বিধানসভা নির্বাচনের পর একের পর এক গ্রাম পঞ্চায়েতে বদলেছে রাজনৈতিক সমীকরণ। কোথাও অনাস্থায় প্রধান বদলেছেন, কোথাও প্রধান পদত্যাগ করলেও নতুন বোর্ড তৈরি হয়নি। আবার কোথাও প্রধান রয়েছেন, কিন্তু দিনের পর দিন পঞ্চায়েত ভবনেই দেখা মিলছে না তাঁর। ফলে থমকে যাচ্ছে পঞ্চায়েতের কাজ। এই পরিস্থিতিতে এবার গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরেও প্রশাসক বসানোর পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিল রাজ্য সরকার। কোনও প্রধান টানা ১৫ দিন পঞ্চায়েত ভবনে না এলে সেখানে প্রশাসক বসানো হবে বলে জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
আরও পড়ুন: সুদর্শনের অটোগ্রাফ ছিঁড়ে স্মৃতি মুছলেন হাফিজুল, কারণ কী
রবিবার কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলার পঞ্চায়েতগুলির কাজের অগ্রগতি নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন দিলীপ। বৈঠক শেষে তিনি জানান, ভোটের পর কোচবিহারের বেশ কিছু গ্রাম পঞ্চায়েতে রাজনৈতিক এবং পরিচালনাগত সমস্যা তৈরি হয়েছে। কোথাও অনাস্থা প্রস্তাব এসেছে, কোথাও প্রধান পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু নতুন বোর্ড তৈরি না হওয়ায় পঞ্চায়েতের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ৯০ বছরের নস্টালজিয়া! ‘বড়ুয়া অ্যান্ড দে’-র মটন প্যান্থারাস এবার নিজের রান্নাঘরে
এই পরিস্থিতি দ্রুত কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন দিলীপ। তাঁর কথায়, যে সব পঞ্চায়েতে দীর্ঘদিন ধরে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে, সেখানে আর পরিস্থিতি ঝুলিয়ে রাখা হবে না। বিশেষ করে কোনও প্রধান ১৫ দিন পঞ্চায়েত ভবনে না এলে প্রশাসক বসানোর বিষয়টি স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক টানাপড়েনের জেরে পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজ যাতে থমকে না যায়, সেই বিষয়েও স্থানীয় বিধায়কদের সতর্ক করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। দিলীপের কথায়, রাজনৈতিক সমস্যা থাকতেই পারে, কিন্তু তার প্রভাব যেন সাধারণ মানুষের পরিষেবায় না পড়ে। সম্প্রতি সংশোধিত পঞ্চায়েত আইন মেনেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
















