বিজেপির নেতা (BJP Leader) বলে পরিচয় দিয়ে তোলাবাজি, হুমকি এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। এমনকি প্রশাসনিক আধিকারিকদের বদলির হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে স্বরূপনগর থানার পুলিশ (Swarupnagar Police Station personnel) সঞ্জয় দাস (Sanjay Das) নামে এক বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতের গ্রেফতারির পরেই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বরূপনগর বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় নিজেকে দলের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন সঞ্জয়। অভিযোগ, সেই পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলত। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকলেও প্রশাসনের তরফে তেমন কোনও পদক্ষেপ দেখা যায়নি। শেষ পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ জমা পড়ার পরেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
ঘটনায় বিজেপির অন্দরেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। দলের নেতা বৃন্দাবন সরকার ওই যুবককে বিজেপির কর্মী বলে স্বীকার করেছেন। ফলে দলের নিচুতলায় এই ধরনের কার্যকলাপ কী ভাবে চলছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে। ধৃতের বিরুদ্ধে ঠিক কী কী ধারায় মামলা হয়েছে এবং তাঁর সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।
এদিকে, ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই এলাকায় বিজেপির দাপট বেড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের একাংশের। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিভিন্ন জায়গায় হুমকি ও চাপ তৈরির ঘটনা বেড়েছে। উন্নয়নমূলক কাজ থমকে যাওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তাঁরা। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের পৃথকভাবে তদন্ত প্রয়োজন। সঞ্জয় দাসকে ঘিরে ওঠা অভিযোগকে সামনে রেখে এখন প্রশ্ন, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে এ ধরনের প্রভাব খাটানোর ঘটনা ঠেকাতে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব কী পদক্ষেপ করে।
















