গঙ্গার ঘাটের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী, কলকাতাতেও গঙ্গা আরতির ব্যবস্থার নির্দেশ

নবান্নে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘গঙ্গার ঘাট খারাপ হয়ে গিয়েছে। ওখানে কেন মেন্টেনেন্স হচ্ছে না। আমার খুব খারাপ লাগে। মন্ত্রী, সেক্রেটারি, চেঞ্জ হয়, সরকার চেঞ্জ হয়, কিন্তু পলিসি তো বদল হয় না। তা হলে কেন নজরদারি থাকবে না!’’ দ্রুত এলাকা পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন তিনি। বলেন, সামনেই ওখানে পৌষমেলা হবে। তার আগে এলাকার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের নির্দেশ দেন মমতা।

গঙ্গার ঘাটের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। অবিলম্বে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে (Firhad Hakim) ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। একই সঙ্গে কলকাতার (Kolkata) ঘাটেও উত্তরপ্রদেশের (Utterpradesh)মতো আরতির ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রিন্সেপ ঘাট থেকে মিলেনিয়াম পার্ক পর্যন্ত রাস্তার হাল খারাপ। বিষয়টি নিয়ে সোমবার, নবান্নে পর্যালোচনা বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। ‘‘কলকাতা কর্পোরেশনকে বলব, এটা দেখতে। প্রিন্সেস ঘাট থেকে বাবুঘাট পর্যন্ত কেন এরকম অবস্থা?‘‘ মমতা প্রশ্ন তোলেন, দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়ে। নবান্নে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘গঙ্গার ঘাট খারাপ হয়ে গিয়েছে। ওখানে কেন মেন্টেনেন্স হচ্ছে না। আমার খুব খারাপ লাগে। মন্ত্রী, সেক্রেটারি, চেঞ্জ হয়, সরকার চেঞ্জ হয়, কিন্তু পলিসি তো বদল হয় না। তা হলে কেন নজরদারি থাকবে না!’’ দ্রুত এলাকা পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন তিনি। বলেন, সামনেই ওখানে পৌষমেলা হবে। তার আগে এলাকার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের নির্দেশ দেন মমতা।

বারাণসীতে বিখ্যাত গঙ্গা আরতি। সেই রকম হোক কলকাতাতেও। মমতা বলেন, “আমি চাই গঙ্গায় আরতির জায়গা হোক।” মুখ্যমন্ত্রী কথায়, ‘‘উত্তরপ্রদেশে আছে। এখানে কোনও গঙ্গা আরতির কোনও ব্যবস্থা নেই। এমন একটা জায়গা করতে হবে, যেখানে মন্দির আছে, বসার ব্যবস্থা থাকবে।’’

গঙ্গার পাড়ের সৌন্দ্যায়ন নিয়ে ক্ষমতায় আসার পরেই তৎপর হন মমতা। সেই কারজও হয়। কিন্তু সেই কাজে রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না। এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ, সে কথা এ দিন স্পষ্ট বুঝিয়ে দেন।

Previous articleকর্নাটকে দলিত মহিলার জল খাওয়ায় গোমূত্র দিয়ে ‘শুদ্ধ’ করা হল ট্যাঙ্ক !