Site Logo

চলতি অর্থবর্ষেই সপ্তম বেতন কমিশন! বকেয়া ডিএ নিয়েও বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

EBBS Desk··1 min read
চলতি অর্থবর্ষেই সপ্তম বেতন কমিশন! বকেয়া ডিএ নিয়েও বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা ও দাবিদাওয়া নিয়ে বড় ঘোষণার ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট জানান, চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালুর সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। সব ঠিক থাকলে আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যেই কর্মচারীরা এই নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পেতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি, কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে মহার্ঘ ভাতার (ডিএ) যে বড় ফারাক রয়েছে, তা-ও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। 

Sponsored

Sranchi In Article

বিদ্যুৎ দফতরের কর্মচারীদের মনোবল বাড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। ইতিমধ্যেই এর ‘টার্মস অব রেফারেন্স’ বা নীতি নির্দেশিকা তৈরি করা হয়েছে। সেটি চূড়ান্ত হলেই দ্রুত কমিশন গঠন করা হবে। কর্মচারীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএ-র মধ্যকার ব্যবধান কমানোর পাশাপাশি বকেয়া ডিএ-ও সময়মতো মিটিয়ে দেওয়া হবে। তবে সমাজমাধ্যমে চলা জল্পনা খারিজ করে তিনি জানান, একলপ্তে ৪২ শতাংশ বা ১০ শতাংশ—কোনোটাই দেওয়া হয়নি, যা দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ হিসেব কষেই করা হয়েছে। আগামী দিনে বাকি ফারাকটুকুও মেটানো হবে। 

Sponsored

Merlin In Article

রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের প্রত্যাশা ছিল তুঙ্গে। নতুন সরকারের প্রথম বাজেটেই অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত সরকারি কর্মচারীদের জন্য এক ধাক্কায় ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছিলেন, যার ফলে বর্তমানে কর্মীরা ৩৮ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন। 

Sponsored

Shyam Sundar In Article

অতীতের বেতন কমিশনের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, আগের সরকারের আমলে অর্থমন্ত্রীর সদিচ্ছার অভাবে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের রিপোর্ট জমা দিতে দেরি হয়েছিল। অর্থসংকটের অজুহাত তুলে রিপোর্ট আটকে রাখা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। সেই জটিলতার কথা স্মরণ করিয়ে তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের আইনি লড়াই থেকে শুরু করে কর্মীদের হকের টাকা পাওয়ার পথে তাঁর নিজস্ব ভূমিকা ছিল। এ দিন বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী আহ্বান জানান, সমস্ত ভয়ভীতি কাটিয়ে মুক্ত মনে নিজেদের কাজ পরিচালনা করতে। একই সঙ্গে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কাজ করা অস্থায়ী কর্মীদের বিষয়টিও সরকার গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে বলে তিনি জানান।

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from রাজ্য

View All →