হাতে প্ল্যাকার্ড পরনে কালো পোশাক, NEET কাণ্ডের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) ইস্তফার দাবিতে বুধবার সকালে এভাবেই সংসদ ভবনের বাইরে বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি বিরোধী সাংসদরা। একজোট হয়ে প্রতিবাদে সামিল ইন্ডিয়া (I.N.D.I.A)ব্লক। ধর্নায় যোগ দিতে দেখা গেল তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)- সৌগত রায়দেরও (Sougata Roy)। এরপর লোকসভাতেও চলে স্লোগান। প্রথম দফায় বারোটা পর্যন্ত সভা মুলতবি করে দেন স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)

একের পর এক বড় পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ফুঁসছে ছাত্র সমাজ। দক্ষিণ দিল্লির যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar, Delhi) বাড়ছে প্রতিবাদী তরুণ প্রজন্মের ভিড়। সমর্থন আসছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। সোমবার দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) নির্বিচারে লাঠিচার্জের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। এদিন সংসদ ভবনের বাইরে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi) বলেন, পড়ুয়াদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করছে বিজেপি সরকার তাকে ধিক্কার। দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছেলেখেলা চলছে। প্রতিবাদ করতে গেলে জুটছে মার। এই অবস্থা চলতে দেওয়া যায় না। বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত বলেন, 'আমরা তো আলোচনা চাইছি, মুলতবি চাইছি না।কেন সরকার কথা বলবে না?' সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav) বলেন, সরকার কেন শিক্ষামন্ত্রীকে সরাচ্ছে না তা ভাবার সময় এসেছে। তাঁর কটাক্ষ, 'ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরালে বিজেপির গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাবার ভয় পাচ্ছে না তো সরকার?'

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বুধবারও দিল্লির যন্তর মন্তরে জোরদার হচ্ছে বিক্ষোভ। সিজেপির (Cockroach Janata Party) সমর্থনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন থেকে শুরু করে অভিভাবকদের ভিড় বাড়ছে আন্দোলনস্থলে। সংসদ ভবনে ফের অভিযান হতে পারে এই আশঙ্কায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। যন্তর মন্তর চত্বরেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করার খবর মিলেছে। ছাত্র আন্দোলনের ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে বিজেপিকে চাপে রাখতে রণকৌশল সাজাতে চাইছেন বিরোধীরা মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে ইন্ডিয়া ব্লক বৈঠক করতে পারে বলেও সূত্রের খবর।
সিজেপির আন্দোলনের আঁচ গিয়ে পড়েছে নিউ ইয়র্ক, লন্ডনের মতো বিদেশের কিছু শহরে। সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে আমেরিকার একটি ‘অ্যাডভোকেসি গ্রুপের’ সদস্যেরা নিউ ইয়র্ক এবং সান হোসে শহরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। ‘হিন্দুস ফর হিউম্যান রাইটস’ নামে ওই গ্রুপ নিউ ইয়র্কের ইউনিয়ন স্কোয়্যার এবং সান হোসে শহরে মহাত্মা গাঁধীর মূর্তির জমায়েত করে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি করে। সামনে। লন্ডন এবং আয়ারল্যান্ডেও বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়েছে।
















