Friday, March 20, 2026

পিছিয়ে দেওয়া হল মহারাষ্ট্রের বিধানসভা ভোট, নেপথ্যে কি ‘লড়কি বহিন’ প্রকল্প?

Date:

Share post:

ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার বা ডিবিটির মাধ্যমে মহিলাদের হাতে সরাসরি অর্থ তুলে দিয়ে কিভাবে সমাজের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন এবং নারী সশক্তিকরণ করা সম্ভব, তা দেখিয়ে দিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে থাকা বাংলার থেকে বিজেপি শিক্ষা নিক, তারপরে সেই শিক্ষাই তাঁরা প্রয়োগ করুক গোটা দেশে, তবেই মহিলাদের সার্বিক বিকাশ এবং নারী ক্ষমতায়ন বাস্তব হবে, নচেৎ নয়, সাফ দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন৷

বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে যেভাবে মহিলাদের হাতে সরাসরি অর্থ তুলে দিচ্ছে, সেই প্রকল্পের ফলে রাজ্যের মহিলারা আগের তুলনায় অনেক বেশি স্বাবলম্বী হয়েছেন, তাদের ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে, সর্বোপরি নিজেদের পরিবারে তাদের সম্মান বৃদ্ধি পেয়েছে৷ লক্ষ্মীর ভান্ডারের অর্থ হাতে পাওয়ার পরে মহিলারা এখন নিজেদের পরিবারের আর্থিক সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিতে পারছেন৷এই ক্ষেত্রে নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের সংস্থার তৈরি সমীক্ষা রিপোর্ট খতিয়ে দেখলেই সব কিছু বোঝা যাবে, দাবি ডেরেকের৷

বাংলার দেখাদেখি মহারাষ্ট্রের বিজেপি জোট সরকারও চালু করেছে লড়কি বহিন প্রকল্প৷  এই প্রকল্পের আগামী কিস্তির টাকা দেওয়া হবে সামনের মাসে৷এই কারণেই জন্যই কি মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা পিছিয়ে দেওয়া হল ? প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও ব্রায়ান৷











Related articles

বাংলা ভেঙে নতুন রাজ্যের ছক! ভোটের পরেই ডিলিমিটেশন: বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

“ওরা বাংলা দখল করার নামে বাংলাটাই তুলে দিতে চায়৷ উত্তরবঙ্গ আর বিহারের কয়েকটি জেলা নিয়ে নতুন রাজ্য তৈরির...

একই দিনে বাড়ল বিশেষ পেট্রোল-ডিজেলের দাম: সামগ্রিক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা

নরেন্দ্র মোদি সরকারে জমানায় মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ যেন একটা কাল্পনিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে জ্বালানি সংকটের কোনও...

নির্বাচন আসা পর্যন্ত কীভাবে SIR শেষ: সাপ্লিমেন্টারি তালিকা না প্রকাশে সন্দেহ মমতার

একের পর এক দিন পেরিয়ে যাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এসআইআর প্রক্রিয়ার লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি মামলার তালিকা এখনও বের করছে...

শাহি-ভোজ করিয়েও ব্রাত্য শালবনীর আদিবাসী পরিবার

একসময় জঙ্গলমহলে শালবনী ব্লকের যে আদিবাসী বাড়িতে ভূরিভোজ সেরে "আব কি বার, দো'শো পার" স্লোগান তুলেছিলেন অমিত শাহ-সহ...