নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের(Amit Shah) সমালোচনার পর রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা চলছিল বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরকে(Shantanu Thakur) নিয়ে। প্রশ্ন উঠছিল তিনি বিজেপিতে(BJP) থাকবেন নাকি দলবদলের হিড়িকে যোগ দেবেন তৃণমূলে। তবে সে জল্পনায় জল ঢেলে সোমবার নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করলেন বনগাঁর সাংসদ(MP)।

এদিন চুঁচু্ড়া সুকান্ত নগর ফুটবল মাঠে মতুয়া(Motua) মহাসংঘের জনসভায় এসে মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর বলেন, ‘আমি সিএএ-এর পক্ষে। আমি সিএএ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে ভোট দিয়ে পাশ করিয়েছি। যারা সমর্থনই করছে না তারা কি করে আমাকে চাইছে। একটা বিষয় পরিষ্কার হওয়া উচিত। ১৯৭১ সালের পরে যারা ভারতে এসেছে তাদের যাতে নাগরিকত্ব দেওয়া যায় তার জন্য আমি সিএএ ইমপ্লিমেন্টের পক্ষে ভোট দিয়েছি। ৭১ সালের পরে ভারতে আসা মানুষরা যাতে ভারতের নাগরিক হোন তার জন্য আন্দোলন করছি, যারা এর সমর্থনই করছে না সেখানে যাওয়ার প্রশ্ন আসে কী করে। সিএএ এর বিরোধীতা যারা করছে সেখানে আমি থাকি কি করে। আগে তারা বলুক তারা সিএএ সমর্থন করছে তারপর আমরা দেখছি কী করা যায়। সিএএ(CAA) সমর্থন করুক আগে।’

আরও পড়ুন:বিজেপির কর্মসূচিতে কর্মীদের ওপর হামলা, জখম ১০

মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শান্তনু ঠাকুর আরও বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আমাদের প্রশ্ন কবে সিএএ লাগু হবে কাদের কারনেই বা লাগু হচ্ছে না। যদি কিছু সংখ্যক মানুষ সিএএ লাগু করতে না দেয় এবং তারজন্য যদি দাঙ্গা করে, আমরা এই নমশূদ্র সমাজ এই বাংলায় কম নেই। ৭১ সালের পর যারা ভারতে এসেছে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া মতুয়া মহাসংঘের কর্তব্য। আমরা ভারত সরকারকে অভয় দিচ্ছি দাঙ্গা হলে দাঙ্গা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা এই সমাজের মানুষের আছে।’

