Saturday, January 10, 2026

Gujrat: আদানিকে ৩৯০০ কোটি টাকা পাইয়ে দিয়েছে বিজেপি, অনিয়মের অভিযোগ কংগ্রেসের

Date:

Share post:

এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোক আনলেন গুজরাত কংগ্রেস প্রধান শক্তি সিং গোহিল। তাঁর অভিযোগ, গুজরাতের বিজেপি সরকার দুটি পৃথক বিদ্যুৎ চুক্তির মাধ্যমে গত পাঁচ বছরে আদানি পাওয়ার মুন্দ্রা লিমিটেডকে ৩,৯০০কোটি টাকার বেশি পাইয়ে দিয়েছে।

গুজরাত কংগ্রেস প্রধানের অভিযোগ, বিজেপি সরকার গুজরাটকে ক্রমশাই ‘আদানি সরকারে ‘পরিণত করে ফেলেছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে বেশ কিছু নথি ও পরিসংখ্যান পেশ করে তিনি দাবি করেছেন, গুজরাত সরকারের একটি শক্তি সংস্থা (গুজরাত উর্জা বিকাশ লিমিটেড) চলতি বছরের মে মাসে আদানি পাওয়ার মুন্দ্রার কাছ থেকে ৩,৯০০ কোটি টাকা পুনরুদ্ধার করতে চেয়েছে। তার কারণ ২০১৮ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত তাদের মধ্যে দু’টি শক্তি সংক্রান্ত চুক্তির জেরে সরকারি সংস্থাটি আদানিকে এই বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ দিয়েছিল। কংগ্রেস অভিযোগ করেছে যে, গুজরাট সরকার কোম্পানির সাথে স্বাক্ষরিত চুক্তি লঙ্ঘন করে আদানি পাওয়ার মুন্দ্রা লিমিটেডকে ৩,৯০০কোটি টাকা অতিরিক্ত প্রদান করেছে এবং এখন সেই টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি করছে, এই ভয়ে যে তারা ওই টাকা আর পরিশোধ করবে না।

গুজরাত কংগ্রেসের প্রধান শক্তিসিংহ গোহিল দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আশীর্বাদেই এই দুর্নীতি। এটা জনগণের সম্পত্তি লুট করা । রাহুল গান্ধী যে সুবিধাবাদী পুঁজিবাদের কথা বলছেন এটা তার অকাট্য প্রমাণ।” গোহিল আরও বলেছেন, “বিষয়টি সামনে আসায় কর্মকর্তারা ভয় পাচ্ছেন। এখন টাকা উদ্ধারের জন্য আদানি পাওয়ার মুন্দ্রা লিমিটেডকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট নিয়ে আরটিআই দায়ের করা হলে বিষয়টি সামনে আসে। মোদ্দা কথা হলো, চুক্তির শর্ত না মানার পরও সরকার কেন পাঁচ বছর টাকা দিল?”

গুজরাতের বিজেপি সরকারের আদানি প্রেম তুলে ধরতে গিয়ে গোহিল উল্লেখ করেছেন যে, গুজরাত উর্জা বিকাশ নিগম লিমিটেড আদানি পাওয়ার মুন্দ্রা লিমিটেডের সাথে একটি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, এই শর্তে যে আদানি ফার্মকে দেওয়া শক্তির শুল্ক ইন্দোনেশিয়া থেকে কেনা কয়লার দামের উপর ভিত্তি করে যুক্ত হবে। সঙ্গে আদানি ফার্ম কয়লা বিল এবং প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রর নথি জমা দেবে এবং যা আন্তর্জাতিক সংস্থা আর্গাসের হারের সাথে তুলনা করা হবে। অথচ আদানি কোম্পানি যে হারে কয়লা সংগ্রহ করছে তা বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। যার উপরে ভিত্তি করে ইন্দোনেশিয়ার কয়লার ব্যবসা হচ্ছে।
গহিলের অভিযোগ, উপর থেকে নির্দেশ ছাড়া এটা ঘটতে পারে না. কে নির্দেশ দিলেন- মুখ্যমন্ত্রী না প্রধানমন্ত্রী?

আরও পড়ুন- মুখ্যমন্ত্রীর নকসা করা ‘জয় বাংলা’ রাখি পাড়ি দিচ্ছে ভিনরাজ্যে

spot_img

Related articles

বেলুড়মঠে সাড়ম্বরে পালিত স্বামী বিবেকানন্দের জন্মতিথি উৎসব, মঙ্গলারতির পরেই শুরু বেদপাঠ 

১২ জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) জন্মদিন হলেও পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষের সপ্তমী তিথিতে তার আবির্ভাব উৎসব পালিত হয়।...

হিমাচলে বাস দুর্ঘটনায় মৃত বেড়ে ১৪, রাজস্থানের জয়পুরে অডির ধাক্কায় আহত একাধিক!

হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) সিরমৌর জেলার মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪। শুক্রবার দুপুরে সিমলা থেকে রাজগড় হয়ে...

কঠিন, দুর্ভাগ্যজনক: ইডি তল্লাশিতে প্রতিক্রিয়া IPAC-এর, উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তৃণমূলের

নিজেদের কাজের ধরণ ও রাজনৈতিক সংযোগের উদাহরণ তুলে ধরে বৃহস্পতিবারের ইডি হানাকে কঠিন ও দুর্ভাগ্যজনক বলে দাবি করা...

নতুন করে কাজের চাপে আত্মঘাতী বিএলও! আতঙ্কে মৃত্যু দুই ভোটারেরও

নিজেদের কাজের টার্গেট পূরণের জন্য ক্রমশ চাপ বাড়ানো হচ্ছে রাজ্যে সরকারি কর্মী বিএলওদের উপর। তার জেরে ক্রমশ মৃত্যুর...