শিবির বদলেও রেহাই নেই, এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটেড (ED) স্ক্যানারে মদন মিত্র (Madan Mitra)। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগামী ২৯ জুলাই সকাল ১১ টায় ইডির কলকাতা অফিসে হাজিরা দিতে হবে কামারহাটির বিধায়ককে। মঙ্গলবার একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে ফেরার পরই ইডির নোটিশ পেয়েছেন মদন। হাজিরা এড়াবেন না বলেই প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন ঋতব্রত শিবিরে নাম লেখানো তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA) ।
পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে মদনের দুই ছেলে স্বরূপ মিত্র ও শুভরূপ মিত্র ও স্ত্রী অর্চনা মিত্রকে তলব করেছে ইডি। বুধবার তাঁদের হাজিরা দেওয়ার কথা রয়েছে। এই প্রসঙ্গে মদন জানিয়েছেন, "যদি আমায় ডাকে আমি কোনও ডেট, অসুখ, জ্বর...কোনও বাহানা দেব না। আমি সমস্ত রকমভাবে সহযোগিতা ইডিকে করব। স্ত্রী, পুত্ররাও যাবেন। প্রত্যেকে সহযোগিতা করবেন। সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট এজেন্সি অফিসিয়াল আমাকে ডাকলে আমরা ফুল সাপোর্ট দেব। আমি গিয়ে সমস্ত...কোনও আমি ডেট মনিটরিং চেঞ্জ করা কিছু চাইব না।" ED-র দাবি, কখনও নগদ, আবার কখনও সোনাদানা ঘুষ দিয়ে কামারহাটি ও টিটাগড় পুরসভায় শতাধিক চাকরি পেয়েছেন। এই মামলাতেই গত ১৩ জুন তৃণমূল বিধায়কের বিভিন্ন ঠিকানায় ম্যারাথন তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সেদিন মদনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এবার সরাসরি তলব করা হল। তাহলে কি 'বেইমান'দের দলে নাম লিখিয়েও নিজেকে বাঁচাতে পারলেন না মদন? পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষকে এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, কে কোন শিবিরে যাচ্ছেন সেটা দেখার দরকার নেই। অভিযোগ থাকলে তদন্ত হবে এবং হাজিরা দিতেও হবে। এক্ষেত্রে কোন ছাড় নেই।
















