Wednesday, February 18, 2026

মন্দিরের আয়ে ১০ শতাংশ কর, নয়া বিল ঘিরে উত্তাল কর্নাটক

Date:

Share post:

ভক্তদের দান থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করছে দেশের মন্দিরগুলি। দক্ষিণের রাজ্য কর্নাটকেও রয়েছে জনপ্রিয় এমন একাধিক মন্দির। মন্দিরের আয়ের উপর কর বসাতে বুধবার নয়া বিল এনেছে কংগ্রেস শাসিত কর্নাটক সরকার। যাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠল পরিস্থিতি। নয়া বিল অনুযায়ী রাজ্যের যে সব মন্দিরের আয় বছরে এক কোটি বা তার বেশি সেই মন্দিরগুলিকে ১০ শতাংশ কর দিতে হবে। এই বিলের বিরোধিতায় সরব হয়েছে বিজেপি তাদের দাবি, এই বিল প্রমাণ করে দিচ্ছে কংগ্রেস আসলে হিন্দু বিরোধী দল।

বুধবার কর্নাটক বিধানসভায় পাশ হয়েছে ‘হিন্দু রিলিজিয়াস ইনস্টিটিউশনস অ্যান্ড চ্যারিটেবল এন্ডোমেন্ট বিল’। যার পরই এক্স হ্যান্ডেলে সরব হন কর্নাটকের বিজেপি সভাপতি বিজয়েন্দ্র ইয়েদিউরপ্পা। তিনি লেখেন, “এই বিলের মাধ্যমে কংগ্রেস তাদের শূন্য কোষাগার পূরণ করার চেষ্টা করছে। একইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেবল হিন্দু মন্দির থেকেই রাজস্ব সংগ্রহ করা হবে কেন? অন্য ধর্মীয়স্থানগুলি বাদ যাবে কোন যুক্তিতে? এই ঘটনা ধর্মীয় পক্ষপাতিত্ব বলে অভিযোগ করেছেন ওই বিজেপি নেতা। অবশ্য এই বিল প্রসঙ্গে কর্নাটকের মন্ত্রী রামালিঙ্গা রেড্ডি জানান, ওই করের অর্থ সরকার নেবে না। বরং ‘ধর্মীয় পরিষদে’র কাজেই ব্যবহার করা হবে। আরও জানান, বিজেপিও ক্ষমতায় থাকাকালীন একই কাজ করেছিল। ৫ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা আয় যে সব মন্দিরের, তাদের থেকে ৫ শতাংশ কর নেওয়া হত। ২৫ লক্ষের উপরে আয়ে ১০ শতাংশ কর দিতে হত।

সিদ্ধারামাইয়ার মন্ত্রীর দাবি, “সরকার ‘ধর্মিক পরিষদ’ গড়েছে। সেখানেই যাবে মন্দিরগুলি থেকে প্রাপ্ত অর্থ। ওই পরিষদের উদ্দেশ্য হল আর্থিকভাবে দুর্বল পুরোহিতদের উন্নতি, সি গ্রেড মন্দিরের উন্নতি এবং দুঃস্থ পুরোহিতদের সন্তানদের শিক্ষা প্রদান করা। মন্দিরের টাকায় এই কাজগুলিই হবে।” অবশ্য সরকারের এহেন দাবির পরও বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না।

spot_img

Related articles

স্কুলে বাংলা আবশ্যিক করার দাবি, বিকাশ ভবনে ডেপুটেশন বাংলা পক্ষের

রাজ্যের সমস্ত বোর্ডের স্কুলে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা ভাষা শিক্ষাকে আবশ্যিক করার দাবিতে সরব হল বাংলা পক্ষ। মঙ্গলবার...

লেদার কমপ্লেক্সে নজরদারি জোরদার, বসছে ৭৬টি আধুনিক ক্যামেরা

বানতলার কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স ও সংলগ্ন শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করতে বড়সড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। শিল্পাঞ্চলের প্রতিটি কোণে...

সামাজিক সুরক্ষা যোজনা: অসংগঠিত শ্রমিকদের হাতে ডিজিটাল কার্ড – চেক তুলে দিলেন শশী পাঁজা

অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। বুধবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা...

বাঙালিয়ানায় শান! মায়াপুরে ‘জয় শ্রীরাম’ ছেড়ে ‘হরে কৃষ্ণ’ ধ্বনি শাহর, কটাক্ষ তৃণমূলের

নজরে বাংলার বিধানসভা নির্বাচন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) মুখে তাই ‘জয় শ্রীরাম’ ছেড়ে ‘হরে কৃষ্ণ’। ভোটের আগে ধর্মের...