Tuesday, April 7, 2026

র‌্যা.গিং-সহ একাধিক অভিযোগ! আরজি কর থেকে বহিষ্কৃত ১০ চিকিৎসক

Date:

Share post:

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে বহিস্কৃত হলেন ১০ জন চিকিৎসক। র‌্যাগিং-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে ওই চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ বৈঠকের পর কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই ১০ জনকে বহিষ্কৃত করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই চিকিৎসকদের আজীবনের মতো হস্টেল থেকেও বহিষ্কার করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরজি করের প্ল্যাটিনাম জুবিলি ভবনে শনিবার দুপুর থেকেই শুরু হয় কাউন্সিলের বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কর্তৃপক্ষ, ডাক্তার এবং ইন্টার্নদের প্রতিনিধিরাও। বাইরে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ দেখান ডাক্তারি পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি ছিল, হাসপাতালে র‌্যাগিং-সহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত ৫৯ জনকে অবিলম্বে শাস্তি দিতে হবে। এরপরেই কাউন্সিল জানায়, ১০ জন চিকিৎসককে আরজি কর থেকে বহিষ্কৃত করা হচ্ছে। বাকিদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

যাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তাঁরা হলেন সৌরভ পাল, আশিস পান্ডে, অভিষেক সেন, আয়ুশ্রী থাপা, নির্জন বাগচী, সরিফ হাসান, নীলাগ্নি দেবনাথ, অমরেন্দ্র সিংহ, সৎপাল সিংহ এবং তনভীর আহমেদ কাজী। এছাড়া সব অভিযুক্তের নামের একটি তালিকাও প্রকাশ করেছেন আরজি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সবার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে। হস্টেল খালি করার নির্দেশ দেওয়া ছাড়াও জানানো হয়েছে, তাঁদের নামগুলি রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের কাছে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন- বেনজির সৌজন্য: বিমানকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের তী.ব্র প্র.তিবাদ কুণালের

Related articles

ভোটার তালিকায় বহিরাগত ঢোকানোর ছক! প্রভুকে খুশি করতেই ব্যস্ত, কমিশনকে কটাক্ষ তৃণমূলের

বিজেপিকে খুশি করতে বিহার-উত্তরপ্রদেশ থেকে ভোটার আনা হচ্ছে বাংলায়! আর সুপরিকল্পিত চক্রান্তে বাংলার বৈধ ভোটারদের নাম কেটে ভোটাধিকার...

ভোটার তালিকায় জটিলতা মেটাতে তৎপর কমিশন, সিইও দফতরে বিশেষ দায়িত্বে বিভূ গোয়েল

ভোটার তালিকা সংশোধন তথা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সাম্প্রতিক টানাপড়েনের আবহে রাজ্যের নির্বাচনী পরিকাঠামোয় বড়সড় রদবদল ঘটাল ভারতের নির্বাচন...

গেরুয়া শিবিরে বিতর্কিত বাম নেতা অনিল বসুর পুত্র সৌম্য

বাবা বাম জমানার বিতর্কিত নেতা অনিল বসু (Anil Basu)। এবার তাঁর ছেলে সৌম্য বসুকে এবার দেখা গেল বিজেপির...

কারণ না দেখিয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত! খারিজ জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ প্রস্তাব

দেখানোর মতো কোনও সুনির্দিষ্ট যুক্তিই নেই কেন্দ্রের। তাই কোনও কারণ ব্যাখ্যা না করেই সম্পূর্ণ একতরফাভাবে খারিজ করে দেওয়া...