বাড়বে সংক্রমণ, বিদেশ থেকে তরল অক্সিজেন আনছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক

হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ৷

সংক্রমণ ক্রমশই বৃদ্ধি পাবে, এমন ধারনা করেই ঘর গোছানোর কাজ শুরু করলো কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক৷
তরল অক্সিজেন কেনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সরকার অধীনস্থ সংস্থা এইচএলএল লাইফকেয়ার লিমিটেড।

কোভিড সংক্রমণের হার বাড়বে, তখন যাতে জোগানে টান না পড়ে, সে কারনেই বিদেশ থেকে তরল অক্সিজেন আমদানির সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সেই উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রক এক লাখ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন কেনার জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে এইচএলএল লাইফকেয়ার লিমিটেড।
বিভিন্ন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারি হাসপাতালের চাহিদা পূর্ণ করতেই প্রতিদিন তরল অক্সিজেন প্রয়োজন। বিদেশ থেকে তরল অক্সিজেন আমদানি ও সরবরাহে আনুমানিক ৬০০-৭০০ কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানা গিয়েছে৷

সূত্রের খবর, বুধবার পর্যন্ত
দেশের কোভিড আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৩.৯৭% রয়েছেন অক্সিজেন সাপোর্টে, ২.৪৬% রয়েছেন আইসিইউ-তে অক্সিজেন সাপোর্টে এবং ০.৪০% ভরতি রয়েছেন ভেন্টিলেটর সাপোর্টে।

গত মার্চে, লকডাউনের আগে ভারত প্রতিদিন ৬,৪০০ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন উৎপাদনে সক্ষম ছিল। এর মধ্যে ১,০০০ মেট্রিক টন স্বাস্থ্য পরিষেবায় ব্যবহার করা হলেও বাকিটা অক্সিজেন শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
কেন্দ্রীয় সরকার আনলক প্রক্রিয়া শুরু করার পরে শিল্পক্ষেত্রে কাজের পরিবেশ কিছুটা ফিরেছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের দৈনিক অক্সিজেন উৎপাদনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭,০০০ মেট্রিক টন। তার মধ্যে ৩,০৯৪ মেট্রিক টন কোভিড আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়েছে। বিশাল পরিমাণ তরল অক্সিজেনেরই এখনও প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্র।
বিদেশ থেকে আমদানি করা এক লাখ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন মজুত থাকবে এক মাসের অতিরিক্ত স্টক হিসেবে। সংক্রমণের মাত্রা বাড়বে, এই আশঙ্কাতেই অক্সিজেন মজুত করার পরিকল্পনা করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।