Wednesday, May 6, 2026

‘বিবাদ’ কাটিয়ে প্রথম দলীয় অনুষ্ঠানে মোদি সরকারকে তুলোধোনা করলেন জিতেন্দ্র

Date:

Share post:

দলের অন্দরে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন মাসখানেক আগেই। শোনা যাচ্ছিল শুভেন্দুর রাস্তা ধরে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তিনি। তবে সেই সমস্ত সংঘাত কাটিয়ে আপাতত ‘তৃণমূল নেতা’ই রয়ে গিয়েছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি(Jitendra Tiwari)। শুধু তাই নয়, বিদ্রোহ ঘোষণা ১৮ দিনের মাথায় দলীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কেন্দ্র সরকারকে তুলোধোনা করলেন তিনি। শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের(TMC) প্রতিষ্ঠাতা দিবস অনুষ্ঠানে পশ্চিম বর্ধমান জেলার লাউদোহা ব্লকের আমলোকা গ্রামে উপস্থিত হয়েছিলেন জিতেন্দ্র। সেখানেই কেন্দ্রের মোদি সরকারের(Modi government) বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগতে দেখা গেল তাঁকে।

শুক্রবার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার অভিযোগ তুলে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়ে জিতেন্দ্র বলেন, ‘২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বলেছিলেন কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আসলে পশ্চিমবাংলা ডবল লাড্ডু পাবে। অর্থাৎ বাংলার উন্নয়নে সাহায্য করবে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু বিজেপি সরকার ছ’বছরে রাজ্যের উন্নয়নে কোনও সহযোগিতা তো করেইনি বরং বাংলায় যে উন্নয়ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার করছে তা বানচাল করতে অরাজকতা সৃষ্টি করছে বিজেপি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ক্ষমতায় আসার আগে তৃণমূলের স্লোগান ছিল বদলা নয়, বদল চাই। দশ বছরে তৃণমূল কাউকে ঘরছাড়া কিংবা এলাকাছাড়া করেনি, উন্নয়ন নিয়ে কারও সঙ্গে বিমাতৃসুলভ সুলভ আচরণ করেনি। এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের বৈশিষ্ট্য।’

আরও পড়ুন:দলবদলু তৃণমূলের ভিড়ে ক্ষুব্ধ আদি বিজেপি, শোভন-বৈশাখীকে কটাক্ষ শঙ্করের

এরপর বিজেপিকে কটাক্ষ করে সুর চড়িয়ে জিতেন্দ্র বলেন, ‘ক্ষমতায় আসবে কিনা তার ঠিক নেই অথচ এখন থেকেই বিজেপির নেতারা বলছে বদল আর বদলা দুটোই চাই। ওদের কথায় এটা স্পষ্ট যে বিজেপি কোনওদিন ক্ষমতায় এলে ধর্ম আর জাতপাত নিয়ে দাঙ্গা বাঁধিয়ে মানুষকে এলাকাছাড়া করবে। এটা বাংলার সংস্কৃতি নয়। তাই নিজেদের সংস্কৃতিকে বাঁচাতে বাংলার মানুষ ফের তৃণমূলের সরকার গড়বে।’

Advt

Related articles

পুলিৎজারে লক্ষ্যভেদ ২ ভারতীয় সাংবাদিকের: স্বীকৃতি সাইবার জালিয়াতির রহস্যভেদের

ডিজিটাল নজরদারি ও সাইবার ক্রাইমের পর্দাফাঁস করে অস্কার হিসেবে পরিচিত পুলিৎজার পুরস্কার (Pulitzer Award) পেলেন দুই ভারতীয় সাংবাদিক...

রাজ্যে শান্তি ফেরানোর দাবি: মহাকরণে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক, পর্যবেক্ষক সুনীল

বাংলার নির্বাচন মানেই যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হওয়া, তা বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।...

অবনমন বন্ধ না করলে আইনি পদক্ষেপ, AIFF-কে চিঠি মহমেডানের

অস্বাভাবিক ও সংক্ষিপ্ত মরশুমে অবনমন চালু করা অন্যায় এবং খেলাধুলার ন্যায্যতার বিরুদ্ধে! এই মর্মে সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে...

শুভেন্দুর সঙ্গে দুই ডেপুটি, তাঁরা কারা?

উত্তরপ্রদেশ বিহার বা মহারাষ্ট্র মডেলেই বাংলায় মন্ত্রিসভা গঠন করতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister)...