<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<Data><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/09/HGMaqcXlKW6K6LQNknZFFMqiMWpt25AwAwaqU91G.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[কঠিন সময়ে ফিফা সভাপতি পাশে পেলেন আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকোকে]]></Title><PublishDate>Sun, 09 Aug 2026 00:08:11 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>ক্ষমা চেয়েও রেহাই পাচ্ছেন না ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বিদ্রোহের আগুন তাঁর বিরুদ্ধে জ্বলছে। তার মধ্যেই কোণঠাসা ফিফা প্রেসিডেন্টের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তাঁকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকো ফুটবল ফেডারেশন। পাশে পাচ্ছেন আফ্রিকার দেশগুলিকেও।&nbsp;<br>বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের অংশ বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল করলেও সমালোচনা থামেনি। উয়েফার অন্তর্গত ৫৫টি দেশ এখনও ফিফা ইভেন্ট বয়কটে অনড় রয়েছে। কারণ, তাদের একটি শর্ত এখনও মানেনি ফিফা। ফিফা সভাপতির পদ থেকে ইনফান্তিনোকে সরানোর দাবি এখনও জোরাল। এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো এবং আফ্রিকার দেশগুলি। এই সমর্থনের মধ্যেও নরওয়ে ফুটবল সংস্থার প্রধান লিসা ক্লাভনেস ইনফান্তিনোর পদত্যাগ দাবি করেছেন।&nbsp;<br>যদিও ফিফার অন্দরেই ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন ইনফান্তিনো। জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপ-সহ ফিফার প্রথম সারির টুর্নামেন্টগুলির অংশীদারিত্ব বিক্রির পরিকল্পনার কথা জানতেন না সংস্থার সর্বোচ্চ কমিটির সদস্যরাও। ফিফার অন্যতম দুই শীর্ষকর্তা নাকি প্রস্তাবে সই করতেই রাজি হননি। চাপের মুখে ফিফাকে বলতে হয়, বিশ্বকাপ বিক্রির কোনও পরিকল্পনা নেই। কিন্তু ইনফান্তিনোকে সরানোর উদ্যোগ জারি রয়েছে। ফিফা প্রধানের বিরুদ্ধে &lsquo;ক্ষমতার চরম অপব্যবহারের&rsquo; অভিযোগ তুলেছেন খেলোয়াড়দের সংস্থা ফিফপ্রো-ও। এমন কঠিন পরিস্থিতিতেও আর্জেন্টিনা, মেক্সিকোর সঙ্গে কনফেডারেশন অফ আফ্রিকান ফুটবলের (কাফ) অন্তর্গত ৫৪টি দেশকে পাশে পেয়ে কিছুটা স্বস্তি পেলেন ইনফান্তিনো।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/argentina-and-mexico-support-fifa-president]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/09/zNZssUd9voQbYnIqXerrQYx0RWveEixuP9lWzOdO.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[বাড়িতে হয়েছে হামলা,  নিরাপত্তা পেলে দেশে ফিরতে রাজি শাকিব]]></Title><PublishDate>Sun, 09 Aug 2026 00:03:55 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>সরকার তাঁর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিলে শাকিব অল হাসান দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হতে রাজি। ২০২৪-এর মে মাসের পর থেকে শাকিব আর দেশে ফেরেননি। বর্তমানে তিনি লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে জাফনা কিংসের হয়ে খেলছেন।</p>
<p><br>শাকিব বলেছেন, আমি যদি সরকারের কাছ থেকে সুনিশ্চিত নিরাপত্তার আশ্বাস পাই তাহলে আমি খোলা মনে দেশে ফিরতে চাই। মুখোমুখি হতে চাই আইনেরও। আমি জানি যে কিছু করিনি। আমার বিরুদ্ধে হাস্যকর কেস রয়েছে। শাকিব-সহ ১৪৭ জনের নামে খুন, গণ্ডগোল পাকানোর অভিযোগ রয়েছে আদালতে। সম্প্রতি শাকিবের মগুরার বাড়িতেও হামলা হয়েছে। তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু শাকিবের দাবি, তিনি শুধু ক্যাপ্টেনের নির্দেশ পালন করেছেন। &nbsp;যেমন মাঠেও করে এসেছেন এতদিন।</p>
<p><br>বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনুল হক আগে বলেছিলেন, তাঁরা শাকিবের বিষয়টি তাঁর ফাস্ট ট্র্যাক কেসের জন্য দেখতে পারেন। যাতে দ্রুত নিষ্পত্তি হয়। &nbsp;কিন্তু এখন ওই প্রেস কনফারেন্সের পর পরিস্থিতি ভিন্ন হয়েছে। ক্রীড়ামন্ত্রীর কথায়, আমরা ওকে ক্রিকেটার হিসাবে দেখতে চেয়েছিলাম। এবার আসতে হবে আইনের রাস্তা দিয়েই। শাকিব অতীতে বলেছিলেন, তিনি দেশে ফিরে ফেয়ারওয়েল ম্যাচ খেলতে চান। ৩৯ বছর বয়স হয়েছে। আর বেশিদিন খেলতে পারবেন না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে।<br>এই আবহে শাকিবের দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হওয়ার বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/shakib-al-hasan-want-to-back-bangladesh]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/zCyq9MwsICqGRJ4hHkLciHZEW6kOQ2fHtq1PdrmY.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[জীবনযুদ্ধে হার মানলেন হোর্হে, মেসির সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে তাঁর বাবার বিরাট অবদান]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 23:45:17 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>প্রয়াত হলেন লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। মেসির বাবাই ছিলেন তাঁর মেন্টর-ম্যানেজার। মেসির জীবনে তাঁর বাবার অবদান অপরিসীম।</p>
<p>সিনিয়র মেসির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত সঠিক কারণ সেভাবে কিছু জানা যায়নি। কিন্তু রিপোর্টে জানা যাচ্ছে যে মেসির বাবা হোর্হে মেসি প্যানক্রিয়েটিক ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে কোনওভাবেই জনসমক্ষে মেসির বাবার শারীরিক অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আনা হবে না। গত জুন থেকেই শরীর ক্রমেই ভেঙে পড়তে থাকে।এমনকি তাঁর মৃত্যুর খবরও রটে যায়। যদিও পরিবারের পক্ষ থেকে তা ভুয়ো বলা হয়।&nbsp;</p>
<p>বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম গোলটা করার পরে মেসিকে অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়তে দেখা গিয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি বলেছিলেন যে 'খেলার সঙ্গে সম্পর্ক নেই, এমন একটা কারণেই' কেঁদে ফেলেন। তারপর বিভিন্ন রিপোর্ট সামনে আসতে থাকে।&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>লিয়োনেল মেসির ফুটবলজীবনের পিছনে তাঁর বাবার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বাবা হিসাবেই নয়, মেসির এজেন্ট এবং ব্যবসায়িক বিষয়গুলিও দেখতেন। মাঠে মেসির অসাধারণ সাফল্যের অন্যতম অনুঘটক ছিলেন তাঁর বাবা। ১৩ বছর বয়সে মেসিকে লা মাসিয়া অ্যাকাডেমিতে &nbsp;নিয়ে যান।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মেসির কেরিয়ারের শুরুতে বাবার বড় ভূমিকা ছিলআর্জেন্টিনার রোসারিয়োতেই জন্ম হোর্হে মেসির। মেসির ছোটবেলায় তিনি একটি ইস্পাত কারখানায় ম্যানেজার হিসাবে কাজ করতেন। কিন্তু ছেলের ফুটবল প্রতিভা দেখে নিজের কেরিয়ার বির্সজন দেন।&nbsp;</p>
<p>মেসির জীবনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলির একটি এসেছিল খুব অল্প বয়সেই। তাঁর গ্রোথ হরমোনের সমস্যা ধরা পড়ে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল। পরিবারের পক্ষে সেই খরচ চালিয়ে যাওয়া সহজ ছিল না। কিন্তু মেসি বাবা ও মা&nbsp; ছেলের চিকিৎসা এবং ফুটবল&mdash;দুটিই বজায় রাখেন।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/messis-father-jorge-messi-passed-away]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/rRZixmEDCNX10jIi36UiokzdgCrBZdzQ5Q6gI3Pq.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[লুকানো সুতোয় জীবনের বুনন]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 22:54:44 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>১৯০৫ সালের ৭ অগাস্ট। কলকাতার টাউন হলে গর্জে উঠেছিল পরাধীন ভারতের স্বদেশি আন্দোলন। বিলিতি পণ্য বর্জন করে নিজেদের হাতে বোনা কাপড় ও দেশীয় শিল্পকে আঁকড়ে ধরার সেই ঐতিহাসিক অঙ্গীকারই ছিল ভারতের আত্মনির্ভরতার প্রথম পাঠ। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০১৫ সাল থেকে প্রতিবছর এই দিনটি &lsquo;জাতীয় হস্তচালিত তাঁত দিবস&rsquo; (National Handloom Day) হিসেবে পালিত হয়।</p>
<p>এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে ২০২৪ সালের জাতীয় তাঁত দিবসের মূল বিষয় হয়ে উঠেছিল &lsquo;টেকসই ভবিষ্যৎ বুনন&rsquo; আর ২০২৫ সালের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল &lsquo;ঐতিহ্যের মাঝে নতুনত্বের বুনন&rsquo;। এছাড়াও মহিলা তাঁতিদের অবদানের প্রতি সম্মান জানাতে মূল লক্ষ্য ছিল নারী ক্ষমতায়ন।</p>
<p>ইতিহাসের পাতায় তাঁতশিল্পের সূচনা কেবল স্বাধীনতার আন্দোলনের প্রতীক ছিল না একটা সময় তা রূপ নিয়েছিল বাংলার গাঁয়ের হাজারো সাধারণ নারীর অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে। হ্যান্ডলুমের প্রসঙ্গ এলেই হয়তো ভেসে ওঠে মেঠো ঘরের তাঁতকলের সেই চেনা খটখট শব্দ, আর সুতোর রঙিন খেলা। কিন্তু এই ঐতিহ্যবাহী বয়নশিল্প আর লোকশিল্পের আসল প্রাণশক্তি লুকিয়ে রয়েছে আমাদের গ্রামীণ নারীদের নিপুণ আঙুলে&mdash; যাঁরা প্রতিকূলতার মুখে দাঁড়িয়েও প্রতিদিন কাপড়ের জমিনে বুনে চলেন নিজেদের জীবনসংগ্রামের গল্প।</p>
<p>পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্র ধরে আরও দক্ষিণে নামলে যেখানে নোনা জলের গন্ধ আর বাঘের ভয়, সেই সুন্দরবনের দুর্গম রাঙাবেলিয়া দ্বীপে গেলে শোনা যায় আরেক সংগ্রামের গল্প। প্রতি বছর আগস্ট মাসে সারা দেশ জুড়ে &lsquo;জাতীয় তাঁত দিবস&rsquo; পালিত হয় তখন রাঙাবেলিয়ার নারীদের তাঁত সংগ্রাম এক ভিন্ন মাত্রা পায়।</p>
<p>ঝড়, বন্যা, আয়লা কিংবা আমফানের নোনা জলে ঘরবাড়ি ভেসে যাওয়া এখানকার নিত্যসঙ্গী। পুরুষেরা যখন কাজের খোঁজে দেশান্তরী হন বা নদীতে মাছ-কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বিপদের মুখে পড়েন, তখন রাঙাবেলিয়ার নারীরা শক্ত হাতে সামলান সংসারের হাল। &lsquo;রাঙাবেলিয়া মহিলা সমিতি&rsquo; ও স্থানীয় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ছায়ায় বসে তাঁরা বুনতে শুরু করেন তাঁতের কাপড় আর কাঁথা স্টিচ।</p>
<p>সূতো রঙ করা থেকে শুরু করে খটখট শব্দে হস্তচালিত তাঁত চালানো&mdash; সবই করেন তাঁরা। আর সেই কাপড়ের ক্যানভাসে বুনে দেন নিজেদের চারপাশের প্রকৃতিকে&mdash; ম্যানগ্রোভ অরণ্য, জলজ পাখি আর নদীর বাঁক। তাঁদের বোনা প্রতিটি বস্ত্র কেবল পরিধান নয়, তা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে থাকা এক অদম্য জীবনসংগ্রামের প্রতীক।</p>
<p>দুপুরের চড়া রোদটা যখন আলসে হয়ে তালগাছের মাথায় হেলে পড়ে, ঠিক তখন বাংলার কোনও এক মেঠো গাঁয়ের নীরবতা ভাঙতে শুরু করে। ঘরের খাঁ-খাঁ দাওয়ায় কিংবা বটতলার একফালি স্নিগ্ধ ছায়ায় একে একে এসে বসেন কয়েকজন নারী। কোলজুড়ে মেলে ধরা পুরনো শাড়ির নরম জমিন, আর হাতে ধরা একখানা ছোট্ট সূচ। লাল, নীল, হলুদ সুতোর ছন্দময় ফোঁড়ে ফোঁড়ে সেই কাপড়ের বুকে ফুটতে শুরু করে রূপকথার ময়ূর, নদী, লতাপাতা আর মানুষের সুখ-দুঃখের গল্প।</p>
<p>দূর থেকে দেখলে মনে হতে পারে, এ কেবলই অলস দুপুর কাটানোর সাধারণ কোনও ঘরকন্না। অথচ এই অদৃশ্য হাতগুলোর কারসাজিতেই কিন্তু শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নীরবে রচিত হয়ে চলেছে এক বিরাট সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লব।</p>
<p>বাংলার লোকশিল্প ও হস্তশিল্পের ইতিহাস বহু পুরনো, আর এর নিঃশব্দ কান্ডারি হলেন গ্রামীণ নারীরা। এই শিল্পকলা শেখার জন্য তাঁদের কোনও বড় বিদ্যাপীঠে যেতে হয়নি। প্রথাগত পুঁথিগত শিক্ষার বাইরে গিয়ে, অলিখিত নিয়মে মা-দিদিমাদের কাছ থেকে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে হস্তান্তরিত হয়েছে এই বিদ্যা।</p>
<p>নকশি কাঁথা ও সূচিশিল্প : ছেঁড়া শাড়ি আর ফেলে দেওয়া কাপড়ের সুতো দিয়ে শুধুই শরীর ঢাকার কাঁথা তৈরি হয় না; প্রতিটি ফোঁড়ে জমা হয়ে থাকে একেকটি নারীর অব্যক্ত যন্ত্রণা, নীরব স্বপ্ন ও ভালোবাসা।</p>
<p>মৃৎশিল্প ও আলপনা : লক্ষ্মীপুজোর উঠোনে আঁকা চালচিত্র কিংবা মাটির হাঁড়িকুড়ি ও পুতুলে তুলির আঁচড় দেওয়ার কাজটি আজও নারীদের আঙুলের ছোঁয়াতেই প্রাণ পায়।</p>
<p>বাঁশ, বেত ও পাটের কারুকাজ : গৃহস্থালির বাহারি শিকা, বাঁশ-বেতের নিপুণ ঝুড়ি বা পাখা তৈরি&mdash;সবকিছুতেই তাঁদের সহজাত নন্দনবোধ স্পষ্ট।</p>
<p>এই শিল্প আসলে ফেলে দেওয়া জিনিসকে নতুনের রূপ দেওয়ার এক অদ্ভুত পরিবেশবান্ধব &lsquo;আপসাইক্লিং&rsquo; বিদ্যা। কোনও অপচয় না করে প্রকৃতিকে ভালোবেসে বাঁচিয়ে রাখার এই শিক্ষা গ্রামীণ নারীর রক্তে মিশে আছে।</p>
<p>গ্রামীণ নারীর এই নীরব লড়াই আর লোকশিল্প কীভাবে জীবন বদলে দিতে পারে, তার এক অনন্য উদাহরণ বীরভূমের সিউড়ির তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়। মাত্র ৬ বছর বয়সে মায়ের পাশে বসে কাপড়ে সুতো গলানোর হাতেখড়ি হয়েছিল তাঁর। সংসারে চরম অভাব-অনটন, কিন্তু মনের ভেতরের শিল্পীকে তিনি মরতে দেননি। সুচ-সুতোর বুননই হয়ে উঠেছিল তাঁর অস্তিত্ব রক্ষার প্রধান হাতিয়ার।</p>
<p>নিজের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েই কিন্তু তৃপ্তি দেবী ক্ষান্ত হননি। তিনি হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন গ্রামের হাজারো গৃহবন্দি নারীর দিকে। প্রতিষ্ঠা করলেন একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। দেখতে দেখতে প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি প্রান্তিক নারীকে কাঁথা স্টিচের কাজে দক্ষ করে অর্থনৈতিক স্বাধীনতার মুখ দেখালেন তিনি। মেঠো পথের সেই সাধারণ মেয়েটির অসামান্য কারুকাজ ও সমাজ বদলের এই লড়াই স্বীকৃতি পেল আন্তর্জাতিক মঞ্চে&mdash; তিনি ভূষিত হলেন &lsquo;পদ্মশ্রী&rsquo; সম্মানে। তৃপ্তি দেবীদের গল্প তাই শুধু এক শিল্পীর গল্প নয়, এ হল গ্রামের প্রতিটি নারীর আত্মবিশ্বাসের জয়গান।</p>
<p>গৃহকোণ থেকে অর্থনীতির মূলস্রোতে&nbsp;</p>
<p>আজ আর হস্তশিল্প কেবল ঘরের সাজসজ্জায় আটকে নেই। কৃষিনির্ভর পরিবারগুলোতে যখন অনাবৃষ্টি বা ঋতুভিত্তিক বেকারত্ব হানা দেয়, তখন এই নারীদের শিল্পকর্মই হয়ে ওঠে সংসারের প্রধান ভরসা। হস্তশিল্প বিক্রি করে উপার্জন করা দুটো টাকা তাঁদের সমাজে কথা বলার জোর এনে দিয়েছে।</p>
<p>স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কল্যাণে শহরের মেলা থেকে শুরু করে ডিজিটাল বাজারে আজ ছড়িয়ে পড়ছে তাঁদের তৈরি কাজ। এই অর্জিত অর্থে নারীরা সন্তানদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন, পরিবারের খাদ্যের সংস্থান করছেন এবং নিজেদের একটি স্বাধীন পরিচয় গড়ে তুলছেন।</p>
<p>প্রান্তের লড়াই ও আগামীর আলো</p>
<p>অবশ্য এই পথ এখনও সম্পূর্ণ মসৃণ নয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সূক্ষ্ম কাজ করার পরেও মধ্যস্বত্বভোগীদের চক্রান্তে অনেক সময় ন্যায্য মজুরি মেলে না। কাঁচামালের চড়া দাম এবং আধুনিক পাওয়ারলুমের সস্তা কাপড়ের দাপটে হস্তশিল্পীদের টিকিয়ে রাখার লড়াইটা বড্ড কঠিন।</p>
<p>তবুও হার মানেননি বাংলার মহিলা শিল্পীরা। মাটির সুবাস আর বুননের ভালোবাসাকে পুঁজি করে তাঁরা এগিয়ে চলেন। কারণ যেখানে মুখ ফুটে কথা বলা যায় না, সেখানে সুচ-সুতোর ফোঁড় আর মাটির গড়ন কথা বলে ওঠে। লোকশিল্পে গ্রামীণ নারীর এই অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং সঠিক বাজার তৈরি করে দেওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব। কারণ তাঁদের হাতের বোনা এই রঙিন সুতোতেই বাঁধা রয়েছে আমাদের আবহমান বাংলার সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/the-weaving-of-life-with-hidden-threads]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/KwZ5hToHDYcm1oQnev3q3XBqJAPAldP5lMXGz8Oc.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[অরুণাচলের মানচিত্রে ২৭ জায়গার নাম বদল! চিনকে পাল্টা বার্তা ভারতের]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 22:42:27 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে চিনের নাম বদলের পালটা জবাব দিল ভারত। এলএসি সংলগ্ন অরুণাচলের ২৭টি জায়গা ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যকে সরকারি মানচিত্রে আনুষ্ঠানিক ভাবে চিহ্নিত করেছে নয়াদিল্লি। সার্ভে অফ ইন্ডিয়া এই নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে।</p>
<p>কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশ সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করেই মানচিত্রটি তৈরি করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে সীমান্তবর্তী গ্রাম লংজু, মাজা ও বিসা। এছাড়াও জোলা, রিজালা, পুকুর লা-সহ কয়েকটি গিরিপথ এবং ১৯৬২ সালের ভারত-চিন যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত থাগ লা রয়েছে। বিতর্কিত এলাকা লংজুও এই তালিকায় রাখা হয়েছে।</p>
<p>উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে অরুণাচল প্রদেশের একাধিক জায়গার নাম নিজেদের মতো করে বদলেছে চিন। ২০২৪ সালের এপ্রিলেও অরুণাচলের ৩০টি জায়গার নাম বদলের তালিকা প্রকাশ করেছিল বেজিং।</p>
<p>চিনের সেই পদক্ষেপের পালটা হিসেবেই অরুণাচলের ২৭টি জায়গাকে ভারতের সরকারি মানচিত্রে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হল বলে মনে করা হচ্ছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/international/china-renames-27-places-in-arunachal-delhi-issues-a-strong-counter-message]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/gzSXBzJGswMTe6PyxZEtBQDLSCylXWASNppE3jHd.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[চা-চক্রে দলবদলুরাই, পুরনোরা স্রেফ দর্শক! বিজেপিকে কটাক্ষ কুণালের]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 22:20:50 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>গ্রেফতারির হাত থেকে বাঁচতেই দলের একাংশ বিজেপির শরণাপন্ন হচ্ছেন! এমনই অভিযোগ তুলে পদ্মশিবির ও তৃণমূলত্যাগী নেতাদের বিঁধলেন কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সংস্থার আইনি প্যাঁচ থেকে নিষ্কৃতি পেতেই এই ধরনের রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করা হচ্ছে। এখানেই না-থেমে, বিজেপির পুরনো ও কট্টর কর্মীদের প্রতি সমবেদনা জানানোর ভঙ্গিতে তীব্র কটাক্ষ শাণিয়েছেন তিনি। কুণালের সাফ বক্তব্য, যে সব &lsquo;গদ্দার&rsquo;দের সঙ্গে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের ছবি বেরোচ্ছে, তা দেখে রাজ্য বিজেপির নিচু তলার কর্মীদের করুণ অবস্থা স্পষ্ট।</p>
<p>শনিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একাধিক তৃণমূলত্যাগী বিধায়ক ও সাংসদকে নিশানা করেন কুণাল। তাঁর কথায়, &ldquo;ভালো তৃণমূল কনসেপ্টটাই অধিকাংশের ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে গ্রেফতার এড়িয়ে যাওয়ার তাগিদ থেকে। আমি অবশ্য সকলের কথা বলছি না। কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে বিজেপি একদা ভুরি ভুরি অভিযোগ আনত, তারাই যদি এখন দিল্লিতে বা বাংলায় আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে ঘুরে বেড়ান, তবে সে প্রশ্ন তো উঠবেই।&rdquo;</p>
<p>বিজেপিতে নবাগত নেতাদের দাপট এবং পুরনোদের গুরুত্বহীনতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে কুণাল আরও বলেন, &ldquo;তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া যাদের একদা গদ্দার বা বেইমান বলা হতো, তাঁদের সঙ্গে বিজেপি নেতাদের প্রকাশ্য ছবি বেরোচ্ছে। এতে তৃণমূল কর্মীদের প্রতিক্রিয়া বুঝতে অসুবিধা হয় না। তবে তার চেয়েও বেশি কৌতূহল জাগে, বিজেপির নিজস্ব কর্মী-সমর্থকদের কেমন লাগছে?&rdquo;</p>
<p>রাজ্য বিজেপির শীর্ষ পদাধিকারীদের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে কুণাল যোগ করেন, &ldquo;এই রাজ্যের অর্ধেক বড় বিজেপি নেতাও কি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে চা খাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন? পাননি। অথচ দল বদলে যাওয়া এই তথাকথিত গদ্দাররাই সোজা গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চায়ের টেবিলে বসছেন! আজ তাঁদেরকেই নেতা মেনে বিজেপি করতে হচ্ছে পুরনো কর্মীদের। ওদের এই রাজনৈতিক দশা দেখে সত্যই হাসি পাচ্ছে।&rdquo;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/kunal-ghosh-sneered-bjp]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/yu0Ua59i9Ol1PE2i8RG4soUlYIjXHHDYFFHy3bNH.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[বাইক-বাস সংঘর্ষে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! সল্টলেকে মৃত্যু সিআইএসএফ জওয়ানের]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 21:24:42 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>কসবা থেকে ডিউটি সেরে বাইকে বাড়ি ফেরার পথে সল্টলেকে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক সিআইএসএফ জওয়ান। মৃতের নাম অরূপ পাত্র (৪৫)। তিনি বাঁকুড়ার বাসিন্দা হলেও কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকতেন। শনিবার দুর্ঘটনাটি ঘটেছে সল্টলেকের সুকান্ত নগর লোহাপুলের কাছে।</p>
<p>পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার ডিউটি শেষ করে বাইক নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন ওই জওয়ান। সেই সময়ে সুকান্ত নগর লোহাপুলের কাছে একটি বেসরকারি বাসের সঙ্গে তাঁর বাইকের ধাক্কা লাগে। ধাক্কার তীব্রতায় তিনি বাইকসহ রাস্তায় ছিটকে পড়েন এবং মারাত্মকভাবে জখম হন। ঘটনার পরেই বাসের কন্ডাক্টর তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।</p>
<p>বাসের কন্ডাক্টরের দাবি, বাইক আরোহী আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা মারেন এবং বাসের দিকে ছিটকে আসেন। তবে বাসের চাকা তাঁর শরীরের উপর দিয়ে যায়নি বলেই দাবি করেছেন কন্ডাক্টর। দুর্ঘটনার পরেই বাসটি থামিয়ে দেওয়া হয় এবং পুলিশে খবর পাঠানো হয়।</p>
<p>ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। পুলিশ দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিকে বাজেয়াপ্ত করেছে এবং জওয়ানের দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বাইকটি উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর পুলিশ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে এবং মৃত জওয়ানের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালাচ্ছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/cisf-jawan-died-in-road-accident-at-saltlake]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/9xEE2aKkuKkVbkmErBiBqRMkCgzmNtkssVxnBDKc.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[শাহরুখ-দর্শনই ফ্যানবয় মোমেন্ট পূজারার]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 21:03:39 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>শাহরুখ খানের সঙ্গে প্রথম মোলাকাত ছিল তাঁর কাছে ফ্যানবয় মোমেন্ট। বলে দেওয়ার দরকার নেই অনেকের মতো চেতেশ্বর পুজারাও তখন বাদশার অন্ধভক্ত।&nbsp;</p>
<p>সেটা ২০০৯-১০। পুজারা কেকেআরে যোগ দিয়েছেন।।সেই সুবাদে বলিউড বাদশার সামনে। পুজারা ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করেছেন এইভাবে, আইপিএলে কেকেআরে যোগ দিয়েছি। যার মালিক শাহরুখ খান। সত্যিই আমার তখন ফ্যানবয়ের অবস্থা। কিন্তু ক্রিকেটীয় দিক থেকে ভাবলে ব্যাপারটা এমন ছিল না যে শাহরুখের ফ্র্যাঞ্চাইজি বলেই আমাকে এখানে খেলতে হবে। থাকার ব্যাপারটা মাথায় ঢোকার জন্য আগে দেখতে হয় যে দলের পরিবেশ কেমন। কিংবদন্তিদের থেকে শেখার সুযোগ আছে কিনা। তাদের সঙ্গে খেলে উন্নতির অবকাশ আছে কিনা।</p>
<p>আইপিএলে ২০০৯-১৪, এই কটা বছরে পুজারা ৩০টি ম্যাচ খেলে ৩৯০ রান করেছেন। কেকেআর, সিএসকে ছাড়াও পরে তিনি খেলেন আরসিবি ও পাঞ্জাব কিংসের হয়ে। চেন্নাইয়ের হয়ে খেলার দিনগুলিতে ফিরে পুজারা বলেন, ২০১৮ আর ২০২১-এ অস্ট্রেলিয়ায় আমি জস হ্যাজলউডকে অনেক খেলেছিলাম। চেন্নাইয়ে দুজনেই একসঙ্গে খেলেছি। ওকে অনেক বল করেছি বলে হ্যাজলউড মজা করে আমায় নেটে বল করতে চাইতো না। মজা করলেও জস কিন্তু সত্যিই আমায় বল করত না। ২০২১-এ আইপিএল জয়ী সিএসকে দলে থাকলেও কোনও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি পুজারা।</p>
<p>জিওহটস্টারের অনুষ্ঠানে এসে প্রাক্তন ব্যাটার আরও বলছিলেন, ওই দুই অস্ট্রেলিয়া সফরে তিনি ভালই ব্যাট করেছিলেন। গোটা সফরে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছিলেন। সেসব মনে করেই হ্যাজলউড তাঁকে নেটে বল করতেন না। সবটাই ছিল মজার ছলে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/catching-a-glimpse-of-shah-rukh-was-a-fanboy-moment-for-pujara-1]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/9xEE2aKkuKkVbkmErBiBqRMkCgzmNtkssVxnBDKc.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[শাহরুখ-দর্শনই ফ্যানবয় মোমেন্ট পূজারার]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 21:03:34 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>শাহরুখ খানের সঙ্গে প্রথম মোলাকাত ছিল তাঁর কাছে ফ্যানবয় মোমেন্ট। বলে দেওয়ার দরকার নেই অনেকের মতো চেতেশ্বর পুজারাও তখন বাদশার অন্ধভক্ত।&nbsp;</p>
<p>সেটা ২০০৯-১০। পুজারা কেকেআরে যোগ দিয়েছেন।।সেই সুবাদে বলিউড বাদশার সামনে। পুজারা ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করেছেন এইভাবে, আইপিএলে কেকেআরে যোগ দিয়েছি। যার মালিক শাহরুখ খান। সত্যিই আমার তখন ফ্যানবয়ের অবস্থা। কিন্তু ক্রিকেটীয় দিক থেকে ভাবলে ব্যাপারটা এমন ছিল না যে শাহরুখের ফ্র্যাঞ্চাইজি বলেই আমাকে এখানে খেলতে হবে। থাকার ব্যাপারটা মাথায় ঢোকার জন্য আগে দেখতে হয় যে দলের পরিবেশ কেমন। কিংবদন্তিদের থেকে শেখার সুযোগ আছে কিনা। তাদের সঙ্গে খেলে উন্নতির অবকাশ আছে কিনা।</p>
<p>আইপিএলে ২০০৯-১৪, এই কটা বছরে পুজারা ৩০টি ম্যাচ খেলে ৩৯০ রান করেছেন। কেকেআর, সিএসকে ছাড়াও পরে তিনি খেলেন আরসিবি ও পাঞ্জাব কিংসের হয়ে। চেন্নাইয়ের হয়ে খেলার দিনগুলিতে ফিরে পুজারা বলেন, ২০১৮ আর ২০২১-এ অস্ট্রেলিয়ায় আমি জস হ্যাজলউডকে অনেক খেলেছিলাম। চেন্নাইয়ে দুজনেই একসঙ্গে খেলেছি। ওকে অনেক বল করেছি বলে হ্যাজলউড মজা করে আমায় নেটে বল করতে চাইতো না। মজা করলেও জস কিন্তু সত্যিই আমায় বল করত না। ২০২১-এ আইপিএল জয়ী সিএসকে দলে থাকলেও কোনও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি পুজারা।</p>
<p>জিওহটস্টারের অনুষ্ঠানে এসে প্রাক্তন ব্যাটার আরও বলছিলেন, ওই দুই অস্ট্রেলিয়া সফরে তিনি ভালই ব্যাট করেছিলেন। গোটা সফরে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছিলেন। সেসব মনে করেই হ্যাজলউড তাঁকে নেটে বল করতেন না। সবটাই ছিল মজার ছলে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/catching-a-glimpse-of-shah-rukh-was-a-fanboy-moment-for-pujara]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/EplLI79e7Wx1y3koNOLqkXh047jcaGCBgv40FQO7.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[সেন্ট লুইস দাবায় চ্যাম্পিয়ন প্রজ্ঞানন্দ]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 20:49:57 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>২০ বছরের ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার আর প্রজ্ঞানন্দের সাফল্যের মুকুটে যোগ হল আরও একটি পালক। শেষ রাউন্ডের খেলা বাকি থাকতেই আমেরিকায় গ্র্যান্ড চেস ট্যুর সেন্ট লুইস র&zwj;্যাপিড অ্যান্ড ব্লিৎজ খেতাব জিতলেন ভারতীয় কিশোর। চলতি মরশুমে প্রজ্ঞার এটি দ্বিতীয় খেতাব। এই জয় বছর শেষে গ্র্যান্ড চেস ট্যুর ফাইনালসে প্রজ্ঞার খেলার সম্ভাবনা উজ্জ্বল করল। এই প্রথমবার কোনও র&zwj;্যাপিড ও ব্লিৎজ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হলেন ভারতের তরুণ তুর্কি। চ্যাম্পিয়ন হয়ে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার ও ১৩ জিসিটি পয়েন্ট পেলেন প্রজ্ঞা। নরওয়ে দাবায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ধারাবাহিকতায় জোর দিতে চান। সেই লক্ষ্যে মার্কিন মুলুকে বাজিমাত করলেন প্রজ্ঞা। শুক্রবার শেষ রাউন্ডের ঠিক আগের ম্যাচে উজবেকিস্তানের জাভোখির সিন্দারভের সঙ্গে অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ড্র করেন প্রজ্ঞা। আর তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায় শিরোপা। প্রতিযোগিতায় প্রজ্ঞার পয়েন্ট এখন ২৩.৫। স্বচ্ছন্দেই সবার আগে তিনি। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর প্রজ্ঞা বলেছেন, দারুণ খুশি আমি। এই ফল এবং যে মানের খেলা হয়েছে তাতে আমি তৃপ্ত। এটা আমার প্রথম কোনও বড় মাপের র&zwj;্যাপিড প্রতিযোগিতায় খেতাব জয়। তাই অনেক বেশি আনন্দ হচ্ছে। আমার গোটা টিম, নিজের পরিবারকে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ। একইসঙ্গে আমাকে সমর্থন করার জন্য ভক্তদেরও ধন্যবাদ।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/st-louis-dabai-group-pragyananda]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/LDQMtzn0nVfG02pH04FXa0Gu2wyCeh3szE6MNy19.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[‘উনি রাজনৈতিক পরজীবী, আলো পান অন্যকে ধরে’, সুদীপকে তীব্র কটাক্ষ কুণালের]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 20:10:59 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>"উনি বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক পরজীবী। ওনার নিজস্ব কোনো সংগঠন নেই, অনুগামী নেই। উনি কখনো প্রিয় রঞ্জন দাসমুন্সি, কখনো সোমেন মিত্র, কখনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধরে তাঁদের আলোয় আলোকিত"। শনিবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সেই সঙ্গে উত্তর কলকাতার রাজনীতি ও বিজেপি নেতা তাপস রায়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি সুদীপের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কুণাল।</p>
<p>কুণাল ঘোষের স্পষ্ট কথা, "তখন তাপস রায় উত্তর কলকাতার মানুষ। তিনি আজ বিজেপি করছেন, রাজ্যের মাননীয় মন্ত্রী। কিন্তু তিনি দীর্ঘদিন উত্তর কলকাতায় পুরোনো কংগ্রেস, পরবর্তীকালে তৃণমূল কংগ্রেস করেছেন। এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় যে কত খারাপ রাজনৈতিক এলিমেন্ট, তা তাপস রায়ও জানেন।" সাংসদের নিজস্ব সংগঠন বা অনুগামী নেই দাবি করে কুণাল তোপ দাগেন, "সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক পরজীবী। ওনার নিজস্ব কোনো সংগঠন নেই, অনুগামী নেই। উনি কখনো প্রিয় রঞ্জন দাসমুন্সি, কখনো সোমেন মিত্র, কখনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধরে তাঁদের আলোয় আলোকিত।" মহাকাশ ও কৃত্রিম উপগ্রহের রূপক টেনে কুণাল ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, "উনি নক্ষত্র দূরের কথা, গ্রহ দূরের কথা, উপগ্রহ দূরের কথা, উনি এমন সব কৃত্রিম উপগ্রহ যেগুলো ওঠে ভূপৃষ্ঠ থেকে, তারপর আর সেগুলো ঠিক কাজ করতে পারে না, কোনো সমুদ্রে গিয়ে পড়ে। এখন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বেইমান, গাদ্দার, মীরজাফর, বিভীষণ।"</p>
<p>উত্তর কলকাতার রাজনৈতিক মহলে প্রচলিত একটি চর্চার কথা তুলে ধরে কুণাল ঘোষ আরও বলেন, "আমাদের উত্তর কলকাতায় একটা কথা প্রচলিত আছে যে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধী তাপস রায় অন্য দলে থাকেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধী হিসেবে। আমাদের উত্তর কলকাতায় একদম প্রচলিত হচ্ছে&mdash; দল যার যার, সুদীপের সমালোচনার উৎসব সবার।"</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/kunal-ghosh-sneered-sudip-banerjee]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/3H8sw2BucsQXxMSf0faEyyTMuS8fVYrgsxNYJnBt.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[মেটাকে অ্যালগোরিদম বদলানোর নির্দেশ কেন্দ্রের!]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 19:47:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>সোশ্যাল মিডিয়া থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সরানোর পর থেকেই মেটার (META)উপর থেকে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের আক্রোশ যেন কমতেই চাইছে না। জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ সংস্থার তরফ থেকে অফিসিয়াল ক্ষমা দাবি করার পর এবার মেটার অ্যালগোরিদম ব্যবস্থা নতুন করে সাজানোর নির্দেশ কেন্দ্রের। শুধু টাই নয় এই প্ল্যাটফর্ম থেকে কীভাবে বেআইনি ও বিকৃত কনটেন্ট পুরোপুরি সরানো হবে তার কমপ্লায়েন্স রোডম্যাপ (Complience roadmap)জমা করার জন্যও বলা হয়েছে জুকারবারগের সংস্থাকে।</p>
<p>META ভারতের আইটি আইনের মধ্যস্থতাকারী নিয়মাবলী সঠিকভাবে মেনে চলছে কি না তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি এবার টেক জায়ান্টকে একগুচ্ছ শর্ত মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মেটার প্রযুক্তি দল তাদের কন্টেন্ট ফিল্টারিং ব্যবস্থা নিয়ে সীমাবদ্ধতার কথা জানাতেই নয়া দিল্লির তরফে স্পষ্ট বলা হয়েছে, সরকারি বা অনুমোদিত সংস্থা কোনও কন্টেন্ট চিহ্নিত করলে তা দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। শুধু তাই নয়, বিকৃত ছবি ও ডিপফেক রুখতে সরকারের 'কুইক রেসপন্স টিম'-এর সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে মেটা-কে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/centre-directs-meta-to-change-its-algorithm]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/i7XH14cFiUQIYkbbGmsOL3gPdtmvQYHgQ8Q2hiKC.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[ধোনি-বিরাট নন, রাহানের চোখে সেরা শচীনই]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 19:28:33 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>&nbsp;</p>
<p>ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন কয়েকদিন আগে। কিন্তু ক্রিকেটকে ফিরে দেখতে অসুবিধা কোথায়! অজিঙ্ক রাহানে ঠিক সেটাই করছেন। মাইকেল ভন, ডেভিড লয়েডদের স্টিক টু ক্রিকেট পডকাস্ট-এ আগেই অনেক কথা বলেছিলেন। যা ইতিমধ্যেই প্রকাশিত। এবার সামনে এল মুম্বই ব্যাটারের চোখে গ্রেটেস্ট ভারতীয় ক্রিকেটারের নাম।</p>
<p>না, সমসাময়িক কাউকে বাছেননি রাহানে। এমএস ধোনি নন, বিরাট কোহলিও নয়। তাহলে কে? রাহানে বেছে নিয়েছেন শচীন তেণ্ডুলকরকে। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তোমার চোখে সর্বকালের সেরা ভারতীয় ক্রিকেটার কে? তিনি উত্তরে বলেন, খুব কঠিন। সহজে বেছে নেওয়া কঠিন। তবে সেটা শচীন তেণ্ডুলকর। রাহানের কথায়, আমার মনে হয় একজনের নাম বেছে নেওয়া খুব কঠিন। কিন্তু মনে হয় সেটা শচীন তেণ্ডুলকর। সব যুগের কথা ধরলেও তাঁর নামই মাথায় আসছে।</p>
<p>২৪ বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শচীন ২০০টি টেস্ট, ৪৬৩টি একদিনের ম্যাচ ও একটি টি ২০ ম্যাচ খেলেছেন। টেস্টে রান করেছেন ১৫,৯২১, একদিনের ক্রিকেটে ১৮,৪২৬ ও টি ২০-তে ১০ রান। সবমিলিয়ে সেঞ্চুরির সংখ্যা ১০০। ২৫ টি টেস্টে শচীন ভারতের নেতৃত্ব দিয়েছেন। রাহানে ক্রিকেট জীবনের প্রথমদিকে তাঁর সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/ajinkya-rahane-said-sachin-is-the-best]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/3FCRBHIjQwsqQN0NXA3dEWCre9U9elbxUWQu1V5Q.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[লকআপ ডেথ ভয়ঙ্কর ঘটনা, তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি কুণালের]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 19:12:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>হালিশহরের পুলিশ লকআপে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তৃণমূল কর্মীকে খুনের অভিযোগে এবার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করার পাশাপাশি দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশদের জবাবদিহি চাইলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। কালীঘাটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, 'তৃণমূল আমলে এই ঘটনা ঘটলে এতক্ষণে অপপ্রচার- কুৎসা শুরু হয়ে যেত। লকআপ ডেথ একটা ভয়ঙ্কর ঘটনা। যথাযথ তদন্ত চাই, দোষী পুলিশদের শাস্তি চাই।'&nbsp;</p>
<p>পরিবর্তনের বাংলায় বিজেপি সরকারের পুলিশি নির্মমতার সাক্ষী থাকল হালিশহর! তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বিরজু কেওটকে থানায় নিয়ে গিয়ে অমানবিক অত্যাচার চালিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। মৃতের স্ত্রী জানান, &nbsp;হাত-পা বেঁধে আমার স্বামীকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে। শরীরে সেই বাঁধনের দাগ স্পষ্ট, কান থেকেও রক্ত বেরিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার সেই ছবি প্রকাশ করে প্রতিবাদে সরব তৃণমূল কংগ্রেস। পুলিশের হেফাজতে থাকা যে কোনও নাগরিকের জীবন ও মৌলিক অধিকার রক্ষা করা প্রশাসনের সাংবিধানিক ও আইনি দায়িত্ব। অথচ রক্ষকই আজ ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ! কুণাল বলেন, টার্গেট করে তৃণমূল কর্মীকে তুলে নিয়ে গিয়ে পুলিশে হেফাজতে তার মৃত্যুর অভিযোগ এসেছে। তদন্ত চাই। দোষী পুলিশদের শাস্তি চাই। ক্ষতিপূরণ দরকার। পুলিশ প্রশাসনকে দায়িত্ব নিতে হবে। কেন লকআপ ডেথের মতো ভয়ংকর ঘটনা হল তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। তৃণমূল বিধায়ক জানিয়েছেন, যে ইতিমধ্যেই মৃতের স্ত্রীর সঙ্গে নেত্রী কথা বলেছেন, দল পাশে আছে। বিজেপির তরফে বিরজুর পরিবারের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে। তবে তৃণমূল কর্মীদের এভাবে থামানো যাবে না প্রতিবাদ চলবে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/important/kunal-demands-an-impartial-probe-into-the-death-of-a-trinamool-worker-in-police-custody]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/g4CEfPQsdDjRiyY1xiKSXffLXnvDyBmqJIDCA3Y7.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[পুলিশ হেফাজতে খুন তৃণমূলকর্মী]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 18:12:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>&nbsp;হেফাজতে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তৃণমূল কর্মীকে খুন করা হল। বিজেপি সরকারের প্রত্যক্ষ মদতে পুলিশি সন্ত্রাসের নির্মম বহিঃপ্রকাশের সাক্ষী থাকল হালিশহর। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী বিরজু কেওট'কে থানায় নিয়ে গিয়ে অমানবিক অত্যাচার চালিয়ে হত্যা করা হয়! মৃত তৃণমূলকর্মীর স্ত্রীর&nbsp; চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, হাত-পা বেঁধে আমার স্বামীকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছ, হাতে-পায়ে বাঁধার দাগ স্পষ্ট, কান থেকে রক্তও বেরিয়েছে। শরীরের পিছনেও প্রচুর ব্লিডিং হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে সেই ছবি প্রকাশ করে গর্জে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তৃণমূল জানিয়েছে, পুলিশি হেফাজতে থাকা যেকোনও নাগরিকের জীবন ও মৌলিক অধিকার রক্ষা করা পুলিশ প্রশাসনের সাংবিধানিক ও আইনি দায়িত্ব। অথচ আজ রক্ষকই ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ!&nbsp;</p>
<p>শুভেন্দু অধিকারীর পুলিশের নির্মমতার প্রমাণ হল উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে তৃণমূলের নিষ্ঠাবান কর্মী বিরজু কেওট'কে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে গিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো এবং মর্মান্তিক মৃত্যু। তৃণমূল সাফ জানিয়েছে, পুলিশি হেফাজতে এই মৃত্যু কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি সরাসরি রাজ্য সরকারের প্রত্যক্ষ মদতে চলা পুলিশি সন্ত্রাসের চরম বহিঃপ্রকাশ। থানায় নিয়ে গিয়ে পুলিশের অমানবিক নির্যাতনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক, বেদনার এবং মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে রাজ্যজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের জোরপূর্বক মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর ঘৃণ্য চক্রান্ত চলছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিরোধী কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করার অপচেষ্টা চলছে। ধিক্কার এই জনবিরোধী বিজেপি সরকারকে এবং তাদের অনুগত পুলিশ প্রশাসনকে! বাংলার মানুষ এই অন্যায় কখনই বরদাস্ত করবে না।</p>
<p>নিহত তৃণমূলকর্মীর স্ত্রী বলেন, হালিশহর থেকে তাঁকে ধরা হয়েছিল। থানায় নিয়ে যাওয়ার পর আমাকে ডাকা হয়। আমি জামাকাপড় দিয়ে আসি, তখন সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল। এরপর তাঁর উপর যে অকথ্য অত্যাচার চলে তার প্রমাণ রয়েছে তাঁর শরীরেই। তাঁর অভিযোগ ভোরের দিকে থানাতেই মারা যান। তারপর হাসপাতালে দেহ ফেলে রেখে চলে যায় পুলিশ। এখন পোস্টমর্টেমের জন্য আমাকে জিডি করতে বলা হয়েছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই। এই কি আমাদর পরিবর্তন। এই আমাদের প্রশাসন। প্রশাসন ডেকে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার চালিয়ে মানুষকে মেরে ফেলে, তাহলে আমরা কার কাছে বিচার চাইব?</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/trinamool-worker-killed-in-police-custody]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/cdMpLEyPKdAo3haM3uEsWVXkICXz6X3qyLtnNxdz.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[দেশের প্রথম মহিলা ফাইটার পাইলট হিসেবে ইতিহাস গড়লেন স্কোয়াড্রন লিডার ভাবনা]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 18:12:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>দেশের প্রথম মহিলা ফাইটার পাইলট হিসাবে ফাইটার কমব্যাট লিডার (Fighter Combat Leader)কোর্স সাফল্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ করে নজির গড়লেন ভাবনা কান্থ (Bhawana Kanth)। &nbsp;প্রায় পাঁচ মাসের এই কোর্স ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian &nbsp;Air Force) অত্যন্ত কঠিন সম্মানজনক এবং চূড়ান্ত শারীরিক দক্ষতার পরিচয়ক প্রশিক্ষণ পর্ব হিসেবে মানা হয়। এই প্রশিক্ষণ পর্ব সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার অর্থ ভবিষ্যতে সেই পাইলট যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতিতে আকাশযুদ্ধে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য। বিশ্বের প্রথম মহিলা ফাইটার পাইলট হিসেবে সেই সম্মান অর্জন করলেন ভাবনা (Bhawana Kanth)।&nbsp;</p>
<p>বিহারের বাসিন্দা ভাবনা (Bhawana Kanth) ২০১৬ সালে ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) যোগ দেন। তিন বছরের মধ্যেই ডে টাইম ফাইটার কমব্যাট মিশন পরিচালনার ছাড়পত্র পেয়ে প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে ইতিহাস গড়েন। আর এবার তাঁর মুকুটে আরো এক পালক। গোয়ালিয়রের ট্যাকটিক্স অ্যান্ড এয়ার কমব্যাট ডেভেলপমেন্ট এস্টাবলিশমেন্টকে (Tactics and Air Combat Development Establishment) আকাশ অভিযানের রণকৌশল প্রশিক্ষণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয়। সেখান থেকে এফসিএল কোর্স পূর্ণ করার অর্থ আগামীতে ভাবনার কাছে বায়ুসেনার একেবারে প্রথম সারির কমবাট প্র্যাকটিশিয়ান ভূমিকাতে অবতীর্ণ হওয়ার সুযোগ থাকছে।।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/squadron-leader-bhawana-kanth-makes-history-in-indian-air-force]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/Yhf7biutZmejscvEZ9Xx9qIDRKlLeFrfZ8Xhl9Hc.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[বেনজির! নিয়োগের দাবিতে ঘাস খেয়ে প্রতিবাদ কেরলমের চাকরিপ্রার্থীদের]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 17:56:54 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>নিয়োগপত্রের দাবিতে বেনজির প্রতিবাদ কেরলমের লোয়ার প্রাইমারি স্কুল টিচার বা LPST চাকরিপ্রার্থীদের। শনিবার তিরুঅনন্তপুরমে কেরলমের সচিবালয়ের সামনে প্রতীকীভাবে ঘাস খেয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। কেরল পাবলিক সার্ভিস কমিশনের র&zwnj;্যাঙ্ক লিস্টে নাম থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করছেন পদপ্রার্থীরা। তাঁদের দাবি, দ্রুত নিয়োগপত্র দিতে হবে এবং স্কুলগুলির শূন্যপদ চিহ্নিত করে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/entertainment/sudden-death-of-a-police-officer-in-charge-of-security-at-salmans-residence" target="_blank" rel="noopener noreferrer">সলমনের বাড়িতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীর আচমকা মৃত্যু!</a></p>
<p>আন্দোলনকারীদের আরও দাবি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:২৫ করা, শূন্যপদের তথ্য প্রকাশ এবং বর্তমান র&zwnj;্যাঙ্ক লিস্টের মেয়াদ বাড়াতে হবে। তাঁদের অভিযোগ, বারবার সরকারের কাছে বিষয়টি জানানো হলেও এখনও স্থায়ী সমাধান হয়নি। নিয়োগের দাবিতে এর আগেও একাধিক প্রতীকী প্রতিবাদ করেছেন তাঁরা। এবার ঘাস খেয়ে প্রতিবাদের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আন্দোলনকারীরা।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/unprecedented-job-seekers-in-kerala-protest-by-eating-grass-to-demand-recruitment]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/YzU3EebxJJ6GTVML8NrHxbQq2lrZFCetFGOyFqIr.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[বেআইনি কারবার বেড়েছে, রাজস্ব ব্যাপক ক্ষতি! মদের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিহারে?]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 17:34:28 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>বিহারে (Bihar) মদে নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে &nbsp;ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ অ্যাপ্লায়েড ইকনমিক রিসার্চ। একটি গবেষণায় এই সংস্থা দাবি করেছে, মদ (Alcohol) নিষিদ্ধ করে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ কমেছে। কিন্তু বেআইনি মদ্যপান এবং মাদক সেবনের প্রবণতা বেড়েছে।</p>
<p>রত্না সহায়ের নেতৃত্বে সমীক্ষা চালিয়েছেন একদল অর্থনীতিবিদ। শুক্রবার ইন্ডিয়া পলিসি ফোরামে সেটি পেশ করে বলা হয়েছে, উন্নয়ন এবং পরিকাঠামো খাতে মূলধনী ব্যয়ের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান বাড়াতে মদের (Alcohol) উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়া উচিত বিহার সরকারের (Bihar Government)। আর যদি তাই হয়, তা হলে রাজ্যের কর আদায় ১৪-১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে দাবি করা হয়েছে। মদে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে যে বিপুল অর্থ খরচ হয়, সেই ব্যয়ও কমবে।</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/entertainment/sudden-death-of-a-police-officer-in-charge-of-security-at-salmans-residence" target="_blank" rel="noopener noreferrer">সলমনের বাড়িতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীর আচমকা মৃত্যু!</a></p>
<p>নিষেধাজ্ঞার লাগুর পর থেকে বেআইনি মদের ব্যবসা আগের থেকে আরও বেড়ে গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে গবেষণাপত্রে। বেআইনি মদের ব্যবসা বাড়ার পাশাপাশি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে নানা সমস্যা, দুর্নীতি এবং বেআইনি মাদক-সহ নেশার সামগ্রীর ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারও বেড়েছে। একই সঙ্গে রাজস্ব সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিহার অনেক রাজ্যের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে।</p>
<p>২০১৬ সালে আরজেডি-র সঙ্গে জোট বেঁধে বিহারে সরকার গড়েন নীতিশ কুমার। তার পরেই সে রাজ্যে নিষিদ্ধ করা হয়। সেই সময় থেকে রাজ্যে মদ তৈরি, বিক্রি ও পান নিষিদ্ধ রয়েছে। একই রকমের আইন রয়েছে গুজরাত এবং নাগাল্যান্ডেও। মিজোরাম, মণিপুর এবং লাক্ষাদ্বীপের কিছু অংশেও মদ নিষিদ্ধ। তবে গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে, বিহারের মতো আইন আর কোনও রাজ্যে নেই।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/is-the-ban-on-alcohol-being-lifted-in-bihar]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/u3VHFl1PLq9poHiyW5MflImAkMvVnpBIKMiOIZpo.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[বাইশে শ্রাবণে শ্রদ্ধায়-স্মরণে কবিপ্রণাম মুখ্যমন্ত্রীর]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 17:31:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p><strong>'শ্রাবণের মেঘ থেকে যায় অঝোরে আজ আকাশে&nbsp;</strong><br><strong>রবির আলো হারিয়ে গেল কোন সে দীর্ঘশ্বাসে।'</strong></p>
<p>আজ বাইশে শ্রাবণ। বাঙালির প্রাণের পুরুষের প্রয়াণ দিবস। রাজ্যজুড়ে শ্রদ্ধায় স্মরণে আজ কবিপ্রণামের অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। শনিবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান। নিমতলা মহাশ্মশান থেকে শুরু করে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতেও রাজ্যের বিভিন্ন মন্ত্রীরাও বাইশে শ্রাবণ স্মরণ করেছেন। বিকেলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে রবীন্দ্রসদনে কবির প্রয়াণ দিবসের মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি আজ থেকে আগামী ১৩ তারিখ পর্যন্ত রবীন্দ্র গীতিনাট্য ও নৃত্যনাট্য শীর্ষক প্রদর্শনী চলবে গগনেন্দ্র শিল্প প্রদর্শশালায়।&nbsp;</p>
<p>রাজ্যে বিজেপি সরকার (BJP Government) ক্ষমতায় আসার আগে বারবার বাংলা বিরোধী তকমা দেওয়া হয়েছিল পদ্মদলের নেতা কর্মী সমর্থকদের। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে রাজ্যের সাংস্কৃতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ করেছেন। বিশ্ববরেণ্য কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করার পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, 'কবিগুরুর অমর সৃষ্টি আজও আমাদের পথ দেখায়। তাঁর কবিতা, সাহিত্য, সঙ্গীত ও চিন্তাধারা চিরকাল বাঙালির হৃদয়ে অমলিন হয়ে থাকবে এবং আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চরণে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম।'&nbsp;</p>
<p>মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সংস্কৃতি অনুরাগ যথেষ্ট প্রশংসনীয়। তিনি প্রথম থেকেই জানিয়েছিলেন, বিজেপি সরকার (BJP Government) বাংলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সেই কারণেই পঁচিশে বৈশাখ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান ছুটে গিয়েছিলেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। আবার বাইশে শ্রাবণের দিনেও বিধানসভায় কবিপ্রণামে অংশ নিতে দেখা গেল তাঁকে। রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্মব্যস্ততার মাঝেও রাজ্যের সংস্কৃতি ঐতিহ্যকেও সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে চলেছেন শুভেন্দু।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/city-news/chief-minister-suvendu-adhikari-pays-tribute-to-the-rabindranath-tagore-on-his-death-anniversary]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/OUPlBzfiZJNCf9uonUutykN4OqZHPz31IsZRdi4J.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[কমনওয়েলথের মঞ্চে ভারতীয় বাদ্যযন্ত্র - শাস্ত্রীয় সংগীতের ঐতিহ্য মিশল ঋষভের পরিবেশনায়]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 17:21:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত এবং ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করার নিরলস অঙ্গীকার নিয়ে এগিয়ে চলা কয়েক প্রজন্মের এক অসাধারণ ঐতিহ্যের গল্প ধরা পড়ল ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসের (Commonwealth Games) সমাপনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে এইসবের ঋষভ রিখিরাম শর্মার (Rishab Rikhiram Sharma) মনমুগ্ধকর সেতার পরিবেশনায়। তিনি পণ্ডিত রবিশঙ্করের সর্বকনিষ্ঠ এবং শেষ শিষ্য হিসেবে বিশ্বজুড়ে বন্দিত। ২০১০ সালে রিখিরাম (Rikhiram Sharma) মিউজিকাল ইন্সট্রুমেন্স স্টোর কমনওয়েলথ গেমসের জন্য ভারতীয় বাদ্যযন্ত্র সরবরাহ করেছিলেন। ঠিক ত্যাগ ১৬ বছর পর একই মন্ত্রী সেই পরিবারের চতুর্থ প্রজন্মের প্রতিভারি সব নিজের শিকারের সুরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের ঐতিহ্য তুলে ধরলেন বিশ্বের সামনে।</p>
<p>দিল্লির বিখ্যাত বাদ্যযন্ত্র নির্মাতা সঞ্জয় শর্মা ও পণ্ডিত রিখিরাম শর্মার প্রপৌত্র ঋষভ। ১০ বছর বয়স থেকে বাবার কাছে সেতার শেখা শুরু করেন। ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের সঙ্গে সমসাময়িক এবং আধুনিক সুরের অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটিয়ে শুধু নিজের প্রজন্ম নয় আগামী প্রজন্মের জন্যও এক অপূর্ব শিল্প সৃষ্টি করার কাজে ব্রতী তিনি। মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় সে তাদের ব্যবহার নিয়ে তার বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় উদ্যোগ Sitar For Mental Health বিশেষভাবে সমাদৃত এক প্রজন্ম ভারতীয় বাদ্যযন্ত্র কে কমনওয়েলথ গেমসে পৌঁছে দিয়েছিল আর তারই বংশের আরেক প্রজন্ম একই মঞ্চ ভারতীয় সুরের জাদুকে সারা বিশ্বের কর্ণকুহরে এক চিরস্থায়ী ভালোলাগার ঝংকার তৈরি করল। নিঃসন্দেহে একই পরিবারের কয়েক প্রজন্ম ধরে চলতে থাকা এই ঐতিহ্যের গল্প ভারতীয় রাষ্ট্রীয় সংগীত ঘরে নয় যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/literary-culture/on-the-commonwealth-stage-indian-musical-instruments-and-classical-music-tradition-blends-in-rishabhs-performance]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/sJcuzw44tzTPXEyTpZw2XHdXIlw42hZ3khlDFjxi.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[সলমনের বাড়িতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীর আচমকা মৃত্যু!]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 16:32:48 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>বলিউড অভিনেতা সলমন খানের বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন থাকা এক পুলিশকর্মীর আচমকা মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ডিউটির সময় অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।</p>
<p>মৃত পুলিশকর্মীর নাম গণেশ রায়তে। বয়স ৪১ বছর। গণেশ মুম্বই পুলিশের LA-4 ইউনিটে কর্মরত ছিলেন। সলমনের বান্দ্রার গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন ছিলেন তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, ডিউটির সময় আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন গণেশ। এরপর ঘটনাস্থলে থাকা সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বান্দ্রার একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, হৃদ্&zwnj;রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাগত প্রক্রিয়া চলছে।</p>
<p>উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রয়েছেন সলমন খান। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক হুমকির পর বান্দ্রার গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে সলমনের বাড়ির বাইরে গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটেছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে নিয়মিত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/entertainment/sudden-death-of-a-police-officer-in-charge-of-security-at-salmans-residence]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/RasT8AC8Hc1BZ41Yu2S605243GwXkfQTUnzXHRrd.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে বেছে টার্গেট করা হবে না! আবু-খলিলুরকে আশ্বস্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 16:18:12 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>প্রথমে বলেছিলেন এনডিএ-র সঙ্গে বৈঠকে নেই। তারপরের দিনই হঠাৎ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাড়িতে ব্রেকফাস্ট বৈঠকে সেখানে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন, আবু তাহের-খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠান। এরপর শনিবার অর্থাৎ, আজ দুপুরে নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) সঙ্গে একান্তে বৈঠক করলেন তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের (Abu Taher) এবং খলিলুর রহমান (Khalilur Rehman)।&nbsp;</p>
<p>নবান্নে থেকে এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছেন দুই তৃণমূল সাংসদ। আগামী দিনে এনসিপিআই-তেই থাকবেন নাকি অন্য পথ বেছে নেবেন - সে প্রসঙ্গে দুই সাংসদ জানান, "ভবিষ্যতে আমরা এই দলে থাকব কি থাকব না, তা একমাত্র সময়ই বলে দেবে।"</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/india-news/no-specific-community-will-be-singled-out-for-targeting-chief-minister-assures-abu-khalilur" target="_blank" rel="noopener noreferrer">নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে বেছে টার্গেট করা হবে না! আবু-খলিলুরকে আশ্বস্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী</a></p>
<p>আবু তাহের বলেন, লোকসভার (Lok Sabha)&nbsp; স্পিকার এখনও পর্যন্ত তাঁদের সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ হিসেবেই ডাকছেন। যখন তাঁরা সংসদে বক্তব্য পেশ করছেন, তাঁদের নামের পাশে এআইটিসি-র নামই উল্লেখ করা থাকছে। তাঁর কথায়,"কাগজে-কলমে এনসিপিআই কিন্তু এখনও এনডিএ-র আনুষ্ঠানিক শরিক নয়। এনসিপিআই নামে ডাকলে অবশ্যই যেতাম, তবে আমরা স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি যে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছি না।"</p>
<p>দুই সাংসদ জানান, সাম্প্রতিক এসআইআর প্রক্রিয়া এবং রাজ্যজুড়ে মসজিদ থেকে মাইক ও লাউড স্পিকার খোলার জটিলতা নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে এসেছিলেন তাঁরা। তাঁরা জানিয়েছেন,অসংখ্য গরিব মানুষ পর্যাপ্ত তথ্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নন। মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) আশ্বাস দিয়েছেন যে প্রথম দফায় ৭ লক্ষ মানুষের নাম তোলার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। অন্যদিকে, বাকি ২০ লক্ষ মানুষের ক্ষেত্রে আবেদন জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা যাতে অন্তত বাড়ানো হয়, সে বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য দুই পক্ষের কাছেই আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।</p>
<p>মসজিদ থেকে মাইক খোলা নিয়ে দুই সাংসদের সংযোজন, অতি-উৎসাহী পুলিশি তৎপরতার কারণে বেছে বেছে বিশেষ একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে টার্গেট করা হচ্ছে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষ চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন যে কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে বেছে টার্গেট করা হবে না এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/the-chief-minister-reassured-abu-taher-khan-and-khalilur-rahman]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/yJl6agHIy4GbnFagRTDke1qg1r2h3RjyMo812vjF.jpg</StoryImage><Title><![CDATA['স্বরূপ আমার শ্লীলতাহানি করেননি', মধ্যরাতে ভিডিও পোস্ট করে দাবি মেকআপ আর্টিস্ট সিমরনের!]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 16:16:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>রাজ্যে ক্ষমতা পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে টলিউডেও (Tollywood ) তার সরাসরি প্রভাব পড়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা 'বিশ্বাস ব্রাদার্স' জমানা শেষ হতেই হাতে হাতকড়া পড়েছিল ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের। মেকআপ আর্টিস্ট সিমরান পালের (Simran Paul) দায়ের করা শ্লীলতাহানির অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। তবে এবার সুর বদল অভিযোগকারিণীর। শুক্রবার মধ্যরাতে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানান, স্বরূপ বিশ্বাসের (Swarup Biswas) বিরুদ্ধে করা মামলা তিনি তুলছেন। তৃণমূল নেতা তথা ফেডারেশন সভাপতি তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করা তো দূরের কথা দুজনের কখনও সামনাসামনি নাকি দেখাও হয়নি! কিছু মানুষের কথায় মিথ্যে অভিযোগ করেছিলেন বলে, শিকার করলেন সিমরন।&nbsp;</p>
<p>তৃণমূল জমানায় ফেডারেশন (FCTWEI) &nbsp;সভাপতির বিরুদ্ধে কলাকুশলী থেকে অভিনেতা অভিনেত্রীরা অসহযোগিতা ও দাদাগিরির একাধিক অভিযোগ তোলেন। মেকআপ আর্টিস্ট সিমরন চলতি বছরের জুন মাসে স্বরূপের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করতেই চাঞ্চল্য ছড়ায়। পাশাপাশি তোলাবাজি এবং অস্ত্র আইনের অভিযোগের ভিত্তিতেও স্বরূপকে গ্রেফতার করা হয়। এবার সিমরন পুরো ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে বলেন, 'আমার মূল ব্যাপারটা স্বরূপ বিশ্বাসকে নিয়ে নয় বরং শান্তনু দে আর বাপি মালাকারকে নিয়ে।' তাঁরা মেকআপ আর্টিস্টদের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি। কয়েকদিনের প্ররোচনায় ভুল বুঝে যে ফেডারেশন সভাপতি বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন এই মামলা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানান সিমরন। তাঁর কথায়, "আমার জন্য স্বরূপ অকারণে জেল খেটেছেন। ওনার এত বড় বদনাম হয়েছে, হাত জোর করে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। পারলে ছোট বোন মনে করে মাফ করে দেবেন।" যদিও কাদের প্ররোচনায় তিনি অভিযোগ করেছিলেন সেটা প্রকাশ্যে আনেননি মেকআপ আর্টিস্ট।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/entertainment/swarup-did-not-molest-me-makeup-artist-simran-claims-in-a-video-posted-at-midnight]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/rjAdOF7iOKV1ZqvEpuWt78Y3pFItIgBPHcFe6JGn.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[১৩ বছরের কম বয়সিদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট খুলতে কড়া নিয়ম!]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 15:25:09 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>১৩ বছরের কম বয়সি শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে কড়া নিয়ম চালুর প্রস্তাব। ভেরিফায়েড পেরেন্টাল কন্ট্রোল বা অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া এই বয়সি শিশুদের অ্যাকাউন্ট তৈরি বন্ধ করার প্রস্তাব রয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের অনলাইন কার্যকলাপ ট্র্যাক করা এবং তাদের লক্ষ্য করে টার্গেটেড বিজ্ঞাপন দেখানোর ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব করা হয়েছে।</p>
<p>এই লক্ষ্যেই সংসদে আসতে চলেছে Safeguarding Healthy Internet Environments for Little Digital-Natives (SHIELD) Bill, 2025। এটি একটি প্রাইভেট মেম্বার্স বিল, অর্থাৎ সরকারের পক্ষ থেকে নয়, সাংসদের উদ্যোগে আনা বিল। বিজেপি সাংসদ বৈজয়ন্ত পন্ডা এই বিলটি প্রস্তাব করেছেন।</p>
<p>বিলে ১৩ বছরের কম বয়সি শিশুদের জন্য একটি &lsquo;Age Gate&rsquo; ব্যবস্থার প্রস্তাব রয়েছে। অর্থাৎ, এই বয়সের কোনও শিশু সোশ্যাল মিডিয়া বা অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট খুলতে চাইলে ভেরিফায়েড পেরেন্টাল কন্ট্রোলের প্রয়োজন হবে।</p>
<p>শুধু অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রেই নয়, শিশুদের অনলাইন কার্যকলাপের উপর নজরদারি নিয়েও কড়া বিধিনিষেধের প্রস্তাব রয়েছে। শিশুদের অনলাইন কার্যকলাপ ট্র্যাক করা, তাদের পছন্দ ও আচরণ নিয়ে প্রোফাইল তৈরি করা এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে টার্গেটেড বিজ্ঞাপন দেখানো নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে।</p>
<p>এছাড়া শিশুদের পর্নোগ্রাফি, জুয়া ও সিমুলেটেড বেটিং, উগ্রপন্থী কনটেন্ট এবং মাদক সংক্রান্ত বিষয় থেকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব প্ল্যাটফর্মগুলির উপর দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।</p>
<p>বিলে আরও বলা হয়েছে, প্ল্যাটফর্মগুলিকে বয়স যাচাইয়ের পাশাপাশি পেরেন্টাল কন্ট্রোল ড্যাশবোর্ডের ব্যবস্থা করতে হবে। এর মাধ্যমে অভিভাবকরা সন্তানের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নজরদারি করতে, প্রাইভেসি সেটিংস পরিবর্তন করতে এবং স্ক্রিন টাইমের সীমা নির্ধারণ করতে পারবেন।</p>
<p>তবে এখনও এই বিল সংসদে পেশই হয়নি। শুক্রবার SHIELD Bill, 2025-সহ দু&rsquo;টি প্রাইভেট মেম্বার্স বিল সংসদে পেশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বারবার অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।</p>
<p>অন্য বিলটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI ব্যবহার করে কোনও ব্যক্তির বাস্তবসম্মত নকল বা imitation তৈরি করে তার অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব রয়েছে।</p>
<p>তবে SHIELD Bill নিয়ে একটি বিষয় স্পষ্ট&mdash;এটি এখনও আইন নয়। এটি একটি প্রস্তাবিত প্রাইভেট মেম্বার্স বিল। স্বাধীনতার পর থেকে মাত্র প্রায় এক ডজন প্রাইভেট মেম্বার্স বিল সংসদে পাশ হয়ে আইনে পরিণত হয়েছে। ফলে SHIELD Bill-এর প্রস্তাবগুলি এখনই সোশ্যাল মিডিয়া বা অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলির জন্য বাধ্যতামূলক নিয়ম হিসেবে কার্যকর হচ্ছে না।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/strict-rules-for-opening-social-media-accounts-for-those-under-13]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/oMmWTlrPOtzdbkiCfRF1WAeexhoYZGFGZ7q1XFkE.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[আরজি কর হাসপাতাল থেকে 'উধাও' দুই চিকিৎসাধীন রোগী! রিপোর্ট তলব সুপারের]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 15:09:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>ফের খবরের শিরোনামে আরজি কর হাসপাতাল (RG Kar Medical College and Hospital)। এবার হাসপাতালের বেড থেকে উধাও দুই চিকিৎসাধীন রোগী। নিখোঁজদের মধ্যে একজন মহিলা (দীপান্বিতা রায়) ও অপরজন প্রৌঢ় (বিমল ঘোষ) বলে জানা গিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি ওই দুজন শুক্রবার রাত থেকেই নিখোঁজ। ইতিমধ্যে পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এভাবে সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী কোথাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় কর্তৃপক্ষের গাফিলতির দিকে আঙ্গুল উঠতে শুরু করেছে।&nbsp;</p>
<p>আরজি কর হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার ইউনিটে (Trauma Care Unit) ভর্তি ছিলেন চিৎপুরের বাসিন্দা দীপান্বিতা। রাতে আচমকা 'নিখোঁজ' হয়ে যান তিনি। অপরজন অর্থাৎ বিমল ঘোষ জ্বর ও হৃদযন্ত্র সমস্যা নিয়ে একটি হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত হয়ে আরজি করের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছিলেন। শুক্রবার পরিবারের লোকজন সঙ্গে দেখা করতে এসে খেয়াল করেন পেশেন্ট বেডে নেই। দ্রুত হাসপাতালে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। হাসপাতালে নিরাপত্তা এড়িয়ে দুই চিকিৎসাধীন রোগী কীভাবে উধাও হয়ে গেলেন, উঠছে প্রশ্ন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দুই রোগীর নাকি শুক্রবার ডিসচার্জ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুজনের কেউই দুপুরের খাবার খাননি এবং সম্ভবত তার পরেই নিখোঁজ হয়ে যান। এই ঘটনার পর আরজি কর হাসপাতালে সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় (Saptarshi Chatterjee) এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছেন বলে জানা গিয়েছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/city-news/two-patients-undergoing-treatment-untraceable-from-rg-kar-hospital-super-seeks-report]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/nwzQHoAOaBNhWbmzn6S6zJMKCFpkOu2C32d4U0yi.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[এগিয়ে গেল আরও একধাপ, সপ্তম পে কমিশন গঠনের একাধিক শর্ত ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি নবান্নের]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 15:05:39 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>সপ্তম পে কমিশনের (7th Pay Commission) একাধিক শর্ত ঘোষণা করল নবান্ন (Nabanna)। শনিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে তা জানিয়ে দিয়েছে। সপ্তম পে কমিশন গঠনের প্রক্রিয়ায় আরও একধাপ এগিয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার (West Bengal BJP Governmentr)।&nbsp;</p>
<p><strong>বিজ্ঞপ্তিতে রয়েছে</strong><br>* &nbsp;৩ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব<br>* মূল্যবৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে নতুন বেতন কাঠামো তৈরির নির্দেশ<br>* ন্যূনতম বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে ৫ সদস্যের পরিবারকে ভিত্তি হিসাবে বিবেচনা করার নির্দেশ<br>* এক্ষেত্রে পুষ্টির মানদণ্ড ধরা হয়েছে দৈনিক ৩ হাজার ৪৯০ ক্যালোরি। আগে যা ছিল ২ হাজার ৭০০ ক্যালোরি।<br>* মহার্ঘ ভাতার ক্ষেত্রে 'স্ট্যান্ডিং অর্ডার'-এর সুপারিশের বিষয়টিও দেখছে কমিশন।&nbsp;<br>* রাজ্য সরকারি কর্মীদের বাড়ি ভাড়া, পরিবহণ ভাতা, শিশুদের শিক্ষাভাতা, হস্টেল ভরতুকি-সহ অন্যান্য ভাতা নির্ধারণের ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় পে কমিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করার কথা বলা হয়েছে।<br>* অবসরকালীন সুবিধার ক্ষেত্রে একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখতে হবে।&nbsp;<br>* কমিউটেড পেনশন ১১ বছর পুনরুদ্ধার, অবসরের সময় ছুটির নগদীকরণ এবং ৩০ জুন অবসর নেওয়া কর্মীদের একটি ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে।</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/city-news/avisek-banarjee-pa-sumit-ray-came-cid-head-office" target="_blank" rel="noopener noreferrer">লুকোচুরি শেষ, ভবানী ভবনে হাজিরা সুমিতের, চলছে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ</a></p>
<p>বাজেটের দিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu adhikari) ঘোষণা করেন দ্রুত সপ্তম পে কমিশন গঠনের কথা। তারপর থেকে একধাপ একধাপ করে এগোচ্ছে। সরকারি কর্মীদের ডিএ এবং ডিআর বৃদ্ধির হারও নির্ধারণ করবে সপ্তম পে কমিশন (7th Pay Commission)। সব ঠিক থাকলে ৬ মাসের মধ্যে রিপোর্ট দেবে সপ্তম পে কমিশন।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/nabanna-issues-notification-announcing-multiple-conditions-for-the-formation-of-the-7th-pay-commission]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/vPttWaqYvGWcbhWSjwyyQfruzhQB8noDXdUkmqGA.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[ইউপিআই পেমেন্টে অতিরিক্ত চার্জ! লোকসভায় পাশ হল নয়া বিল]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 14:42:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>খুচরো টাকা হোক বা বড় কোনও পেমেন্ট, UPI ব্যবহার করে কাউকে টাকা পাঠানো এখন সব প্রজন্মের কাছেই খুব সহজ আর সাবলীল বিষয়। কিন্তু ডিজিটাল ভারতে অনলাইনে পেমেন্ট করতে গিয়ে যদি অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয় তাহলে? সম্প্রতি লোকসভায় নয়া বিল পাশ হতেই আমজনতার মধ্যে বাড়ছে জল্পনা। &nbsp;</p>
<p>কেন্দ্র সরকারের অর্থ মন্ত্রক সংসদে পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৭ &nbsp;পেশ করেছে। এই বিলে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (MDR) চালুর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বলা হয়েছে ২ হাজার টাকার বেশি বাণিজ্যিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এমডিআর প্রযোজ্য হতে পারে। এখন প্রশ্ন &nbsp;MDR কী?এটি ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীর উপর ধার্য হওয়া একটি ফি। অর্থাৎ, কোনও গ্রাহক ১০০ টাকার পণ্য কিনলে এবং সেখানে ১ শতাংশ MDR থাকলে, ব্যবসায়ীর কাছে পুরো ১০০ টাকা না গিয়ে নির্দিষ্ট অংশ পেমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত সংস্থা বা ব্যাঙ্কের কাছে যেতে পারে। ডিজিটাল পেমেন্টকে আরও জনপ্রিয় করতে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে UPI এবং RuPay ডেবিট কার্ডের ক্ষেত্রে এই এমডিআর জিরো করা হয়। কেন্দ্রের তরফ থেকে যে বিল পাশ করানো হয়েছে তাতে স্পষ্ট করে বলা আছে যে ব্যবসায়িক লেনদেনের সঙ্গে যাঁরা যুক্ত এই নতুন নিয়ম তাঁদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। সাধারণ গ্রাহকদের উপর এর কোনও প্রভাব পড়বে না। &nbsp;অর্থাৎ এখনই UPI লেনদেনে সাধারণ গ্রাহকদের কোনও অতিরিক্ত চার্জ দিতে হচ্ছে না।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/extra-charges-on-upi-payments-new-bill-passed-in-lok-sabha]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/HY8NEFF9zPV3hWiafYG7DmJYLeMqF2znXLpi2WG1.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[জমি জটে আটকে উত্তরাখণ্ডে প্রত্যাবর্তন! মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ঋষভ]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 14:30:49 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>বাংলায় জমি জটে শিল্প আটকে থাকার কথা প্রায়শই শোনা যায়, কিন্ত ডাবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্য উত্তরাখণ্ডেও জমি জট! না কোনও শিল্প স্থাপনের জন্য নয়। বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রেও অন্তরায় সেই জমি। কোনও সাধারণ মানুষ নয়, নিজের জন্মভূমিতে স্বপ্নের বাড়ি তৈরির জন্য উপযুক্ত জমি পাচ্ছেন না খোদ ঋষভ পন্থ!</p>
<p>জমির সমস্যা মেটাতে গভীর রাতে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামির কাছে সাহায্যের আবেদন করলেন ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার। নিজের রাজ্যে উত্তরাখণ্ডে ফিরতে চান পন্থ। কিন্তু দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সেখানে পছন্দসই জমি পাচ্ছেন না। জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্য চেয়ে একেবারে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তিনি।&nbsp;<br>&nbsp;হরিদ্বার জেলার রুরকিতে জন্ম নেওয়া ঋষভ দিল্লিতে পেশাদার ক্রিকেট খেলার আগে এই রাজ্যেই তাঁর ক্রিকেটযাত্রা শুরু করেছিলেন। তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে দিল্লির প্রতিনিধিত্ব করে চলেছেন, তবে উত্তরাখণ্ডের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক এখনও রয়েছে। কিন্ত সেই রাজ্যের নিয়ম অনুসারে &nbsp;এসেকপি হয়েছেকোনও বাইরের রাজ্যের বাসিন্দা তাঁর জীবদ্দশায় শুধুমাত্র একবার সর্বোচ্চ ২৫০ বর্গমিটার (প্রায় ৩০০ গজ) জমি বাড়ি তৈরির জন্য কিনতে পারবেন।<br>পন্থ সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেছেন, তাঁকে রাজ্যকে প্রমোট করার জন্য পুরস্কার হিসাবে জমি দেওয়ার কথা জানানো হলেও, সেই জমিও তিনি পাননি। তিনি ওই পোস্টটিই ফলোআপ করে আরও একটি পোস্ট করে লেখেন যে তিনি বিনামূল্যে কিছুই চাইছেন না, বরং রাজ্যের থেকে ন্যায্য দামেই জমি কিনতে চাইছেন তিনি যাতে নিজের রাজ্যে নিজের প্রথম বাড়ি তৈরি করতে পারেন।</p>
<p>পন্থ লিখেছেন, &lsquo;পুষ্কর ধামি স্যর, আপনি কেমন আছেন? আমি দিল্লি থেকে &nbsp;উত্তরাখণ্ডে ফিরে আসতে চাই চাই। কিন্তু সেখানে থাকার মতো উপযুক্ত ও বড় জমি খুঁজে পাইনি। আমি নিজের রাজ্য উত্তরাখণ্ডকে ভালোবাসি। আমার বিনীত অনুরোধ, দয়া করে জমি অধিগ্রহণে সাহায্য করুন।&rsquo;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/rishav-pant-appele-to-uttarakhand-cm-for-land]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/07/OZKJMqidwRr6Ho2HOMlAC6VKZLQuWhVv8sq9HsOT.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[কোন শহরে কত দামে মিলছে পেট্রোল-ডিজেল, দেখে নিন এক নজরে]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 14:20:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>পেট্রোল-ডিজেলের দামের (Petrol Diesal Price) দিকে প্রতিদিনই নজর থাকে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পরিবহণ ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সকলের। শনিবার (৮ অগাস্ট, ২০২৬) দেশজুড়ে জ্বালানির দাম কোথাও অপরিবর্তিত রয়েছে, আবার কোথাও সামান্য বেড়েছে-কমেছে।&nbsp;&nbsp;</p>
<p>কলকাতায় (Kolkata) আজ প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১১৩.৫১ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৯৫.২০ টাকা।</p>
<p>মুম্বইয়ে (Mumbai) প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১১১.২১ টাকা ও ডিজেলের দাম ৯৭.৮৩ টাকা। রাজধানী দিল্লিতে (Delhi) এক লিটার পেট্রোল ও ডিজেলের দাম যথাক্রমে ১০২.১২ টাকা এবং ৯৫.২০ টাকা।</p>
<p>বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru) আজ প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১১০.৯৩ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৯৮.৭৯ টাকা।&nbsp;অন্যদিকে, চেন্নাইয়ে (Chennai) প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১০৭.৭৫ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৯৯.৫৭ টাকা রয়েছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/Today's petrol and diesel rate in indias metro cities]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/osDBNGTEcZ4cjDbIlfXjTdNNB3omgp5mNMFtnPvQ.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[যুবসমাজ এগোলেই দেশ এগোবে! জেন-জি-কে নিয়ে কি চিন্তায় মোদি?]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 14:13:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব সব প্রজন্মকেই নিতে হবে, যুবসমাজ এগোলেই দেশ এগোবে। শনিবার জেন-জির উদ্দেশে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। দিল্লির (delhi) যন্তর-মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর এই প্রথম জনসমক্ষে আইআইটি দিল্লির সমাবর্তনে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে প্রশ্ন উঠছে, জেন-জি বিক্ষোভের পর থেকে কি দেশের যুব সমাজের কথা বেশি করে ভাবছেন? সেটাই যদি হয় তাহলে যুবদের চাকরির কথাও ভাববেন নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)?</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/important/temporary-relief-for-dabur-as-per-delhi-high-court-order-regarding-ban-products" target="_blank" rel="noopener noreferrer">সাময়িক স্বস্তি ডাবরের, FSSAI-র নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ আদালতের</a></p>
<p>প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, "ছাত্রজীবন এবং পরবর্তী জীবন আলাদা। ক্যাম্পাসের বাইরে বেরলে জীবন যে পরীক্ষা নেয়, সেই পরীক্ষা অন্যরকম। সেখানে প্রশ্ন ও উত্তর-সবই নিজেকে খুঁজতে হয়। প্রশ্ন করা ভালো, তবে উত্তরও নিজেকেই খুঁজে নিতে হয়। জীবনের লড়াইয়ে কোনও প্রশ্নপত্র থাকে না। নিজেকেই প্রশ্ন করতে হয়, নিজেকেই সমাধান খুঁজতে হয়। যে শিখবে-সেই জিতবে। প্রশ্ন করার অধিকার সবার আছে। তবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বও সবার।"</p>
<p>মোদির আরও সংযোজন,"আগের প্রজন্মের লড়াইয়ে দেশ স্বাধীনতা পেয়েছে। আজকের আত্মনির্ভর ভারতের নতুন প্রজন্মের সামনে সুযোগ সুবিধা অনেক। দেশের যুবসমাজ এগোলেই দেশ এগোবে। তোমাদের উপর আমার ভরসা আছে। এই দেশের উন্নতিতে তোমাদের প্রয়োজন।"</p>
<p>এদিন এআই তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত (Artificial Intelligence), উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন, সুপার কম্পিউটার 'পরম প্রজ্ঞা'র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিল্লি আইআইটির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীই ছিলেন প্রধান অতিথি। তিন হাজারেরও বেশি স্নাতক-স্তরের ছাত্রছাত্রী, প্রায় ৫৮৭ জন পিএইচডি 'স্কলার' এদিন প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ডিগ্রির শংসাপত্র গ্রহণ করেন। &nbsp;</p>
<p style="margin: 1rem 0;"><strong>আরও পড়ুন:</strong> <a href="/india-news/central-not-get-proper-answer-avisek-banarjee-question" target="_blank" rel="noopener noreferrer">শিশু পুষ্টি ও পোষণ অভিযান নিয়ে অভিষেকের প্রশ্নে বেকায়দায় কেন্দ্র</a></p>
<p>একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজের প্রতি আস্থা দেখিয়ে বলেন, "তোমাদের কলেজের প্রথম দিনের কথা মনে করো, ওরিয়েন্টেশন থেকে শুরু করে সমাবর্তন পর্যন্ত, সবাই এই মুহূর্তগুলো সারাজীবন মনে রাখবে।" একইসঙ্গে মোদি আইআইটি দিল্লিকে নতুন উদ্যোগের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, "আইআইটি দিল্লিতে যে উদ্যোগগুলো শুরু করা হয়েছে, তার জন্য আমি অভিনন্দন জানাই।"</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/is-modi-very-worried-about-gen-z]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/suzqi003x7Rzrm7xXUfoXBglCyecwyfWWN5QS6aa.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[সাময়িক স্বস্তি ডাবরের, FSSAI-র নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ আদালতের]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 14:07:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>&lsquo;ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার&rsquo; (FSSAI) তরফ থেকে ডাবরের একাধিক পণ্যের উপর যে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছিল তাতে স্থগিতাদেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট। ১০০ শতাংশ জৈব বলে দাবি করা ডাবর ইন্ডিয়া লিমিটেডের পণ্য বিক্রি করতে বারণ করা হয়েছিল FSSAI-র তরফ থেকে। এই নির্দেশের বিরোধিতা করে আদালতে যায় কোম্পানি। শুক্রবার আদালত নিষেধাজ্ঞায় অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেওয়ায় আপাতত স্বস্তি মিলল ডাবরের।</p>
<p>দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি অমিত মহাজন জানিয়েছেন পরবর্তী শুনানি হাওয়া পর্যন্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিদের্শ কার্যকরী হবে না। এর আগে Dabur অভিযোগ করেছিল যে FSSAI আগাম কোনও শো কজ নোটিশ ছাড়াই নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কোম্পানিকে নিজের বক্তব্য জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি। এই নির্দেশিকার জেরে সরাসরি বাণিজ্যিক প্রভাব পড়েছে বলেও ডাবল দাবী করেছিল। আদালত জানায়, এইভাবে কোনও সংস্থাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে এই ধরনের নির্দেশ জারি করা যায় না। দুসপ্তাহ পরে ফের শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। সব পক্ষকে নোটিশ দিতে বলেছে আদালত।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/important/temporary-relief-for-dabur-as-per-delhi-high-court-order-regarding-ban-products]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/Dt0VczWwkcrAQ9fX7jrMCG3snMFIrbiqp45EGuBg.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[ফের বাড়ছে সোনার দাম! দেখে নিন আজকের দর]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 13:03:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>বাঙালির বিয়ের অনুষ্ঠান হোক বা উৎসব সোনার গুরুত্ব অপরিসীম। আপনি যদি এই সময়ে সোনা বা রুপো কেনার কথা ভাবছেন? তাহলে বাজারে যাওয়ার আগে জেনে নিন আজকের দর। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা এবং স্থানীয় চাহিদার প্রভাবে শনিবার (৮ অগাস্ট, ২০২৬) কলকাতায় সোনার দাম কত হল</p>
<p>১ গ্রাম হলমার্ক ২২ ক্যারেট সোনার দাম (Gold Price) হয়েছে ১৪ হাজার ২৯০ টাকা। খুচরো ২৪ ক্যারেট ১ গ্রাম পাকা সোনার দাম হয়েছে ১৫ হাজার ৩৫ টাকা। এছাড়াও ২৪ ক্যারেট ১ গ্রাম পাকা সোনার বাটের দাম হয়েছে ১৪ হাজার ৯৭৫ টাকা.</p>
<p>বাঙালির গয়নার ভাণ্ডারে সোনার পাশাপাশি রুপোর মূল্যও যথেষ্ট। সোনার সঙ্গে সঙ্গে রুপোর ক্ষেত্রেও দাম (Silver Price) বেশ কিছুটা বেড়েছে।</p>
<p>আজ খুচরো রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২ লক্ষ ৩২ হাজার ৭০০ টাকা। একই পরিমাণ রুপোর বাটের দাম প্রতি কেজিতে ২ লক্ষ ৩২ হাজার ৬০০ টাকা।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/misc-news/check-todays-gold-and-silver-rate-1]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/FdtCBVCSwE6hkUqot06oMkBRmy5m53GiG8ABRR6i.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[শনির সকালে ইসলামপুরে শুটআউট, মৃত্যু শিক্ষকের]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 12:49:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>স্কুলে যাওয়ার পথে দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হল এক শিক্ষকের। শনিবার ইসলামপুরের (Islampur) মাদারিপুর এলাকার এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে মৃতের নাম নজরুল ইসলাম (Nazrul Islam)। তিনি রামগঞ্জের রাজাভিম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন নজরুলের কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই।&nbsp;</p>
<p>স্থানীয়রা বলছে, অন্যান্য দিনের মতো এদিন সকালেও নিজের কর্মক্ষেত্রে যাচ্ছিলেন।মাদারিপুর এলাকায় পৌঁছতেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত তাঁকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। কী কারণে এই হামলা, কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সাতসকালে এই ঘটনার জেরে এলাকার নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বাসিন্দারা।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/shootout-in-islampur-one-school-teacher-died]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/zdNHwCoyeBKNTUGlFJJaNVocVbo8RuN8YsTKTGnZ.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[আটটি সোনা জয়, কমনওয়েলথ গেমসে ভারতীয় মহিলা ক্রীড়াবিদদের নজরকাড়া সাফল্য]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 12:43:28 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>সদ্য শেষ হয়েছে ২৩তম কমনওয়েলথ গেমস। এবছর স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোয় আয়োজিত এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ভারতের ঝুলিতে এসেছে মোট ১৩টি সোনা যার মধ্যে ৮টিই দখল করে নিয়েছেন মহিলারা।&nbsp;</p>
<p>কমনওয়েলথ গেমসের প্রথম আসর বসেছিল ১৯৩০ সালে অগাস্ট মাসে কানাডার হ্যামিলটনে। &lsquo;ব্রিটিশ এম্পায়ার গেমস&rsquo; নামে প্রথমে শুরু হয়েছিল এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। ১৯৫৪ সালে নাম বদলে রাখা হয় &lsquo;ব্রিটিশ এম্পায়ার অ্যান্ড কমনওয়েলথ গেমস&rsquo; এবং ১৯৭০ সাল থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে &lsquo;কমনওয়েলথ গেমস&rsquo; নামে পরিচিতি লাভ করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কমনওয়েলথভুক্ত সদস্য রাষ্ট্র এতে অংশ নেয়। প্রতি চারবছর অন্তর আয়োজিত এই খেলায় শুরু দিন থেকেই মহিলারা অংশ নিয়েছেন তখন সাঁতারেই সীমিত ছিল তাঁদের অংশগ্রহণ। পরবর্তীতে গুটি-গুটি পায়ে তাঁরা বিভিন্ন বিভাগে অংশ গ্রহণ করতে শুরু করেন এবং সাফল্য পান। সেই ধারা অব্যাহত রেখে এই বছর কমনওয়েলথ গেমসে সাফল্যের নজির গড়লেন এদেশের মেয়েরা। ভারতের প্রাপ্ত মোট ১৩টি স্বর্ণপদকের মধ্যে ৮টিই মহিলাদের দখলে। সোনাজয়ী সেই মেয়েরা গড়েছে ইতিহাস।<br>ভারোত্তোলনে সাইখোম মীরাবাই<br>কমনওয়েলথে এবার সোনায় হ্যাটট্রিক করলেন ভারোত্তোলক সাইখোম মীরাবাই চানু। টানা তৃতীয়বার কমনওয়েলথে সোনা জিতলেন তিনি। দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া মীরাবাই প্রথমে তিরন্দাজ হওয়ার স্বপ্নই দেখেছিলেন। মাত্র ১২ বছর বয়সে জ্বালানির প্রয়োজনে একটা আস্ত গাছের গুঁড়ি তুলে নিয়ে এসেছিল বাড়িতে। ওই বয়সে অসম্ভব এই শারীরিক শক্তি দেখে পরিবার তাঁকে এই খেলায় উৎসাহিত করে। এরপর ভারোত্তোলনের যাত্রা শুরু। প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ট্রাকে বা বাসে চড়ে তিনি অনুশীলনে যেতেন। এরপর রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় স্তরে উঠে আসেন তিনি। দেশের হয়ে প্রথম খেলতে গিয়েছিলেন রিও অলিম্পিকে। ২০১৬ সালে সেখানে ৪৮ কেজির বিভাগে অংশ নিয়েছিলেন মীরাবাঈ চানু । কিন্তু সাফল্য পাননি। দমে যাননি মীরা। ২০১৭ ওয়ার্ল্ড ওয়েট লিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপে সোনাজয় করেন। ২০১৮ ও ২২-এ কমওয়েলথে সোনা জেতেন এবং ২০২১ টোকিও অলিম্পিকে রুপোও জেতেন। পেয়েছেন বহু পুরস্কার এবং সম্মানও।<br>শটপুট-এ শর্মিলা<br>মাত্র দু&rsquo;বছর বয়সে ডান পায়ে পোলিও ধরা পড়ে শর্মিলা ধনকড়ের। পরিবার এতটাই দরিদ্র যে আহার জোটানোই মুশকিল ছিল তাঁদের। ফলে চিকিৎসা করাতে পারেননি। শর্মিলার মা ছিলেন দৃষ্টিহীন। বাবা সামান্য চাষী। ফলে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায় শর্মিলার। শ্বশুরবাড়িতে প্রতিনিয়ত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। স্বামীর অত্যাচার এতটাই মারাত্মক ছিল &nbsp;যে একদিন সকাল ১১টা থেকে ভোর ৩টে পর্যন্ত একটানা মারধোর করেছিল শর্মিলাকে! অপরাধ একটাই দুই কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। অঞ্জু ও লক্ষ্মী। পুত্রসন্তানের জন্ম দিতে পারেননি বলে শেষে মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। দুই মেয়েকে নিয়ে ৬ বছর বাপের বাড়িতে ছিলেন শর্মিলা। দ্বিতীয়বার যখন বিয়ে করলেন তখন থেকে তাঁর জীবনটা সম্পূর্ণ বদলে গেল। স্বামী অজিত সিং ছিলেন ক্রীড়াজগতের ব্যক্তি। অজিতই তাঁকে পরিচয় করান প্যারা স্পোর্টসের সঙ্গে। ৩৪ বছর বয়সে পেশাদার কেরিয়ার শুরু হয় শর্মিলার। শুধু শটপুট নয়, ডিসকাস থ্রোতেও দক্ষ শর্মিলা। দুজন প্রশিক্ষক টেকচাঁদ এবং দেবেন্দ্রর তত্ত্বাবধানে অনুশীলন শুরু করেন। ২০২১-এ প্যারা জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অভিষেক হয়। জাতীয় রেকর্ড করে সোনা জেতেন তিনি। এরপর চলতে থাকে সাফল্যের সফর। এই বছর গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে মেয়েদের শটপুটে এফ ৫৭ বিভাগে &nbsp;৯.৮১ মিটার ছুঁড়ে সোনা জিতেছেন। এই বিভাগের প্রতিযোগীদের হাঁটু এবং তার নীচ থেকে সমস্যা থাকে। ভারতের প্রথম মহিলা ক্রীড়াবিদ হিসাবে প্যারা অ্যাথলেটিক্সে এই সোনা জিতে নজির গড়েছেন শর্মিলা।&nbsp;<br>জুডো-য় অস্মিতা<br>অতীতে কমনওয়েলথ গেমসে জুডোয় ভারতের ঝুলিতে এসেছে পাঁচটি রুপো এবং ছটি ব্রোঞ্জ। কিন্তু &nbsp;সোনা আসেনি কখনও। এবার তা এল অস্মিতার হাত ধরে। তাঁকে নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হলেও সোনা জয়ের কৃতিত্বে কেউ ভাগ বসাতে পারবে না। দক্ষিণ ত্রিপুরার বেলোনিয়ার মেয়ে অস্মিতা। তাঁর বাবা সাইকেলের মেকানিক। অস্মিতা প্রথমে অ্যাথলেটিক্স হিসেবে ৮০০ মিটার দৌড় দিয়ে শুরু করেন ক্রীড়াজীবন। ২০১৫-য় ত্রিপুরা স্পোর্টস স্কুলের কোচের পরামর্শে জুডো শুরু করেন। জাতীয় স্কুল গেমস এবং খেলো ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় ভাল পারফর্ম করে ভোপালের সাই আঞ্চলিক কেন্দ্রে জায়গা পেলেন। জুডো খেলা জারি রাখবার জন্য অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে হয়েছে অস্মিতাকে। এসেছে অনেক সাফল্য। এশিয়ান ওপেন, জুনিয়র এশিয়া কাপ জুডো, কমনওয়েলথ জুডোয় পদক জিতেছেন। এবার জিতলেন স্বর্ণপদক।<br>বক্সিংয়ের পঞ্চকন্যা<br>বক্সিং রিং-এর মহিলারা এই বছর কমনওয়েলথ গেমস-এ ভারতের ঝুলিতে আনলেন পাঁচ পাঁচটা সোনা। এবারের কমনওয়েলথ গেমে মহিলা বক্সিং দলে ছিলেন ভারতীয় সেনার পাঁচ সদস্য। সেই সোনালি সাফল্যের শুরু হাবিলদার সাক্ষী চৌধুরীর হাত ধরে। ৫১ কেজি বিভাগে সোনা জিতেছেন সাক্ষী। ভারতীয় বক্সিংয়ের প্রাণকেন্দ্র হরিয়ানার ভিওয়ানি। সেখানকার মেয়ে সাক্ষী ১২ বছর বয়সে ভিওয়ানি বক্সিং ক্লাবে প্রশিক্ষণ শুরু করেন। দ্রুত দক্ষ হয়ে ওঠেন। এর তিন বছর পর বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়ন হন এবং ১৮ বছর বয়সের মধ্যেই তিনি দুবার ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে পরপর বিশ্ব যুব চ্যাম্পিয়ন হন। এই পথে এসেছে অনেক বাধা কিন্তু দমে যাননি।&nbsp;<br>সোনা জিতছেন নায়েব সুবাদার প্রীতি পাওয়ার। ৫৪ কেজি বিভাগে সোনা জেতেন প্রীতি। ভিওয়ানির মেয়ে প্রীতির বাবা-মা দুজনেই একসময়ের অ্যাথলেট ছিলেন। ১৪ বছর বয়সে তাঁর কাকা ও প্রাক্তন জাতীয় পদকজয়ী বিনোদ পাওয়ার তাঁকে বক্সিং খেলায় নিয়ে আসেন। ভিওয়ানিতেই কাকার আকাডেমিতেই তাঁর প্রশিক্ষণ শুরু হয়।&nbsp;<br>এরপর ৫৭ কেজি বিভাগে সোনাজয়ী জ্যাসমিন লাম্বোরিয়ার পরিবারে বক্সিংয়ের এক বিশাল ইতিহাস রয়েছে। তাঁর প্রপ্রিতামহ হাওয়া সিং ছিলেন ভারতের একজন কিংবদন্তি হেভিওয়েট বক্সার, যিনি এশিয়ান গেমসে পরপর দুবার সোনা জিতেছিলেন। ছোটবেলা থেকেই ঘরের দেয়ালে ঝোলানো মেডেল ও ট্রফি দেখে এবং পরিবারের বড়দের সাফল্যের গল্প শুনে জ্যাসমিন বক্সিংয়ের প্রতি আকৃষ্ট হন।</p>
<p><br>&nbsp;৭০ কেজি বিভাগে সোনা জিতেছেন হাবিলদার অরুন্ধতী চৌধুরী। রাজস্থানের মেয়ে অরুন্ধতী ছোট থেকে খেলাধুলোয় তুখোড়। স্কুলে বাস্কেটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন। ১৫ বছর বয়সে বক্সিংয়ের সঙ্গে যুক্ত হন। পড়াশুনো শেষ করে সিভিল সার্ভিসের প্রস্তুতি নেন। ২০১৬ সালে রাজস্থান স্টেট সাব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে তিনি তাঁর বক্সিং কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। এরপর শুরু দীর্ঘ লড়াই।&nbsp;</p>
<p><br>৬০ কেজি বিভাগে পঞ্চম সোনাটি এনেছেন প্রিয়া ঘাংঘাস। ২০১৫ সালে মাত্র ১১ বছর বয়সে বাবার &nbsp;ও দাদার অনুপ্রেরণায় বক্সিং প্রশিক্ষণ শুরু করেন। বড় ভাই নীরজ ঘাংঘাসের সঙ্গে তিনি কোচ রবি সাঙ্গোয়ানের কাছে প্রথম প্রশিক্ষণ শুরু করেন। ২০২২ সালে বিখ্যাত ভিওয়ানির স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বক্সিং অ্যাকাডেমিতে সুযোগ পান। কোচ মহাবীরের অধীনে প্রশিক্ষিত হতে থাকেন। কঠোর পরিশ্রমে নিজেকে গড়ে তুলে তিনি আজ দেশের গর্ব।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/indian-women-win-8-gold-cwg-2026]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/cjVRGlKtnkNCFJ59w2wjCyUlWqZJksc5JHofN452.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[লুকোচুরি শেষ, ভবানী ভবনে হাজিরা সুমিতের, চলছে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 12:37:05 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় সিআইডির নোটিশ। অবশেষে ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। সোমবার ৯.৪৫ মিনিটে ভবানী ভবনে আসেন সুমিত। চলছে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ।&nbsp;</p>
<p>শুক্রবার রাতে সুমিতের ক্যানল রোডের বাড়িতে এসে নোটিশ দেয় সিআইডির একটি দল।গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা তাঁর বাড়িতে সমন দেন। শুক্রবার রাতে &nbsp;সিআইডি-র একটি টিম ও বেহালা থানার পুলিশ সুমিতের নিউ আলিপুরের বাড়িতে পৌঁছে যায়। বাড়ির সামনে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় তদন্দকারী আধিকারিকদের। এরপরই হাজিরা দেওয়ার জন্য সমন দেওয়া হয়।&nbsp;</p>
<p>সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে রক্ষাকবচ পাওয়ার পরই দীর্ঘদিন পর প্রকাশ্যে এলেন সুমিত। হাইকোর্টের &nbsp;নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রক্ষাকবচ চেয়ে সুমিত সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন। শীর্ষ আদালত সুমিতকে সাময়িক স্বস্তি দিয়ে বলে, পরবর্তী শুনানির দিন পর্যন্ত সুমিতকে গ্রেফতার করা যাবে না। তবে তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন। সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে।</p>
<p>সু্প্রিম কোর্টে স্বস্তি পাওয়ার পরের দিনেই ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন অভিষেকের আপ্ত সহায়ক। &nbsp;মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক, এই মুহূর্তে জেলবন্দি সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পরই উঠে আসে সুমিতের নাম। শালবনির জমি দুর্নীতিতে তাঁর নাম জড়িয়েছে।</p>
<p>পাশাপাশি অভিযোগ উঠছে, ছাব্বিশের ভোটে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করেছে। এছাড়া শালবনিতে একটি জমি দুর্নীতি মামলাতেও অভিযুক্ত হিসেবে নাম রয়েছে সুমিতের।&nbsp;<br>&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/city-news/avisek-banarjee-pa-sumit-ray-came-cid-head-office]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/OcZOY7VIbIIZ2NX7VP1IN8iTiA0ggNthRqYhFv22.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[শিল্পতালুক গড়তে কেন্দ্রের প্রস্তাব, আবেদনই করল না বাংলা!]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 11:21:21 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>ক্ষমতায় এলে রাজ্যের শিল্পায়নের জোয়ার আসবে, এই প্রতিশ্রুতি বাংলার মসনদে বসেছে বিজেপি। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুযোগ সুবিধার সুযোগ নিতে ব্যর্থ নবান্ন। অন্তত প্রথম তিন মাসেই একটি বড় সুযোগ হারালো শুভেন্দু অধিকারীর সরকার।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;গোটা দেশে ৬১ শিল্প তালুক গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। এরজন্য রাজ্যগুলির কাছ থেকে প্রস্তাব চাওয়া হয়। অবাক করা বিষয় হলো বাংলার বিজেপি সরকার এই বিষয়ে কেন্দ্রকে কোন প্রস্তাবি পাঠায়নি, বিগত ১৫ বছরে রাজ্যের শিল্পায়ন গতি স্লথ হয়েছে। এই অভিযোগে বারবার পূর্বতন সরকারকে নিশানা করছে বিজেপি। কিন্তু তাদের আমলে রাজ্যে শিল্প তালুক করার উদ্যোগী নেওয়া হলো না, অন্তত প্রথম দফার নীতি নিরিখে।</p>
<p>গোটা দেশে ১০০টি শিল্প তালুক গড়ে তোলার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। এরমধ্যে প্রথম দফায় ৫০ টি গড়ে তোলা হবে। এর জন্য বিভিন্ন রাজ্য থেকে সাতাশিটি প্রস্তাব এসেছে কিন্তু সেই তালিকায় নাম নেই পশ্চিমবঙ্গের। ভারত উদ্যোগী বিকাশ যোজনা এই নামে একটি প্রকল্প শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ৩৩,৬৬০ কোটি টাকার বিনিময়ে মোট গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। পরিকল্পনার প্রথম পর্ব ৫০টি শিল্পতালুক গড়ে তোলা হবে। এর জন্য ৩১ শে জুলাই এর মধ্যে সমস্ত রাজ্যকে কেন্দ্রের কাছে রিপোর্ট পাঠাতে বলা হয়েছিল।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;এই প্রকল্পের লক্ষ্য বিশ্বমানের শিল্প পরিকাঠামো গড়ে তোলা সেইসঙ্গে রাজ্য তথা দেশের আর্থিক বুনিয়াদকে শক্তিশালী করা। পরিসংখ্যান বলছে প্রথম দফায় দেশের ২৩ টি রাজ্য এবং লাদাখের মতো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলও আবেদন করেছে আবেদন করেছে। মহারাষ্ট্র ১৪ টি মধ্যপ্রদেশ ১১ টি শিল্প তালুক গড়ে তোলার জন্য আবেদন করেছে। কিন্তু আবেদনঅ করল না বাংলা।</p>
<p>&nbsp;রাজ্যসভায় শমীক ভট্টাচার্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রের শিল্প বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র প্রসাদ জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের কাছ থেকে শিল্প তালুক গঠনের কোন প্রস্তাব আসেনি। সদ্য বাংলায় সরকার গঠিত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের কাছ থেকে কোন প্রস্তাব ফেলে তা যে &nbsp;ভালোভাবে খতিয়ে দেখত কেন্দ্র সেটা উল্লেখ করেছেন মন্ত্রকের একটি সূত্র।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;রাজ্য বিজেপির এক সাংসদ জানিয়েছেন, গোটা দেশের কাছে পশ্চিমবাংলার শিল্প চেহারাটা একেবারেই ভালো নয়। এই ধরনের সরকারের সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে তবেই শিল্পের ছবিটা পাল্টাবে রাজ্যে। ক্ষমতায় আসার পরে একাধিক কারখানার ভূমিপুজো হয়েছে এমনকি বেশ কিছু কারখানা তাদের সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে। কিন্তু এখনো বড় শিল্প সেভাবে তৈরি হয়নি। এরই মধ্যে শিল্পতালুক গঠন নিয়ে কেন্দ্রকে প্রস্তাব না পাঠানো হয় বিজেপি সরকারের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে তারা কতটা শিল্পায়ন ঘটাতে চায় রাজ্যে?</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/west-bengal-govt-not-appele-to-centre-for-indrustry]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/ZBbtcfshBXZBPfa7AhBBvUs0CZDSqir2RYvCLpmd.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 10:49:38 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>পালাবদলের পর ফের গ্রেফতার তৃণমূল দলের প্রাক্তন আরও এক &nbsp;বিধায়ক। এবার গ্রেফতার হলেন নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার গভীর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে হানা দেয় পুলিশ। দত্তপুকুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে এদিন ভোরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তারপর নিয়ে আসা হয়েছে নৈহাটি। শনিবারই তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে।&nbsp;</p>
<p>সনৎ দে-র বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ রয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে হারেন সনৎ। তারপর থেকেই পুলিশ তাঁকে খুঁজছিল। ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসা, তোলাবাজি, মারামারির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। &nbsp;বিজেপি কর্মীদের &nbsp;উপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগের ওপর ভিত্তি করেই শনিবার ভোরে সনৎ দে-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কয়েকদিন আগে প্রাক্তন বিধায়কের বাড়ি ও ওষুধের দোকানে তল্লাশি চালায়</p>
<p>পার্থ ভৌমিক সাংসদ হওয়ার পর ২০২৪ সালের উপনির্বাচনে নৈহাটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন সনৎ দে। রাজ্যে পালাবদলের পরই জনরোষের মুখে পড়েন প্রাক্তন বিধায়ক। গত জুন মাসে নৈহাটিতে পার্টি অফিসে যাওয়ার সময় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। দেওয়া হয় চোর চোর স্লোগান। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল, নৈহাটি জুড়ে সনৎ দে কার্যত সন্ত্রাস চালাতেন। &nbsp;তাঁর গ্রেফতারির পরই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সাধারণ মানুষ।&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/ex-tmc-mla-sanat-dey-arrest]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/BeDNVM3QnFlhFA9fajmjd2itCjIZDC1FWBNZ4Vbu.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[সক্রিয় হচ্ছে নিম্নচাপ! সপ্তাহ শেষেও রাজ্যে জারি থাকবে বৃষ্টি? জানুন আবহাওয়ার আপডেট]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 10:02:14 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>বিগত কয়েক দিন ধরেই বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে, সেই সঙ্গে দোসর হয়েছে নিম্নচাপ। আপাতত বৃষ্টির হাত থেকে মুক্তি মিলল দক্ষিণবঙ্গ বাসীর।কলকাতা সহ বাংলায় &nbsp;কেমন থাকবে শনিবারের সারাদিনের আবহাওয়া(Weather)? তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে।</p>
<p>আবহাওয়া দফতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশ ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরের উপর একটি নিম্নচাপ সক্রিয় রয়েছে। এই দুইয়ের জেকে ভারী বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে।</p>
<p>এখানেই শেষ নয়, শনিবার উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে এই নিম্নচাপ তৈরি হবে। &nbsp;নিম্নচাপটি গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বিস্তৃত থাকবে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর ওড়িশা , ঝাড়খণ্ড হয়ে ছত্তিশগড়ের দিকে যাবে। মৌসুমী অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গের উপকূলে সক্রিয়। কাঁথির যা কাঁথি থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। এর ফলে বৃষ্টিপাতচ বাড়তে পারে।&nbsp;</p>
<p>শনিবার &nbsp;ভোর থেকে দফায় দফায় বৃষ্টি নামছে রাজ্যের একাধিক জেলায়। বিশেষ করে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে &nbsp;সতর্কতা জারি রয়েছে। পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং বীরভূমের মতো জেলাগুলিতে আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল।</p>
<p>আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। শুক্রবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩.৪ ডিগ্রি কম।&nbsp;</p>
<p>দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির বিরাম নেই। উত্তরের ওপরের দিকের জেলা, বিশেষ করে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। এছাড়া অন্যান্য জেলাগুলিতেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে।&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/weather-update-of-west-bengal-saturday-2]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/p3b41D2nbpAuzhWsuIUnJD4TisXz0dSTuXnYkpIc.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[শিশু পুষ্টি ও পোষণ অভিযান নিয়ে অভিষেকের প্রশ্নে বেকায়দায় কেন্দ্র]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 09:59:11 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্নের মুখে পড়ে সংসদে জোর ধাক্কা খেল মোদি সরকার। &nbsp;দেশের শিশু পুষ্টি ও পোষণ অভিযান (পোষণ ২.০) বাস্তবায়নের সামগ্রিক চিত্র স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে ব্যর্থ হল কেন্দ্র। ব্যাখ্যা দেওয়া তো দূরের কথা। শুধুই তথ্যের জাগলারি, মানুষকে বিভ্রান্ত করার প্রয়াস। নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করার জন্য মরিয়া প্রয়াস মোদি সরকারের।&nbsp;</p>
<p>লোকসভায় নারী ও শিশু বিকাশ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী সাবিত্রী &nbsp;ঠাকুরের দেওয়া লিখিত উত্তর বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে, সাংসদ অভিষেক যে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানতে চেয়েছিলেন, তার বড় অংশেরই সদুত্তর এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মূলত চারটি বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে হিসেব চান&mdash; ২০২০-২১ অর্থবর্ষ থেকে &nbsp;&lsquo;পোষণ অভিযান&rsquo;-এর অধীনে বরাদ্দ ও প্রকৃত খরচের হিসাব, রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের জন্য কার্যকর প্রযুক্তিগত যন্ত্রপাতির বিবরণ, রাজ্যভিত্তিক শিশু অপুষ্টি হ্রাসের চিত্র এবং পিছিয়ে পড়া রাজ্যগুলির জন্য গৃহীত সংশোধনমূলক পদক্ষেপ। কিন্তু কেন্দ্রের দেওয়া উত্তরে স্পষ্ট কোনও রাজ্যওয়াড়ি খরচের হিসাব বা অপুষ্টির &nbsp; হ্রাস-বৃদ্ধির তুলনামূলক আঞ্চলিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য বলছে, &lsquo;মিশন সক্ষম অঙ্গনওয়াড়ি এবং পোষণ ২.০&rsquo;- &nbsp;এর আওতায় ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ১৬,১০৫.৭৮ কোটি টাকা, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ১৮,৩৬৮.০১ কোটি টাকা, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ১৯,৮৪৯.৮২ কোটি টাকা এবং ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ২১,৭৪১.১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এই বরাদ্দের পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ২০,৯০৪.৮৩ কোটি টাকায় এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য বরাদ্দ দেখাচ্ছে ১৬,৭৭৭.৩৭ কোটি টাকা। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বরাদ্দকৃত অর্থের পাশাপাশি ব্যবহৃত অর্থ বা &nbsp;খরচের হিসাব জানতে চাইলেও কেন্দ্র কেবল অর্থ বরাদ্দের অঙ্ক দেখিয়েই দায় সেরেছে, প্রকৃত খরচের কোনও খতিয়ান সংসদে পেশ &nbsp;করেনি।&nbsp;</p>
<p>একইভাবে, রাজ্যওয়ারি শিশু অপুষ্টির চিত্র জানতে চাওয়া হলে কেন্দ্র কোনও সুনির্দিষ্ট রাজ্যভিত্তিক পরিসংখ্যান দেওয়ার পরিবর্তে &nbsp;এনএফএইচএস-১ থেকে এনএফএইচএস-৬ পর্যন্ত সামগ্রিক জাতীয় গড় তুলে ধরেছে। এনএফএইচএস-৬ (২০২৩-২৪) অনুযায়ী দেশে শিশুদের খর্বকায়তা ২৯.৩ শতাংশ, কৃশতা ১৯.০ শতাংশ এবং কম ওজন ৩১.৮ শতাংশে নেমে এসেছে বলে দাবি করা হলেও, কোন রাজ্যে এই পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে কিংবা কোন রাজ্য ভাল ফল করেছে, তা এড়িয়ে গিয়ে সাধারণ একটি পোর্টালের লিঙ্ক উল্লেখ করা হয়েছে। পিছিয়ে থাকা রাজ্যগুলির জন্য বিশেষ কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সে-বিষয়ে নীতিগত কথার ব্যাখ্যা মিললেও নির্দিষ্ট কোনও কার্যকর ও বিশেষ বরাদ্দের কথা বলা হয়নি। কেন্দ্রের জবাবে জানানো হয়েছে যে, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের স্মার্টফোন প্রদান, ইন্টারনেট খরচ এবং প্রতিটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশু ও মায়েদের উচ্চতা ও ওজন মাপার জন্য চার ধরনের গ্রোথ মনিটরিং ডিভাইস দেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে নষ্ট হওয়া যন্ত্র বদলাতে জেলায় ৫ শতাংশ বাফার রাখার নিয়ম রয়েছে। এছাড়া ২ লাখ অঙ্গনওয়াড়িকে সক্ষম অঙ্গনওয়াড়িতে রূপান্তর, পোশন ট্র্যাকার অ্যাপে ডেটা এন্ট্রি এবং আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় পিএম-জনমন ও ধর্তি আবা প্রকল্পের অধীনে নতুন অঙ্গনওয়াড়ি তৈরির কথা বলা হলেও, পরিকাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গ্রাউন্ড রিয়ালিটি ও রাজ্যগুলির নিজস্ব অভিজ্ঞতার বিষয়টি আড়ালেই রয়ে গিয়েছে। সামগ্রিকভাবে, অপুষ্টি দূরীকরণে কেন্দ্রীয় সরকারের বিশাল অঙ্কের দাবির পেছনে প্রকৃত আর্থিক স্বচ্ছতা ও আঞ্চলিক বৈষম্যের মূল জায়গাগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার এক কৌশল ফুটে উঠেছে এই জবাবে।</p>
<p>&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/central-not-get-proper-answer-avisek-banarjee-question]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/z3iMrJmiFm0txckZzVxT4igCq5qirvCR6HlY97tG.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[মুসাফির ক্যাফে' : কফির উষ্ণতার সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া মিষ্টি প্রেমের গল্প]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 09:55:51 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>&nbsp;</p>
<p>প্রেমের গল্প তো প্রেমের গল্পই হয়। তার চেয়ে আলাদা কিছু হয় কী? পরিচালক রুচির অরুণ-এর ওয়েব সিরিজ 'মুসাফির ক্যাফে' সেই হারিয়ে যাওয়া প্রেমের মিষ্টি উদযাপন। সিরিজটি সদ্য মুক্তি পেয়েছে নেটফ্লিক্সে। স্ট্রিমিং শুরুর পর থেকেই বেশ সাড়া ফেলেছে। অনেক গোপন মনের শিকলে পড়েছে টান। কী এমন রয়েছে এই সিরিজে।</p>
<p>আচ্ছা এ-যুগের প্রেম কি কমিটমেন্টের ধার ধারে? মান্ধাতার আমলে হয়তো ধার ধারত। মা-বাবার কথায় একেবারে ছাদনাতলায় শুভদৃষ্টির সময় বর-কনে প্রথমবার একে অপরকে দেখত এবং সারাজীবন একছাদের তলায় দুজনে থেকে যেত। 'হ্যাপিলি ম্যারেড এভার আফটার'। কিন্তু আজ? দুটো মানুষ পরস্পরের সঙ্গে কমফোর্টেবল, সম্পর্কে আছে বলেই পরিণতি বিয়ে এমন ধ্যানধারণায় কি বিশ্বাসী জেন জি-রা? সম্পর্কের একমাত্র পরিণতি বিয়েই? আর বিয়ে পর্যন্ত না গড়ালে বিচ্ছেদ? কোনটা আসল ভালবাসা না বিয়ে? কাউকে ভালবাসলে তাঁর বন্ধু হয়ে, সঙ্গী হয়ে কী সারাজীবন একসঙ্গে চলা যায় না? যদি এমনটাই হত তা হলে 'মুসাফির ক্যাফে'র চন্দর আর সুধার প্রেমটা অমর হয়ে যেত। আসলে আমাদের দেশ বলেই হয়ত আজও অ্যারেঞ্জ ম্যারেজের সেলিব্রেশন হয়। যুগ যতই আধুনিক হোক আমাদের সমাজ ব্যবস্থা, বেশিরভাগ মা-বাবা,পরিবার আজও লিভ ইন সম্পর্ক, লং ডিস্টেন্স সম্পর্ক বা লং ডিস্টেন্স ম্যারেজে বিশ্বাসী নয়। শুধুমাত্র সেই কারণেই সমাজকে তুচ্ছ করে নামগোত্রহীন ভালবাসা বহন করে নিজের মন ভরাতে পারেনি চন্দর। ভালবেসে ছাড়তে চেয়েছিল নিজের স্বপ্নও। আর সেখান থেকেই শুরু হয়েছিল তাঁর একান্ত নিজের স্বপ্নের পিছনে হাঁটা। তৈরি করতে পারল 'মুসাফির ক্যাফে'র মতো এক-একটা হারানো প্রেমের স্মৃতিসৌধ। যে ক্যাফের প্রবেশ পথে জ্বলজ্বল করে চন্দরের প্রাক্তনের হাতে লেখা 'মুসাফির' নামটা। এমন স্বপ্নপূরণ তো সে আগেই করতে পারত। সিরিজটা দেখতে বসে বারবার এই উপলব্ধিটাই হয়।</p>
<p>এক সুন্দর স্বপ্ন 'মুসাফির ক্যাফে'র জন্ম হল ব্যর্থ প্রেমের জঠর থেকে। এই ব্যর্থতা ভালবেসে উদার হতে না পারার। সমাজের ভিড়ে মিশে গিয়ে অন্যের চোখ দিয়ে নিজের সম্পর্ককে যাচাই করার। তা না হলে হয়ত চন্দর আর সুধা দেশের দু-প্রান্তে থেকেও আজীবন একই থেকে যেত। চন্দরের ছাপোষা মধ্যবিত্ত মানসিকতাই এখানে দায়ী। পছন্দের নারীকে বিয়ের আগে নিজের ফ্ল্যাটে এনে রাখতে পারল, রাত্রি যাপন করতে পারল, এক বিছানা ভাগ করতে পারল কিন্তু সম্পর্কটাকে সেই বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানের প্রশ্নে এসে জলাঞ্জলিই দিতে হল তাকে। সত্যি কি চন্দরের মা ততটা পুরনোপন্থী মানুষ ছিলেন? বা সুধার মা-ও? ছিলেন না।&nbsp;</p>
<p>অন্যদিকে শৈশব থেকে মাকে হিউমিলিয়েট হতে দেখা পিতৃহারা সুধা চেয়েছিল মায়ের এবং নিজের অধরা স্বপ্নগুলো পূরণ করতে। আবার একইসঙ্গে চেয়েছিল চন্দরের মতো বন্ধুকেও যার তারই মতো উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকবে কিছু করে দেখানোর। ওই বিয়ে সংসার বাচ্চার বৃত্তে সে ঘুরবে না। কিন্তু সে আদৌ বোঝেনি ঠিক কী চায়। বোঝেনি চন্দরকেও। পথ বদল হতেই পারে তার সঙ্গে স্বপ্নপূরণের কোনও সম্পর্ক নেই এটা ছিল তাঁর বোধের ঊর্ধ্বে। সুধার উচ্চাকাঙ্ক্ষী মানসিকতা ভালই, মায়ের প্রতি দায়িত্বের মনোভাবনাও সুন্দর কিন্তু সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষার হাড়িকাঠে জোর করে অন্য কারও মাথা ঢুকিয়ে দেওয়াটা অন্যায়। ফলে চন্দরের পরিণতি যা হবার তাই হল। চন্দরের প্রেমপর্ব শেষ তো হলই কমিটমেন্ট ফোবিয়া, কনফিউশন, নিজেকে বুঝতে না পারার খেসারত দিল সুধাও। যা-ই হোক সুধার প্রেমে ব্যর্থ চন্দর &lsquo;মুসাফির ক্যাফে&rsquo; খুলে ফেলল বন্ধু প্রীতির সাহায্যে। এখন প্রশ্ন হল সুধার সঙ্গে বিয়ে, সংসার এবং বাচ্চা এমন একটা পিকচার পারফেক্ট জীবন যদি চন্দর পেত তা হলে কি আদৌ &lsquo;মুসাফির ক্যাফে&rsquo;র জন্ম হত? আসলে একটা কিছু শেষের পরেই বোধহয় নতুনের সৃষ্টি হয়। যেমন সব হারিয়ে চন্দর ফিরে পেল নিজের স্বপ্নকে। অতীত হয়ে যাওয়া সুধা রয়ে গেল তার মনের সঙ্গোপনে। মাঝখান থেকে একেবারেই কনফিউশন ছিল না যে মেয়েটির সেই প্রীতি এমন একজন মানুষের স্বপ্নের সঙ্গে নিজের স্বপ্নকে মিলিয়ে দিল যার অস্তিত্ব আরেকজনের কাছে বাঁধা পড়ে আছে। আসলে এই সিরিজটা প্রেমের বাইরে গিয়ে নিজেকে আবিষ্কার করার? পুরোটা জানতে সিরিজটা অবশ্যই দেখতে হবে।</p>
<p>&lsquo;মুসাফির ক্যাফে&rsquo; এক অন্যরকম প্রেমের ল্যান্ডস্কেপ। সিরিজের একটা পার্টে ভোপাল শহর অন্য পার্টে মুসৌরি। অতীত বর্তমানে অন অফ খুব মুনশিয়ানার সঙ্গে সিরিজে দেখিয়েছেন পরিচালক রুচির অরুণ। চন্দর আর সুধার প্রেমপর্ব, পাগলামি সবটাই যেন একটা কবিতার মতো। তবে সবচেয়ে সুন্দর হল পাহাড়ের কোলে স্বপ্নের মতো সাজানো ছোট্ট মুসৌরি, সবুজের ঢাল, রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশ, পেঁজা তুলোর মতো পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মেঘ আর ছবির মতো একটা ক্যাফেটেরিয়া। এমন একটা জায়গা থাকার বা ক্যাফে খোলার স্বপ্ন বোধহয় অনেকেই দেখেন মনে মনে। ক'জনেরই বা সেই স্বপ্ন পূরণ হয়। ক'জনই এমন বন্ধুই পেয়ে যায় জীবনে। দুই নারী আর একজন পুরুষের মধ্যে সেতুবন্ধন মুসৌরি। যেখানে এসে মেলে তিনটে মুখ।</p>
<p>&nbsp;এমন একটা ওয়েব সিরিজ দেখলে মন একটু তোলপাড় হবেই। দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন বিক্রান্ত ম্যাসে। তার অভিনয় নিয়ে বলার কিছুই নেই। &lsquo;সেক্টর ৩৬&rsquo;, &lsquo;ফরেনসিক&rsquo;, &lsquo;প্রীতম অ্যান্ড পেদ্রো&rsquo; বা &lsquo;মুসাফির ক্যাফে&rsquo; ভার্সিটালিটির চূড়ায় থাকা একজন অভিনেতা। সুধা চরিত্রে ভেদিকা পিন্টো অনবদ্য তুলনায় প্রীতি চরিত্রে মহিমা মাকওয়ানা একটু নিষ্প্রভ। তবে প্রীতির চরিত্রটা ভীষণ বাস্তবসম্মত। এর চেয়ে বেশি এক্সপ্রেশন ওই চরিত্রে যেত না। আদিল হুসেন এবং সাদিয়া সিদ্দিকি খুব সাবলীল অভিনয় করেছেন। এছাড়া খুব ভাল অভিনয় করেছেন বাকিরাও।&nbsp;</p>
<p>লেখক দিব্যা প্রকাশ দুবের &lsquo;মুসাফির ক্যাফে&rsquo; বইটি অবলম্বনে এই ওয়েব সিরিজটি তৈরি হয়েছে। সেরা একটি চিত্রনাট্য লিখেছেন শরণ্যা রাজগোপাল। ক্রিয়েশনেও তিনিই রয়েছেন। প্রযোজনায় টেরিবলই টিনি টেল প্রোডাকশন।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/entertainment/musafir-cafe-web-series-review]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/JuFZIAsEOsQwDfa70IpyuQdNgBppOT1pANH4PPIm.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[রাশিয়া থেকে তেল কিনলে ১০০ শতাংশ শুল্ক, ভারত-চিনের উপর চাপ বৃদ্ধি আমেরিকার]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 09:25:11 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>প্রবল চাপ এবং কূটনৈতিক কৌশলের পর এবার সরাসরি আইন প্রণয়ন। &nbsp;রাশিয়া থেকে ভারত-চিনের মতো দেশ তেল আমদানি করতে না পারে তারজন্য নয়া কৌশল ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ আমেরিকা। &nbsp;রাশিয়া থেকে খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা শীর্ষ দেশগুলির উপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শাস্তিমূলক শুল্ক চাপানো সংক্রান্ত বিল র মার্কিন সেনেটে অনুমোদন পেল।&nbsp;</p>
<p>৮৬-১১ ভোটের ব্যবধানে পাশ হওয়া এই বিল অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া (Russia) ও ইরানের জ্বালানির শীর্ষ পাঁচ আমদানিকারক দেশের পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করার একচ্ছত্র ক্ষমতা পেতে চলেছেন।এই বিলটি আইন হিসেবে কার্যকর হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিশেষ ক্ষমতা দেবে।আগামী ৩১ অগাস্ট হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে এই বিলটি অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে। এখন দেখার বিষয়, মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে এই বিল পাশ হয়ে চূড়ান্ত রূপ নেয় কি না।</p>
<p>এরফলে সরাসরি সমস্যা পড়বে ভারত-চিন-জাপানের মতো দেশগুলি। কারণ &nbsp;তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির নিরিখে প্রথম পাঁচটি দেশের মধ্যে আছে ভারত। &nbsp;চিন, ভারত, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি এবং স্লোভাকিয়া সরাসরি সমস্যায় পড়বে। ইউক্রেন-সহ বেশ কিছু দেশ আবার বিলটিকে স্বাগত জানিয়েছে।&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আমেরিকার এই বিলটিতে বলা হয়েছে, রাশিয়া থেকে যে সমস্ত দেশ তেল বা অন্য জ্বালানি কিনছে, তারা পরোক্ষে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রুশ আগ্রাসনকেই সমর্থন করছে। তাই তাদের উপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করতে পারবে আমেরিকা। &nbsp;এরফলে ভারতের মতো উদীয়মান অর্থনীতির দেশ প্রবল চাপে পড়বে। এই বিলের দিকে নজর ছিল নয়াদিল্লি্র।&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/international/usa-get-pressure-to-india-china-on-fuel-issue]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/UYzgr69NflQqto6iHBaOUbtM2IpP5gja2tDq6zRF.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[সুমিত রায়ের বাড়িতে গভীর রাতে সিআইডির সমন, আজই হাজিরার নির্দেশ]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 09:19:45 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট সাময়িক স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু তাতেও অস্বস্তি কাটছে না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের। শুক্রবার রাতে ফের সুমিত রায়কে নোটিশ দিল সিআইডি। আজ(শনিবার) তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>শুক্রবার রাতে সুমিতের ক্যানল রোডের বাড়িতে এসে নোটিশ দেয় সিআইডির একটি দল।গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা তাঁর বাড়িতে সমন দেন। শুক্রবার রাতে &nbsp;সিআইডি-র একটি টিম ও বেহালা থানার পুলিশ সুমিতের নিউ আলিপুরের বাড়িতে পৌঁছে যায়। বাড়ির সামনে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় তদন্দকারী আধিকারিকদের।&nbsp;</p>
<p>&nbsp;ফটোগ্রাফারকে সঙ্গে করে তারপর সিআইডি টিম ও বেহালা থানার পুলিশ বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে । ১০ মিনিট থাকার পর সিআইডি টিম ও বেহালা থানার পুলিশ বেরিয়ে যায়। জানা যায় আজ শনিবারই ভবানী ভবনে ডাকা হয়েছে সুমিত রায়কে।শালবনির জমি ও চাকরি দুর্নীতি কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে সুমিতের। তাঁকে একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হল তিনি হাজিরা দেননি। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। কিন্তু হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে। তাঁর খোঁজে তল্লাসি চালাচ্ছে পুলিশ। পালাবদলের পর থেকেই খোঁজ নেই সুমিতের।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>কিন্তু &nbsp;নতুন দুই মামলায় গ্রেফতার করতে পারে পুলিশ। এই আশঙ্কা থেকে ফের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সুমিত রায়। শুক্রবার তাঁর আইনজীবী বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে দ্রুত শুনানির আর্জি জানান। বিচারপতি ভট্টাচার্য অবশ্য সেই আর্জি খারিজ করে জানিয়ে দেন, দ্রুত শুনানি সম্ভব নয়।&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/cid-notice-to-avisek-banerjee-pa-sumit-ray]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/Vv3ZJdRWayQ6yYYDNx9gNzSpMFYwd5wVoB7AKcm8.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[সাউথ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে জিতে ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 00:07:13 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>ডুরান্ড কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে সাউথ ইউনাইটেডকে ৫-০ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল এফসি। গোল করলেন দানি রামিরেজ, মহম্মদ রশিদ, বিপিন সিং, হার্দিক ভাট ও ডেভিড লালানসাংগা। টিই ইস্টবেঙ্গলের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ।এই ম্যাচ জিতে &nbsp;কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল।</p>
<p>মোহনবাগানের বিরুদ্ধে সাউথ ইউনাইটেড কোনও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধেও পারল না। গোটা ম্যাচে দাপট দেখা গিয়েছে লাল-হলুদ ফুটবলারদেরই।&nbsp;</p>
<p>এদিকে কলকাতা লিগে ঘরের মাঠে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারাল ভবানীপুর এসফি। সাহিল হরিজন ও রবি হাঁসদার দুরন্ত গোলে জয়ী ভবানীপুর।মোহন বাগান সিএফসি মাঠে, ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে ৮০ মিনিটে সাহিল হরিজনের গোলে এগিয়ে যায় ভবানীপুর এফসি। ৮৬ মিনিটে বিভান জ্যোতি লস্করের গোলে খেলায় সমতা ফেরায় মোহন বাগান। কিন্তু ৮৮ মিনিটে রবি হাঁসদার দুর্দান্ত গোল শেষ পর্যন্ত ভবানীপুরকে জয় এনে দেয়।</p>
<p>&nbsp;আগামী ৮ আগস্ট বারাসাত স্টেডিয়ামে হতে চলা কলকাতা লিগে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব বনাম কলকাতা পুলিশ ক্লাবের ম্যাচটির টিকিট পাওয়া যাবে বিনামূল্যে ফার্স্ট কাম ফার্স্ট সার্ভ ভিত্তিতে।</p>
<p>&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/east-bengal-win-against-south-unt]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/08/644KP7C7ttXcc125XdbY4RyNki8EipzTJLqVOY2k.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[১৭ মাস বন্ধ বেতন, শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের প্রতিবাদ মিছিলে অবরুদ্ধ ধর্মতলা]]></Title><PublishDate>Sat, 08 Aug 2026 00:04:26 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>শিক্ষক-শিক্ষা কর্মীদের &nbsp;মিছিলে অবরুদ্ধ ধর্মতলা। শুক্রবার ২০১৬ সালের প্যানেলে চাকরি বাতিল হওয়া শিক্ষাকর্মীদের একটা বড় অংশ মহামিছিলের ডাক দেয়। শিয়ালদা থেকে শুরু হয়ে এই মহামিছিল আসে ধর্মতলায়, সেখানে তাদের বিক্ষোভ প্রতিবাদে অবরুদ্ধ হয় রাজপথ।</p>
<p><br>&nbsp;নতুন সরকারের আমলেও কোন সুরাহা হয়নি তাদের সমস্যার। গত ১৭ মাস ধরে তারা বেতনহীন অবস্থায় রয়েছেন। এই অবস্থায় সংসার চালানো তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার পথে নামলেন শিক্ষক-শিক্ষা কর্মীদের একটা বড় অংশ। মিছিল থেকে তাদের কাতর আবেদন সরকারের কাছে যোগ্যরা চাকরি ফেরত পাক।</p>
<p><br>&nbsp;পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের অবস্থান বিক্ষোভ তুলতে বলা হলে পরিস্থিতি আরও রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। এই আন্দোলনে &nbsp;একজন শিক্ষা কর্মী আসেন বন্দির পোশাক পরে। তিনি বলেন, গত ১৫ মাস ধরে আমরা বেতন পাচ্ছি না আমরা কার্যত বন্দী হয়ে আছে। তাই এই পোশাক পরে এসেছি। আমরা সরকারের কাছে আবেদন করছি। দ্রুত আমাদের সমস্যার সমাধান করে বেতন পুনরায় চালু করার জন্য।</p>
<p><br>&nbsp;ক্ষমতায় আসার আগে রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত জটিলতার সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর তিন মাস কেটে গিয়েছে। এখনও সমস্যা সেই তিমির এই পড়ে আছে। গত কয়েকদিন আগেই যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের অধিকার মঞ্চের পক্ষ থেকেও শোক মিছিল করা হয়।</p>
<p><br>যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের অধিকার মঞ্চের পক্ষ বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বিকাশ ভবনে আন্দোলনে পুলিশের অকথ্য অত্যাচারের বিরুদ্ধে তৎকালীন তিনি তখন বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমাদের ধিক্কার সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন। প্রত্যয় এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আমাদের পাশে থাকবেন আজকে তিনি যখন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সেখানে যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষা কর্মীদের ওপর এই পুলিশী অত্যাচার এবং অকথ্য গালিগালাজ কার নির্দেশ হচ্ছে??? উনার প্রশাসনকে অবশ্যই সেই দায় ভার নিতে হবে। এটা প্রমাণিত হচ্ছে যেটা আমাদের কাছে খুব দুঃখজনক যে পরিবর্তন করেও আমরা কিন্তু সেই একই কিনারায়।যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশের অত্যাচার এবং আন্দোলনের নেতৃত্বদের লালবাজারে আটকে রাখার তীব্র নিন্দা জানাই। তৃণমূল সরকারের মতন &nbsp;বিজেপি সরকারও &nbsp;যোগ্য শিক্ষকদের সম্মানের সঙ্গে স্কুলে না ফিরিয়ে &nbsp;তাদের আন্দোলনে পুলিশি অত্যাচার ও &nbsp;প্রতিবাদী যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকা ও শিক্ষা কর্মীদের গ্রেফতার করছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/city-news/teacher-and-teaching-staff-protest-at-dharmatala]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/07/mwDt6j4c1vhzyfcv8mG8iUl6PcMsjqeVpiImL0UN.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[বিজেপির আমলে শ্রমিক নেতার উপর আক্রমণ, আন্দোলনে নামবে আরএসএস-র সংগঠনই!]]></Title><PublishDate>Fri, 07 Aug 2026 23:16:15 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>ক্ষমতায় আসতে না আসতেই তোলাবাজি রোগে আক্রান্ত বঙ্গ বিজেপি। ব্যবসায়িক থেকে শিল্পমহল&mdash; সর্বত্রই চলছে হুমকির রাজনীতি। ব্যবসায়ী হোক বা শিল্পপতি কিংবা লগ্নিকারী বিজেপি নেতাদের হপ্তা বা মাসোহারা আদায়ের ঠেলায় নাস্তানাবুদ। লাটে উঠছে ব্যবসা, লগ্নিকারিরাও পালাই-পালাই করতে শুরু করেছে তিন মাসেই। এই অভিযোগ বিরোধীপক্ষ বা সাধারণ ব্যবসায়ীদের নয়, বিজেপিরই অভিভাবক সংস্থা আরএসএসের শ্রমিক সংগঠন ভারতীয় মজদুর সংঘের। তারাই বঙ্গ বিজেপির একাংশ ও সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারীর পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।</p>
<p>বিজেপি নেতাদের তোলাবাজি নিয়ে দল ও সরকার বিপর্যস্ত। এমনকী দলকে সাসপেন্ডের রাস্তাতেও হাঁটতে হয়েছে বিজেপির তোলাবাজ নেতাদের কাণ্ডকারখানায়। শুভেন্দুর সরকারও &nbsp; আশঙ্কা করেছে এভাবে দলের নেতাদের তোলাবাজি চলতে থাকলে শিল্প আসবে না, এমনকী যা আছে তাতেও লালবাতি জ্বলে যাবে। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে যে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শ্রমিক সংগঠন ভারতীয় মজদুর সংঘ, তা বাংলা শিল্প সম্ভাবনাকে শেষ করে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। ২ অগাস্ট শুভেন্দু অধিকারীর খাসতালুক কোলাঘাটে একদল দুষ্কৃতীর হাতে বেধড়ক মার খান বিএমএসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস ভট্টাচার্য। দিনদুপুরে প্রকাশ্য রাস্তায় গাড়ি থেকে নামিয়ে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয় দেবাশিসবাবুকে।</p>
<p>&nbsp;বঙ্গের গেরুয়ার শীর্ষ শ্রমিক নেতার উপর বর্বরোচিত হামলার পরও কেউ গ্রেফতার হয়নি! শুভেন্দুর পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনেছে সংঘের সংগঠনই। এমনকী বড়সড় আন্দোলনে নামার পরিকল্পনাও করছে তারা।&nbsp;</p>
<p>শুক্রবার রাজ্য কমিটির জরুরি বৈঠকে ভারতীয় মজদুর সংগঠন বা বিএমএস সিদ্ধান্ত নেয় অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার না করলে রাজ্য জুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে তারা। শুধু এই একটি ক্ষেত্রই নয়, বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে শ্রমিকস্বার্থে কাজ করা বিএমএস নেতৃত্ব নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছে বলে অভিযোগ। গত ২৩ জুলাই পুরসভার সামনে হাওড়া জেলার বিএমএস সম্পাদক রানাপ্রতাপ সিংয়ের উপর প্রাণঘাতী হামলা চালায় সমাজবিরোধীরা।</p>
<p>বাংলার পুলিশমন্ত্রীকে তারা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছে, শ্রমিক নেতা-কর্মীদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এখনও হনিমুন পিরিয়ড শেষ হয়নি, এখনই যদি এত অসন্তোষ দানা বাঁধতে শুরু করে, এই সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/rss-laboure-wing-wants-strong-protest-against-govt]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/07/N7VN0sWwzL51yOb98HOjimzkvkHGjgbhB4xt72mr.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[বিজেপির সবাই গঙ্গাজলে ধোয়া নয়... চন্দ্রনাথ খুনে দলীয় কর্মীদের নিয়েই বিস্ফোরক দিলীপ]]></Title><PublishDate>Fri, 07 Aug 2026 23:01:29 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত &nbsp;সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনে জড়িয়েছে বিজেপি কর্মীর নাম। গত সপ্তাহেই সিবিআই সাগর সোনকর এবং সাহেব সোনকরকে গ্রেফতার করে।উভয়েই বিজেপি কর্মী বলেই পরিচিত।চার্জসিটে তাদের নাম রয়েছে। এই ইস্যুতে মুখ খুললেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।</p>
<p>খুনের ঘটনায় যেভাবে বিজেপি কর্মীদের নাম জড়িয়েছে তা নিয়ে পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, ' বিজেপিতে সব লোক গঙ্গাজলে ধোয়া এরকম আমি বলব না। সব থেকে খারাপ লোকেরা রাজনীতিতে আগে আসে। কেউ দোষী হলে সে কোন দলের সেটা মূল বিচার্য নয়। পার্টির শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অনৈতিক কাজ , আর্থিক দুর্নীতি - যদি বিজেপির কারওর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে, পার্টি ব্যবস্থা নেবে।&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>শুভেন্দু অধিকারীর &nbsp;শপথ গ্রহণের তিন দিন আগে খুন হন তাঁর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। সেই ঘটনায় গত সপ্তাহে উত্তরপ্রদেশের বালিয়া থেকে গোলু সিংকে গ্রেফতার করা হয়।একই সময়ে রাজকুমার সিংয়ের বন্ধু জ্ঞানেন্দ্র সিং ওরফে মনুকেও গ্রেফতার করেছে সিবিআই।তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই সোনকার ভাইদের সন্ধান পায় সিবিআই।</p>
<p>&nbsp;গোলুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, চন্দ্রনাথ রথকে খুনে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহের পাশাপাশি সেই অস্ত্র ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গোলুর সক্রিয় ভূমিকা ছিল।মনুর বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও হুমকি-সহ একাধিক অপরাধমূলক মামলার অভিযোগ রয়েছে।সূত্রের খবর, মোট ১১ জনের নাম রয়েছে সিবিআইয়ের দেওয়া চার্জশিটে ।&nbsp;</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/dilip-ghosh-on-cm-suvendu-adhikari-pa-murder-case]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/07/CJ0fAITtIcxr3FgmswQYSiIUsM7bLcCWOzOk7Rth.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[রাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোর, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এনএসজির শীর্ষকর্তারা]]></Title><PublishDate>Fri, 07 Aug 2026 21:59:39 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>রাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও মজবুত করতে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি)-র শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নবান্নে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এনএসজি-র ডিরেক্টর জেনারেল ভৃগু শ্রীনিবাসন, আইজি (ট্রেনিং অ্যাকাডেমি) মেজর জেনারেল বিকাশ চৌধুরী এবং গ্রুপ কমান্ডার (ট্রেনিং) কর্নেল পি. ভি. শুক্লা।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>নবান্ন সূত্রের খবর, প্রায় আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক চলে। রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলির সুরক্ষা, সন্ত্রাস দমন সংক্রান্ত প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এই বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করার অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে বলে সূত্রের খবর।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>যদিও বৈঠক শেষে সরকার বা এনএসজি-র তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার বিস্তারিত জানানো হয়নি, তবে প্রশাসনিক মহলের মতে, রাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়েই মূলত মতবিনিময় হয়েছে।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/state/cm-suvendu-adhikari-meeting-with-nsg-top-official]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/07/BRyHKmxgnjNTVtXwpJESfy5basFmDuHX11HklBHu.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[সাংসদ হয়ে ডিমে ভয়! সুপ্রিম কোর্টে খারিজ মহুয়ার মামলা]]></Title><PublishDate>Fri, 07 Aug 2026 20:25:51 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>&nbsp;</p>
<p>ডিম আক্রমণের ঘটনার বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের ত্ণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার তাঁকে কটাক্ষ করল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে এই মামলা খারিজ করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>একটি আপত্তিকর ফেসবুক পোস্ট নিয়ে পুলিশের তরফে তলব করা হয়েছিল মহুয়াকে। সেই মামলায় ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। শুক্রবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি শীল নাগুর বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়। মহুয়ার আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ বলেন, &ldquo;হাজিরার সময় এর আগে মহুয়াকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তাঁর উদ্দেশ্যে ডিমও ছোড়া হয়েছিল&rdquo;। জেরার জন্য ভার্চুয়ালি হাজিরার অনুমতির আবেদন করেছিলেন মহুয়া। তার আইনজীবী সেই আর্জি জানাতেই বিচারপতি দত্ত বলেন, &ldquo;শুধুমাত্র আপনি সাংসদ বলে?&rdquo;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এর জবাবেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেন যে সাংসদদের ডিমকে ভয় পাওয়া উচিত নয়। বিচারপতি বলেন, &ldquo;রাজনীতিতে শপথ নিয়েছেন, ডিমকে ভয় পাচ্ছেন কেন? আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা বুকে গুলি খেয়েছেন। সেখানে ডিমের ভয়ে এরকম আবেদন নিয়ে শীর্ষ আদালতে আসাই উচিত নয়।&rdquo;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>ধর্মীয় অবমাননার মামলায় সশরীরেই থানায় হাজিরা দিতে হবে মহুয়া মৈত্রকে। তাঁর ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদনে শুক্রবার কর্ণপাত করেনি সুপ্রিম কোর্ট। শেষে আবেদন তুলে নিতে হয়েছে মহুয়ার আইনজীবীকে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>গত ২১ জুলাই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মহুয়া মৈত্রকে আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশি কড়া পদক্ষেপ বা গ্রেফতারি থেকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিলেন। তবে একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল যে, তদন্তের স্বার্থে মহুয়াকে তদন্তকারী আধিকারিকের সামনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। হাইকোর্টের সেই হাজিরার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। তবে সুপ্রিম কোর্ট আবেদন গ্রহণে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় অবশেষে আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। হাইকোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য রয়েছে আগামী ১ অক্টোবর।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/india-news/mp-mouha-mitro-case-dismiss-in-supreme-court]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/07/wIKMQ1eDqfrf7McA7tRrYmMfUn8mDdXfYgsQDGz9.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[Merlin-CSJC মিডিয়া ফুটবলে জয় বাংলা: চ্যাম্পিয়ন বিশ্ব-জাগো]]></Title><PublishDate>Fri, 07 Aug 2026 20:06:00 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের (Calcutta Sports Journalists Club) উদ্যোগে এবং সিএসজিসি ও মার্লিন(Merlin ) গ্রুপের সহযোগিতায় আয়োজিত দুদিনের মিডিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টে দারুণ সাফল্য পেল জাগো বাংলা ও বিশ্ব বাংলা সংবাদ। এই ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন ফুটবলার কৃষ্ণেন্দু রায়, প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবলার আলভিটো ডি'কুনহা (Alvito D'Cunha), প্রয়াত ফুটবলার প্রশান্ত ডোরার স্ত্রী সৌমি ডোরা। এছাড়াও উপস্থিতি ছিলেন মারলিন গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট সর্বাণী ভট্টাচার্য। প্রতিযোগিতায় ইলেকট্রনিক মিডিয়া বিভাগে শিরোপা জিতেছে বিশ্ব বাংলা সংবাদ এবং প্রিন্ট মিডিয়া বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জাগো বাংলা। &nbsp;</p>
<div style="text-align: center; margin: 1em 0;"><img style="max-width: 100%; height: auto; display: inline-block;" src="https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/07/fi2Ufg6LV38V6A7dhZLP9VRJb2Q6C8l7SpkBimMF.jpg" alt=""></div>
<p>ইলেকট্রনিক মিডিয়া বিভাগে বিশ্ব বাংলা কোয়ার্টার ফাইনালে আইএফএ টিভি কে ৩-০, সেমিফাইনালে লেটস ফুটবল কে ২-০ এবং ফাইনালে টিভি নাইন বাংলা কে ৩-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নের ট্রফি নিজেদের দখলে তোলে বিশ্ব বাংলা সংবাদ। প্রিন্ট মিডিয়া বিভাগে প্রথম ম্যাচে ইকো অফ ইন্ডিয়া কে ৭-০ গোলে উড়িয়ে সেমিফাইনালে ওঠে জাগো বাংলা। এরপর সংবাদ প্রতিদিন কে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় তারা। ফাইনালে এই সময় কে ৩-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় জাগো বাংলা। &nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<div style="text-align: center; margin: 1em 0;"><img style="max-width: 100%; height: auto; display: inline-block;" src="https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/07/RhDWPs8pcoWY5MLIIhBNnfb1vZFetcMxeWxWn8AO.jpg" alt=""></div>
<p>শুধু দলগত সাফল্য নয় একইসঙ্গে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও নজর কাড়ল বিশ্ব বাংলা সংবাদ এবং জাগো বাংলা। বৈদ্যুতিন বিভাগে বিশ্ব বাংলার&nbsp; সেরা বাঁধন বিশ্বাস। প্রয়াত কিশোর সমর্থক রাজুল সরকারের নামাঙ্কিত &lsquo;গোল্ডেন বল পেলেন। প্রিন্টের সোনার বুট জাগো বাংলার সায়ন্তন বন্দ্যোপাধ্যায়।&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সাংবাদিকদের নিয়ে এমন সুসংগঠিত ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য প্রশংসা কুড়িয়েছে কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাব। টুর্নামেন্ট সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ক্লাবের কর্মকর্তারা। অর্ঘ্য বন্দ্যোপাধ্যায়, রূপক বসু, অর্চিষ্মান ভাদুড়ী ও সুভেন রাহা, পার্থ&nbsp; দত্ত, বিশ্বজিত দাসদের আলাদা করে প্রশংসা প্রাপ্য। সিএসজেসি প্রেসিডেন্ট অর্চিমান ভাদুড়ির কথায়, &lsquo;মার্লিন যে ভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, সুন্দর পরিকাঠামো দিয়েছে, তার জন্যই এত ভালো টুর্নামেন্ট করা গেল।&rsquo;&nbsp;</p>
<p>পাশাপাশি, এই আয়োজনের অন্যতম সহযোগী মার্লিন গ্রুপেরও ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। মার্লিনের পক্ষ থেকে সাকেত মেহতা বলেন, &lsquo;আমাদের সংস্থা সব সময়েই খেলাধুলোর সঙ্গে থাকে। এই নিয়ে তিনবার মিডিয়া ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত থাকলাম আমরা। ক্যালকাটা স্পোর্টস জার্নালিস্ট ক্লাবকে ধন্যবাদ।&rsquo;&nbsp;</p>
<div style="text-align: center; margin: 1em 0;"><img style="max-width: 100%; height: auto; display: inline-block;" src="https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/07/VMwK1FL31otcxgMTBEq6t9A4kfEVMhWPWropF4Fl.jpg" alt=""></div>
<p>&nbsp;</p>
<p>আলভিটো বলেন, &lsquo;সাংবাদিকরা সারা বছর খেলা নিয়ে দৌড়ে বেড়ান। তাঁদের মাঠে নেমে খেলতে দেখে দারুণ লাগল।&rsquo; কৃষ্ণেন্দু রায় সাংবাদিকদের এই উৎসাহকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রশান্তকে নিয়ে বলার সময়ে চোখে জল, গলা বুঁজে আসে স্ত্রী সৌমির।&nbsp;</p>
<div style="text-align: center; margin: 1em 0;"><img style="max-width: 100%; height: auto; display: inline-block;" src="https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/07/jFwAsuuViaFyKlJ4M62R5q9L5ylBZhXyAyjrMvPR.jpg" alt=""></div>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;গোটা টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ দারুন পরিচালনা করলেন সিআরএ-র রেফারিরা।এরজন্য চিত্তদাস মজুমদারকে ধন্যবাদ জানাতেই হয়।</p>
<div style="text-align: center; margin: 1em 0;"><img style="max-width: 100%; height: auto; display: inline-block;" src="https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/07/YBZkTvQDQb5ax7ufUXPxOGt1fX9GFGnjKtOo9mkf.jpg" alt=""></div>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/sports/joy-bangla-at-csjc-Merlin -media-football-world-jago-emerges-champion-1]]></link></Item><Item><StoryImage>https://pub-9a1b0f9d85cb45589ed72d42e9facdd9.r2.dev/media/articles/2026/08/07/mpHllKfNbpYFmELBreZBkexzZntJlBohIJ3mIOD0.jpg</StoryImage><Title><![CDATA[মোদির বাসভবন থেকে নবান্ন দুই বৈঠক ঘিরে কড়া বার্তা কুণালের]]></Title><PublishDate>Fri, 07 Aug 2026 20:03:49 +0530</PublishDate><Description><![CDATA[<p>দিল্লি ও কলকাতায় একই দিনে হওয়া দুটি রাজনৈতিক বৈঠককে ঘিরে শুক্রবার নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী রাজনীতির ভিত দুর্বল করতে পরিকল্পিতভাবে একাধিক রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি সেই প্রক্রিয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।</p>
<p>সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এনসিপিআই-এর প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ এবং নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ঋতব্রত শিবিরের বৈঠক নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়। তাঁর মতে, এই যোগাযোগের নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নেতাদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করে তিনি দাবি করেন, জনসমর্থন হারানোর আশঙ্কায় তাঁরা এখন নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের উপর নির্ভর করছেন।</p>
<p>কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ভূমিকাও এদিন প্রশ্নের মুখে তোলেন কুণাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, যাঁদের বিরুদ্ধে অতীতে বিভিন্ন বিতর্ক বা আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের সঙ্গে রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখে নীতির রাজনীতির কথা বলা যায় না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দলীয় শৃঙ্খলার প্রশ্নে যদি ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তবে তা কেবল নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শীর্ষ নেতৃত্বের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত।</p>
<p>পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে এমন একটি বিরোধী শক্তি গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে, যারা কার্যত শাসক দলের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা নিতে পারবে না। এই ধরনের রাজনৈতিক সমীকরণের শেষ কথা বলবে বাংলার মানুষই এমন মন্তব্যও করেন তিনি।</p>]]></Description><link><![CDATA[https://biswabanglasangbad.com/city-news/kunal-sends-a-strong-message-regarding-the-two-meetings-from-modis-residence-to-nabanna]]></link></Item></Data>
