করোনায় মারা গিয়েছে গৃহকর্তা। তাঁর দেহ সৎকারে নিয়ে যাওয়ার পরই শোকে একইসঙ্গে আত্মঘাতী হলেন তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে। সোমবার সকালে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কল্যাণীতে। মৃতদের নাম দীপা দাস (৪২) ও স্বাগতা দাস (২২)। গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন তাঁরা বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীরা আরও জানিয়েছেন, সপ্তাহখানেক আগে করোনা আক্রান্ত হন বুদ্ধ পার্কের বাসিন্দা বাবলু দাস। রবিবার মৃত্যু হয় তাঁর। খবর দেওয়া হয় পুরসভায়। সেখান থেকে গাড়ি এসে সৎকারের জন্য নিয়ে যান পুরকর্মীরা। সঙ্গে যান আত্মীয় প্রতিবেশীরাও।বাড়িতেই ছিলেন মৃতের স্ত্রী ও কন্যা। দেহ সৎকার করে বাড়ি ফিরে তাঁদের অনেক ডাকাডাকি করেও সাড়া দেয়নি মা ও মেয়ে। তাঁদের সাড়া না পেয়ে বাড়িতে ঢোকেন প্রতিবেশীরা। এরপরই মা ও মেয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁরা। তড়িঘড়ি স্থানীয় থানায় খবর দেন তাঁরা। পুলিশ এসে দেহ দুটিকে উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন:শুভেন্দুকে উপেক্ষা করে খেলেই ‘খেলা হবে’ দিবসকে মান্যতা দিলীপের

আত্মীয়দের কথায় গৃহকর্তা করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই উদ্বিগ্ন ছিলেন তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে। গতকাল হাসপাতালে স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীর কথাবার্তার মধ্যেও কিছু অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যায়। তবে তাঁর পরিণাম যে এই হবে তা কল্পনা করা যায়নি।


পুলিশ দেহ দুটিকে উদ্ধার করে সেগুলিকে ময়নাতদন্তে পাঠায়। তবে শুধুই কী শোক নাকি আত্মহত্যার পেছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


