১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই। যাঁদের জীবনের বিনিময়ে আজকের দিনটি, সেই শহিদ পরিবারের সকলে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে। কখনও তাঁরা কাঁদলেন, কখনও তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জড়িয়ে ধরলেন। বললেন, তোমাকে ছাড়া আর কাউকে চিনি না। পরিবারগুলির প্রত্যেকটি মানুষ সভায় সারাক্ষণ থেকে প্রমাণ করে গেলেন, এটাই আসলে প্রকৃত তর্পণের মঞ্চ।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন এই দিনটি গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় মা-মাটি-মানুষ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সংকল্পকে আরও সুদৃঢ় করুক। শহিদদের আত্মত্যাগ আমাদের প্রতিনিয়ত অনুপ্রেরণা জোগায় এবং তাঁদের এই অবদান আমাদের আন্দোলনের হৃদয়ে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে।
মঙ্গলবার প্রতিবারের মতো এই পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বললেন নেত্রী, কুশল বিনিময় করলেন, জানতে চাইলেন পরিবারের কথা। অবশ্য সারা বছরই পরিবারগুলির সঙ্গে যোগাযোগ থাকে নেত্রীর। সুখে-দুঃখে, কোনও অসুবিধা হলে এঁরা ছুটে আসেন। নেত্রী তাঁদের নিরাশ করেননি। জীবিকা থেকে অন্য অসুবিধা, দিদিই তো সারা বছর পাশে থাকেন, বলে গেলেন ওঁরা।
আর মঞ্চে দাঁড়িয়ে নেত্রী বললেন, আমি ২১ জুলাইয়ের শহিদ পরিবারের সদস্যদের সামনে মাথা নত করে শ্রদ্ধা জানাতে চাই। অসংখ্য প্রলোভন, টাকার প্রস্তাব, অপমান এবং বঞ্চনার মুখেও তাঁরা আমাদের ছেড়ে যাননি। অটুট বিশ্বাস নিয়ে তাঁরা আমাদের পাশে থেকেছেন। আমি তাঁদের সামনে বিনম্রভাবে মাথা নত করছি।
















