Tuesday, April 21, 2026

আচার্যকে ক্ষমতাচ্যূত করার প্রথম পদক্ষেপ নেয় গুজরাতের বিজেপি সরকার

Date:

Share post:

আচার্যের পদ থেকে রাজ্যপালকে সরানো নিয়ে বাংলার রাজনীতি সরগরম। মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যপালের বদলে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করতে রাজ্য।এ নিয়ে বিধানসভাতেও বিল পেশ হবে। আর তা নিয়েই বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে চর্চা। কিন্তু অনেকেরই বোধহয় অজানা আজ আচার্য পদ নিয়ে বিরোধীরা সরব হলেও ২০১৩ সালে এই একই পথে হেঁটেছিল গুজরাতও।


আরও পড়ুন:অরুণাচলে ভারত-চিন সীমান্তে ১৪ দিন ধরে নিখোঁজ ২ সেনা জওয়ান

২০১৩ সালে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদ থেকে রাজ্যপালকে সরানোর সূচনা করেছিলেন গুজরাতের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যার ফলে রাজ্যপালকে সেখানে নাম-কা-ওয়াস্তে আচার্য রাখা হলেও উপাচার্য নিয়োগ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত কোনও বিষয়ে কিছুমাত্র ক্ষমতা বা অধিকার তাঁর নেই। সেটিই ছিল প্রথম উদ্যোগ।

কী করেছে গুজরাত? রাজ্যের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় ঠিক যেমনভাবে বাংলার শাসক দলের বিরুদ্ধাচরণ করেন, গুজরাতে তেমনই নরেন্দ্র মোদির আমলে কমলা বেনিওয়ালের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর দুরত্ব ছিল।

গুজরাতে আচার্য-রাজ্যপাল বেনিওয়াল দু’জন উপাচার্য নিয়োগ করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী মোদির তাতে আপত্তি ছিল। তাই উপাচার্য নিয়োগ-সহ আচার্যের সকল ক্ষমতা খর্ব করতে ২০১৩ সালে ‘গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনী’ বিল আনা হয় বিধানসভায়। বিল পাশ হলেও রাজ্যপাল কমলা বেনিওয়াল তাতে তখন স্বাক্ষর করেননি। ফলে বিলটি ঝুলেই ছিল।২০১৪ সালে মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর গুজরাতে রাজ্যপাল হন বিজেপির ওমপ্রকাশ কোহলি। তখন মুখ্যমন্ত্রী আনন্দীবেন পটেল। কোহলি এসে ওই বিলে সম্মতি দেন।২০১৫ সালে গুজরাতে তা আইন হয়ে যায়।

এদিকে বাংলায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদ থেকে রাজ্যপালকে সরাতে উদ্যোগী হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বিরোধীরা সরব। রোধী দল বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী কেন আচার্য হবেন, সেই প্রশ্ন থেকে শুরু করে শিক্ষাক্ষেত্রে ‘দলতন্ত্র’ কায়েম করার অভিযোগ এনেছেন তারা।


এর মধ্যে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা গিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে ‘সৌজন্য’ সাক্ষাৎ করতে। সূত্রের খবর, সেখানে তাঁদের মধ্যে কথায়-কথায় আচার্য প্রসঙ্গ ওঠে।উঠে আসে গুজরাত প্রসঙ্গও। এখন প্রশ্ন হল সবকিছু জানা সত্ত্বেও আচার্য বিষয়ক বিলটি ধনকড় স্বাক্ষর করবেন কিনা সেটাই দেখার।

Related articles

নির্বাচনের মধ্যে ক্রমাগত সক্রিয় ইডি: তলব নুসরৎকে

২০২০ সালের মামলায় নতুন করে তলব প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ নুসরৎ জাহানকে। রেশন সংক্রান্ত জটিলতার মামলায় তলব (summoned) বলেই...

ঘরোয়া আলাপচারিতা থেকে মঞ্চে জনসভা: একই দিনে ভাবনীপুরে উভয় জনসংযোগে মমতা

গোটা রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারের মধ্যেও নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরকে এতটুকু অবহেলিত রাখেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদরা...

৪৮ ঘণ্টা নয়, এবার টানা চার দিন বন্ধ মদের দোকান! কড়া ফরমান আবগারি দফতরের

বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যে মদের কারবার নিয়ন্ত্রণে নজিরবিহীন কড়া পদক্ষেপ করল আবগারি দফতর। ভোটের আগে মদের দোকান বন্ধ...

জার্মান সুন্দরীকে নিয়ে বিতর্কে জেরবার! অনুষ্কাকে নিয়েই বৃন্দাবনে শান্তির সন্ধানে কোহলি

অক্ষয় তৃতীয়ার দিন, বৃন্দাবনে(Vrindavan) প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে গেলেন বিরাট কোহলি আর অনুষ্কা শর্মা(Virat Kohli , Anushka Sharma)। আইপিএলের...