Tuesday, June 23, 2026

বনদফতরের সহযোগিতায় মার্লিন গ্রুপ ও কেএসসিএইচ সুন্দরবনের ১৫০০ দুর্গত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছালো

Date:

Share post:

কলকাতা সোসাইটি ফর কালচারাল হেরিটেজ , মার্লিন গ্রুপ এবং রাজ্য বনদফতরের সহযোগিতায় সুন্দরবনে দুর্গতদের সাহায্যের জন্য একটি ত্রাণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছিল । দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তাণ্ডবে ভয়ঙ্কর ক্ষতিগ্রস্ত । এই কুলতলির দুর্গতদের হাতে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ।উপস্থিত ছিলেন ডিএফও মিলন মন্ডল ও মার্লিন গ্রুপের আধিকারিকরা ।

কুলতলির পাাঁচটি গ্রামের ১ হাজার পরিবারের মধ্যে ৫ টনেরও বেশি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ডেল্টা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত করার পর এই ত্রাণ কর্মসূচিটি ছিল সুন্দরবনের প্রথম সংঘটিত
ত্রাণ কার্যক্রম ।

শুধুমাত্র কুলতলি নয় গোসাবা, সাগরদ্বীপ, পাথরপ্রতিমার বিস্তীর্ণ অঞ্চলও ইয়াসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত । ইতিমধ্যে ৪৩ হাজার গ্রামবাসীকে ১২ টন খাবার এবং ১৫০০ পরিবারকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে ।

এই ত্রাণসামগ্রী সুন্দরবনের কান্টামারী, দেউলবাড়ি, আইওআই, কুলতলি প্রথম ও দ্বিতীয় সহ পাাঁচটি গ্রামে এক হাজারেরও বেশি পরিবারকে বিতরণ করা হয়। গ্রামবাসীদের হাতে পানীয় জল, চিড়ে, বিস্কুট, বাতাসা, সাবান, ব্লিচিং পাউডার , সাবান, ত্রিপল, মাস্ক এবং স্যানিটাইজার, ন্যাপকিন ইত্যাদি সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ।

মিলন মন্ডল ( ডিএফও, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ) বলেছেন , সুন্দরবন অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত
মানুষকে সাহায্য করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা প্রথম থেকেই কলকাতা সোসাইটি ফর কালচারাল হেরিটেজের পাশাপাশি মার্লিন গ্রুপ এবং অন্যান্যদের সমর্থন পেয়েছি। এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় ।

কেএসসিএইচ-এর প্ররতষ্ঠাতা সৌরভ
মুখোপাধ্যায় বলেছেন , “আমরা সুন্দরবনের মানুষের সাহায্য করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে সুন্দরবন বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইয়াসের তাণ্ডবেও ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা। বনদফতরের সাহায্যে এবং প্রথম কর্পোরেট সংস্থা হিসেবে মার্লিন গ্রুপ এই ত্রাণকার্যে এগিয়ে আসায় আমরা কৃতজ্ঞ।

আইএম কলকাতার প্রতিষ্ঠাতা সাকেত মােহতা, মার্লিন গ্রুপের সিএসআর বাহিনী এবং সংস্থার এমডি জানিয়েছেন , সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যেভাবে দুর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন তা অত্যন্ত প্রশংসাযোগ্য। শুধুমাত্র সুন্দরবন নয়, পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত। সেখানেও আমরা ত্রাণ পৌঁছে দিতে চাই। আরও কর্পোরেট সংস্থা যদি এভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়, তবে দুর্গতদের সাহায্য করা সরকারের পক্ষে অনেকটাই সহজ হবে। আমরা আশা রাখবো দ্রুত সুন্দরবন ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা তার স্বাভাবিক জীবনের ছন্দ ফিরে পাবে।

Related articles

শ্যামাপ্রসাদের প্রয়াণ দিবসে জোড়়া কর্মসূচি, পূর্বতন ২ সরকারকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

মঙ্গলবার  সকালে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের  প্রয়ান দিবস উপলক্ষ্যে জোড়়া কর্মসূচিতে অংশ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari )। প্রথমে ক্যাওড়াতলা...

৩ মাস ধরে নিখোঁজ, দুর্গাপুরের পড়ুয়া তরুণীর খোঁজ মিলল বিধাননগরে

তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ, এদিকে মেয়ের খোঁজ পেতে তাঁর ছবি দেওয়া প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে রাস্তায় ঘুরছিলেন অসুস্থ...

প্রয়াত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণের পথিকৃৎ লেখক কালীপদ চৌধুরী

প্রয়াত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণের পথিকৃৎ লেখক কালীপদ চৌধুরী(Kalipada Chowdhury )। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪। পরিবার সূত্রে খবর,...

বাজেটে অর্থ বরাদ্দ রাজ্যের, দেশের মধ্যে বড় তকমা পাবে JU?

সোমবার বিধানসভায় ঘোষণা হয়েছে রাজ্য বাজেট। শিক্ষার ক্ষেত্রে এসেছে বড়সড় বরাদ্দ করেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।  আগামী ৫ বছরে...