Saturday, February 21, 2026

দিল্লিতে হিংসার পিছনে কারা? নাম উঠছে নাসির গ্যাং, ইরফান গ্যাংয়ের

Date:

Share post:

লাগামছাড়া তাণ্ডব। অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় দাপাদাপি, পুলিশের দিকে ইটবৃষ্টি, দোকান, বাড়ি, গাড়িতে আগুন, বেপরোয়া গুলি। গত তিনদিন ধরে হিংসার উন্মত্ত ছবি দেখা গিয়েছে দেশের রাজধানী দিল্লিতে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ-র প্রতিবাদে চলা আন্দোলন থেকে পরিকল্পিত সাম্প্রদায়িক হিংসার আগুনে ইতিমধ্যেই ঝরেছে বহু প্রাণ। মৃত্যু হয়েছে পুলিশেরও। কিন্তু এই সংঘর্ষের পিছনে কারা? তাণ্ডবের ধরন দেখে একে পরিকল্পিত ও শক্তিশালী দুষ্কৃতীদলের কাজ বলে মনে করছে দিল্লি পুলিশ। উত্তর পূর্ব দিল্লিতে সংঘর্ষের সময় প্রকাশ্যে গুলি চালাতে দেখা গিয়েছে এমন প্রায় ডজনখানেক দুষ্কৃতীর ছবি ক্যামেরাবন্দি হয়েছে। এদের পুলিশও চিহ্নিত করেছে। পরিস্থিতি একটু থিতু হলেই শুরু হবে ধরপাকড়। পুলিশ সূত্রে উঠে এসেছে, গুলি চালাতে, আগুন লাগাতে বা পাথর ছুঁড়তে যাদের দেখা গিয়েছে তারা অনেকেই উত্তরপ্রদেশের কুখ্যাত নাসির গ্যাং ও তার বিরোধী গোষ্ঠী ইরফান চেনু গ্যাংয়ের সদস্য। জানা গিয়েছে, সংঘর্ষের পিছনে সক্রিয়ভাবে থাকতে পারে এই দুটি গ্যাং এবং তার পিছনে আরও বড় মাথা। দুদিনে দুষ্কৃতীরা প্রায় ৫০০ রাউন্ড গুলি ছুঁড়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। গোটা ঘটনা এক বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে তদন্তকারীরা নিশ্চিত।

আরও পড়ুন-মৃত্যু বেড়ে ১৮, দিল্লির হিংসা-বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে অজিত দোভাল

spot_img

Related articles

২৬ দিন পর শনাক্ত ১৮ জনের দেহাংশ, পরিজনদের হাতে তুলে দিল পুলিশ

আনন্দপুরের সেই বিভীষিকাময় অগ্নিকাণ্ডের ২৬ দিন পার হয়ে গেলেও স্বজন হারানোর শোক আজও টাটকা। পুড়ে যাওয়া সেই ধ্বংসস্তূপ...

ফ্যাসিস্ট বিজেপি রুখতেই সিদ্ধান্ত: ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ছেড়ে প্রতীকের মুখে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ফ্যাসিস্ট বিজেপি রুখতেই সিদ্ধান্ত তৃণমূলে যোগদান। কারণ, তৃণমূল লড়ছে বিজেপি বিরুদ্ধে। ২০২৪-এর তাঁরই নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বীর পাশে দাঁড়িয়ে শনিবার...

পোর্টালে ERO-দের অ্যাক্সেস বন্ধ, বড় নির্দেশ খোদ CEO-র! চ্যাট ফাঁস অভিষেকের

নির্বাচন কমিশনের নিজের তৈরি করা নিয়ম থেকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ। সব নিয়মের তোয়াক্কা না করে এবার কমিশনের পোর্টালে...

বেঙ্গালুরুতে রহস্যমৃত্যু পরিযায়ী শ্রমিকের, পরিবারের পাশে অভিষেক

বিভিন্ন রাজ্যে বাংলার শ্রমিকের মৃত্যু অব্যাহত। কিছুতেই এই মৃত্যু থামানো যাচ্ছে না। দুবেলা দুমুঠো অন্নের জন্যে, একটু বেশি...