একুশের সমাবেশের আগে জোরদার নিরাপত্তা হাওড়া স্টেশন চত্বরে

একুশে জুলাইয়ের আগে নিরাপত্তা বাড়ানো হল হাওড়া স্টেশন চত্বরে। ভিড় নিয়ন্ত্রণে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে

আর কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের একুশে জুলাই সমাবেশ ঘিরে এখন সাজোসাজো রব। ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে মঞ্চ বাঁধার কাজ প্রায় শেষপর্যায়ে। চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রস্তুতি। জন বিস্ফোরণের অপেক্ষা মাত্র ৪৮ ঘন্টার। শুরু হয়ে গিয়েছে কাউন্ট-ডাউন। দূরের জেলাগুলি থেকে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্ক ও কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে। কালীঘাটের বাড়ি থেকে আলিপুরের যে রাস্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় সভামঞ্চে যাবে, ২১ জুলাই উপলক্ষে সেই রাস্তার দু’ধারও সাজানো হয়েছে।

দক্ষিণবঙ্গের দূরের জেলাগুলি থেকে ইতিমধ্যেই কর্মী-সমর্থক আসা শুরু হয়েছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই মানুষের চাপ বাড়ছে হাওড়া স্টেশন চত্তরেও। তৃণমূলের তরফে একাধিক অস্থায়ী ক্যাম্পের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাই একুশে জুলাইয়ের আগে নিরাপত্তা বাড়ানো হল হাওড়া স্টেশন চত্বরে। ভিড় নিয়ন্ত্রণে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে।

আরপিএফের পাশাপাশি জিআরপির তরফেও অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হচ্ছে হাওড়া স্টেশনে। সবমিলিয়ে মোট সাড়ে চারশো পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হচ্ছে। তার আগে আজ, মঙ্গলবার বিকেলে হাওড়া স্টেশন পরিদর্শন করেন রেলের ডিআইজি আনাপ্পাই-সহ জিআরপির উচ্চকর্তারা। অন্যদিকে, ইতিমধ্যেই হাওড়া স্টেশনে স্নিফার ডগ, মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এদিনই ধর্মতলায় একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের মঞ্চ ঘুরে দেখলেন নগরপাল বিনীত গোয়েল-সহ
কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। মূল মঞ্চ-সহ গোটা এলাকা পায়ে হেঁটে ঘুরে দেখেন তাঁরা। নিরাপত্তায় যাতে কোনওরকম ফাঁকফোকর না থাকে, সেদিকটি খতিয়ে দেখেন তাঁরা।

আরও পড়ুন- প্রকাশ্যে মোদির মিথ্যাচার, শুধু জ্বালানি তেল বেচে কেন্দ্রের আয় ১৬.৩০ লক্ষ কোটি টাকা

 

Previous articleপ্রকাশ্যে মোদির মিথ্যাচার, শুধু জ্বালানি তেল বেচে কেন্দ্রের আয় ১৬.৩০ লক্ষ কোটি টাকা