একনজরে রাজ্যের করোনা ও আমফান পরিস্থিতি

ক) কোভিড

➡️ নতুন পজিটিভ কেস – ১২৭ (গতকাল ছিল ১৩৫)

➡️ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে – ৯০০৯ (দৈনিক সর্বোচ্চ। গতকাল ছিল ৫,৩৫৫)

➡️ মোট নমুনার মধ্যে পজিটিভ কেসের হার – ২.৬৭% (গতকাল ছিল ২.৭৬%)

➡️ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্ট হয়েছে – ১৪৪০ (গতকাল ছিল ১৩৪০)

➡️ কোভিড এর কারণে মোট মৃত্যুর সংখ্যা – ১৯৭ (গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৪)

➡️ কোমরবিডিটি র কারণে মৃত্যু – ৭২

➡️ গত ২৪ ঘন্টায় ছাড়া পেয়েছেন – ৬০ (ছাড়া পাওয়ার হার ৩৭.০৩%)

➡️ মোট কোভিড কেস: ৩৪৫৯

*খ) ঘূর্ণিঝড় আমপান*

➡️ রাজ্যের প্রায় ৭০% মানুষ সরাসরি আক্রান্ত হয়েছে

➡️ ইউনিফায়েড কম্যান্ড মোড-এ ২৪x ৭ সর্বাধিক শক্তি সচল করা হয়েছে যাতে জরুরি পরিষেবা ও পরিকাঠামো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পুনরানয়ন করা যায়।

➡️ শুধুমাত্র কলকাতাতেই ২২৫টি টিম কাজ করছে, যার মধ্যে আছে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, পুলিশ, কেএমসি, দমকল ও অন্যান্যরা।

➡️ রেল ও বন্দর কতৃপক্ষ ও বেসরকারী সংস্থ্যাগুলিকে যন্ত্রপাতি ও তাদের টিম দেবার জন্য সাহায্য চাওয়া হয়েছে

➡️ পানীয় জল ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার পুনরানয়নের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে ।

➡️ টালিগঞ্জ, বালিগঞ্জ, রাজারহাট/নিউটাউন, ডায়মন্ড হারবার ও বেহালা – এই এলাকাগুলোয় পাঁচ কলম সেনাবাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে রাস্তায় পড়ে থাকা গাছ সরানোর জন্য।

➡️ গ্যাপ পকেটগুলোয় জলের পাউচ বিতরণ করতে বলা হয়েছে জনস্বাস্থ্য কারিগরী দপ্তরকে। যেখানে প্রয়োজন, সেখানে জেনারেটর ভাড়া করা হচ্ছে।

➡️ বিভিন্ন দপ্তর থেকে ১০০টিরও বেশি টিম উপরে পড়া গাছ কাটার কাজ করে চলেছে, যাতে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ ফেরানো যায়।

➡️ WBSEDCL এবং CESC কে তাদের সর্বাধিক লোকবল দিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে। কলকাতায় ৮৫% উপভোক্তা বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরে পেয়েছেন।

➡️ কোভিড এবং সাইক্লোন – ২টি চ্যালেঞ্জ একসঙ্গে। আমরা সবাই একসঙ্গে এই যুদ্ধ জয় করব।