গোল করল মোহনবাগান। প্রতিপক্ষ রক্ষণের ভুল বোঝাবুঝিতে বল চলে আসে সাহালের পায়ে। ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে দেন সাহাল। পরের মিনিটেই আবার গোল। মাঝমাঠ থেকে থ্রু বল পেয়ে ড্রাজিক বক্সের মধ্যে ঢুকে গিয়ে সাহালকে বল বাড়ালে গোল করতে ভুল করেননি।</p>
<p>২৮ মিনিটে উইং থেকে টেকচাম পাস থেকে &nbsp;মনবীর সিং বল জালে জড়িয়ে দেন। ৩৭ মিনিটে অনবদ্য গোল সাহালের। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে একক দক্ষতায় বিপক্ষের মহম্মদ খালিদকে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোল করেন। প্রথম ৪৫ মিনিটে চার গোলে এগিয়ে ছিল মোহনবাগান।</p>
<p>দ্বিতীয়ার্ধে পরিবর্ত হিসাবে নামলেন ম্যাকলারেন। মরশুমের প্রথম গোল পেলেন ম্যাকলারেন। সাহালের ফরওয়ার্ড পাস ধরলেন অজি তারকা। বাগানের হয়ে শেষ গোল করেন অভিষেক সিং টেকচাম।জয়ের মধ্যেও চিন্তা থাকবে গোল মিসের প্রবণতা।</p>
<p>বন্ধ হোক প্রশ্ন পত্র ফাঁস। সব ধরনের প্রশ্নফাঁস নিয়ে প্রতিবাদের আঁচ এবার ময়দানে, সোমবার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে গ্যালারিতে&nbsp; পোস্টার প্রদর্শন করলেন মোহনবাগান সমর্থকরা</p>
<p>&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/mohun-bagan-win-against-cisf]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/0X4Oawit5K8Ig3MhLq6tMknMRKBs2YxGFJLD7VUZ.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[সৌরভ-ডোনাকে খুনের হুমকি দিয়ে চিঠি! থানায় অভিযোগ দায়ের]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 21:51:52 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>"শেষ করে দেব", সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে হুমকি চিঠি। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ ও ত তার স্ত্রী ডোনার নামে হুমকি চিঠি এলো বেহালার বাড়িতে বিষয়টি হালকা ভাবে না নিয়ে থানায় অভিযোগ জানালেন সিএবি সভাপতি।&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>CAB সভাপতির পরিবার সূত্র থেকে খবর পাওয়া গিয়েছে, প্রায় ছয় মাস ধরে নিয়মিতভাবে ঠিক এমন রহস্যময় চিঠি আসছিল। প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল কোন ভক্ত এই ধরনের মজা করে চিঠি পাঠাচ্ছে .তবে সোমবার একটি নতুন চিঠি আসার পর সৌরভ খুলে পড়তেই বিষয়টি সকলের সামনে উঠে আসে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>পুরো চিঠিতে ইংরেজিতে লেখা। এতটাই ছোট অক্ষরে লেখা যে, পড়তে পর্যন্ত সমস্যা হচ্ছিল। ছোট অক্ষরে লেখা হলেও তাতে স্পষ্ট হয়ে যায় যে সৌরভ এবং ডোনাকে মারাত্মক হুমকি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে লেখা হয়েছে বলা হয়েছে, বাড়িতে ঢুকে তাঁদের 'খুন' করে দেওয়া হবে। শুধু সব্যক্তি ডোনা নয়, হুমকির তালিকায় রয়েছেন মহারাজের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা চিঠি পাওয়ার পরই সিএবি সভাপতির তরফ থেকে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ঠাকুরপুকুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়। নিরাপত্তা নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নন সৌরভ।</p>
<p>পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে বেলঘড়িয়ার বাসিন্দা অরুন কুমারের নামে কুরিয়ার মারফত এই চিঠি পাঠানো হয়েছে.চিঠিতে থাকা ফোন নম্বরের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এর আগেও সৌরভ ও ডোনাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকি দেওয়া হয়েছিল যা নিয়ে লালবাজারে সাইবার সেলে তারা অভিযোগ জানিয়েছিলেন. এবার এলো সরাসরি হুমকি চিঠি !&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/sourav-ganguly-get-thret-latter]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/GJzO5bCmUcJCIbqOCvoOa4kO0H3CkDC9xXAeJ45A.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[কলকাতা ও হাওড়ায় বাড়ছে ওয়ার্ড, ১২ অগাস্ট বিশেষ অধিবেশন বিধানসভায়]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 21:51:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে রাজ্যে বিধানসভায় আগামী বুধবার ১২ অগস্ট একদিনের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হচ্ছে । ওই দিনই সংশ্লিষ্ট আইনের সংশোধনী বিল পেশ করবে রাজ্য সরকার।&nbsp;</p>
<p>বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা বর্তমান ১৪৪ থেকে বাড়িয়ে ২০৯ করা হবে। একই সঙ্গে হাওড়া পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৬৮ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই পরিবর্তন কার্যকর করতেই বিধানসভায় সংশোধনী বিল আনা হচ্ছে।&nbsp;</p>
<p>সরকারি সূত্রের খবর, সংশোধনী বিল পাশ হলে নতুন ওয়ার্ড বিন্যাসের কাজ শুরু করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর। এরপর নতুন ওয়ার্ড সীমানা নির্ধারণ, খসড়া প্রকাশ এবং আপত্তি-নিষ্পত্তির মতো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।&nbsp;</p>
<p>বিধানসভা সচিবালয়ের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১২ অগস্ট সকাল ১১টায় বিধানসভার বৈঠক শুরু হবে। ওই দিনের কার্যসূচিতে পুর আইন সংশোধনী বিলই মূল বিষয় হলেও, কম্পট্রোলার এন্ড অডিটির জেনারেলের রিপোর্ট নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে বিধানসভা সূত্রের খবর।&nbsp;</p>
<p>রাজনৈতিক মহলের মতে, পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা বৃদ্ধি হলে কলকাতা ও হাওড়ায় জনসংখ্যার অনুপাতে প্রতিনিধিত্বের ভারসাম্য আনার পাশাপাশি প্রশাসনিক পরিষেবা আরও বিকেন্দ্রীকরণের সুযোগ তৈরি হবে। অন্যদিকে, বিশেষ অধিবেশনে ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা হলে তা রাজনৈতিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/no-of-wards-going-to-increase-of-kolkata-and-howrah]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/NkRsSpA1wehoVyBzzpUYo8IY1s1Jo2N6drfiX53N.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[পুজোয় ৫০০, মার্চে আরও ১০০০ সরকারি বাস! হাইওয়েতে টোটো বন্ধে কড়া বার্তা পরিবহণমন্ত্রীর]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 20:53:22 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>পুজোর আগেই রাজ্যের রাস্তায় নামবে ৫০০টি নতুন সরকারি বাস। আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে আরও ১,০০০টি বাস পরিষেবায় যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় ও রাজ্য সড়কে টোটোর চলাচল রুখতে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং। সোমবার পরিবহণ ব্যবস্থা, পথ নিরাপত্তা এবং সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন তিনি।&nbsp;</p>
<p>পরিবহণমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সরকারি বাসের ঘাটতি রয়েছে। সেই ঘাটতি দূর করতেই পর্যায়ক্রমে নতুন বাস নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, &lsquo;&lsquo;পুজোর আগে ৫০০টি এবং আগামী মার্চের মধ্যে আরও ১,০০০টি সরকারি বাস রাস্তায় নামবে।&rsquo;&rsquo;&nbsp;</p>
<p>সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, রোড সেফটির জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ হলেও দুর্ঘটনার সংখ্যা আশানুরূপ কমছে না। তাঁর মতে, শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, সাধারণ মানুষের সচেতনতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অভিভাবকদেরও আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।&nbsp;</p>
<p>হাইওয়েতে টোটো চলাচল নিয়ে কড়া অবস্থান নেন অর্জুন সিং। তাঁর অভিযোগ, অতীতে অনেক টোটো নিয়ম মেনে নথিভুক্ত হয়নি। তাই জাতীয় ও রাজ্য সড়কে টোটোর চলাচল বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।&nbsp;</p>
<p>সম্প্রতি বিটি রোডে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট গাড়ির ব্রেক বিকল হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&nbsp;</p>
<p>গুরুতর সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে চালকের লাইসেন্স বাতিলের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট গাড়ির নিবন্ধন বাতিলের মতো কঠোর পদক্ষেপের পক্ষেও মত দেন পরিবহণমন্ত্রী। পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের বিষয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।&nbsp;</p>
<p>সরকারি বাস নির্ধারিত স্টপেজে না দাঁড়ানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে অর্জুন সিং বলেন, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। সেগুলির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&nbsp;</p>
<p>পর্যটনকে উৎসাহ দিতে শীতকালে লন্ডনের আদলে ডবল ডেকার বাস চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। তাঁর দাবি, পর্যটন কেন্দ্রিক পরিষেবা হিসেবে এই বাস চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।&nbsp;</p>
<p>সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে আরজি কর-কাণ্ডে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারির দাবির প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন পরিবহণমন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিবারের দাবি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। তাঁর কথায়, &lsquo;&lsquo;অপেক্ষা করুন, নির্মল ঘোষকে গ্রেফতার করা হবে।&rsquo;&rsquo;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/toto-ban-in-highway]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/ll4bODkNIBcSuE2B5RH2Smj5dVqBe3RgHLeTUhqz.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গে ফেরা নিয়ে বামপন্থীদের এত জ্বালা কেন? তীব্র কটাক্ষ তসলিমার]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 20:04:36 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>প্রায় ২০ বছর পর কলকাতায় ফিরে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছিলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। ৫ অগাস্ট শহর ছেড়ে যাওয়ার আগে বলেছিলেন তিনি অক্টোবর মাসে আবার আসবেন। কিন্তু তাঁর কলকাতায় ফেরা নিয়ে বামপন্থীরা রে রে করে উঠেছে। এর কড়া জবাবও সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়েছেন তিনি। প্রশ্ন তুলেছেন,"আমার পশ্চিমবঙ্গে ফেরা নিয়ে বামপন্থীদের এত জ্বালা কেন?"</p>
<p>তসলিমা লিখেছেন,"বাংলাদেশের বামপন্থী তরুণ নেতা মেঘমল্লার বসুকে নিয়ে আমি ফেসবুকে কত লিখেছি! তাঁর সাহসের প্রশংসা করেছি, তাঁর ওপর মৌলবাদীদের আক্রমণের প্রতিবাদ করেছি, এমনকি একদিন তাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দেখতে চাই বলেছি। সেই মেঘমল্লারই এখন আমার বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করছেন।</p>
<p>প্রাক্তন নকশাল প্রশান্ত রায় সাতাশ বছর ধরে আমার প্রকাশক। শুধু প্রকাশক নন, আপন দাদার মতো, আত্মীয়ের মতো কাছের মানুষ। তিনিও এখন আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছেন। বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের সঙ্গেও আমার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক ছিল। তিনিও বাজে কথা বলছেন।</p>
<p>হঠাৎ কী হলো এঁদের? আমার বিরুদ্ধে এত বিষ কেন? আমার অপরাধটা কী?"&nbsp;লেখিকার বক্তব্য,"উনিশ বছর পর আমি পশ্চিমবঙ্গে ফিরেছি&mdash;এটাই অপরাধ? পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন&mdash;এটাই অপরাধ? সেক্যুলার মিশনের কর্ণধার ওসমান মল্লিক আমাকে যে মঞ্চে স্বাগত জানিয়েছেন, সেই মঞ্চে উপস্থিত বক্তাদের কেউ বিজেপির সমর্থক, কেউ সরাসরি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত&mdash;এটাই অপরাধ?</p>
<p>তাঁরা কিন্তু বিজেপির সঙ্গে যুক্ত বলে মঞ্চে ছিলেন না। স্বপন দাশগুপ্ত, তথাগত রায়, মোহিত রায়, শাশ্বতী ঘোষ, বিনায়ক বন্দোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে আমার পশ্চিমবঙ্গে ফেরার পক্ষে কথা বলেছেন, আমার ফেরার অধিকারকে সমর্থন করেছেন। সেই কারণেই তাঁরা ওই মঞ্চে ছিলেন।</p>
<p>আসলে বামপন্থীদের অস্বস্তির কারণটি বুঝতে অসুবিধা হয় না। আমাকে পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ তাঁরা নেননি; উদ্যোগ নিয়েছে কয়েকটি ছোট নাগরিক সংগঠন। আর আমাকে স্বাগত জানিয়েছে বর্তমান বিজেপি সরকার এবং ডানপন্থীরা। বামপন্থীরা যে কাজটি করেননি, তাঁদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষেরা সেই কাজটি করেছেন। এই সত্যই তাঁদের অসহ্য হয়ে উঠেছে।"</p>
<p>তসলিমা আরও জানিয়েছে,"একজন ধর্মনিরপেক্ষ নারীবাদী লেখককে বামফ্রন্ট সরকার পশ্চিমবঙ্গ থেকে তাড়িয়েছিল; উনিশ বছর পর সেই লেখককেই স্বাগত জানিয়েছে একটি বিজেপি সরকার। এই রাজনৈতিক বৈপরীত্য তাঁদের আত্মমূর্তিতে আঘাত করেছে। তাই নিজেদের ব্যর্থতার মুখোমুখি না হয়ে তাঁরা আমাকে বিজেপির লোক বানাতে ব্যস্ত।</p>
<p>কিন্তু আমার ভাষণটি নিয়ে তাঁরা একটি কথাও বলছেন না কেন? আমার ভাষণের একটি বাক্য উদ্ধৃত করে দেখান, কোথায় আমি কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেছি। কোথায় আমি আমার আদর্শ থেকে এক ইঞ্চি সরে গেছি? কোথায় আমি ধর্মনিরপেক্ষতা, নারীর সমানাধিকার, মানববাদ, যুক্তিবাদ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করেছি?</p>
<p>বামপন্থীরা মঞ্চে বসলে কি আমি কমিউনিস্ট হয়ে যেতাম? তা হলে বিজেপির লোকেরা মঞ্চে বসলে আমি বিজেপি হয়ে গেলাম কী করে?</p>
<p>একই মঞ্চে বসা মানে একই মতাদর্শে দীক্ষা নেওয়া নয়। কারও আমন্ত্রণ গ্রহণ করা মানে তাঁর সব রাজনৈতিক মত গ্রহণ করা নয়। আবারও বলছি, কৃতজ্ঞতা আনুগত্যের চুক্তি নয়।</p>
<p>কিন্তু আমার বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা না করে তাঁরা মঞ্চের অতিথিদের রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে আমার পরিচয় নির্ধারণ করছেন। এ যুক্তি নয়, এ গোষ্ঠী-রাজনীতি। তাঁরা আমাকে পশ্চিমবঙ্গে ফেরানোর চেষ্টাও করেননি; অথচ যাঁদের তাঁরা পছন্দ করেন না, তাঁরাই আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের বিষোদ্গারের আসল কারণ সম্ভবত এটিই।"</p>
<p>তসলিমার সংযোজন," বামফ্রন্ট সরকার আমাকে আমার প্রিয় শহর থেকে তাড়িয়েছিল। যে কলকাতাকে ভালোবেসে ইউরোপ-আমেরিকার জীবন ছেড়ে আমি বাস করতে এসেছিলাম, সেই কলকাতা থেকে আমাকে রাতারাতি নির্বাসিত করা হয়েছিল। তারপর কেটে গেল উনিশ বছর। আমাকে ফিরিয়ে আনার জন্য বামপন্থীরা কী করেছিলেন? ক্ষমতায় থাকার সময় নিজেদের সিদ্ধান্ত বদলেছিলেন? ক্ষমতা হারানোর পর কোনও নাগরিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন? কোনও সভা, মিছিল, আবেদন বা প্রতিবাদ করেছিলেন? একবারও কি বলেছিলেন&mdash;একজন বাঙালি লেখকের বাংলায় বাস করার, নিজের প্রিয় শহরে ফেরার অধিকার আছে?</p>
<p>না, কিছুই করেননি।</p>
<p>সম্ভবত তাঁরা চেয়েছিলেন, আমাকে যে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, আমি সেখানেই নিঃশব্দে পড়ে থাকি। বিস্মৃত হই। আমার কণ্ঠ মানুষের কাছে আর না পৌঁছোক। তাঁরা আমাকে ফিরিয়ে আনবেন না, অন্য কেউ ফিরিয়ে আনলে সেটিও সহ্য করবেন না&mdash;এ কেমন রাজনীতি?</p>
<p>আমাকে পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ কোনও সরকার, কোনও রাজনৈতিক দল বা কোনও বিশাল সংগঠন নেয়নি। উদ্যোগ নিয়েছিল ছোট একটি সংগঠন&mdash;সেক্যুলার মিশন। পরে যুক্ত হয়েছিল আরও দুটি ছোট সংগঠন&mdash;&lsquo;পশ্চিমবঙ্গের জন্য&rsquo; এবং হিউম্যান রাইটস বিয়ন্ড ফ্রন্টিয়ার ফাউন্ডেশন। অধিকাংশ মানুষ হয়তো আগে এদের নামও শোনেননি। কিন্তু বড় বড় রাজনৈতিক দল এবং বিখ্যাত সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান যে কাজ উনিশ বছরে করতে পারেনি&mdash;বস্তুত করার চেষ্টাও করেনি&mdash;এই ছোট সংগঠনগুলো সেই বন্ধ দরজা খুলেছে।</p>
<p>আর সেই নাগরিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বর্তমান বিজেপি সরকার। সরকার আমাকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিয়েছে। ডানপন্থীরা প্রকাশ্যে আমার পশ্চিমবঙ্গে ফেরার অধিকারকে সমর্থন করেছেন। এই সত্য স্বীকার করতে আমার কোনও অসুবিধা নেই। সত্য স্বীকার করলেই কেউ ডানপন্থী হয়ে যায় না।"</p>
<p>লেখিকা বলেন,"বিপ্লব সব সময় বড় দলের পতাকা নিয়ে আসে না; কখনও কয়েকজন সাহসী মানুষই বিপ্লব ঘটান।</p>
<p>সেই মঞ্চে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়েরও উপস্থিত থাকার কথা ছিল; আমন্ত্রণপত্রেও তাঁর নাম ছিল। বয়সজনিত কারণে তিনি আসতে পারেননি, কিন্তু ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছেন। তাঁর বার্তা তাঁর উদারতা এবং গণতান্ত্রিক মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে। তিনি বিজেপিবিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গে যুক্ত। আমি জয় গোস্বামীকে মঞ্চে ডেকেছিলাম; তিনিও বিজেপির সমর্থক নন। তা হলে নাগরিক সংবর্ধনার অনুষ্ঠানটি কী করে বিজেপির অনুষ্ঠান হয়ে গেল?</p>
<p>আমার সঙ্গে মঞ্চের প্রত্যেক বক্তার সব বিষয়ে মতের মিল ছিল&mdash;এমন নয়; থাকার প্রয়োজনও নেই। মঞ্চটি কোনও রাজনৈতিক দলের সদস্যপদ বিতরণের মঞ্চ ছিল না। সেটি ছিল উনিশ বছর পর একজন লেখকের নিজের প্রিয় শহরে ফেরার নাগরিক অনুষ্ঠান।</p>
<p>বামপন্থীরা চাইলে অনুষ্ঠানে আসতে পারতেন। আমার ভাষণ ও কবিতা শুনতে পারতেন। আমার সঙ্গে দ্বিমত করতে পারতেন, প্রশ্ন তুলতে পারতেন, তর্ক করতে পারতেন। সেটাই হতো গণতান্ত্রিক আচরণ। কিন্তু তাঁরা আমাকে বয়কট করলেন, তারপর দূরে বসে কুৎসা রটালেন। একে মতাদর্শের দৃঢ়তা বলে না; বলে গোষ্ঠী-অহংকার এবং রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা।</p>
<p>এ অবশ্য নতুন নয়। &lsquo;লজ্জা&rsquo; প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৩ সালে&mdash;তেত্রিশ বছর আগে। সেই তেত্রিশ বছর ধরেই বামপন্থী মহলের একটি বড় অংশ আমার সঙ্গে এই আচরণ করছে। হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে আমি কথা বললে তাঁদের আপত্তি নেই; ইসলামি মৌলবাদের বিরুদ্ধে একই দৃঢ়তায় কথা বললেই তাঁরা অস্বস্তিতে পড়েন। মুসলিম মৌলবাদীরা যত অন্যায়ই করুক, যত নারী নির্যাতন করুক, যত মুক্তচিন্তকের মাথার দাম ঘোষণা করুক, তাদের সমালোচনা করলে বামপন্থীদের একাংশ সহ্য করতে পারেন না।"</p>
<p>তসলিমা আরও লেখেন,"মুসলিম নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা আর ইসলামি মৌলবাদকে রক্ষা করা এক জিনিস নয়। প্রথমটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক দায়িত্ব; দ্বিতীয়টি ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের কাছে আত্মসমর্পণ। যে ধর্মনিরপেক্ষতা এক চোখ দিয়ে হিন্দু মৌলবাদ দেখে, অন্য চোখ দিয়ে ইসলামি মৌলবাদ দেখেও না দেখার ভান করে&mdash;সেটি ধর্মনিরপেক্ষতা নয়, সেটি রাজনৈতিক সুবিধাবাদ।</p>
<p>আজ অশিক্ষিত জিহাদিরা আমার বিরুদ্ধে যে ভাষায় অপপ্রচার চালাচ্ছে, শিক্ষিত বামপন্থীদের একাংশও প্রায় একই ভাষায় একই বিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন। আমি বলছি না, জিহাদি আর বামপন্থী একই মতাদর্শের মানুষ। কিন্তু একজন ধর্মনিরপেক্ষ নারীবাদী লেখককে আক্রমণ করতে গিয়ে যখন দুই পক্ষ একই মিথ্যা, একই কুৎসা এবং একই ঘৃণার ভাষা ব্যবহার করে, তখন তাদের ভাষার মধ্যে নৈতিক পার্থক্যটি কোথায় থাকে?</p>
<p>অশিক্ষিত মৌলবাদীর অন্ধতা দুর্ভাগ্যজনক; শিক্ষিত প্রগতিশীলের সচেতন অসততা আরও লজ্জাজনক।</p>
<p>সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা বামপন্থীরা নিজেদেরই করছেন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে, একজন নির্বাসিত লেখকের পশ্চিমবঙ্গে ফেরার অধিকারের পক্ষে যে জায়গাটিতে সবার আগে বামপন্থীদের দাঁড়ানোর কথা ছিল, সেই জায়গাটি তাঁরা স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিয়েছেন। ফলে ডানপন্থীরা সেই জায়গায় দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>সত্যিটা হলো, এবার ডানপন্থীরা আমার ফেরার অধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। বামপন্থীরা দাঁড়াননি। এখন এই অবস্থানের জন্য ডানপন্থীরা যদি কৃতিত্ব পান, বামপন্থীরা আমাকে দোষ দিচ্ছেন কেন? এই জায়গাটি ডানপন্থীদের হাতে তুলে দিলেন কারা? বামপন্থীরা নিজেরাই।"</p>
<p>তসলিমা বললেন,"আমি কোনও রাজনৈতিক শিবিরের নই। কেউ আমার গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করলে তাঁকে ধন্যবাদ দেব; অন্যায় করলে তাঁর সমালোচনাও করব। বিজেপি সরকারের স্বাগত আমার আনুগত্য কিনে নেয়নি। সরকারের দেওয়া নিরাপত্তা আমার কণ্ঠ রুদ্ধ করেনি। কোনও মঞ্চ, কোনও অতিথি, কোনও রাজনৈতিক দল আমার আদর্শ নির্ধারণ করে না। আমার কণ্ঠ আমারই।</p>
<p>আমি পশ্চিমবঙ্গে ফিরেছি মাথা নত করে নয়, নিজের বিশ্বাস আরও দৃঢ় কণ্ঠে উচ্চারণ করতে। কলকাতার সাধারণ মানুষ আমাকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তার কাছে বামপন্থী বুদ্ধিজীবীদের অনুমোদনের সিলমোহর নিতান্তই তুচ্ছ।</p>
<p>না, লজ্জা আমার নয়। লজ্জা তাঁদের&mdash;যাঁরা আমাকে তাড়িয়েছিলেন, উনিশ বছর নীরব ছিলেন, আমাকে ফিরিয়ে আনার কোনও চেষ্টা করেননি, আর আজ তাঁদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন বলে আমার বিরুদ্ধে বিষ ছড়াচ্ছেন।</p>
<p>পশ্চিমবঙ্গ কোনও রাজনৈতিক দলের জমিদারি নয়। কলকাতাও নয়। পশ্চিমবঙ্গ মানুষের, কলকাতা মানুষের। সেই মানুষের ভালোবাসায় আমি ফিরেছি। আবারও ফিরব।"</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/international/taslima-nasrin-sneers-left-1]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/eyQp2g649wVQFXVaeit5xMHdtLo1uiGEp280svR2.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[বামেদের ‘জেল ভরো’ কর্মসূচি ঘিরে রণক্ষেত্র আসানসোল! গ্রেফতার মীণাক্ষি-সহ একাধিক নেতা]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 19:47:41 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>বামেদের ডাকা দেশব্যাপী &lsquo;আইন অমান্য&rsquo; ও &lsquo;জেল ভরো&rsquo; কর্মসূচিকে ঘিরে সোমবার রণক্ষেত্র আসানসোল। পুলিশ লাইনের কাছে ব্যারিকেড ভাঙাকে কেন্দ্র করে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধস্তাধস্তি হয়। গ্রেফতার করা হয়েছে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীণাক্ষি মুখোপাধ্যায়, রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য পার্থ মুখোপাধ্যায়-সহ একাধিক বাম নেতা-নেত্রীকে।</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/state/financial-aid-in-halishahar-yet-objections-to-the-rg-kar-incident-kunal-slams-bjps-double-standards" target="_blank" rel="noopener noreferrer">হালিশহরে আর্থিক সাহায্য, আরজি কর-কাণ্ডে আপত্তি কেন? বিজেপির &lsquo;দ্বিমুখী নীতি&rsquo; নিয়ে সরব কুণাল</a></p>
<p>সোমবার শতাব্দী পার্ক থেকে জিটি রোড ধরে বিশাল মিছিল শুরু করেন বাম কর্মী-সমর্থকেরা। ভগৎ সিং মোড়ে প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যায় মিছিল। এরপর পুলিশ লাইনের কাছে দ্বিতীয় ব্যারিকেডও ভেঙে ফেলা হয়। দক্ষিণ পুলিশ ফাঁড়ির সামনে তৃতীয় ব্যারিকেডে এসে আটকে যায় মিছিল। সেটিও টপকে যাওয়ার চেষ্টা হলে শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে তুমুল ধস্তাধস্তি।</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/state/chaos-erupts-during-the-lefts-fill-the-jails-protest-in-chinsurah-police-accused-of-lathi-charge" target="_blank" rel="noopener noreferrer">চুঁচুড়ায় বামেদের 'জেল ভরো' কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার! পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ</a></p>
<p>পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী, জলকামান ও দমকল মোতায়েন করা হয়। ব্যারিকেডের সামনে দাঁড়িয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন মীণাক্ষি মুখোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষের উপর একের পর এক জনবিরোধী নীতির বোঝা চাপানো হচ্ছে। রেশন তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া, হকার উচ্ছেদ, কোলিয়ারি ও শিল্পকারখানা বন্ধ, বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধি এবং নারী নির্যাতনের মতো একাধিক ইস্যুতে ক্ষোভ বাড়ছে বলেও দাবি করেন তিনি।</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/state/bengal-up-in-arms-protesting-the-attack-on-mamata-in-halishahar" target="_blank" rel="noopener noreferrer">হালিশহরে মমতার উপর হামলার প্রতিবাদে উত্তাল বাংলা</a></p>
<p>মীণাক্ষির হুঁশিয়ারি, "কড়া পুলিশি পাহারা কিংবা ব্যারিকেড গড়ে এই পুঞ্জীভূত জনরোষকে চেপে রাখা যাবে না।" এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মীণাক্ষি-সহ আন্দোলনরত বাম নেতৃত্বকে আটক করে পুলিশ। দুটি বাস ও একটি প্রিজন ভ্যানে তাঁদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/asansol-turns-into-a-battleground-over-the-lefts-fill-the-jails-protest-meenakshi-and-several-other-leaders-arrested]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/O3LMOvwSEgKKh13xzwEcRacMkE6Zdtb3l8YcvgWg.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের আন্দোলনে দিল্লি পুলিশের অমানবিক অত্যাচার কেন? চাপের মুখে উত্তর দেবেন শাহ]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 19:47:18 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>অবশেষে বিরোধীদের প্রবল চাপের মুখে দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির মিছিলে পড়ুয়াদের উপর পুলিশে অমানবিক ব্যবহারের সমস্ত প্রশ্নের জবাব দেবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার জানালেন সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।&nbsp;</p>
<p>রিজিজুর দাবি, শাহের বক্তব্য পেশের সময়ে বিরোধীরা যেন হট্টগোল না করেন। সংসদের মর্যাদা বজায় রেখে যেন তাঁর কথা শোনা হয়। যদিও মঙ্গলবার সকাল ১১টা পর্যন্ত সংসদের অধিবেশন মুলতুবি করা হয়েছে।&nbsp;</p>
<p>নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরোধিতা করে টানা দীর্ঘদিন ধরে যন্তর মন্তরে আন্দোলন করছিলেন সিজেপি-সহ কয়েকটি সংগঠনের প্রতিনিধিরা। পরিবেশবিদ সোনাম ওয়াংচুক অনশনেও বসেন । সেখান থেকে গত ২০ জুলাই সংসদ ভবন চলো কর্মসূচির ডাক দেন পড়ুয়ারা। এই সংসদ ভবন চলো অভিযান ব্যর্থ করতে দিল্লি পুলিশ পড়ুয়াদের উপর নির্মম অত্যাচার চালিয়েছে। পেলেট গানের ব্যবহার করেছে। দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে। তাই প্রথম থেকেই শাহের বিবৃতি চেয়ে আসছে বিরোধী নেতারা। এবার সেই মতো বিবৃতি দিতে রাজি হলেন মোদি মন্ত্রিসভার সেকেন্ড ইন কমান্ড।</p>
<p>সিজেপির লাগাতার বিক্ষোভ আর আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের অত্যাচারের ইস্যুতেই শাহের বিরুদ্ধে সুর চড়ান লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কংগ্রেস সাংসদের সাফ কথা, শাহের এই নীরবতাই প্রমাণ করে তিনি হিংসাকেই পুরোপুরি সমর্থন করছেন। নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ন্যায্য প্রশ্ন তুলেছিলেন পড়ুয়ারা। কিন্তু রাহুলের অভিযোগ, প্রশ্নের জবাব দেওয়ার বদলে পুলিশ লেলিয়ে দেওয়া হয়। আন্দোলনকারীদের ওপর চলে পেলেট গান। ফাটানো হয় কাঁদানে গ্যাসে সেল। বাদ যায়নি লাঠিচার্জও। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে দ্রুত এই ঘটনার তদন্ত হোক। শাহের জবাব না পাওয়া পর্যন্ত বিরোধীরা এই লড়াই ছেড়ে যাবে না।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/why-police-beaten-students-in-delhi]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/96zfXgtETeP4pXARHGWCDf1KlwQKWcVidRzbZkXh.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[হালিশহরে আর্থিক সাহায্য, আরজি কর-কাণ্ডে আপত্তি কেন? বিজেপির ‘দ্বিমুখী নীতি’ নিয়ে সরব কুণাল]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 19:37:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>হালিশহরে মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর এই ঘটনাকেই সামনে রেখে বিজেপির বিরুদ্ধে &lsquo;দ্বিমুখী নীতি&rsquo;র অভিযোগ তুললেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা তৃণমূলের বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর প্রশ্ন, হালিশহরে আর্থিক সাহায্য করার সিদ্ধান্ত যদি সমর্থনযোগ্য হয়, তা হলে আরজি কর-কাণ্ডের সময় একই ধরনের সরকারি আর্থিক সাহায্য নিয়ে এত প্রশ্ন তোলা হয়েছিল কেন?</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/state/chaos-erupts-during-the-lefts-fill-the-jails-protest-in-chinsurah-police-accused-of-lathi-charge" target="_blank" rel="noopener noreferrer">চুঁচুড়ায় বামেদের 'জেল ভরো' কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার! পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ</a></p>
<p>সোশ্যাল মিডিয়ায় কুণাল লেখেন, পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মী বিরজু কোয়েটের স্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রী ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, টাকা দিয়ে মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হয় না ঠিকই, কিন্তু সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আর্থিক সাহায্যের ব্যবস্থা রয়েছে। সেই কারণেই শুভেন্দু অধিকারীর ১০ লক্ষ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে তিনি সমর্থন করেন।</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/state/bengal-up-in-arms-protesting-the-attack-on-mamata-in-halishahar" target="_blank" rel="noopener noreferrer">হালিশহরে মমতার উপর হামলার প্রতিবাদে উত্তাল বাংলা</a></p>
<p>তবে একই সঙ্গে আরজি কর-কাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপিকে নিশানা করেছেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্যাতিতার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সাহায্যের কথা বলতেই বিরোধীরা &lsquo;টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করার চেষ্টা&rsquo; বলে প্রচার করেছিল। আর্থিক সাহায্যের সরকারি ব্যবস্থাকে ঘুষের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ তাঁর। বিধায়কের প্রশ্ন, "একই ১০ লক্ষ টাকা এক ক্ষেত্রে সাহায্য, আর অন্য ক্ষেত্রে কেন ঘুষ বা মুখ বন্ধের চেষ্টা?" তাঁর দাবি, ক্ষতিপূরণের অর্থ নির্ধারণে সরকারি নিয়ম রয়েছে এবং এর সঙ্গে ঘুষের কোনও সম্পর্ক নেই।</p>
<p>হালিশহরের ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই কুণালের এই মন্তব্য নতুন করে আরজি কর-কাণ্ডের সময়কার বিতর্ক সামনে এনেছে। তাঁর বক্তব্য, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে যদি এখন বিজেপির তরফেও সমর্থন করা হয়, তা হলে অতীতে একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলার যুক্তি নিয়েই প্রশ্ন থাকছে। যদিও বিজেপির তরফে কুণালের এই অভিযোগের জবাব এখনও মেলেনি।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/financial-aid-in-halishahar-yet-objections-to-the-rg-kar-incident-kunal-slams-bjps-double-standards]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/GGlOGj4qBpWd25HnFr1wHtj7u6pVgEeGxdfBzJoy.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[সাহালের হ্যাটট্রিক, সিআইএসএফের বিরুদ্ধেও বড় জয় বাগানের]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 19:36:19 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>&nbsp;</p>
<p>ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মোহনবাগান। সোমবার গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ৬-০ গোলে জিতল মোহনবাগান। সাহালের হ্যাটট্রিক সেইসঙ্গে গোল পেলেন ম্যাকলারেন, মনভীর,অভিষেক। শেষ ম্যাচে সাউথ ইউনাইটেডকে ৮-০ গোলে হারিয়েছিল বাগান।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>১৭ মিনিটে প্রথম গোল করল মোহনবাগান। প্রতিপক্ষ রক্ষণের ভুল বোঝাবুঝিতে বল চলে আসে সাহালের পায়ে। ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে দেন সাহাল। পরের মিনিটেই আবার গোল। মাঝমাঠ থেকে থ্রু বল পেয়ে ড্রাজিক বক্সের মধ্যে ঢুকে গিয়ে সাহালকে বল বাড়ালে গোল করতে ভুল করেননি।</p>
<p>২৮ মিনিটে উইং থেকে টেকচাম পাস থেকে মনবীর সিং বল জালে জড়িয়ে দেন। ৩৭ মিনিটে অনবদ্য গোল সাহালের। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে একক দক্ষতায় বিপক্ষের মহম্মদ খালিদকে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোল করেন। প্রথম ৪৫ মিনিটে চার গোলে এগিয়ে ছিল মোহনবাগান।</p>
<p>দ্বিতীয়ার্ধে পরিবর্ত হিসাবে নামলেন ম্যাকলারেন। মরশুমের প্রথম গোল পেলেন ম্যাকলারেন। সাহালের ফরওয়ার্ড পাস ধরলেন অজি তারকা। বাগানের হয়ে শেষ গোল করেন অভিষেক সিং টেকচাম।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/mohunbagan-win-against-cisf]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/FZgiauDRPs880apuC3xRygAjL2ROTuSiJcGbzBTA.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[কেন্দ্রের ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচিতে শামিল রাজ্য, হবে রাখিবন্ধন উৎসব: ‘তেরঙ্গা যাত্রা’র পরে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 19:11:27 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>এই প্রথম আনুষ্ঠানিক ভাবে কেন্দ্রের &lsquo;হর ঘর তেরঙ্গা&rsquo; কর্মসূচিতে শামিল হল সরকার। স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে সোমবার কলকাতার রাজপথে আয়োজিত তেরঙ্গা যাত্রার নেতৃত্ব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পা মেলান রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য, বিধায়ক-সহ হাজার হাজার মানুষ। শোভাযাত্রা শেষে সরকারি উদ্যোগে রাখিবন্ধন উৎসব পালনের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।&nbsp;</p>
<p>এ দিন গোষ্ঠ পাল সরণি থেকে শুরু হয়ে তেরঙ্গা যাত্রা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের নর্থ &nbsp;গেট পর্যন্ত যায়। মিছিলের সামনেই জাতীয় পতাকা হাতে হাঁটেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh), অর্জুন সিং, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় (Jagannath Chatterjee), দীপক বর্মণ, রত্না দেবনাথ, রুদ্রনীল ঘোষ (Rudranil Ghosh), কৌস্তভ বাগচী-সহ একাধিক মন্ত্রী ও বিধায়ক। &lsquo;প্রতিটি বাড়িতে তেরঙ্গা&rsquo; লেখা ব্যানারের পিছনে জাতীয় পতাকা হাতে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। স্বাধীনতা দিবসের আবহে তেরঙ্গার রঙে সেজে ওঠে মহানগরের রাজপথ।</p>
<p>শোভাযাত্রা শেষে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, চলতি বছর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে সরকারি স্তরে রাখিবন্ধন উৎসব পালিত হবে। তাঁর বক্তব্য, রাখিবন্ধনের তাৎপর্য কেবল ধর্মীয় আচারেই সীমাবদ্ধ নয়; সামাজিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং জাতীয় ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য। এই উৎসবের মাধ্যমে রাজ্যবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে নতুন পশ্চিমবঙ্গ গড়ে তোলার অঙ্গীকারও করেন তিনি।</p>
<p>মুখ্যমন্ত্রী জানান, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে ৭০ লক্ষ জাতীয় পতাকা বিতরণ করা হবে। রাজ্যবাসীর কাছে মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন, ১৫ অগাস্ট প্রত্যেকে নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে &lsquo;হর ঘর তেরঙ্গা&rsquo; কর্মসূচিকে সফল করুন। পাশাপাশি রেড রোডে আয়োজিত সরকারি স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠানেও বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবস (Independence Day) উপলক্ষ্যে ৯ থেকে ১৭ অগাস্ট পর্যন্ত কেন্দ্র সরকার &lsquo;হর ঘর তেরঙ্গা&rsquo; অভিযান পালন করে। অতীতে পশ্চিমবঙ্গে সরকারি স্তরে এই কর্মসূচি পালন করা হয়নি। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর এই প্রথম সরকারি উদ্যোগে কেন্দ্রের এই অভিযানে শামিল হল পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, জাতীয় পতাকাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে রাজ্য সরকারের অংশগ্রহণ কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রেও একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/rakhi-bandhan-festival-to-be-celebrated-chief-minister-announces-after-tiranga-yatra]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/tCOO4RI1BcaRVKL7HUZcask5IAB4ybk0da01AfZB.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[চুঁচুড়ায় বামেদের 'জেল ভরো' কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার! পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 18:42:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>চুঁচুড়ায় বামেদের 'জেল ভরো' কর্মসূচিকে ঘিরে সোমবার ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। হুগলির ঘড়ির মোড়ে ডেপুটেশন দিতে যাওয়ার পথে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙাকে কেন্দ্র করে বাম কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ তুলেছে বামেরা। আটক করা হয়েছে সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক আমজাদ হোসেন-সহ একাধিক বাম কর্মীকে।</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/state/bengal-up-in-arms-protesting-the-attack-on-mamata-in-halishahar" target="_blank" rel="noopener noreferrer">হালিশহরে মমতার উপর হামলার প্রতিবাদে উত্তাল বাংলা</a></p>
<p>সোমবার দুপুরে হুগলি মোড় থেকে মিছিল শুরু করেন বাম সমর্থিত বিভিন্ন সংগঠনের কর্মী-সমর্থকেরা। আখন বাজারে মিছিল শেষ হওয়ার পর সেখানে পথসভা হয়। পরে ১১ দফা দাবি নিয়ে হুগলির জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দিতে এগিয়ে যান তাঁরা। ডিএম অফিসের সামনে আগে থেকেই তিন স্তরের ব্যারিকেড তৈরি রেখেছিল পুলিশ। বামেদের দাবি, প্রথম দু&rsquo;টি ব্যারিকেড পেরিয়ে গেলেও তৃতীয় ব্যারিকেডে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। শুরু হয় বচসা ও ধাক্কাধাক্কি। এরপরই পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ বাম নেতৃত্বের। ঘটনায় বেশ কয়েক জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন বলেও দাবি।</p>
<p>আটকের আগে আমজাদ হোসেনের অভিযোগ, "এটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আইন অমান্য আন্দোলন ছিল। পুলিশ অযাচিত ভাবে কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। মহিলা কর্মীদেরও আক্রমণ করা হয়েছে।" আটক সকলকে অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/state/three-close-associates-of-tulu-detained-following-a-search-in-santiniketan" target="_blank" rel="noopener noreferrer">শান্তিনিকেতনে তল্লাশি চালিয়ে আটক টুলু-ঘনিষ্ঠ ৩</a></p>
<p>বামেদের ১১ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে শ্রমিক-বিরোধী শ্রমকোড বাতিল, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো, কৃষকদের ফসলের লাভজনক দামের আইনি নিশ্চয়তা, এককালীন কৃষিঋণ মকুব, ১০০ দিনের কাজ পুনর্বহাল করে বছরে ২০০ দিন কাজ ও দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং সর্বজনীন গণবণ্টন ব্যবস্থা চালু। পাশাপাশি SIR-এ বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের দ্রুত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির দাবিও জানানো হয়েছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/chaos-erupts-during-the-lefts-fill-the-jails-protest-in-chinsurah-police-accused-of-lathi-charge]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/umSKbe7BHAb5vcQxfaHbk9cE0QFQGmovkQP7FvZQ.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[গোলের সেলিব্রেশনে ফুটবলার ঢুকে গেলেন টানেলের গর্তে, চোটের সঙ্গে পেলেন মন খারাপ করা খবর]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 18:34:28 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>&nbsp;গোল করে নানা ভাবে সেলিব্রেশন করেন ফুটবলাররা। অনেক সময়ই সেলিব্রেশনের পর জানতে পারেন গোল বাতিল বা অফ সাইডের কথা। এমনকি গোল করে নিয়মভাঙা উল্লাস করে কার্ডও দেখেন ফুটবলাররা। কিন্তু গোল করে &nbsp;সেলিব্রেশন করতে গিয়ে সোজা স্টেডিয়ামের টানেলের মধ্যে ঢুকে গেলেন ফুটবলার!</p>
<p><br>ব্রাজিলের লিগে কৌতো পেরেইরা স্টেডিয়ামে শাপেকোয়েন্সের মুখোমুখি হয়েছিল কোরিতিবা। এই &nbsp;ম্যাচে ২-১ গোলে জেতে কোরিতিবা। ম্যাচের মাঝে তাদের ডিফেন্ডার জাসি মারানহাও বক্সের মধ্যে থেকে নিখুঁত হেডে গোল করেন। &nbsp;কিন্তু গোল করার আনন্দে স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে টানেলে ঢুকে গেলেন। এতে চোট পেলেন জাসি মারানহা, টানেল থেকে বেরিয়ে জানতে পারলেন ভিএআরে গোল বাতিল।</p>
<p><br>&nbsp;গোল করে গ্যালারির দিকে সমর্থকদের দিকে যাওয়ার জন্য মাঠের পাশের বিজ্ঞাপনী বোর্ড লাফ দিয়ে টপকাতে যান। ফুটবলারটি জানতেন না বোর্ডের পিছনে রয়েছে টানেলে ঢোকার গর্ত। &nbsp;বোর্ডের জন্য তা ঢাকা পড়ে গিয়েছিল।লাফ দিয়ে সোজা গর্তে ঢুকে যান, কিছুক্ষণের জন্য মাঠ থেকে উধাও হয়ে যান। কিছুক্ষণ পর খোঁড়াতে খোঁড়াতে বেরিয়ে আসেন। বেরিয়ে এসে শুনলেন গোল বাতিল হয়েছে ভিএআরে।</p>
<p><br>এদিকে আরও একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে রাশিয়াতে। রাশিয়ার দ্বিতীয় ডিভিশনের ফুটবল লিগে স্পার্টাক কস্ত্রোমার হয়ে খেলতে নেমেছিলেন মহম্মদি। এসকেএ খাবারোভস্ক-র বিরুদ্ধে ম্যাচে ঘটালেন অদ্ভুত কাণ্ড। প্রতিপক্ষের বক্সের কাছে একটি থ্রো করার সময় মহম্মদি ডিগবাজি খেয়ে বল ছুড়ে দেন। খেলাধুলোর ভাষায় একে &lsquo;সামারসল্ট&rsquo; বলা হয়।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/brazilian-footballer-falls-into-tunnel-while-celebrating-goal]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/4ulZZV8Q8Df5j0XFAgMyCN2K7VswRAHi0qSdbD09.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[হালিশহরে মমতার উপর হামলার প্রতিবাদে উত্তাল বাংলা]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 18:14:49 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>মৃত তৃণমূলকর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রবিবার হামলার মুখে পড়েন তৃণমূলনেত্রী তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার রাজ্য জুড়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দেয় তৃণমূলের কর্মী-সমার্থকরা। তবে শান্তিপূর্ণ মিছিলে নৃশংসভাবে লাঠিচার্জ করেছে। আটক করা হয়েছে অনেক কর্মী- সমার্থককে। শ্যামবাজার, রাজাবাজার, হাজরা, গড়িয়াহাট মোড়-সহ বিভিন্ন জায়গায় মিছিল বের হয়। শ্যামবাজারের মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন যুব নেতা মৃত্যুঞ্জয় পাল। হাজরায় মিছিলের দায়িত্বে ছিলেন তৃণমূলের আইটি সেলের মুখপাত্র উপাসনা চৌধুরী।&nbsp;</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/state/three-close-associates-of-tulu-detained-following-a-search-in-santiniketan" target="_blank" rel="noopener noreferrer">শান্তিনিকেতনে তল্লাশি চালিয়ে আটক টুলু-ঘনিষ্ঠ ৩</a></p>
<p>ঘটনার সূত্রপাত রবিবার। পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে হালিশহরে গিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো &nbsp;মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন-সহ দলের একাধিক নেতা। অভিযোগ, সেখানে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়া হয়। মিছিলে দাবি তোলা হয়, আসল অপরাধী কারা তাঁদের খুঁজে বার করে আসল দোষীদের শাস্তি দেওয়া।&nbsp;</p>
<p>তৃণমূলের অভিযোগ, এই হামলা পূর্বপরিকল্পিত। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার মিছিলের ডাক দেওয়া হলেও বিভিন্ন থানার তরফে অনুমতি দেওয়া হয়নি বলেও দলের দাবি। এদিন মিছিলে প্রবল ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষ বাধে। এর মধ্যেই শ্যামবাজার, হাজরা-সহ একাধিক জায়গায় মিছিল থেকে মৃত্যুঞ্জয় পাল, উপাসনা চৌধুরী-সহ বেশ কয়েক জন তৃণমূল কর্মী-সমর্থককে পুলিশ আটক করেছে। হাজরা থেকে ৩০ জনকে আটক করে কালীঘাট থানায় নিয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। ফলে মমতার উপর হামলার প্রতিবাদ ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে চড়ছে উত্তাপ।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/bengal-up-in-arms-protesting-the-attack-on-mamata-in-halishahar]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/gB1fFfFlCf6PYJcsz0XaKvMcQhvHxZwxj9gijRLg.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[গদ্দার এই অফিসে ঢুকবে না: যাদবপুরে সায়নীর পার্টি অফিসে ফ্লেক্স ঝুলিয়ে তালা দিলেন বসুন্ধরারা]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 18:09:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>&rdquo;কোনও গদ্দার এই অফিসে ঢুকবে না&rdquo; লেখা ফ্লেক্স ঝুলিয়ে ড়ফা এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় দুলাল দাস ঠাকুর ভবন কার্যালয়ে তালা দিলেন মমতা-পন্থী তৃণমূল নেতা-নেত্রীরা। সোমবার, বসুন্ধরা গোস্বামীর নেতৃত্বে তৃণমূলের প্রতীকে জিতে এনসিপিআই-তে যাওয়া সাংসদ সায়নী ঘোষের কার্যালয়ে তালা বন্ধ করা হয়েছে। সায়নী ঘোষের সহকারীকেও ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন মমতাপন্থী তৃণমূল কর্মীরা। সংসদের অধিবেশন চলায় এই মুহূর্তে দিল্লিতে রয়েছেন সায়নী৷ এ দিনের বিক্ষোভ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর কার্যত এড়িয়ে যান তিনি।&nbsp;</p>
<p>তৃণমূলের প্রতীক ও &nbsp;মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া টিকিটেই চব্বিশের লোকসভা ভোটে যাদবপুর থেকে জয়ী হয়েছেন সায়নী। পালা বদলের পরে সুর বদলেছে সাংসদের। বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে এক অনামী দল এনসিপিআই-এ নাম লিখিয়েছেন সায়নী-সহ আরও ২০ তৃণমূল সাংসদ। তবে, স্পিকার স্বীকৃতি না দেওয়ায় খাতায় কলমে এখনও তৃণমূল সাংসদ তাঁরা। নিজের সংসদীয় এলাকা যাদবপুরেই সায়নীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ তৃণমূলের। &nbsp;</p>
<p>সোমবার সকালে আচমকাই গড়ফা এলাকার তৃণমূলের কার্যালয় দুলাল দাস ঠাকুর ভবন কার্যালয়ে বাইরে ভিড় জমান মমতাপন্থী তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা৷ কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর বসুন্ধরা গোস্বামীর নেতৃত্বেই শুরু হয় বিক্ষোভ৷ তাঁর কথায়, &ldquo;আমাদের দলের পার্টি অফিসে সেফ এনভায়োরনমেন্টটা উনি, ব্যবহার করতে পারেন না। ওনার জনসংযোগ করার দরকার হলে, অন্য জায়গায় অফিস করে, সেখানে করুন। আমাদের অফিসে আর নয়। আমরা এটাকে মেনে নেওয়া বা সহ্য করব না।&ldquo; আরেক তৃণমূল নেতার কথায়, &ldquo;আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে আছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথেই থাকব। উনি যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছেড়েছেন, ওনার নিজের নৈতিকতা থাকা উচিত যে, আমি ওই পার্টি অফিসগুলিতে যাব না। ওনার নৈতিকতার অভাব আছে। সেটা বাংলার মানুষ দেখেছে, যখন ওনারা ২০ জন বেরিয়ে গিয়েছিল। তখনও বোঝা গিয়েছে, ওনাদের নৈতিকতার অভাব। এখনও বোঝা যাচ্ছে, এই নৈতিকতার অভাবের জন্য আজকে ওনাদের এই অবস্থা।&ldquo;&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/basundhara-and-her-associates-hung-a-banner-and-locked-sayanis-party-office-adavpur]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/K80845v7UR2YujJasPWq0KeAuQJZflUIZvmDpFWk.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[তারেকের সঙ্গে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ঘিরে জল্পনা]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 17:54:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Prime Minister of Bangladesh Tarique Rahman) সঙ্গে এবার দেখা করলেন ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী (Indian Ambassador Dinesh Trivedi)। সোমবার দুপুর পৌনে ১২টা নাগাদ (ভারতীয় সময় অনুসারে) বাংলাদেশের সচিবালয়ে দু&rsquo;জনের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয় বলে খবর। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসাবে নিযুক্ত হওয়ার পর তারেকের সঙ্গে এই প্রথম সাক্ষাৎ হল দীনেশের।</p>
<p>তবে এদিনের বৈঠকে তারেক এবং দীনেশের মধ্যে ঠিক কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে সেই নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তবে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina) নিয়ে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে নতুন করে যে চাপানউতর তৈরি হয়েছে, সেই নিয়ে যে আলোচনা হয়েছে আশা করাই যায়।</p>
<p>কিছুদিন আগেই জানা যায় বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করে ১২-১৩ সেপ্টেম্বর থেকে চলা দিল্লির ব্রিক্&zwnj;স সম্মেলনে (Delhi BRICS Summit) যোগ দিতে তারেকের ভারতে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে শেষ মুহূর্তে কোন সমাধানসূত্র পাওয়া নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক মহল বেশ আশাবাদী। এর মাঝেই দীনেশ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কিনা, সেটা জানা যায়নি। ভারতীয় দূতাবাসের তরফে সমাজমাধ্যমে বৈঠকের ছবি পোস্ট করে লেখা হয়েছে, &ldquo;রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর তরফে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাংলাদেশের সরকার এবং সে দেশের জনগণের সঙ্গে যৌথ ভাবে ইতিবাচক, গঠনমূলক কাজ করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।&rdquo; সূত্রের খবর, দীনেশের সঙ্গে বৈঠকে হাসিনা এবং শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের প্রত্যর্পণের বিষয়টি তোলেন তারেক। এই বৈঠকের পরে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, ব্রিক্&zwnj;স সম্মেলনে তারেক যোগ দেবেন কিনা, সেই বিষয়ে এখনই কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। অন্য দিকে, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠকের পর দীনেশ জানিয়েছেন, &ldquo;এমন কোনও ইস্যু নেই, যেটা বসে সমাধান করা সম্ভব নয়। ইস্যু থাকবে, সেটার সমাধানও হবে। তবে দুই দেশের মানুষের ইস্যু একটাই। সেটি হল ভাল সম্পর্ক।&rdquo;</p>
<p>প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই দিল্লিতে হাসিনার সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে দু&rsquo;দেশের মধ্যে। যদিও ভারত নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে হাসিনার সাংবাদিক বৈঠকের সঙ্গে সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই। ওই মঞ্চে বলা ব্যক্তব্যের সাথে একমত নয় ভারত সরকার। কিন্তু এদিকে ভারতের এই অবস্থান মানতে নারাজ বাংলাদেশ। তাদের দাবি, ভারতে থেকে হাসিনা রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর সুযোগ নিচ্ছেন। ভারত সরকার যদি হাসিনাকে সেই সুযোগ করে দেয়, তবে বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে কিনা সেটা চিন্তার বিষয়। এমতাবস্থায় তারেকের ভারতে আসাও প্রশ্নের মুখে।&nbsp;</p>
<p>দীনেশ অবশ্য বলেছিলেন, &ldquo;বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমরা সবাই অনেক সম্মান করি। আমার মতে, যদি দুই রাষ্ট্রনেতা আলোচনা করেন তবে অনেক সমস্যার সমাধান হবে। আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের পথ বের করা সম্ভব। এখানে কোনও নেতিবাচক দিক নেই। সবটাই ইতিবাচক।&rsquo;&rsquo;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/speculation-surrounds-the-indian-high-commissioners-meeting-with-tarique]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/yNKGEENpBKLtLQL2i2Gkx7GYdjiCwBm4CEko7g7g.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে বেনিয়ম! প্রশ্নের মুখে কেন্দ্রের নজরদারি ব্যবস্থা]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 17:23:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের চিকিৎসার খরচ কমানোর লক্ষ্যে ঢাকঢোল পিটিয়ে চালু করা হয়েছিল আয়ুষ্মান ভারত-প্রধানমন্ত্রী জন-আরোগ্য যোজনা (Ayushman Bharat-Pradhan Mantri Jan Arogya Yojana)। প্রকল্পের নিয়ম না মানার অভিযোগে ২৩৫৯টি হাসপাতালকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। একই কারণে আরও ১২০০টি হাসপাতালকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। লোকসভায় লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নড্ডা (Union Health Minister JP Nadda) এই তথ্য জানিয়েছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, অনিয়মের এমন বিস্তার ঘটার আগে কেন্দ্রের নজরদারি ব্যবস্থা আদৌ কতটা সক্রিয় ছিল?</p>
<p>দেশের সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে যে স্বাস্থ্য প্রকল্পকে কেন্দ্রীয় সরকার নিজেদের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরে, সেই আয়ুষ্মান ভারতেই এবার সামনে এল অনিয়মের বড়সড় ছবি। এই অভিযোগে হাসপাতাল বাদ দেওয়া এবং আয়ুষ্মান ভারতের নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনায় ২৯টি এফআইআর দায়ের করেছে কেন্দ্র। অভিযুক্ত হাসপাতালগুলির উপর মোট ৩২৮.৪৯ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। ভুয়ো দাবি, বেআইনি বিল তৈরি এবং প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে প্রতারণা রুখতেই এই ব্যবস্থা বলে কেন্দ্রের বক্তব্য। কিন্তু এতগুলি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্যই কার্যত কেন্দ্রের স্বাস্থ্যবিমা ব্যবস্থার উপর নজরদারির কার্যকারিতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। তালিকা থেকে বাদ পড়া হাসপাতালগুলিতে আপাতত আয়ুষ্মান ভারতের &lsquo;ক্যাশলেস&rsquo; চিকিৎসা মিলবে না। ফলে প্রকল্পের সুবিধা নিতে যাওয়ার আগে হাসপাতালটি এখনও অনুমোদিত তালিকায় রয়েছে কি না, তা যাচাই করার দায়িত্বও কার্যত উপভোক্তাদের উপরই পড়ছে।</p>
<p>অনিয়ম ঠেকাতে এবার প্রযুক্তির উপর ভরসা করছে কেন্দ্র। জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে ভুয়ো বিল, একই দাবির পুনরাবৃত্তি এবং ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার মতো কারচুপি শনাক্ত করছে। কেন্দ্রের দাবি, হাসপাতাল কোনও আর্থিক দাবি জমা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সন্দেহজনক লেনদেন চিহ্নিত করা যাচ্ছে। অর্থ মেটানোর আগেই আটকে দেওয়া হচ্ছে ভুয়ো দাবি। কেন্দ্রের হিসাবে, ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ৬৭৬.১৬ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।</p>
<p>২০১৮ সালে নরেন্দ্র মোদির আমলে চালু হওয়া আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট পরিবারকে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার কথা। এনএইচএ-র পোর্টাল অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৮ অগস্ট পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় রয়েছে ৩৪ হাজার ৪৩৭টি হাসপাতাল। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতাল ২০ হাজার ৩৬৩টি এবং বেসরকারি হাসপাতাল ১৮ হাজার ৭৪টি। এত বড় পরিসরের একটি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে হাজার হাজার হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য সামনে আসায় প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে&mdash;কেন্দ্রের এত প্রচারিত স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্পে অনিয়ম রুখতে নজরদারি ব্যবস্থা কি যথেষ্ট ছিল, নাকি অনিয়ম সামনে আসার পরেই সক্রিয় হচ্ছে কেন্দ্র?</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/irregularities-in-the-ayushman-bharat-scheme-centres-monitoring-system-under-scrutiny]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/3cz8Hetr2DOxnQKCQhLUmJ1ZM7zcVkqrvBgxXkSg.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[মমতার ছবি ছাড়া ১০টা ভোটও পাব না: বিধানসভায় শোভনদেব-কুণালদের বিক্ষোভে পা মিলিয়ে সাফ জানালেন ঋতব্রত-পন্থী বিধায়করা]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 17:15:55 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>হালিশহরে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) গাড়ির উপর হামলার প্রতিবাদে সোমবার বিধানসভায় প্রতিবাদ কর্মসূচি করে তৃণমূল। সেখানে মমতা-পন্থী বিধায়কদের পাশাপাশি ছিলেন ঋতব্রত-শিবিরের বিধায়ক মহম্মদ তৌসিফ রহমান, আবদুল খালেক মোল্লা ও বিধান সর্দার। প্রতিবাদ মিছিলের পরে সাংবাদিক বৈঠকে তৌসিফরা জানান, তৃণমূল সুপ্রিমোর উপর এই হামলা তাঁরা কোনও মতেই মেনে নেবেন না। তাঁদের একমাত্র পরিচয় তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ও ছবি ব্যবহার করে জিতে আসা বিধায়ক। <img style="max-width: 100%; height: auto; display: inline-block;" src="https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/2QUOeNNo4XecYa42nMdHSrUWiOTtCLwhrK3aduqK.jpg" alt=""></p>
<p>হালিশহরে থানা হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর (TMC Worker) পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে &lsquo;লুম্বেনদের&rsquo; হামলার মুখে পড়েন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে বড় বড় পাথর-ইট ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে হামলার প্রতিবাদে তৃণমূলের মুখপাত্র তথা বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) সোমবার প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেন। বিধানসভা ছাড়াও কলকাতার বেশ কয়েকটি জায়গায় বিক্ষোভ মিছিল হয়। বিধানসভার বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ-সহ তৃণমূল বিধায়করা বিধানসভা চত্বরে বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন ঋতব্রত-শিবিরের বিধায়ক বলে পরিচিত তৌসিফ রহমান, আবদুল খালেক মোল্লারা।&nbsp;</p>
<p>এর পরে সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Sovandev Chatterjee) পাশে দেখা যায় বসিরহাটের বিধায়ক তউসিফ রহমান, মেটিয়াবুরুজের বিধায়ক আবদুল খালেক মোল্লা ও বারুইপুপ-পূর্বের বিধায়ক বিভাস সর্দারকে। হামলার তীব্র প্রতিবাদ করে কুণাল বলেন, &ldquo;যারা হামলা করেছে তাদের সরকার মদত দিচ্ছে। তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করত হবে। তাদের চিহ্নিত করতে হবে। ভয় দেখিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে থামানো যাবে না।&rdquo;</p>
<p>এর পরেই এই তিন ঋতব্রত-শিবিরের বিধায়কদের কাছে প্রশ্ন ধেয়ে আসে। সাংবাদিকরা জানতে চান তাহলে কি এঁরা মমতা-শিবিরে ফিরছেন। তিন বিধায়ক উত্তর দেওয়ার আগে, কুণাল ঘোষ জানান, &rdquo;আমরা কোনও বিভাজন করি না। এই তিনজন ছাড়াও অনেকেই দলনেত্রীর উপর হামলার পরেই যোগাযোগ করেছেন। অনেক বাধ্যবাধকতায় হয়ত আসতে পারেননি, অনেকে আবার নিজের জায়গায় প্রতিবাদ দেখিয়েছেন।&rdquo;&nbsp;</p>
<p>তৌসিফ রহমান বলেন, &ldquo;যেখানে দিদি সেখানে আমি। আমি বসিরহাটে ১০টা ভোট পাব না, যদি মমতার ছবি না থাকে। আমাদের ঋতব্রত শিবিরের তরফে বলা হয়েছিল মমতাদি চেয়ারম্যান হবেন। কিন্তু আজ হবে, কাল হবে করে আর হয়নি।&rdquo;</p>
<p>বিভাস সর্দার বলেন, &ldquo;আমাদের নেত্রীর উপর আঘাত হয়েছে। তীব্র প্রতিবাদ করছি। মমতার প্রতীকে জিতেছি। তৃণমূলের ৮০ জনেরই এর প্রতিবাদ করা উচিৎ।&rdquo;</p>
<p>আবদুল খালেক মোল্লার কথায় বলেন, &ldquo;নেত্রীর গাড়িতে আঘাতের প্রতিবাদ করছি। আমি ঋতব্রতপন্থী হতে পারি কিন্তু তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ করছি।&rdquo;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/mlas-aligned-with-ritabrata-stated-this-bluntly-while-joining-the-protest-led-by-kunal]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/ah8vhA81Pi70tLGgL9XY78KIHjkTJPDabhQCMiar.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[শান্তিনিকেতনে তল্লাশি চালিয়ে আটক টুলু-ঘনিষ্ঠ ৩]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 16:33:10 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>শান্তিনিকেতনে সোনাঝুড়ি জঙ্গলের কাছে তল্লাশি চালিয়ে টুলু 'ঘনিষ্ঠ' তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই ওই বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে ছিলেন তাঁরা। যদিও আটকের বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে কিছু জানায়নি পুলিশ। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তল্লাশি চালানো ওই বাড়িটিতে ঢোকার মুখে বেশ কয়েক মাস ধরে একটি গাড়ি পড়ে ছিল। সূত্রের খবর, গাড়িটি টুলুর শ্যালক এমডি শামসুর আলমের। তবে এ বিষয়ে পুলিশের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/international/india-gifts-a-peacock-to-the-un" target="_blank" rel="noopener noreferrer">রাষ্ট্রসংঘকে ময়ূর উপহার ভারতের</a></p>
<p>সম্প্রতি বীরভূমের মহম্মদবাজারের ডেউচা গ্রামে টুলুর আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে নগদ প্রায় ২৮.৫ কোটি টাকা এবং ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে বীরভূম জেলা পুলিশ। মামলায় প্রধান অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছে টুলুর নাম। তাঁর বিরুদ্ধে খুন-সহ একাধিক মামলা রয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে খবর।</p>
<p>বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই আত্মগোপন করেছে টুলু। তিনি বিদেশে আত্মগোপন করেছেন বলে জল্পনা রয়েছে। এদিকে নিরাপত্তা এবং আইনি রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বীরভূমের পুলিশ সুপার বিদিত রাজ বুন্দেশ জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত টুলুর প্রায় ২২০ কোটি টাকার সম্পত্তি &lsquo;ফ্রিজ&rsquo; করা হয়েছে। এর মধ্যে মিনারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া নগদ টাকা ও সোনাও রয়েছে। পুলিশি জেরায় মিনার দাবি করেছেন, টুলু তাঁকে তাঁর সম্পত্তি দেখভালের দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন। তবে টুলু বর্তমানে কোথায়, তা এখনও স্পষ্ট নয়।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/three-close-associates-of-tulu-detained-following-a-search-in-santiniketan]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/3ilU4kQMv8um04X7N5yVxVS32GcQ34CxpxvlEgpY.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[ফাইনম্যানের ছাত্র থেকে ডিরাক মেডেল: বিশ্বমঞ্চে সম্মানিত ভারতীয় পদার্থবিদ]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 15:52:37 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় ভারতের মুকুটে আরও একটি পালক। স্ট্যাটিস্টিক্যাল মেকানিক্সে (Statistical Mechanics) উল্লেখযোগ্য কাজের জন্য ২০২৬ সালের ডিরাক মেডেলে সম্মানিত হচ্ছেন ভারতীয় পদার্থবিদ দীপক ধর (Indian physicist Deepak Dhar)। আন্তর্জাতিক তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান কেন্দ্র (ICTP)-র এই সম্মান তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যার ক্ষেত্রে অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি। স্ট্যাটিস্টিক্যাল মেকানিক্সে তাঁর দীর্ঘদিনের গবেষণা এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এ বছরের সম্মান দেওয়া হচ্ছে। ১৯৮৫ সালে প্রবর্তনের পর থেকে এই পুরস্কার বিশ্বের প্রথম সারির তাত্ত্বিক পদার্থবিদদের সম্মানিত করে আসছে।</p>
<p>ধরের গবেষণাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় স্যান্ডপাইল মডেলকে কেন্দ্র করে তাঁর কাজ। সেখান থেকেই তৈরি হয় &lsquo;ধরের বার্নিং অ্যালগরিদম&rsquo;, যা পরবর্তী সময়ে সেল্ফ-অর্গানাইজড ক্রিটিক্যালিটি এবং জটিল ব্যবস্থার গবেষণায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। ১৯৮৫ সালে শুরু হওয়া ডিরাক মেডেল তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। স্টিফেন হকিংসের (Stephen Hawking) মতো বিজ্ঞানীরাও অতীতে এই সম্মান পেয়েছেন। সেই পুরস্কারের তালিকায় এবার যুক্ত হল দীপক ধরের নাম।</p>
<p>উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড়ে ১৯৫১ সালে জন্ম ধরের। হিন্দি মাধ্যমে তাঁর পড়াশোনার শুরু। এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Allahabad) পর আইআইটি কানপুর (IIT Kanpur) থেকে এমএসসি করেন তিনি। উচ্চশিক্ষার পরবর্তী ধাপে ক্যালটেকে গিয়ে রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) ফেলোশিপ পান। সেখানেই রিচার্ড ফাইনম্যানের সঙ্গে কাজ করেন এবং তাঁর টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ সালে পিএইচডি শেষ করে দেশে ফিরে টিআইএফআরে যোগ দেন। পরে প্রায় আট বছর আইআইএসইআর পুনেতে অধ্যাপনা করেছেন। টিআইএফআরে আনুষ্ঠানিক গবেষণা-পরামর্শদাতা ছাড়াই কাজ শুরু করলেও ধীরে ধীরে তাত্ত্বিক পদার্থবিদদের একটি শক্তিশালী গবেষণা গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে ওঠেন।</p>
<p>দীর্ঘ কর্মজীবনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে একাধিক সম্মান পেয়েছেন ধর। ২০২২ সালে তিনি বোল্টজম্যান মেডেল অর্জন করেন এবং এই সম্মান পাওয়া প্রথম ভারতীয় তিনি। পরের বছর তাঁকে পদ্মভূষণে সম্মানিত করে ভারত সরকার। এবার ডিরাক মেডেল তাঁর গবেষণার স্বীকৃতির তালিকায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন&nbsp;হয়ে রইল।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/from-feynmans-student-to-the-dirac-medal-indian-physicist-honoured-on-the-global-stage]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/hAqTEwXIlRDljsHQtVAPKkKYBEz3Xy7txUNAzTUX.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[বিদেশের পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রীকে ‘ডিম্বাস্ত্র’ প্রয়োগ সাংসদের]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 15:41:54 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>বাংলার &lsquo;ডিম থেরাপি&rsquo; বিদেশের পার্লামেন্টেও (Parliament)! কসোভোর পার্লামেন্টে ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) আলবিন কুর্তির দিকে ডিম (Egg) ছুড়ে মারেন বিরোধীদলের মহিলা সাংসদ (MP) টিম কাদ্রিজাজ। এরপরেই হট্টগোল শুরু হয় এবং পার্লামেন্টের কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। তবে এই ডিম ছোড়ার মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি হয়ে যায় এবং সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল (Video Social Viral) হয়ে ওঠে খুব কম সময়ের মধ্যেই।</p>
<p>পার্লামেন্ট নির্বাচনের (Parliament Election) পর নতুন সরকার গঠন নিয়ে আলবিন কুর্তির দল &lsquo;ভেতেভেনদোশে&rsquo; বিরোধী দলগুলির সঙ্গে আলোচনা শুরু করার সময় টিম তাঁর ব্যাগ থেকে ডিম বার করে প্রধানমন্ত্রীর দিকে ছুড়ে মারেন। &lsquo;ধিক্কার&rsquo; বলে চিৎকারও করতে থাকেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ডিম ছোড়ার পরে তাঁকে ধরে ফেলা হয়। যদিও প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন আলোচনার জন্য যদি মূল্য এই হয়, তবে তিনি এই সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নেবেন। কুর্তির দল ১২০টি আসনের মধ্যে ৫৩টি আসনে জয়লাভ করে এখন প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। যদিও একক ভাবে সরকার গঠনের জন্য কুর্তির সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল না। এদিন &lsquo;অ্যালায়েন্স ফর দ্য ফিউচার অফ কসোভো&rsquo;-এর টিম কুর্তির কাছে গিয়ে ডিম ছুড়ে মারলে সংসদে তুমুল হট্টগোল শুরু হয়।&nbsp;</p>
<p>ইনস্টাগ্রামে &lsquo;টিটিওয়ার্ল্ড&rsquo; নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে এই ভিডিও পোস্ট (Video Post) করা হয়। ভিডিয়োটি দেখার পর বহু মানুষ এই ঘটনার নিন্দা করেছেন। প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তাকর্মীদের নজর এড়িয়ে ব্যাগে ডিম নিয়ে সংসদে তিনি প্রবেশ করলেন কী ভাবে? অনেকেই আবার বাংলায় পরিবর্তনের পর রাজ্যের পরিস্থিতির সঙ্গে মিল খুঁজে পাচ্ছেন।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/international/mp-hurls-egg-missile-prime-minister-in-foreign-parliament]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/ntIJ1ELsnTHHwrJFyUvWd8OA6MtEIZllMO1528eg.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[রাষ্ট্রসংঘকে ময়ূর উপহার ভারতের]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 14:42:49 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>কয়েক দশকের পুরনো এক ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করে ভারত জেনেভায় অবস্থিত রাষ্ট্রসংঘের কার্যালয়কে (ইউএনওজি) পাঁচটি ময়ূর উপহার দিয়েছে। এর মধ্যে একটি বিরল সাদা পালকযুক্ত ময়ূরও রয়েছে। শুক্রবার আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে জেনেভায় রাষ্ট্রসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি অরিন্দম বাগচী আনুষ্ঠানিকভাবে তাতিয়ানা ভালোভায়ার কাছে ময়ূরগুলো হস্তান্তর করেন। পাঁচটি ময়ূরের মধ্যে রয়েছে চারটি নীল ময়ূর এবং একটি সাদা পালকযুক্ত পুরুষ ময়ূর। এই নিয়ে ভারত দ্বিতীয়বার ইউএনওজি (UNOG)-কে ময়ূর উপহার দিল। এর আগে ১৯৮১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দিল্লি চিড়িয়াখানা থেকে প্রজননক্ষম এক জোড়া ময়ূর পাঠিয়েছিলেন।</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/state/plea-to-quash-four-firs-sumit-moves-calcutta-high-court-again" target="_blank" rel="noopener noreferrer">চার FIR বাতিলের আর্জি! ফের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ সুমিত</a></p>
<p>ভারতীয় মিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, "লাবণ্য, সৌন্দর্য ও সহনশীলতার প্রতীক ভারতীয় ময়ূর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশের সুরক্ষার প্রতি ভারতের অঙ্গীকারের প্রতিনিধিত্ব করে।" জেনেভায় ভারতের মিশনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, এই উদ্যোগের জন্য ভালোভায়া ভারত সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। জেনেভা বায়োপার্ক চিড়িয়াখানার পরিচালক টোবিয়াস ব্লাহা জানিয়েছেন, পাখিগুলোর জন্য এটি সত্যিই এক স্বপ্নের বাসস্থান হতে চলেছে। জাতিসংঘের কর্মীদের পাশাপাশি এই চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষ পাখিগুলোর দেখাশোনার দায়িত্বে থাকবে।</p>
<p>ময়ূরগুলোকে প্রথমে প্রায় তিন মাস একটি ঘেরা জায়গায় রাখা হবে; এরপর জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দফতর সংলগ্ন আরিয়ানা পার্কে সেগুলোকে অবাধে বিচরণ করার সুযোগ দেওয়া হবে। আগে এই চত্বরে মাত্র একটি ময়ূর ঘুরে বেড়াত এবং সেটিকেও খুব কমই দেখা যেত। বর্তমানে যা ইউএনওজি প্রাঙ্গণ, সেটা একসময় সুইস শিল্প সংগ্রাহক গুস্তাভ রেভিলিওডের ব্যক্তিগত সম্পত্তি ছিল। সেখানে ময়ূরের উপস্থিতি বরাবরই দেখা যেত। ইউএনওজি খুব শীঘ্রই ময়ূরগুলোর নামকরণের জন্য একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে বলে জানা গিয়েছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/international/india-gifts-a-peacock-to-the-un]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/kIzaNRKp8olkwLJINlmN1EIZzN1Awh4vanxaNi7K.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[ভরসা out, ভয় in! মমতা কনভয়ে হামলার তীব্র নিন্দা অভিষেকের, কটাক্ষ রাজ্য প্রশাসনকে]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 14:37:20 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>হালিশহরের ভূতবাগানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কনভয়ে হামলার তীব্র নিন্দা করলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সাংসদ চত্বরে ক্ষোভ উগরে অভিষেক বলেন, &ldquo;আগে আমার উপর হামলা হয়েছে, এবার আমাদের চেয়ারপার্সনের উপরও হামলা হল। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটতে পারে?&rdquo; তাঁর কথায়, &ldquo;ভরসা out, ভয় in&rdquo;। রাজ্য প্রশাসনকে তীব্র কটাক্ষ বলে অভিষেক বলেন, গত তিনমাসে বাংলায় আইন-শৃঙ্খলার চরম বিপর্যয় ঘটেছে।</p>
<p>সরাসরি সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিজেপি সরকারের (BJP Government) আমলে বাংলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সম্পূর্ণ শেষ। পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু থেকে শুরু করে তৃণমূল কর্মী খুন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর উপর হামলা- একের পর এক ঘটনায় প্রশাসনকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, শোকাহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় বিজেপির মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় দলনেত্রী গুরুতর আহত হতে পারতেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তৃণমূল সাংসদ। বাংলায় আইন-শৃঙ্খলার চরম বিপর্যয় ঘটেছে বলে অভিযোগ করে তাঁর প্রশ্ন, রাজনৈতিক হিংসাই কি বর্তমান সরকারের একমাত্র অস্ত্র?&nbsp;</p>
<p>তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নিজের দলের এক কর্মীর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে যাওয়ার সময়ও যদি নিরাপত্তা না পান, তাহলে তা শুধু পুলিশের (Police) ব্যর্থতা নয়, সরকারের প্রশাসনিক ব্যর্থতা। তাঁর কথায়, যে সরকার মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, রাজনৈতিক কর্মীদের রক্ষা করতে পারে না, পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু ঠেকাতে পারে না এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়- তার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উপদেশ দেওয়ার নৈতিক অধিকার নেই।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/abhishek-strongly-condemns-the-attack-on-mamatas-convoy]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/Gsad4DznMUL5T3tjTr02N4eTWSKoVbCIkcU4WC9d.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[নিয়োগ কেলেঙ্কারির আঁচে উত্তাল রাঁচি, বিধানসভা অভিযানে পড়ুয়ারা]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 14:34:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>ঝাড়খণ্ডে সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সোমবার তীব্র হল ছাত্র আন্দোলন। একদিকে দাবিদাওয়া নিয়ে বিধানসভার দিকে রওনা দেন আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা, অন্যদিকে একই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের (Chief Minister Hemant Soren) বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে বসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারাণ্ডি (Former Chief Minister Babulal Marandi), বিজেপি নেতা আদিত্য সাহু-সহ দলের কর্মীরা। পড়ুয়াদের মিছিল নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছনোর আগেই পুলিশ আটকে দেয় বলে অভিযোগ। পরে ফের এগোনোর চেষ্টা হলে জলকামান ব্যবহার করা হয় বলেও দাবি আন্দোলনকারীদের। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে অবস্থানরত বিজেপি নেতাদেরও আটক করে পুলিশ।</p>
<p>নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে সিবিআইকে দায়িত্ব দেওয়া এবং গোটা পরীক্ষা ব্যবস্থায় বদল আনার দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই সরব পড়ুয়ারা। সরকারপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসলেও তাঁদের মূল দাবিগুলি পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের। সেই অবস্থায় সোমবার কর্মসূচি নিয়ে পথে নামেন তাঁরা। পুরনো বিধানসভা থেকে নতুন বিধানসভা পর্যন্ত যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। মিছিল এগোতে থাকলেও জগন্নাথ মন্দিরের (Jagannath Temple) কাছে পৌঁছে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন তাঁরা। বিধানসভা চত্বর থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করার পর ফের এগোনোর চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। তখনই পুলিশ জলকামান চালায় বলে অভিযোগ তাঁদের।</p>
<p>শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও আন্দোলনে যোগ দেন অনশনরত ছাত্র দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো। অ্যাম্বুল্যান্সে করে তিনি মিছিলের কাছে পৌঁছন। গত আট দিন ধরে অনশন চালিয়ে যাওয়ায় তাঁর ওজন প্রায় ১০ কেজি কমেছে বলে আন্দোলনকারীদের তরফে দাবি করা হয়েছে। হাতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেনের ছবি নিয়ে তিনি বিক্ষোভে শামিল হন। পড়ুয়াদের বক্তব্য, তাঁদের দাবি না মেটা পর্যন্ত আন্দোলন প্রত্যাহারের প্রশ্ন নেই। এ দিনের কর্মসূচিতে বিভিন্ন জেলার পড়ুয়া ও অভিভাবকদেরও অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।</p>
<p>পড়ুয়াদের আন্দোলনের পাশাপাশি নিয়োগ পরীক্ষার অভিযোগের তদন্তে সিবিআই চেয়ে হেমন্ত সোরেনের বাড়ির সামনে অবস্থান শুরু করেন বাবুলাল মারাণ্ডিরা। কিছুক্ষণ পর পুলিশ তাঁদের আটক করে বলে অভিযোগ। বাবুলালের বক্তব্য, পড়ুয়ারা প্রায় দু&rsquo;সপ্তাহ ধরে আন্দোলন করলেও সরকার তাঁদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। জেএলকেএম বিধায়ক জয়রামকুমার মাহাতোও সরকারের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলেছেন। তবে রাজ্য সরকারের পাল্টা দাবি, পড়ুয়াদের অধিকাংশ দাবিই ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সংস্কারের পরিকল্পনাও রয়েছে। মন্ত্রী দীপিকা পাণ্ডে জানিয়েছেন, ঝাড়খণ্ড এসএসসি-সিজিএল পরীক্ষা বাতিলের বিষয়টি আদালতের নির্দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় সরকার নিজের সিদ্ধান্তে তা বাতিল করতে পারে না। মন্ত্রী সুদিব্য সোনুর অভিযোগ, পড়ুয়াদের আন্দোলনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে&nbsp;বিজেপি।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/ranchi-in-turmoil-over-recruitment-scandal-students-march-to-the-legislative-assembly]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/kxZmPvgF8qhmIfKuzqgaaJkyibvXdXsEBaS8Q2Vt.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[বিলাসবহুল গাড়িতে দুর্ঘটনার কবলে রহমান-পুত্র আমিন]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 14:25:18 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>চেন্নাইয়ে দুর্ঘটনার কবলে সঙ্গীতশিল্পী এ আর রহমানের ছেলে এ আর আমিন। সোমবার ভোরবেলা গিন্ডির কাছে আমিনের পোর্শের সঙ্গে একটি র&zwj;্যাপিডো ওয়াগন-আর-এর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার সময় গাড়িতে আমিনের সঙ্গে তাঁর এক বন্ধু ছিলেন। স্থানীয়রা দু'জনকেই দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান তবে আঘাত বেশি না থাকায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/state/plea-to-quash-four-firs-sumit-moves-calcutta-high-court-again" target="_blank" rel="noopener noreferrer">চার FIR বাতিলের আর্জি! ফের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ সুমিত</a></p>
<p>পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার ভোর সাড়ে ৩টে নাগাদ অলিম্পিয়া টেক পার্ক সিগন্যাল পার করে আমিন এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে গিন্ডির দিকে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ পাশের রাস্তা থেকে একটি ওয়াগন-আর রাস্তায় উঠে এলে আমিনের পোর্শে গাড়িটির সঙ্গে ওয়াগন-আরটির ধাক্কা লাগে। ধাক্কার মাত্রা এতটাই জোরে ছিল যে দু&rsquo;টি গাড়িই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। &nbsp;ওয়াগন-আর গাড়িটির চালক আহত হলে তাঁকে চিকিৎসার জন্য কালাইনার সেন্টেনারি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।&nbsp;</p>
<p>আদিয়ার ট্রাফিক ইনভেস্টিগেশন উইংয়ের পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। দু&rsquo;টি গাড়িই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে খবর। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটল এবং দুটি গাড়ির মধ্যে ঠিক কীভাবে সংঘর্ষ হল, সেটা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমিন নিজেও সঙ্গীতজগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। বিভিন্ন ভাষার ছবিতে তিনি প্লেব্যাক করেছেন। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে মুম্বইয়ের ফিল্ম সিটিতে শুটিং চলাকালীন সেটের একটি ট্রাস এবং ঝাড়বাতি ভেঙে পড়ে। যদিও সেই ঘটনায় অল্পের জন্য আমিন রক্ষা পেয়েছিলেন।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/entertainment/rahmans-son-amin-involved-in-an-accident-in-a-luxury-car]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/eHvMygMYspIS4MWWwJ37rxAiRHobHNrxrEAUnqLL.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[চার FIR বাতিলের আর্জি! ফের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ সুমিত]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 14:19:37 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>ফের আদালতের দ্বারস্থ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায়! মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের সব FIR ও CID নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছেন। সংবিধানের ২২৬ অনুচ্ছেদে রিট পিটিশন অনুযায়ী মামলা দায়ের করেছেন তিনি। মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণের অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।</p>
<p>সুমিতের অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের মামলাগুলি &lsquo;সমন্বিত ও রাজনৈতিক ভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত&rsquo;। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তাঁকে নিশানা করতেই তদন্তকারী সংস্থাগুলি স্বেচ্ছাচারী ভাবে পদক্ষেপ করছে বলেও আবেদনে দাবি করা হয়েছে। আদালতে দায়ের করা আবেদনে মূলত ৪টি এফআইআর-কে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। সেগুলি হল&mdash;<br>কালীতলা আউট পোস্টের কেস নম্বর ১৪০/২০২৬<br>বিষ্ণুপুর থানার কেস নম্বর ৭৫৩/২০২৬<br>রবীন্দ্রনগর থানার কেস নম্বর ২১৩/২০২৬<br>বিষ্ণুপুর থানার কেস নম্বর ৮৮৪/২০২৬<br>পাশাপাশি ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS)-র ৯৪ ধারায় জারি হওয়া নোটিশগুলিও খারিজের আবেদন জানিয়েছেন সুমিত।</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/international/fire-at-a-factory-in-saudi-arabia-16-bangladeshi-workers-dead" target="_blank" rel="noopener noreferrer">সৌদি আরবে কারখানায় আগুন, মৃত ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিক</a></p>
<p>তাঁর আইনজীবীদের দাবি, FIR-গুলিতে নির্দিষ্ট অপরাধের স্পষ্ট উল্লেখ নেই। পুরো অভিযোগপত্রটিই 'অস্পষ্ট, ভিত্তিহীন এবং অন্তর্নিহিত ভাবে ত্রুটিপূর্ণ' বলে দাবি। &nbsp;তাই চারটি এফআইআর বাতিলের পাশাপাশি মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনও জবরদস্তিমূলক পদক্ষেপ না করার নির্দেশ চেয়েছেন সুমিত।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/plea-to-quash-four-firs-sumit-moves-calcutta-high-court-again]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/HOgSph6gPV0zTfqFXVQIf2qLcIvSeSUeKMtlURM5.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[সৌদি আরবে কারখানায় আগুন, মৃত ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিক]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 14:06:54 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>সৌদি আরবে একটি সোফা তৈরির কারখানায় বিধ্বংসী আগুন! শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এদিনের অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার রিয়াধের ওই কারখানায় আগুন লাগে। বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রক সূত্রে খবর মৃতদের বেশিরভাগ বাংলাদেশের নওগাঁ ও নাটোর জেলার বাসিন্দা। বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী দুপুর সাড়ে ৩টে নাগাদ রিয়াধের খোরদাম শহরের ওই সোফা কারখানায় আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে গোটা কারখানা আগুনের গ্রাসে চলে যায়। কারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আগুনে গুরুতরভাবে দগ্ধ হন এবং পরে তাঁদের মৃত্যু হয়।</p>
<p>এদিনের এই ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। নিহতদের দেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৃতদের পরিবারের জন্য সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও করা হবে। জানা যাচ্ছে, মৃতদের মধ্যে ১০ জন নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা। তাঁদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। মহম্মদ কলি, জান্ডার, রুবেল, লুৎফর, সুমন, সাগর, মাজিদুল, শুভ, জালাল এবং মহম্মদ ফরিদ শেখের দেহ শনাক্ত করা গিয়েছে। তাঁরা সকলেই আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে থাকতেন। কলিকাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন মহম্মদ কলি, লুৎফর, জান্ডার ও রুবেল। সাগর ও মাজিদুল বিশা ইউনিয়নের বাসিন্দা। শুভ ও সুমন দুবাই এলাকার বাসিন্দা, পারকাসুন্দা গ্রামে থাকতেন জালাল এবং উদনপাই গ্রামে বসবাস করতেন মোহাম্মদ ফরিদ শেখ।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/international/fire-at-a-factory-in-saudi-arabia-16-bangladeshi-workers-dead]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/i2Kvh036Ff1VAzgmTqxaTusMLSQ8qQBmwWWpeIb1.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[চোখের চিকিৎসার জন্য অভিষেককে বিদেশ যাওয়ার সুপ্রিম অনুমতি, কী শর্ত দিল শীর্ষ আদালত]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 13:27:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>অবশেষে চোখের চিকিৎসার জন্য সুপ্রিম অনুমতি পেলেন তৃণমূল (TMC) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সোমবার, তাঁকে ৩ সপ্তাহের জন্য যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এর আগেই কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) আবেদন করলেও অনুমতি মেলেনি। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) যান অভিষেক। এদিন তাঁকে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিয়েছে শীর্ষ আদালত।&nbsp;</p>
<p>চোখের চিকিৎসার জন্যে বিদেশে যেতে চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন জানানিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। কিন্তু হাই কোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ অভিষেককে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি। বিচারপতি জানান, চিকিৎসা সংক্রান্ত মতামতের জন্য অভিষেককে এসএসকেএম হাসপাতালে যেতে হবে। সেখানকার চক্ষু বিভাগের প্রধান একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে তাঁর বিদেশযাত্রার প্রয়োজনীয়তার দিকটি খতিয়ে দেখবেন।</p>
<p>সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ৭ অগাস্ট শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। এদিন অভিষেকের আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণন জানান, তাঁর মক্কেল সাংসদ। তাঁর ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট রয়েছে। তাঁর পরিবার-স্ত্রী, পুত্র, কন্যা কলকাতায় রয়েছেন। এর আগেও একাধিকবার তিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশ গিয়েছেন। অভিষেকের আইনজীবী আরও জানান, &lsquo;অপারেশন সিন্দুর&rsquo; আউটরিচ কর্মসূচির জন্য অভিষেককে কূটনৈতিক পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। তিনি সেটি ব্যবহার করেই বিদেশযাত্রা করবেন। ফলে আন্তর্জাতিক দূতাবাসগুলি সহজেই তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখতে পারবে। সুতরাং পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। আইনজীবী সাওয়ালে বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরেই অভিষেকের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা রুজু করা হয়েছে।</p>
<p>জবাবে এএসজি পাল্টা বলেন, আগের সরকারের সেই সাহস ছিল না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিদেশে চিকিৎসার আদৌ প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে গঠিত চিকিৎসক বোর্ডে সামনে হাজিরা দেওয়া উচিত ছিল অভিষেকের।</p>
<p>এদিন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর পর্যবেক্ষণ, শুধুমাত্র অভিষেকের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে বলেই তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা পরিষেবা নিতে বাধা দেওয়া যায় না। কোনও ব্যক্তির বিদেশে যাওয়ার ও নিজের পছন্দমতো চিকিৎসা করানোর অধিকার রয়েছে।</p>
<p>তবে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহানার বেঞ্চ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, অভিষেককে তাঁর ডিপ্লোম্যাটিক বা কূটনৈতিক পাসপোর্টের মাধ্যমে যাতায়াত করতে হবে। পাশাপাশি তাঁর সম্পূর্ণ সফরসূচি ও বিদেশে অবস্থানের ঠিকানা তদন্তকারী সংস্থার কাছে জমা রাখতে হবে। অভিষেকের আইনজীবীর আবেদনের ভিত্তিতে আদালত স্পষ্ট নির্দেশ, সেই ভ্রমণসূচির গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। জনসমক্ষে সেটি প্রকাশ করা যাবে না।&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/supreme-court-grants-abhishek-permission-to-go-abroad-for-eye-treatment]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/DjvmxnZDrhZs98vzfbqBere1BTfUU7eU1bOir0FJ.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[ফের বাড়ছে সোনার দাম! দেখে নিন আজকের দর]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 13:23:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>বাঙালির বিয়ের অনুষ্ঠান হোক বা উৎসব সোনার গুরুত্ব অপরিসীম। আপনি যদি এই সময়ে সোনা বা রুপো কেনার কথা ভাবছেন? তাহলে বাজারে যাওয়ার আগে জেনে নিন আজকের দর। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা এবং স্থানীয় চাহিদার প্রভাবে সোমবার (১০ অগাস্ট, ২০২৬) কলকাতায় সোনার দাম কত হল</p>
<p>১ গ্রাম হলমার্ক ২২ ক্যারেট সোনার দাম (Gold Price) হয়েছে ১৪ হাজার ৪৪০ টাকা।&nbsp;<br>খুচরো ২৪ ক্যারেট ১ গ্রাম পাকা সোনার দাম হয়েছে ১৫ হাজার ২০০ টাকা।&nbsp;<br>এছাড়াও ২৪ ক্যারেট ১ গ্রাম পাকা সোনার বাটের দাম হয়েছে ১৫ হাজার ১৭৫ টাকা।</p>
<p>বাঙালির গয়নার ভাণ্ডারে সোনার পাশাপাশি রুপোর মূল্যও যথেষ্ট। সোনার সঙ্গে সঙ্গে রুপোর ক্ষেত্রেও দাম (Silver Price) বেশ কিছুটা বেড়েছে।<br>আজ খুচরো রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২ লক্ষ ৩২ হাজার ৬০০ টাকা।&nbsp;<br>একই পরিমাণ রুপোর বাটের দাম প্রতি কেজিতে ২ লক্ষ ৩২ হাজার ৫০০ টাকা।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/misc-news/check-todays-gold-prices-at-a-glance-10]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/6OqNtGNOMeLqvPedvlVcH3koe3g8fTIsCRNJ5ZL0.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[কোথায় কত দাম পেট্রোল-ডিজেলের দেখে নিন এক নজরে]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 13:06:57 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>পেট্রোল-ডিজেলের দামের (Petrol Diesal Price) দিকে প্রতিদিনই নজর থাকে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পরিবহণ ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সকলের। সোমবার (১০ অগাস্ট, ২০২৬) দেশজুড়ে জ্বালানির দাম কোথাও অপরিবর্তিত রয়েছে, আবার কোথাও সামান্য বেড়েছে-কমেছে।&nbsp;&nbsp;</p>
<p>কলকাতায় (Kolkata) আজ প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১১৩.৫১ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৯৯.৮২ টাকা।&nbsp;মুম্বইয়ে (Mumbai) প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১১১.২১ টাকা ও ডিজেলের দাম ৯৭.৮৩ টাকা। রাজধানী দিল্লিতে (Delhi) এক লিটার পেট্রোল ও ডিজেলের দাম যথাক্রমে ১০২.১২ টাকা এবং ৯৫.২০ টাকা।</p>
<p>বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru) আজ প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১১০.৮৯ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৯৮.৮০ টাকা।&nbsp;অন্যদিকে, চেন্নাইয়ে (Chennai) প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১০৮.০১ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৯৯.৬৬ টাকা রয়েছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/check-the-prices-of-petrol-and-diesel-across-different-locations-at-a-glance]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/8F8wHSSYP3S5hkDBUZfdA2JEWBkWeU9DujR4rLJN.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[স্নো লেপার্ড সাফারি, বড় ঘোষণা লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 12:45:11 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>বাঘ, লেপার্ড, সিংহ সাফারি ছাড়াও গত বছর কুনোয় চালু হয়েছে চিতা সাফারি। এবার স্নো লেপার্ড সাফারিও ভারতে চালু হতে চলেছে। লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার সাক্সেনা এই বিষয়ে জানিয়েছেন, উপত্যকার বিখ্যাত স্নো লেপার্ড সাইটিং রুটগুলি ধরে জিপ সাফারির পরিকল্পনায় সায় দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রথম হাই অল্টিটিউড ওয়াইল্ডলাইফ সাফারি নিয়ে এই মুহূর্তে কৌতূহল তুঙ্গে। পর্যটনের এই নতুন দিগন্ত খুলে গেলে সার্বিক ভাবে লাদাখবাসীরা লাভবান হবে বলে মনে করা হচ্ছে।</p>
<p>লাদাখে স্নো লেপার্ড দেখতে পর্যটকরা ভিড় জমালেও তাঁদের গতিবিধির উপরে নজরদাবি বা নিয়ন্ত্রণ ছিল না। নতুন পর্যটন মডেল বাস্তবায়িত হলে নির্দিষ্ট রুটে সাফারি এবং স্নো লেপার্ডদের এলাকার সুরক্ষা বাড়বে। স্থানীয়রা প্রশিক্ষণ নিয়ে জিপচালক এবং গাইডের কাজ করার সুযোগ পাবেন। কাজিরাঙা বা রণথম্ভোরের জাতীয় উদ্যানের মত বিশেষ হুডখোলা জিপে সাফারি হবে। আপাতত লাদাখে আনুমানিক ৪৭৭টি স্নো লেপার্ড আছে। &lsquo;ঘোস্ট অফ দ্য মাউন্টেন&rsquo; বলে পরিচিত এই লেপার্ড খুব সহজে নজরে আসেনা। তাঁদের চামড়ার ছোপ তাঁদের সহজেই লুকোতে সাহায্য করে। গোটা বিষয়টি বাস্তবায়নের কাজ করবে &lsquo;স্নো লেপার্ড অ্যান্ড হাই-অল্টিটিউড (শান) কনজারভেশন সোসাইটি। স্থানীয় লাদাখবাসীদের বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ ও পর্যটনের কাজে যুক্ত করা হবে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/snow-lepard-safari-at-ladkh]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/O8xhWNopfeP3vgSJCB4SmcWGbMtC9m9CnUpRHQjX.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[কমছে গুরুত্ব, কলকাতাকে বিদায় জানাতে চলেছে এসবিআই!]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 12:12:22 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>কলকাতায় কার্যক্রম আরও সঙ্কুচিত করছে এসবিআই! এই প্রথম নয়, আগেই স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া তাদের প্রধান প্রশাসনিক এবং ব্যাক-অফিস কার্যক্রম কলকাতা থেকে মুম্বাইয়ে স্থানান্তর করেছে ।&nbsp;</p>
<p><br>এছাড়াও কলকাতা থেকে বেশ কয়েকটি দফতর সরিয়ে নিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। সূত্রের খবর, আগামী দিনে আরও কিছু দফতর সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা চলছে।&nbsp;</p>
<p>স্বাভাবিকভাবেই কলকাতা থেকে দফতর সরলে কর্মক্ষেত্র সঙ্কুচিত হবে, রাজ্যের রাজস্ব আদায়ও হবেনা সেভাবে। ১৮০৬ সালে ব্যাঙ্ক অব ক্যালকাটা এবং ১৮০৯ সালে ব্যাঙ্ক অব বেঙ্গল নামে যে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু হয়েছিল, সেটাই পরবর্তীকালে এসবিআই হয়েছে। এটি দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এমতাবস্থায় মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে এসবিআইয়ের অফিসাররা জানালেন সেন্ট্রাল অ্যাকাউন্টস অফিস কলকাতায় থাকাকালীন ব্যালান্স শিট চূড়ান্ত হত কলকাতা থেকেই। ২০১৮ সালে সেই অফিস মুম্বইতে সরে গিয়ে কলকাতার ঐতিহ্যের উপর আঘাত করেছে। এখানেই শেষ নয়, এসবিআইয়ের গ্লোবাল মার্কেট ইউনিট এবং সেন্ট্রালাইজড গ্লোবাল ব্যাক অফিসও কলকাতা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট এবং বিদেশের কর্পোরেট গ্রাহকদের পরিষেবাও তাই এখানে বন্ধ হয়েছে।&nbsp;</p>
<p>অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক শুভজ্যোতি চট্টোপাধ্যায় এই বিষয় নিয়ে জানিয়েছেন কর্পোরেট লেনদেন খাতে রাজ্যের যে রাজস্ব আদায় হত, এই অফিস সরে যাওয়ার ফলে সেটা এখন বন্ধ। এবার ব্যাঙ্কের লায়াবিলিটি সেন্ট্রাল প্রসেসিং সেন্টার, সেন্ট্রালাইজড চেক প্রসেসিং সেন্টার, এবং সেন্ট্রালাইজ পেনশন প্রসেসিং সেন্টার সরানোর উদ্যোগ শুরু হয়েছে। প্রতিটি ব্যাঙ্ক নতুন কর্মী নিয়োগ করে তাই এখান থেকে অফিসগুলি সরে গেলে কর্মী নিয়োগ কমবে। শুধু তাই নয়, এই অফিসগুলির উপর যে সকল চুক্তিভিত্তিক বা ঠিকাকর্মীরা নির্ভরশীল তারাও কাজ হারাবেন যা একেবারেই কাম্য নয়।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/city-news/sbi-sift-kolkata-to-mumbai-many-key-deptt]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/XKpx0WpNlS9VgPl34O3rlXTTrKrIfuWmiP0KoPil.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[প্রশ্ন ফাঁসে বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ, বিধানসভা অভিযানের ডাক ঝাড়খণ্ডের পড়ুয়াদের]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 11:33:43 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>দিল্লির পর এবার নজরে ঝাড়খণ্ড! একাধিক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ নিয়ে ঝাড়খণ্ডে জেন জি পড়ুয়াদের আন্দোলনে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। সরকারের সঙ্গে বৈঠক হলেও অচলাবস্থা একেবারেই কাটেনি। রাজ্য সরকার পড়ুয়াদের ৯৮ শতাংশ দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে কিন্তু সেই দাবি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।&nbsp;</p>
<p>মোট ১৩টি পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানানো হয়েছিল কিন্তু সরকার মাত্র তিনটি পরীক্ষা বাতিল করতে রাজি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে পড়ুয়ারা। তাই সোমবার, ১০ অগস্ট বিধানসভা অভিযানের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। রাঁচির আন্দোলন সোমবার ১৭তম দিনে পা দিল। JPSC ও JSSC-র চাকরিপ্রার্থীরা নিয়োগ পরীক্ষার স্বচ্ছতা, অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের অন্যতম প্রধান দাবি সিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া এবং বিতর্কিত JSSC CGL পরীক্ষা বাতিল করা। কিন্তু হেমন্ত সোরেন সরকার এই দুটো দাবি এখনও মেনে নেয়নি। জানা যাচ্ছে, তাঁদের দাবি শুধুমাত্র কয়েকটি পরীক্ষা বাতিল করা নয়, তালিকায় আছে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, পরীক্ষার অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে তার জন্য কাঠামোগত সংস্কার। রবিবার সরকারের সঙ্গে আলোচনা হলেও কোনও সমাধান হয়নি। এরপরেই আন্দোলনকারীরা জানান সোমবারের বিধানসভা অভিযানের পরিকল্পনা বাতিল করা হবে না। ছাত্রনেতা সঞ্জয় মেহতা জানিয়েছেন, তিন দফা আলোচনার পরও তাঁদের সব দাবি মেনে নেওয়া হয়নি।</p>
<p>সূত্রের খবর, সোমবার পুরোনো বিধানসভা ভবন চত্বর থেকে নতুন বিধানসভা ভবনের দিকে মিছিল যাবে। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন রাখার জন্য পড়ুয়াদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্পষ্ট করেই বলা হয়েছে, পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো যাবেনা, যান চলাচলে সমস্যা তৈরি না করা এবং গুজব এড়িয়ে চলার কথাও বলা হয়েছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/jharkhanda-student-protest-for-neet-paper-lick]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/hhMinAgbMyVyP0z6b4V9dmk4wOOcX40AGaBNx0Jp.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[হালিশহরে তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুতে  সাসপেন্ড ওসি, মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য মুখ্যমন্ত্রীর]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 11:20:48 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>পুলিশ হেফাজতে প্রয়াত তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওয়টের বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার সকাল ১০.৪৫ মিনিট নাগাদ কাঁচরাপাড়া প্রমোদনগরে বিরজু বাড়িতে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের শ্রম ও পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিংসহ উত্তর চব্বিশ পরগনার একাধিক বিধায়ক। প্রয়াত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু।</p>
<p>হালিশহরে বিরজু কেওটের মৃত্যুতে থানার আইসিকে ক্লোজ এবং ওসিকে সাসপেন্ড করল সরকার। ডিএম-র নেতৃত্বে ম্যাজিসস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত হবে, মৃতের স্ত্রীকে সরকারি সাহায্য। মৃতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সোমবার সকাল থেকেই প্রমোদনগর এলাকায় কড়া নিরাপত্তার মোতায়েন করা হয় । গাড়ি থেকে নেবে ৩০০ মিটার হেঁটেই প্রয়াত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি বাতিল করেই হালিশহরে গেলেন শুভেন্দু রবিবার দলের প্রয়াত কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।&nbsp;</p>
<p>বাডি থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে বলেন, মৃতের স্ত্রী আমাকে একটি চিঠি দিয়েছেন। আমি প্রথমেই পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন , মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ দেননি। পরিবার রাজ্য প্রশাসনের উপর আস্থা রেখেছে এটা বড় পাওনা। গতকাল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এসেছিলেন পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বিচার দিতে পারবেন প্রশাসন। অতীতে এমন উদাহরণ নেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দুই মন্ত্রী পুলিশকে নিয়ে এসেছে রাজনৈতিক ভিন্নমত দলের কর্মী, পরিবার দুটো চেয়েছে দোষী পুলিশদের ব্যবস্থা নিতে হবে। আমার বাচ্চা ও পরিবারের দায়িত্ব নিতে বলে। &nbsp;</p>
<p>একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,যেহেতু পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে তাউই থানার আইসিকে ক্লোজ করা হচ্ছে, ওসিকে সাসপেন্ড করা হল। ডিএম ম্যাজিসস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত করবে, সেই রিপোর্ট অনুসারে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মৃতের স্ত্রীকে সরকারি সাহায্য।আমার &nbsp;তিনটে এটেনডেন্ট লাগে বছরে। তারমধ্যে একজন হিসাবে তাঁকে নিয়োগ করলাম। ১২ মাস লোকাল থানায় কাজ করবেন তারপর পার্মানেন্ট হয়ে যাবে। মৃতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য করা হয়েছে সিএম ফান্ড থেকে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওটকে থানায় নিয়ে গিয়ে অমানবিক অত্যাচার চালিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। মৃতের স্ত্রীর অভিযোগ, &nbsp;হাত-পা বেঁধে আমার স্বামীকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে। দেহে সেই বাঁধনের দাগ স্পষ্ট, কান থেকেও রক্ত বেরিয়েছে।&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/oc-suspend-and-ic-close-for-halishahar-tmc-leader-death]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/A65LheZ85Aq639DlBUukzkvtkzrIlLUGhZzESp7t.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[চোট নিয়ে প্রশ্নের মুখে সেন্টার অফ এক্সেলেন্স, দায় নিতে নারাজ লক্ষ্ণণ]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 10:57:27 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>একের পর এক ক্রিকেটার চোট নিয়ে ছিটকে যাচ্ছেন দল থেকে। তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। যার প্রভাব এসে পড়ছে বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে (Bengaluru's Centre of Excellence)। আরও উৎকর্ষতার জন্য গোটা দেশের ক্রিকেটাররা আসেন এখানে। চোট নিয়ে এলে চিকিৎসা হয়। তারপর রিহ্যাব। কিন্তু এখান থেকে ফিট ঘোষিত হওয়া প্লেয়ার যদি পুনরায় আনফিট ঘোষিত হন তাহলে প্রশ্ন উঠবেই। ফলে এনসিএর ডিরে্টর ভিভিএস লক্ষ্ণণে (NCA Director VVS Laxman) জবাব দিতে হচ্ছে। রবিবার যেমন জবাব দিলেন।</p>
<p>বোর্ড সচিব দেবজিত শাইকিয়াকে (Board Secretary Debajit Saikia) পাশে বসিয়ে রবিবার বেঙ্গালুরুতে সাংবাদিক বৈঠক করেছেন লক্ষ্ণণ। তাতে তিনি বলেন, আমরা কাউকে দোষ দিতে চাই না। ব্লেম শব্দটা তোলা মানেই তো কার দোষ খুঁজতে বসে পড়া। কাউকে বলির পাঁঠাও করা হবে। সুতরাং আপনারা যেভাবে বিষয়টিকে দেখছেন আমি সেভাবে দেখছি না। ভারতীয় দল, নির্বাচক, সিওই, সাপোর্ট স্টাফ সবার মধ্যে সুন্দর বোঝাপড়া রয়েছে। আপনারা বুমরা ও সুদর্শনের কথা বলছেন। যখন এদের ফিটনেস রিপোর্ট চাওয়া হয়েছিল আমরা সেটা নির্বাচক, হেড কোচ, বিসিসিআই-সহ সব পক্ষের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। তবে বুমরা ও সুদর্শনের ক্ষেত্রে আমরা সাবজেক্ট টু ফিটনেস কথাটা বলেছিলাম। আমি বলে দিয়েছিলাম ওদের দলে নেওয়ার আগে ফিটনেসের ব্যাপারটা সেইমুহূর্তে একবার দেখে নিতে।</p>
<p>এটা হল একটা স্টেজ থেকে আরেকটা স্টেজে যাওয়ার প্রসেস। কিন্তু ফিটনেসের (Fitness) উন্নতি ধীরে ধীরে হলে বিষয়টা তখন নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান ও হেড কোচের হাতে চলে যায়। এক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে দুই ক্রিকেটার এখনও ম্যাচ খেলার জায়গায় আসেনি। তবে সিওএ শুধু রিহ্যাব সেন্টার নয়। তার আরও কাজ আছে। সেটা ক্রিকেটারদের উন্নতির স্বার্থে।</p>
<p>চোট সমস্যায় জর্জরিত ভারতীয় দলকে নিয়ে কথা বলতে রবিবার বেঙ্গালুরুতে আসেন বোর্ড সচির শাইকিয়া। এই মুহূর্তে বুমরা, সুদর্শন, হর্ষিত রানা, নীতীশ রেড্ডি, ওয়াশিংটন সুন্দর, আকাশ দীপ সবাই চোটের কবলে রয়েছেন। এছাড়া সিওই-তে রয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া, বরুণ চক্রবর্তী, প্রিন্স যাদবও। স্বভাবতই ভারতীয় বোর্ড এটা নিয়ে উদ্বিগ্ন।</p>
<p>২০২৫-এ নীতিন প্যাটেল চলে যাওয়ার পর সিওইতে স্পোর্টস সায়েন্সের কেউ নেই। হর্ষিত রানার মতো ক্রিকেটারদের কয়েকজনকে সুস্থ হওয়ার আগেই ফিট ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে সেন্টার অফ এ্সেলেন্সের কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।</p>
<p>লক্ষ্মণ এদিন আরও বলেন, আমরা সাধারণত দল নির্বাচন সিরিজের ২১-২৮ দিন আগে করে নিই। তখনও পর্যন্ত চোট পাওয়া ক্রিকেটারের সর্বশেষ পরিস্থিতি জেনে রিপোর্ট দিই। এরপর রিহ্যাব। তারপর ফিটনেস টেস্টে উত্তীর্ণ হলে তাকে দলে নেওয়া হয়। শাইকিয়া জানান, এটা তাঁরা দেখে নেন যে সেই ক্রিকেটার সফরে গেলে মাঠে নামার আগে ফিট হয়ে যেতে পারে কিনা। তাঁরা প্লেয়ারদের বঞ্চিত করতে চান না। কেউ ১৪ দিনে ফিট হয়, কেউ ২৮ দিনে। এটা মানুষের শরীর। এমন হতেই পারে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/centre-of-excellence-under-scrutiny-over-injuries-laxman-unwilling-to-take-responsibility]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/g4ftvMGAeDNE8PI7gCQFP8scKaqg4k0rHhLW8m5t.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[ইস্টবেঙ্গলকে হারাতে ‘হোমওয়ার্ক’ সেরে কলকাতায় আল আরাবি]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 10:51:42 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>কুয়েত প্রিমিয়ার লিগে (Kuwait Premier League) গত মরশুমের রানার্স আল আরাবি এসসি (Al-Arabi SC)। ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে রীতিমতো হোমওয়ার্ক করেই কলকাতায় এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র কোয়ালিফায়ারে (AFC Champions League Two Qualifier) খেলতে এসেছে কুয়েতের ক্লাবটি। আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল যেখানে এখনও সব বিদেশিদের হাতে পায়নি। সম্ভবত তিন বিদেশি নিয়েই বুধবার যুবভারতীতে এসিএল টু-র প্রাথমিক পর্বে খেলতে হবে মশালবাহিনীকে। সেখানে ছয় বিদেশি নিয়ে এসেছে আল আরাবি।</p>
<p>কলকাতার আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে শনিবার সকালেই শহরে চলে এসেছিল কুয়েতের দলটি। বিকেলে হোটেলেই জিম করেন ফুটবলাররা। তবে রবিবার বিকেলে যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে পুরোদমে অনুশীলনে নেমে পড়েন জাইদরা।</p>
<p>ব্রাজিলিয়ান, নাইজিরিয়ান, ইথিওপিয়ান, প্যালেস্তিনীয় ফুটবলার রয়েছেন কুয়েতের ক্লাবটিতে। প্যালেস্তাইনের জাইদ কুনবার (Palestine's Zaid Qunbar) আবার মহম্মদ রশিদের পরিচিত। দু&rsquo;জনের বন্ধুত্ব রয়েছে। ফলে যুবভারতীতে দুই বন্ধুর টক্কর অন্যতম আকর্ষণ হতে পারে।</p>
<p>আল আরাবির ফুটবলারদের উচ্চতা ও শারীরিক গঠন ইস্টবেঙ্গলের জন্য সমস্যার কারণ হতে পারে। কুয়েতে প্রিমিয়ার লিগ এখনও শুরু হয়নি। ২৫ অগাস্ট শুরু হচ্ছে। তবে এএফসি প্রতিযোগিতাকে গুরুত্ব দিতে আল আরাবি গত এক মাসের নিবিড় প্রস্তুতি সেরে কলকাতায় এসেছে।</p>
<p>প্রথমে লন্ডনে এবং পরে তুরস্কে ২০ দিনের প্রস্তুতি শিবিরে নিজেদের তৈরি করেছে কুয়েতের দলটি। বেশ কয়েকটি প্রস্তুতি ম্যাচও সেখানে খেলেছে তারা। তার মধ্যে মহম্মদ সালাহর পুরনো ক্লাব পিরামিড এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচও রয়েছে। দলের মিডিয়া ম্যানেজার যুবভারতীতে দাঁড়িয়ে বললেন, &lsquo;&lsquo;আমাদের কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফেরা ইস্টবেঙ্গলের খেলার ভিডিও ক্লিপিংস দেখেছেন। তাদের নিয়ে আমরা সব কিছু জেনেই এসেছি।&rsquo;&rsquo;</p>
<p>রবিবার থেকে ইস্টবেঙ্গলও এএফসি (East Bengal AFC) ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। স্প্যানিশ সেন্টার ব্যাক নাচো মনসালভে ডুরান্ডে (Spanish centre-back Nacho Monsalve Durand) চোট পেয়েছিলেন। তবে চোট গুরুতর নয়। আল আরাবির বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/al-arabi-arrives-in-kolkata-after-doing-their-homework-to-beat-east-bengal]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/25tVpHeWAKOFpGf1169po0JCsmD1hGWrGmxhI8nE.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[জয় ছাড়াই যুদ্ধে ইতি টানতে চান ট্রাম্প, হরমুজ খুলতে পাল্টা একগুচ্ছ শর্ত ইরানের]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 10:03:03 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>ছয় মাসের যুদ্ধ করেও ইরানকে কব্জা করতে ব্যর্থ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। উল্টে নিজেদের উপর চাপ বেড়েছে। এই পরিস্থিতি পরমাণু শর্ত ছাড়াই &nbsp;ইরান যুদ্ধে (Iran War) কি এবার ইতি টানতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)?&nbsp;</p>
<p>গত ছয় মাস ধরেই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চালাচ্ছে আমেরিকা। কিন্তু ফলাফল নিজেদের অনুকূলে আনতে পারেনি ট্রাম্প প্রশাসন। &nbsp;এর মধ্যেই আবার আমেরিকায় মধ্যবর্তী নির্বাচন আসন্ন, আগামী তিন মাসের মধ্যেই সেটা হবে। ফলে কিছুটা দিশাহারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরান যুদ্ধ থেকে নিষ্কৃতির উপায় খুঁজছেন। ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গটিকে আপাতত একপাশে সরিয়ে রাখতে মরিয়া ট্রাম্প। &nbsp;পরমাণু চুক্তি ছাড়াই এক তরফাভাবে ইরান যুদ্ধে নিজেদের জয়ী ঘোষণা করতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে অবশ্যই ইরানকে হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে হবে।</p>
<p>&lsquo;দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল&rsquo;-এর তথ্য অনুযায়ী, সবদিক খতিয়ে দেখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঘনিষ্ঠ মহলে ইরান যুদ্ধে ইতি টানার ইঙ্গিত দিয়েছেন। , পারমাণবিক চুক্তির বিষয়টি ছাড়াই যুদ্ধ থেকে সরে আসতে পারেন তিনি। তবে ইরান এত সহজে বিষয়টি মেনে &nbsp;নিচ্ছে না কারণ তারা হরমুজ প্রণালীটি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য একগুচ্ছ দাবি রেখেছে।&nbsp;</p>
<p>একাধিক শর্ত রয়েছে ইরানের। এরমধ্যে আছে, মার্কিন হামলায় ইরানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির জন্য বিলিয়ান ডলার ক্ষতিপূরণ। ইরানের সীমান্ত এলাকায় মার্কিন নৌ-অবরোধের অবসান, আশপাশের অঞ্চল থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার ইত্যাদিus</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/international/usa-want-to-end-iran-war]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/Ze5l5bHf7ObkSDRU5wE11VZQjQU5oV4BegQtTgWE.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[সপ্তাহের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রীর মিছিল, কলকাতায় একাধিক রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণ]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 09:27:45 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>সপ্তাহের শুরুতেই ঠাসা কর্মসূচি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। সোমবার প্রথমেই সল্টলেকে দলীয় কার্যালয়ে জনতার দরবার কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এরপর বেলা একটায় রাজ্য সরকার আয়োজিত তিরঙ্গা যাত্রা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ধর্মতলায় নেতাজি মূর্তি থেকে এই যাত্রা শুরু হবে। প্রায় ৫০ হাজার মানুষের সমাগম হতে চলেছে এই মিছিলে। সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনেই শহরের বুকে এত বড় সমাবেশ হওয়ার কারণে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ একাধিক রাস্তায় যান চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করেছে।</p>
<p>শহরের প্রাণকেন্দ্রে বড় মিছিল ফলে যানজট এড়াতে বাড়তি সতর্ক কলকাতা পুলিশ। কলকাতা পুলিশের জারি করা লালবাজারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ময়দান ও তার আশেপাশের মূল রাস্তাগুলিতে সাধারণ যান চলাচল বন্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। রেড রোড, কিংসওয়ে এবং কুইন্সওয়ে,আর আর অ্যাভিনিউ ও মেয়োরোড , খিদিরপুর রোড, প্লাসি গেট রোড ও ডাফরিন রোড, জওহরলাল নেহরু রোড এবং ক্যাথেড্রাল রোড, লাভার্স লেন ও ক্যাসুয়ারিনা অ্যাভিনিউ এই রাস্তাগুলি বন্ধ থাকবে বা &nbsp;আংশিক যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>পাশাপাশি মিছিলের সময় যানজট এড়াতে মধ্য কলকাতা ও সংযোগকারী মূল সড়কগুলিতে ভারী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই তালিকায় আছে বিদ্যাসাগর সেতু , এজেসি বোস রোডের মৌলালি থেকে হেস্টিংস অংশ, সেন্ট জর্জেস গেট রোড, স্ট্র্যান্ড রোড (রাজা উডমন্ট স্ট্রিট পর্যন্ত), সিআর অ্যাভিনিউ, জওহরলাল নেহরু রোডের একাংশ এবং এসপি মুখার্জি রোডে (রাসবিহারী থেকে এক্সাইড ক্রসিং)। এই রাস্তা গুলিতে মিছিলের সময় পণ্যবাহী যান ঢুকতে দেওয়া হবে না।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/city-news/kolkatas-many-road-close-for-cm-rally]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/uy6XwXMCTZocnjEeLysZqBXW7ZBuyJqeLCxHAGK7.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[দলনেত্রীর উপর হামলার প্রতিবাদে আজ পথে নামছে তৃণমূল, বিধানসভাতেও প্রতিবাদ কর্মীসূচির ঘোষণা কুণালের]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 09:09:23 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে আক্রমণ করা হয় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে। এর প্রতিবাদে আজ (সোমবার) রাজ্যজুড়ে ব্লকে ব্লকে ধিক্কার ও প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে সোমবার দুপুর তিনটের সময় রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে ধরনা অবস্থানের ডাক দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিধানসভাতেও প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়েছে মমতাপন্থী বিধায়করা।</p>
<p>বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, রবিবার হালিশহরে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর বিজেপির কুৎসিত আক্রমণের প্রতিবাদে সোমবার দুপুর দুটোয় রাজ্য বিধানসভা ভবনে তৃণমূল বিধায়করা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সামিল হব। প্রাক্তন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধানসভার সিনিয়র মোস্ট বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়সহ সবাই উপস্থিত থাকব। আশা করি, তৃণমূলনেত্রীর উপর হামলার প্রতিবাদে নেত্রীর সৌজন্যে তৃণমূলের দল ও প্রতীকে ( এবং তৃণমূলের আর্থিক সাহায্য নিয়ে) জিতে আসা প্রত্যেক বিধায়ক এই প্রতিবাদে সামিল হবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার প্রতিবাদে সামিল হওয়া তৃণমূলের প্রত্যেক বিধায়কের কর্তব্য। মানুষ যাঁদের জননেত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে বিধানসভায় পাঠিয়েছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই সবাই এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।</p>
<p>একইসঙ্গে দল বদলু এবং ঋতব্রতপন্থীদের কড়া আক্রমণ করে কুণাল লিখেছেন, একমাত্র যাঁদের রক্তের মধ্যে বেইমানি আছে বা নিজেদের চুরি/পাপ ঢাকতে চাটনশিবিরে আছেন, তাঁদের কয়েকজনকে ধরছি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলা, তৃণমূল বিধায়করা প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করবেন। সারা বাংলার তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকরা নজর রাখবেন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>দলনেত্রীর উপর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিটি ব্লকে ধরনা কর্মসূচিতে মানুষের যাতে সমস্যা না হয় সেই বিষয়টিও দেখা হবে বলে জানিয়েছেন বেলেঘাটার বিধায়ক। তাঁর কথায়, সাধারণ মানুষের সমস্যা হয় এমন কোনও কাজ করা হবে না। একইসঙ্গে এদিন তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, পুলিশের সামনেও কীভাবে নেত্রীর কনভয়ের উপর হামলা হল? পুলিশ কীভাবে বিজেপির দলদাস হয়ে কাজ করছে এই ঘটনাই তার প্রমাণ।&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে প্রয়াত তৃণমূলকর্মীর বাড়িতে গিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং পুলিশ কমিশনারের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করেছেন।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/tmc-called-strong-protest-every-block-and-bidhansava]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/kYUo12WYrVPtEWlwa5BrAM5eiNTV5hE7MDXpXHR4.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[মাদকের আড্ডা, পড়ুয়াকে দিয়ে বিষ্ঠা সাফ! মধ্যপ্রদেশে প্রকাশ্যে প্রধান শিক্ষকের ঘৃণ্য কীর্তি]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 09:07:36 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>এমন নির্লজ্জ-বেহায়া প্রধান শিক্ষক বোধহয় শুধুমাত্র বিজেপি রাজ্যেই সম্ভব। ভাবা যায়, সরকারি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক মদ্যপ অবস্থায় স্কুলের মধ্যেই মলত্যাগ করে তা পরিষ্কার করতে বাধ্য করে ছাত্রদের! ন্যক্কারজনক এই ঘটনার সাক্ষী বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশের মাইহার জেলার আমৌরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শুধু তাই নয়, মুখে গুটখা নিয়ে যখন তখন বিদ্যালয়ে আসা, ক্লাস না নেওয়া, পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের সঙ্গে চূড়ান্ত দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন সকলে। কিন্তু ভয়ে মুখ খোলেননি কেউই। কিন্তু একদিন মলত্যাগ করে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রকে দিয়ে তা পরিষ্কার করতে বাধ্য করার পরেই ক্ষোভের বিস্ফোরণ হয় পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের। তাঁদের অভিযোগ, স্কুল চত্বরকে শৌচালয়ে পরিণত করেছে প্রধান শিক্ষক। গুটখা ফেলে যেখানে সেখানে। মদ্যপ অবস্থায় ক্লাসও নিতে পারে না। কথায় কথায় গালিগালাজ করে, মারধরও করে শিশু পড়ুয়াদের। অভিযোগ, শাসক দলের একাংশের প্রশ্রয়েই ওই প্রধান শিক্ষক বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল।&nbsp;</p>
<p>এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্যে। উঠেছে নিন্দা এবং সমালোচনার ঝড়। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, যে শিক্ষকদের প্রধান কর্তব্যই হল ছাত্র-ছাত্রীদের নৈতিক চরিত্র গঠন, তাঁদেরই একজন প্রধান শিক্ষকের নৈতিকতার এমন অকল্পনীয় ঘৃণ্য অধঃপতন? এমনিতেই বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে শিক্ষাব্যবস্থাকে চূড়ান্ত প্রহসনে পরিণত করেছে দুর্নীতি এবং স্বজনপোষণ। এর ব্যতিক্রম নয় মধ্যপ্রদেশও। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের এমন অভব্যতা কল্পনারও বাইরে। সবচেয়ে বড় কথা, প্রধান শিক্ষকের তাণ্ডবে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকরা।&nbsp;</p>
<p>কিন্তু দিনের পর দিন একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের এমন কাণ্ড- কিছুই জানতে পারেনি রাজ্যের শিক্ষা দফতর? কয়েকজন অভিভাবক বললেন, পড়ুয়াদের ক্ষতির আশঙ্কায় মুখ রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন তাঁরা। তবে লিখিত অভিযোগ না গেলেও বারবার মৌখিক অভিযোগ জানানো হয়েছিল শিক্ষা দফতরের পদস্থ অফিসারদের কাছে। কিন্তু সবকিছু বুঝেও না বোঝার ভান করেছেন তাঁরা। ফলে আরও পেয়ে বসেছে বেহায়া প্রধান শিক্ষক। শেষপর্যন্ত অবশ্য জনরোষের চাপে পড়ে ওই প্রধান শিক্ষককে শো-কজ করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/shocking-misconduct-by-headmaster-comes-to-light-in-madhya-pradesh]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/mPHyxmN4W10rRvgptHUoQ55q99OsR3SsuhZRshi3.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপ, আরও দু’দিন দুর্যোগের সম্ভাবনা রাজ্য জুড়ে]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 09:03:32 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>রাজ্য জুড়ে চলবে&nbsp; ঝড়-বৃষ্টির দাপট। নতুন করে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে এর ফলে ঝড়বৃষ্টি আপাতত থামছে না রাজ্যে। এদিকে উল্টে গেল উত্তরবঙ্গের ছবি। সেখানে ঝড়-বৃষ্টি চললেও দুর্যোগ কেটে যাবে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূমে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সোমবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায় ঝড়বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।মঙ্গল এবং বুধবার দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙ, আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেঘের পরিমাণ বাড়তে পারে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় হালকা বৃষ্টি কিংবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/new-low-pressure-at-bay-of-bengal]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/10/8FpgQyWSKnr2ciWbKY5uzDemosmZjFo5tfO7CicE.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[মৃতদেহ হস্তান্তরে পুলিশকে প্রভাবিত করতে বিজেপির চিঠি! প্রশ্ন তৃণমূলের]]></Title><PublishDate>Mon, 10 Aug 2026 08:52:05 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>মৃতদেহ হস্তান্তরে পুলিশকে বিজেপির পার্টির চিঠি কাজ করছে? ভারতীয় জনতা পার্টির লেটার হেডে এমনই একটি চিঠি প্রকাশ্যে এসেছে। যা নিয়ে উঠছে বহু প্রশ্ন। চিঠিতে লেখা রয়েছে ছায়া সেন নামে একজনের দেহ সৈকত সেন নামে এক ব্যক্তিকে যাঁর নামের পাশে লেখা রয়েছে শিবনাথ সেনের পুত্র, তাঁকে ওই হস্তান্তর করার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেছেন দিলীপ কুমার চন্দ। যিনি ৯৫ নম্বরের ওয়ার্ডের সভাপতি। রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই চিঠি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।&nbsp;</p>
<p>সোশ্যাল মিডিয়াতেও তিনি একাধিক প্রশ্ন তুলে পোস্ট করেছেন। বিধায়ক এই বিতর্কিত চিঠি মোবাইল থেকে পড়ে শোনান সাংবাদিকদের। এরপরই তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, মৃতদেহ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে পুলিশকে কোনও রাজনৈতিক দলের (বিজেপির) চিঠি বা সুপারিশ কীভাবে প্রভাবিত করছে। জনপ্রতিনিধির বদলে কোনও দলীয় নেতার এ-ধরনের চিঠি বা হস্তক্ষেপের বিষয়টিকে তিনি বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করে এর সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তিনি। মূল বিষয়সমূহ সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন যে, এটা কী? এটা কি সত্যি? মৃতদেহ হস্তান্তরে পুলিশকে বিজেপির পার্টির চিঠি কাজ করছে? জনপ্রতিনিধির চিঠি পার্টির নেতা দেবেন? এটা সত্যি হলে । খতিয়ে দেখা হোক।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/bjp-letters-to-influence-police-on-handing-over-body]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/09/MQxK5tXWJlA5e4DbHDotCzoO7ZuHB3MGWbD5kLSK.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[অভিনেত্রীর ঠোঁটে চুম্বন অনুরাগীর]]></Title><PublishDate>Sun, 09 Aug 2026 23:26:21 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>নিজের অত্যন্ত প্রিয় অভিনেতা বা অভিনেত্রীকে চোখের সামনে দেখে অনেকেই আবেগ সামলাতে পারেন না, এই বিষয়টি একেবারেই নতুন নয়। অনুরাগীদের বিভিন্ন ধরণের কীর্তিকলাপ মাঝে মধ্যেই বিপাকে ফেলে দেয় সেলিব্রিটিদের। কিন্তু, সেই পছন্দের মানুষকে স্পর্শ করার ছাড়পত্র কিন্তু সবসময় একেবারেই পাওয়া যায়না। এবার এক চরম অস্বস্তিকর মুহূর্তের সাক্ষী হলেন অভিনেত্রী নিকিতা রাওয়ল। লাল গালিচায় এক মহিলা অনুরাগী হঠাৎ করে সামনে এসে সোজা ঠোঁটে চুম্বন করেন তাঁকে! স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে যান তিনি।</p>
<p>শনিবার একটি অনুষ্ঠানে পোজ দেওয়ার সময়ে এক মহিলা অনুরাগী তাঁর কাছে এসে সেলফি তোলার আবদার করলে তিনিও কথা রাখেন। ছবি তোলার পরেই প্রথমে নিকিতার গালে চুমু খান ওই মহিলা। তারপর নিমেষের মধ্যেই অভিনেত্রীকে কাছে টেনে তাঁর ঠোঁটে চুমু খান তিনি। ঘটনায় রীতিমত অবাক হয়ে যান নিকিতা। সেই চুম্বনের দৃশ্যের ভিডিয়ো ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল। দেখা যাচ্ছে ওই অনুরাগীকে সরিয়ে দিতে চাইছেন অভিনেত্রী কিন্তু সেই অনুরাগী একেবারেই সরতে নারাজ। এরপরে তিনি ফের একবার নিকিতার গালে চুমু খান। অবশেষে সেখান থেকে চলে যান তিনি। হঠাৎ এই পরিস্থিতির মুখে পড়ে কিছুটা হতভম্ব হয়ে যান নিকিতা। কী ঘটে গেল সেটা বোঝার আগেই ক্যামেরাবন্দি হয়ে গিয়েছে সেই অস্বস্তিকর মুহূর্ত।&nbsp;</p>
<p>বলা বাহুল্য, ভিডিয়োটি ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে। অনেকেই নেটদুনিয়ায় সেই অনুরাগীর আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। পছন্দের তারকা হলেও তাঁর সম্মতি ছাড়া এইভাবে শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়া বা চুম্বন করা কখনওই গ্রহণযোগ্য নয় বলেই তারা মনে করছেন। যদিও অনেকেই মনে করছেন এখানে অনুষ্ঠানের কর্মকর্তাদের আরও অনেক বেশি সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। তবে বেশ কিছু ক্ষেত্রে উঠে এসেছে পাবলিসিটি স্টান্টের তত্ত্বও।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/entertainment/fan-kissed-actress-nikita-rawal]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/09/2lQfJVLeLf89gYQjSGaezRjRwd8NwuXXJq2ZdWvZ.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[দেশভাগের 'নতুন পাঠ' ঘিরে বিতর্ক: কেন্দ্রের নির্দেশে নবান্নের সায় নিয়ে প্রশ্ন তুঙ্গে]]></Title><PublishDate>Sun, 09 Aug 2026 22:50:26 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাসকে নিজেদের রাজনৈতিক ছাঁচে ফেলে নতুন করে লেখার চেষ্টা করছে বিজেপি&mdash; এই অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এবার সেই &lsquo;ইতিহাস বিকৃতি&rsquo; ও মেরুকরণের রাজনীতিতেই কি পরোক্ষে সিলমোহর দিচ্ছে রাজ্য সরকার? আগামী ১৩ ও ১৪ অগাস্ট রাজ্যজুড়ে প্রথমবার &lsquo;পার্টিশন হরর রিমেমব্র্যান্স ডে&rsquo; বা &lsquo;দেশভাগ বিভীষিকা স্মরণ দিবস&rsquo; পালনের সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র হয়ে উঠেছে প্রশ্ন। কেন্দ্রের মোদি সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের চিঠির ভিত্তিতে খোদ নবান্নের এই তড়িঘড়ি পদক্ষেপে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা।&nbsp;</p>
<p>দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপি ও সংঘ পরিবার ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসকে নিজেদের মতো করে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সমালোচকদের মতে, স্বাধীনতা আন্দোলনে নিজেদের ভূমিকা নগণ্য হওয়ায়, দেশভাগের যন্ত্রণাময় এবং রক্তস্নাত ইতিহাসকে হাতিয়ার করে তারা এক নতুন মেরুকরণের আখ্যান তৈরি করতে চাইছে। দেশভাগের নেপথ্যে থাকা সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত এবং আর্থ-সামাজিক কারণগুলিকে আড়াল করে, কেবল সাম্প্রদায়িক হিংসাকে বড় করে দেখিয়ে বর্তমানের রাজনৈতিক ফায়দা লোটাই এই &lsquo;বিভীষিকা স্মরণ&rsquo;-এর মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।</p>
<p>সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হল রাজ্য সরকারের ভূমিকা। যে তৃণমূল সরকার কথায় কথায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনা ও স্বৈরাচারের অভিযোগ তোলে, তারা হঠাৎ কেন কেন্দ্রের সংস্কৃতি মন্ত্রকের নির্দেশিকায় এমন সুবোধ বালকের মতো মাথা নোয়াল? তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিব ড. সৌমিত্র মোহনের জারি করা নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, কেন্দ্রের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত। মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের সাম্প্রতিক নানা টানাপোড়েন এবং বক্তব্যের পর, সরকারের এই আকস্মিক উদ্যোগ রাজনৈতিক মহলে &lsquo;সেটিং&rsquo;-এর জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি দিল্লির নির্দেশ মেনেই রাজ্যে দেশভাগের ইতিহাস নিয়ে বিজেপির হিন্দুত্ববাদী ব্লু-প্রিন্ট বাস্তবায়নের পথ প্রশস্ত করে দিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন?</p>
<p>নির্দেশিকা অনুযায়ী, ১৪ অগস্ট সন্ধ্যায় জেলা সদরে সরকারি আধিকারিক, পড়ুয়া ও সাধারণ মানুষকে নিয়ে মোমবাতি মিছিল হবে। ১৩ ও ১৪ অগস্ট দেশভাগের ইতিহাস, উদ্বাস্তুদের সংগ্রাম নিয়ে প্রদর্শনী ও তথ্যচিত্র দেখানো হবে। অথচ এই বিরাট কর্মকাণ্ডের জন্য প্রতিটি জেলার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে মাত্র ৩০ হাজার টাকা! যে দেশভাগে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, ভিটেমাটি ছেড়ে ছিন্নমূল হয়েছেন অগণিত মানুষ, তাঁদের সেই চরম আত্মত্যাগ ও যন্ত্রণাকে মাত্র ৩০ হাজার টাকার এক সরকারি ইভেন্টে বেঁধে ফেলার এই চেষ্টা আদতে এক নিষ্ঠুর প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয়।&nbsp;</p>
<p>দেশভাগের ক্ষত বাঙালির মনে আজও দগদগে। সেই ইতিহাসকে স্মরণ করার অধিকার সকলের রয়েছে। কিন্তু যখন সেই স্মরণের নেপথ্যে থাকে ইতিহাসকে বিকৃত করে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার সর্বভারতীয় ব্লু-প্রিন্ট, এবং যখন বিরোধী শাসিত রাজ্য সরকারও বিনা বাক্যব্যয়ে সেই ফিনিক ফোটা চিত্রনাট্যে অংশ নেয়, তখন তা সাধারণ মানুষের কাছে চরম উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। দেশভাগের যন্ত্রণাকে কি তবে নিছকই ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে? আগামী দিনে এই প্রশ্নই রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/controversy-erupts-over-new-lessons-on-partition]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/09/XfaGbdKm47AD3dmEAp9N4NByAe6eB6zw5xt475gk.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[ফুলবাগানে জাতীয় পতাকার অবমাননা, অভিযোগের তির বিজেপি নেত্রীর দিকে]]></Title><PublishDate>Sun, 09 Aug 2026 20:17:08 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>রাজ্যজুড়ে &lsquo;তিরঙ্গা যাত্রা&rsquo;, আর প্রদীপের তলায় অন্ধকার। ঘরের সামনে জাতীয় পতাকার অবমাননা দেখেও দেখছেন না বিজেপি নেত্রী! ঘটনা কলকাতার (Kolkata) ফুলবাগান এলাকার। সেখানে মোড়ের কাছে পাশাপাশি বড় দুটি মূর্তি সবার নজর কাড়ে। আর সেই দুই মূর্তির মধ্যেই অবহেলিত জাতীয় পতাকা (National Flag)। পাশেই থাকেন বিজেপি (BJP) নেত্রী ডাঃ অর্চনা মজুমদার (Archana Majumder)। কিন্তু অভিযোগ, তৃণমূল (TMC) জমানায় বসানো জাতীয় পতাকাকে সম্মান দিচ্ছেন না তিনিও। <img style="max-width: 100%; height: auto; display: inline-block;" src="https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/09/d8beWdVPw76C6Nu2C98MhM9DKeTfsn67Pl1T31Ii.jpg" alt=""></p>
<p>ফুলবাগান মোড় থেকে বেলেঘাটার দিকে কয়েক পা এগোলেই পাশাপাশি মহাত্মা গান্ধী আর নেতাজি সুভাষ বসুর দুটি বিশাল মূর্তি পাশাপাশি দাঁড়িয়ে। তৃণমূল জমানাতেই জাতির জনক ও দেশনায়কের এই মূর্তি বসানো হয়। মাঝে বসানো হয় জাতীয় পতাকা। তৎকালীন তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পালই এর উদ্যোক্তা।</p>
<p>রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে। নতুন সরকার মোদি সরকারের &lsquo;হর ঘর তিরঙ্গা&rsquo; কর্মসূচি পালনে তৎপর। কিন্তু প্রদীপের তলায় অন্ধকারের মতোই বিজেপি নেত্রী ডাঃ অর্চনা মজুমদারের বাড়ির সামনে অবহেলায় জাতীয় পতাকা। বর্তমান শাসকদলের পক্ষ থেকে সেটি তোলার কোনও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। অভিযোগ, তৃণমূল আমলে বসানো বলেই এই উদাসীনতা। জাতীয় পতাকাকে সম্মান দিচ্ছেন না বিজেপি নেত্রীও। ঘটনায় বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। স্বাধীনতা দিবসের আগে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয় কি না এখন সেটাই দেখার।&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/desecration-of-the-national-flag-in-a-flower-garden]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/09/Rp4ccA59BAw9kvAangIHThkryVkkBBY0bVGAAhhK.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[সদর্থক ভূমিকা নিক রাজ্য সরকার: দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে বিচার চেয়ে ফের রাস্তায় অভয়া মঞ্চ]]></Title><PublishDate>Sun, 09 Aug 2026 20:04:07 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>দেখতে দেখতে দু&rsquo;বছর পার। ২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার হলে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল গোটা দেশ। ধর্ষণ-খুনের সেই নৃশংস ঘটনার দু&rsquo;বছর পরও উত্তর মেলেনি একাধিক প্রশ্নের। সেই ঘটনার জেরে তৎকালীন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তখনও রাস্তায় নেমেছিল ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্টে। রবিবার বর্তমান বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামল তাঁরা। ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্টের তরফে দেবাশিস হালদার বলেন, "আমরা আগের সরকারের বিরুদ্ধেও পথে নেমেছিলাম, তাই বর্তমান সরকারের উচিত সংবাদপত্রে হেডলাইনে জোর না দিয়ে কাজে সদর্থক ভূমিকা নেওয়া। আমরা চাই " সরকার, পুলিশ বা তদন্তকারী সংস্থা এই সমস্ত ঘটনার দ্রুত তদন্ত করুক।"&nbsp;</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/hemant-government-opposed-to-cbi-probe-students-warn-they-will-continue-the-agitation" target="_blank" rel="noopener noreferrer">CBI তদন্তে নারাজ হেমন্ত সরকার, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি পড়ুয়াদের</a></p>
<p>এই মামলায় সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে ঘটনার নেপথ্যে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তা জানতে ফের চলছে নতুন করে তদন্ত। দু&rsquo;বছর পূর্তিতে রবিবার সরকারি উদ্যোগে নিহত চিকিৎসককে স্মরণ হয়। রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সকাল ১১টা থেকে দু&rsquo;মিনিট নীরবতা পালনের কর্মসূচি রাখা হয়। পাশাপাশি, ন্যায়বিচারের দাবিতে কলকাতায় একাধিক মিছিলের আয়োজন করে বিভিন্ন সংগঠন।</p>
<p>ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্টের মিছিল হয় কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত। বিকেল ৪টে থেকে &lsquo;ভয়েস অফ অভয়া&rsquo;, &lsquo;ভয়েস অফ উইমেন&rsquo; এবং &lsquo;জাগো নারী জাগো বহ্নিশিখা&rsquo;-র উদ্যোগে আর জি কর মেডিক্যাল থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত হয় টর্চ মিছিল। এদিকে, ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। CBI-এর পাশাপাশি বিশেষ তদন্তকারী দলও একাধিক দিক খতিয়ে দেখছে। ঘটনার রাতে নিহত চিকিৎসকের সঙ্গে থাকা সহকর্মী, বন্ধু এবং অধ্যাপকদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/state-government-must-play-a-positive-role-abhaya-mancha-takes-to-the-streets-again-demanding-justice-on-the-second-death-anniversary]]></link></Item></Data>
