আমাদের জীবনে মাদক (drug) জরুরি। নির্দিষ্ট মাত্রায় তা নেওয়া উচিত। কর চাপিয়ে গুটখা (Gutkha), পান মশলা কিংবা তামাকজাত (Tobacco) দ্রব্য বিক্রিতে অনুমতি দেওয়া উচিত্। আরিয়ান খানকে নিয়ে যখন দেশ তোলপাড়, তখন কে এমন বিস্ফোরক কথা বললেন?

বলছেন দেশের একজন সাংসদ (MP)! ঠিক তাই। তিনি বিশিষ্ট আইনজীবী কেটিএস তুলসি। আর তাই তাঁর কথায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এখানেই শেষ নয়, কেটিএস তুলসি (KTS Tulsi) বলেছেন, মাদক প্রত্যেকের দৈনন্দিন জীবনেরই একটি অংশ। ড্রাগ যন্ত্রণা লাখব করে। গুটখা, তামাকও শরীরের ক্ষতি করে। যদি ট্যাক্স দিলে এগুলো খাওয়ার অনুমতি মেলে তাহলে মাদক নয় কেন? ট্যাক্স নিয়ে মাদক বিক্রির অনুমতি রয়েছে। বহুক্ষেত্রে ওষুধের মাধ্যমে ড্রাগ নেওয়া হয়। যদি এটা প্রয়োজনীয় হয়, তাহলে এটার ব্যবহারে কেন অনুমোদন মিলবে না! এনডিপিএস আইন (Narcotic Drugs and Psychotropic Substances Act, 1985) ফের সংশোধন করে এই নিয়ম চালু করা উচিত্। নইলে বহু মানুষের কাছে এই নিয়ম অত্যাচার হয়ে দাঁড়াবে।

এ রাজ্যে ফের এক বছরের জন্য গুটখা এবং তামাকজাত পান মশলার বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। নেশায় বাড়ছে মৃত্যু, বাড়ছে ক্যান্সারের মতো প্রাণঘাতী রোগ। রাজ্যে তাই গুটখা ও পান মশলার উপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও একবছর বাড়িয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। ৭ নভেম্বর থেকে এক বছরের জন্য গুটখা ও তামাকজাত পান মশলার উত্পাদন, মজুত, বিক্রি বা বণ্টন নিষিদ্ধ করেছে স্বাস্থ্য দফতরের কমিশনার অফ ফুড সেফটি।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, গুটখা ও বিভিন্ন রকম পান মশলা যার মধ্যে নিকোটিন বা তামাকজাত উপাদান রয়েছে এবং যেগুলি মানুষের শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর, রাজ্যে সেগুলি বিক্রি করা যাবে না। ২০১৩-র ২৩ এপ্রিল রাজ্যে নিষিদ্ধ হয় গুটখা ও পান মশলা। এরপর থেকে বাড়তে থাকে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ।

