Thursday, March 5, 2026

অমিতাভের মৃত্যু কামনা! পাল্টা হাসপাতাল থেকে বললেন ঠোক দো শালো কো!

Date:

Share post:

ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলিউডের শাহেনশা। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনায় কোথাও যজ্ঞ হচ্ছে। আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তাঁর সুস্থতা কামনা করছেন বহু মানুষ। এরই মধ্যে অমিতাভ বচ্চনকে নিয়ে ট্রল করলেন এক ব্যক্তি। হাসপাতাল থেকেই তার যোগ্য জবাব দিলেন বিগ বি।

কেউ একজন ট্রোল করে তাঁকে বলেছিলেন, “আমি চাই আপনি করোনায় মরে যান।” তাঁকে জবাব দিতে গিয়ে অমিতাভ বলেছেন, “কেউ চায় আমি কোভিড সংক্রমণে মরে যাই। তুমি যেই হও, নিজের বাবার নামটাও এখানে লেখনি। কারণ জানোই না যে কে তোমার বাবা। আমি যদি আমার ভক্তদের বলি ‘ঠোক দো শালে কো’ তা হলে কী হবে ভেবে দেখেছো!”

ওই দীর্ঘ পোস্টে অমিতাভ আরও লিখেছেন, “একটা কথা মনে রেখো আমি তাকে আক্রমণ করে এ সব লিখছো বলেই নজরে এসেছ। দুটো ঘটনা ঘটতে পারে। হয় আমি বাঁচব। নয়তো মরে যাব। যদি আমি বেঁচে যাই তাহলে আমার ভক্তদের থেকেও ঝড় সামলাতে হবে তোমায়। আমার ভক্তরা আমার বর্ধিত পরিবার। আমার ভক্তরা এমন এক শক্তি যারা বিশ্বের পূর্ব থেকে পশ্চিম এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে ছড়িয়ে রয়েছে। শুধুমাত্র ওঁদের এইটুকু বলার অপেক্ষা ঠোক দো শালে কো।”

যদিও বলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিয়ে নতুন বিষয় নয়। সাধারণভাবে এই ধরনের ট্রোলের গুরুত্ব দেন না অনেকেই। কিন্তু ব্যতিক্রমী পথে হাঁটলেন অমিতাভ বচ্চন। নিজেই কলম ধরে আক্রমণ শানালেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে। স্পষ্টতই, মার্জিত, নম্র এবং ভদ্র ব্যবহারের মানুষটির এমন রূপ দেখে অবাক অনেকেই।

spot_img

Related articles

ফের SIR আতঙ্কে মৃত্যু! মেদিনীপুরে মৃত বিএলও, নদিয়ায় ভোটার

বাংলায় SIR-এর কাজ চলেছে গত তিনমাস ধরে। নির্বাচন কমিশনের অদ্ভুত ধরণের এই জটিল ডিজিটাল প্রক্রিয়া, অবাস্তব সময়সীমা, রাতভর...

“নার্ভাস-মানসিকভাবে বিধ্বস্ত”: দুবাইতে আটকে লারা দত্ত

পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের আঁচ এবার এসে পড়ল প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরীর জীবনে। গত কয়েক বছর ধরে দুবাই লারা দত্তর (Lara...

কোচিংয়ের দিন শেষ? এবার ঘরে বসেই হবে উচ্চ মাধ্যমিকের প্রস্তুতি

পড়াশোনার জন্য আর এদিক-ওদিক ছোটাছুটি নয়, এবার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের ( West Bengal Council of Higher Secondary...

রণতরীতে হামলার প্রত্যাঘাত, মার্কিন পণ্যবাহী জাহাজে আক্রমণ ইরানের!

ভারত মহাসাগরে (Indian Ocean) ইরানের রণতরীতে টর্পেডো হামলা করেছিল আমেরিকা (USA)। পাল্টা প্রত্যাঘাতের আশঙ্কা করছিল বিশ্ব। সেটাই সত্যি...