Saturday, November 29, 2025

ইলেক্টোরাল বন্ড থেকে কত ফেরৎ গেল প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে, হিসাব দিল SBI

Date:

Share post:

সুপ্রিম কোর্টের চাপে পড়ে মঙ্গলবারই নির্বাচনী বন্ড (electoral bond) সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনে পেশ করে এসবিআই (SBI)। সেই সঙ্গে হলফনামা আকারে সর্বোচ্চ আদালতেও পেশ করা হয় ১ এপ্রিল ২০১৯ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত সব তথ্য। শুক্রবার ১৫ মার্চ নির্বাচন কমিশন সেই বিস্তারিত তথ্য পেশ করবে। তবে আদালতে এসবিআই-এর পেশ করা তথ্য অনুযায়ী এই সময়কালের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলিকে আর্থিক সাহায্য করতে ২২,২১৭ টি ইলেক্টোরাল বন্ড কেনা হয়েছে। তথ্য পেশ করে এসবিআই চেয়ারম্যান (chairman) দীনেশ কুমার খারা শীর্ষ আদালতে জানান রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্ক আদালতের নির্দেশ মেনেছেন।

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের ইলেক্টোরাল বন্ড দেশের সর্বোচ্চ আদালতে ‘অসাংবিধানিক’ (unconstitutional) বলে তিরষ্কৃত হওয়ার পরও নির্বাচনের আগে কোনওভাবেই যাতে এর তথ্য প্রকাশিত না হয়, তার জন্য এসবিআই-কে মাঠে নামায়। তথ্য প্রকাশ করতে চারমাস সময় চাইলেও সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) ধমকে একদিনেই সেই তথ্য পেশ করে এসবিআই। মঙ্গলবার প্রকাশিত সেই তথ্য অনুযায়ী ১ এপ্রিল ২০১৯ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৩,৩৪৬টি ইলেক্টোরাল বন্ড কেনা হয়েছে। রাজনৈতিকদলগুলি তার মধ্যে ১,৬০৯টি বন্ড ভাঙিয়ে নিয়েছে। ১২ এপ্রিল ২০১৯ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত কেনা হয়েছে ১৮,৮৭১টি বন্ড। এই সময়ের মধ্যে ভাঙিয়ে নেওয়া হয়েছে ২০,৪২১টি বন্ড। এসবিআই-এর তথ্য অনুযায়ী না ভাঙানো বন্ড ফেরৎ গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে।

spot_img

Related articles

‘বিকৃত’ তথ্যে GDP বৃদ্ধি দেখানো: ভারতকে ‘C’ গ্রেড দিলো আইএমএফ!

শেষ তিন মাসে রেকর্ড জিডিপি বৃদ্ধি। আর তাই নিয়ে বিরাট লাফালাফি কেন্দ্রের অর্থ মন্ত্রককে ঘিরে। শুক্রবার কেন্দ্রের এই...

গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, দলীয় সভায় দলীয় কর্মীর মুখে গরম চা ছুড়লেন বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি

বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তুঙ্গে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল। এবার দলের সভার মাঝেই বিজেপি (BJP) কর্মীর মুখে গরম...

রাজ্যকে না জানিয়েই আজ থেকে বদলে গেল রাজভবনের নাম!

দীর্ঘদিন ধরেই রাজভবন থেকে সমান্তরাল শাসন চালানোর অভিযোগ উঠছে বাংলার রাজ্যপালদের বিরুদ্ধে। রাজ্যের শাসকদল প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়...

স্কুলের গোলকিপার মাহির হাতে কিপিংগ্লাভস তুলে দেওয়া কেশব আজও খোঁজেন একরোখা দুই চোখ

হাতে আর সময় নেই, শনির রাত পেরোলেই রাঁচি জুড়ে চরম উন্মাদনা। গোটা শহর হামলে পড়েছে একটা টিকিটের জন্য।...