অভিযোগ উঠেছে, বাংলার কৃষকদের বাস্তব চাহিদা মাথায় রেখে তৈরি প্রকল্পগুলি তুলে দিয়ে কেন্দ্রের মডেল জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কৃষকবন্ধু প্রকল্পে জমির পরিমাণ নির্বিশেষে সব কৃষক ও ভাগচাষি আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি মৃত্যুকালীন সামাজিক সুরক্ষাও পেতেন। কিন্তু কেন্দ্রের প্রকল্পে যোগ্যতার কড়া শর্ত থাকায় বহু প্রান্তিক চাষি সুবিধার বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।
বিতর্ক আরও বাড়িয়েছেন খোদ কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল। তিনি জানিয়েছেন, উপভোক্তা তালিকা নতুন করে যাচাই করা হবে এবং বর্তমান সুবিধাভোগীদেরও পুনরায় আবেদন করতে হবে। বিরোধীদের প্রশ্ন, এতদিন যাঁরা বৈধ উপভোক্তা ছিলেন, তাঁদের আবার কেন আবেদন করতে হবে? দফতরে দফতরে নতুন করে যাচাইয়ের নামে কি আসলে বহু চাষির নাম বাদ দেওয়ার ছক চলছে? একই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বাংলা শস্য বীমা বন্ধ হওয়া নিয়েও। রাজ্যের প্রকল্পে চাষিদের কোনো প্রিমিয়াম দিতে হতো না। অন্য দিকে, কেন্দ্রীয় ফসল বীমা যোজনায় বেসরকারি বীমা সংস্থার দাপট ও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জটিলতা নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে। সমালোচকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে প্রশাসনিক সংস্কারের চেয়েও রাজ্যের নিজস্ব কল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিচয় মুছে দেওয়ার রাজনৈতিক কৌশল বেশি কাজ করছে। আগামিকাল এই ব্যবস্থার জেরে আর্থিক সহায়তার কাঠামো কতটা বদলে যায়, এখন সেই আশঙ্কায় দিন গুনছেন বাংলার কৃষকেরা।
আরও পড়ুন- দেশজুড়ে বিক্ষোভের আগুন, পুনেতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমাবেশে উপচে পড়ল ভিড়
_
_
_
_
_
_
_
















