Tuesday, April 7, 2026

বঙ্গ-তনয়া ঐশী’র নেতৃত্বেই JNU-তে গেরুয়া-ঢেউ থামাতে চায় বামেরা

Date:

Share post:

দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন আজ।
দিল্লির তখতে থাকা বিজেপি’র ছাত্র সংগঠন ABVP এই বিশ্ববিদ্যালয়ের
ছাত্র সংসদ দখল করতে কয়েক বছর ধরেই মরিয়া। এবারও ঝাঁপিয়েছে ইউনিয়নের রাশ নিজেদের হাতে নিতে।

ওদিকে ABVP-র চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবার আসরে এক বঙ্গ-তনয়া’র নেতৃত্বে বাম-ছাত্র সংগঠন। বামদের ধাত্রীভূমি JNU-র ক্ষমতা ধরে লড়াইয়ে এবার প্রধান মুখ দুর্গাপুরের
বাঙালি মেয়ে ঐশী ঘোষ। ছাত্র সংসদের সভাপতি পদে সম্মিলিত বাম জোটের প্রার্থী আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এম ফিলের ছাত্রী এই ঐশী। লড়াইটা যে এবার অসম তা মানছেন ঐশী। তবুও তাঁর প্রত্যয়ী কথা, “জেতার আশা অবশ্যই করছি। অন্ধকারেই তো মশাল জ্বলে।”
সভাপতি পদে এ বারের লড়াই ত্রিমুখী। বাম জোটের প্রার্থী ঐশীর বিরুদ্ধে ABVP-র মণীশ জানগির এবং দলিত সংগঠন বিরসা অম্বেডকর ফুলে স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন বা BAPSA-র জিতেন্দ্র সুনা। বামেদের দুশ্চিন্তা এই BAPSA সংগঠন। তাদের প্রার্থী আদিবাসী ছাত্র জিতেন্দ্র বাম ভোটে ভাগ বসালে ভোট ভাগাভাগিতে ABVP-র প্রার্থী সুবিধে পেতে পারেন, এই আশঙ্কায় আছে বাম জোট। মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই JNU-র ছাত্র সংসদ দখল করতে ABVP মরিয়া। কিন্তু প্রতিবারই গেরুয়া ছাত্ররা হেরেছে। এবার বাঙালি ঐশী সেই ধারা অক্ষুন্ন রাখতে পারেন কি’না, সেদিকেই তাকিয়ে দেশের রাজনৈতিক মহল। ছাত্র সংসদের এই হাই-ভোল্টেজ ভোটে উত্তাপ-উত্তেজনা প্রবল থাকবে বলেই আশঙ্কা সর্বস্তরে।

Related articles

ভোটার তালিকায় বহিরাগত ঢোকানোর ছক! প্রভুকে খুশি করতেই ব্যস্ত, কমিশনকে কটাক্ষ তৃণমূলের

বিজেপিকে খুশি করতে বিহার-উত্তরপ্রদেশ থেকে ভোটার আনা হচ্ছে বাংলায়! আর সুপরিকল্পিত চক্রান্তে বাংলার বৈধ ভোটারদের নাম কেটে ভোটাধিকার...

ভোটার তালিকায় জটিলতা মেটাতে তৎপর কমিশন, সিইও দফতরে বিশেষ দায়িত্বে বিভূ গোয়েল

ভোটার তালিকা সংশোধন তথা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সাম্প্রতিক টানাপড়েনের আবহে রাজ্যের নির্বাচনী পরিকাঠামোয় বড়সড় রদবদল ঘটাল ভারতের নির্বাচন...

গেরুয়া শিবিরে বিতর্কিত বাম নেতা অনিল বসুর পুত্র সৌম্য

বাবা বাম জমানার বিতর্কিত নেতা অনিল বসু (Anil Basu)। এবার তাঁর ছেলে সৌম্য বসুকে এবার দেখা গেল বিজেপির...

কারণ না দেখিয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত! খারিজ জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ প্রস্তাব

দেখানোর মতো কোনও সুনির্দিষ্ট যুক্তিই নেই কেন্দ্রের। তাই কোনও কারণ ব্যাখ্যা না করেই সম্পূর্ণ একতরফাভাবে খারিজ করে দেওয়া...