Saturday, June 27, 2026

JNU-র সার্ভার রুমে ৩ জানুয়ারি ভাঙচুর হয়নি, RTI-এ জানালো বিশ্ববিদ্যালয়

Date:

Share post:

তাহলে কে মিথ্যা বলেছিলো? কার বা কাদের বক্তব্য অসত্য ?

JNU কর্তৃপক্ষের অভিযোগ ছিলো ফি-বৃদ্ধির বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীরাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেট্রিক সিস্টেম ও সার্ভার রুমের CCTV ভাঙচুর করেছে।

অথচ এক RTI-এর উত্তরে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ই জানালো, ৩ জানুয়ারি সার্ভার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং তার পরের দিন ‘বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা থাকায়’ ওই সার্ভার কাজ করেনি৷

RTI-এর উত্তরে JNU কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ৫ জানুয়ারি ক্যাম্পাসের নর্থ বা মেন গেটে লাগানো CCTV-র ‘সম্পূর্ণ অবিচ্ছিন্ন’ ফুটেজ পাওয়া যাচ্ছে না। ওই দিনই মুখোশধারী কিছু ব্যক্তি লোহার রড ও পাথর ভাঙা হাতুড়ি নিয়ে ছাত্র ও শিক্ষকদের উপর হামলা করে। ওই একই RTI-এর উত্তরে উত্তরে জানানো হয়েছে, মোট ১৭টি ফাইবার অপটিক্যাল কেবল 4 জানুয়ারি দুপুর ১টায় নষ্ট করা হয়। বলা হয়েছে, “কোনও বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ থেকে ২০২০-র ৮ জানুয়ারির মধ্যে ভাঙা বা ধ্বংস করা হয়নি।”

তথ্য জানার অধিকার আইনের ভিত্তিতে একইসঙ্গে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় লাগানো যে সব সিসিটিভি আছে, তার সার্ভার CIS দফতরে আছে কিনা। উত্তরে বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, সিসিটিভি ক্যামেরার সার্ভার CIS অফিসে নেই, আছে ডেটা সেন্টারে৷

গোলমাল চলাকালীন JNU কর্তৃপক্ষ এক FIR- এ অভিযোগ করেছিল, ৩ জানুয়ারি একদল ছাত্র মুখোশ পরে জোর করে CIS-এ ঢুকে পড়ে এবং বিদ্যুতের সুইচ বন্ধ করে সার্ভার অকেজো করে দেয়৷ এর ফলে CCTV নজরদারি, বায়োমেট্রিক হাজিরা ও ইন্টারনেট পরিষেবার মতন কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

JNU উপাচার্য জগদেশ কুমার সংবাদমাধ্যমেও একই কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “বিক্ষোভকারীরা মুখোশ পরে প্রথম এসেছিল ৩ জানুয়ারি। ইউনিভার্সিটির ডেটা সেন্টারে হামলা করেছিল তারা। আমরা যখন ডেটা সেন্টার ফের চালু করি, তার পর, ৪ জানুয়ারি ফের একদল ছাত্র ডেটা সেন্টারে ঢুকে তাকে অকেজো করে দেওয়ার চেষ্টা করে। ৫ তারিখে ফের একই ঘটনা ঘটে।”
JNU এবং বিশেষ একটি রাজনৈতিক দল ও তার ছাত্র শাখা প্রাথমিকভাবে জোর গলায় যে সব দাবি করেছিলো, এখন RTI-এ সম্পূর্ণ উল্টো কথা বলছে JNU ? তাই প্রশ্ন উঠছে, কে সত্যি বলছে? এভাবে মিথ্যা কেন বলা হয়েছে কাদের বাঁচাতে বলা হয়েছে, তদন্ত হোক৷

আরও পড়ুন-মমতা-র বইয়ের সংখ্যা এই বইমেলায় সেঞ্চুরি করবে, কৌতূহল চরমে, কণাদ দাশগুপ্তের কলম

Related articles

এলন মাস্কের পরই শঙ্খ মিত্র, সিইও-দের আয়ের নিরিখে বিশ্বে ২ নম্বরে যাদবপুরের প্রাক্তনী

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তনীর প্রতিদিনের বেতন ২৮ কোটি টাকা! নিশ্চই অবাক হচ্ছেন। কিন্তু এটাই বাস্তব এলেন মাস্ক হলেন বিশ্বের...

ইন্দিরা-সিদ্ধার্থের জমানা ফিরিয়ে আনতে চাইছে!পুলিশ বিল নিয়ে সরব কল্যাণ

সোমবার বিধানসভার একটি বিশেষ জরুরি অধিবেশনে পেশ হতে চলেছে The West Bengal Public Safety and Control of Anti-social...

৩ মাস ধরে মেয়ে নিখোঁজ, কষ্টের মধ্যেও ভবঘুরে তরুণীর জন্য মানবিক উদ্যোগ অসহায় বাবার

১৩ মার্চ থেকে নিখোঁজ মেয়ে(Missing Daughter), মাঝে আশার আলো দেখেছিলেন বাবা। কিন্তু সেই আশা বিলীন হয়ে গেল। দুর্গাপুরে...

শহিদ দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা, কংগ্রেসের নিশানায় মনীশ গুপ্ত

বিগত কয়েক দশকে ২১ জুলাই ধর্মতলায় শহিদ তপর্ণ ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের শক্তি প্রর্দশনের মঞ্চ। কংগ্রেস পৃথকভাবে মহাজাতি সদনে...