Thursday, June 25, 2026

করোনা- যুদ্ধে তৎপর রাজ্য, টাস্ক ফোর্স, নতুন পরিকাঠামো, যন্ত্র সরবরাহ

Date:

Share post:

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে
কলকাতা-সহ রাজ্যে ঘাতক করোনা- মোকাবিলার প্রস্তুতি আরও জোরদার হচ্ছে৷ কার্যত ফৌজি-তৎপরতায় কাজ চলছে৷

◾ ‘কোভিড১৯’ মোকাবিলায় স্বাস্থ্যসচিব বিবেক কুমারের নেতৃত্বে টাস্ক ফোর্স গড়া হয়েছে।

◾মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, রাজ্যে আক্রান্তদের বিদেশ-যোগ রয়েছে৷ তাই সাম্প্রতিক অতীতে যাঁরা বিদেশ থেকে এসেছেন, তাঁরা বাধ্যতামূলক ভাবে ১৪ দিন ‘হোম কোয়রান্টিনে’ থাকবেন। বিশেষত ইংল্যান্ড, আমেরিকা, ইউরোপ এবং পশ্চিম এশিয়ার দেশ থেকে যাঁরা এসেছেন।

◾ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের পরেই পরিকাঠামো তৈরির কাজ
গতি পেয়েছে।

◾রাজারহাটের কোয়রান্টিন, বেলেঘাটার আইডি, আরজি কর এবং এমআর বাঙুর হাসপাতাল মিলিয়ে শুধু করোনা মোকাবিলায় ৮০০ শয্যার ওয়ার্ড তৈরির কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

◾ ৩০০ ভেন্টিলেটর, ১০টি ইকমো বা ‘এক্সট্রা কর্পোরিয়াল মেমব্রেন অক্সিজিনেশন’ ছাড়াও পোর্টেবল এক্স-রে, ডায়ালিসিস এবং ইউএসজি-র সরঞ্জাম কেনা হচ্ছে।

◾সাধারণ রোগীরা যাতে আতঙ্কিত না হন, সে জন্য করোনা-আক্রান্তদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

◾রাজারহাটে নতুন CCU ইউনিট গড়া হচ্ছে। অন্য সব হাসপাতালে পৃথক ICU-CCU তৈরির সিদ্ধান্ত৷

◾এনআরএসের পুরনো ফরেন্সিক বিভাগ থেকে অর্থোপেডিক সিবি ওয়ার্ডে সরে গেল আইসোলেশন ওয়ার্ড। এই হাসপাতালের প্রতিটি প্রবেশপথে বাড়তি লোকের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে৷ ওয়ার্ডে রোগীর সঙ্গে দেখা করার সময়সূচি বদল হয়েছে। খুব প্রয়োজন না-হলে এখন কেউ যাতে বহির্বিভাগে না-আসেন, সেই অনুরোধ করা হবে পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমে। বহির্বিভাগের রোগীদের এক সপ্তাহের বদলে দু’সপ্তাহ পরে আসতে বলবেন চিকিৎসকেরা। ফার্মাসিতে ক্রনিক রোগের রোগীদের এক বারে ওষুধ দেওয়া হবে দু’সপ্তাহের। যে-সব অস্ত্রোপচার পরে করলেও ক্ষতি নেই, তা পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ছোঁয়াচে রোগের মোকাবিলায় কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে৷

◾ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজেও জরুরি বিভাগ থেকে চক্ষু বিভাগের তেতলায় স্থানান্তরিত হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড।

◾এমআর বাঙুরে সুপার স্পেশালিটি বিল্ডিংয়ের একতলায় নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ড হচ্ছে৷ পৃথক সিঁড়ি, পৃথক লিফটও রাখা হয়েছে।

◾করোনা চিকিৎসার নোডাল হাসপাতাল, বেলেঘাটার আইডি-তেও পরিকাঠামো গড়া হচ্ছে৷ ১১০ জন সুইপার চেয়ে ১৬১ জন দেওয়া হয়েছে। ৫৭ জন জিডিএ। চারটি অ্যাম্বুল্যান্স।

◾বেসরকারি ক্ষেত্রেও করোনা-পরিষেবা প্রসারিত হচ্ছে। লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য ICMR- এর অনুমোদন পেয়েছে কলকাতার ৫টি বেসরকারি ল্যাবরেটরি। সেগুলি হলো:-
🔺 ইএম বাইপাসের অ্যাপোলো গ্লেনেগ্‌লস,

🔺এসআরএল (সল্টলেক),

🔺এসআরএল (আনন্দপুরের ফর্টিস),

🔺নিউ টাউনের সুরক্ষা

🔺 ইএম বাইপাসের ফর্টিস।

 

.

Related articles

কালীকে খুঁজলে সব বেরিয়ে যাবে! বিধানসভায় কার নাম মুখ্যমন্ত্রীর মুখে

কালীকে খুঁজলে সব বেরিয়ে যাবে- তারাতলার বিপর্যয় নিয়ে বিধানসভায় বিবৃতিতে দিতে গিয়ে কার নাম বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী...

ভিশন পার্ট টু, মন্ত্রী দিন্দাকে বড় দায়িত্ব সিএবির

২০২১ সালে বিজেপির টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন, চলতি বছর ভোটে জিতে মন্ত্রী হয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী হয়েও ক্রিকেট থেকে দূরে...

দুর্নীতি ঠেকাতে জোড়া বিল আনছে রাজ্য: উদ্দেশ্য নিয়ে তুঙ্গে তরজা

ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলায় বুলডোজার নীতি কার্যকর করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি সরকার। আদালতের আদেশে সেই নিয়মে...

আমরা বেইমান নই: “যাঁরা দিদির সঙ্গে থাকছেন” তাঁদের নিয়ে বিশেষ কর্মিসভার ডাক কুণালের

গত কয়েকদিনের মধ্যে বেলেঘাটার বিধায়ক তথা তৃণমূলের (TMC) উত্তর কলকাতা জেলার সভাপতি কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) একাধিকবার বলেছেন,...