Sunday, January 11, 2026

নোবেল জয়ী দক্ষিণ কোরিয়ার হান, সাহিত্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথম

Date:

Share post:

২০২৪ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার জিতলেন দক্ষিণ কোরিয়ার হান কাং। তাঁর কাব্যিক সাহিত্য যা ঐতিহাসিক আতঙ্কগুলিকে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা দেয় এবং মানুষের জীবন কতটা ক্ষণস্থায়ী তা তুলে ধরে। সেই সাহিত্যের নিরিখেই এবছরের সাহিত্য নোবেল জয়ী হান কাং।

দক্ষিণ কোরিয়া থেকে প্রথম সাহিত্যে নোবেল জয়ী হান। বৃহস্পতিবার তাঁর কাছে যখন ফোনে এই বার্তা এসে পৌঁছায় তখন হান মোটেও তা প্রত্যাশা করছিলেন না। ৫৩ বছরের লেখিকা তখন পরিবার নিয়ে রাতের খাবার সেরে উঠেছিলেন। সম্প্রতি তিনি ব্যস্ত ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত হতে চলা তাঁর বই ‘উই ডু নট পার্ট’ প্রকাশের জন্য ব্যস্ত ছিলেন। নোবেল সম্মানের প্রত্যাশার স্থানে তিনি সেই বই প্রকাশ আর ডিসেম্বরের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন হান। তারই মাঝে সুসংবাদ পৌঁছালো তাঁর কাছে।

‘দ্য ভেজিটেরিয়ান’ বইয়ের মধ্যে দিয়ে প্রথম সাহিত্য জগতে বিশ্বের দরবারে নজরে আসেন হান। ২০০৭ সালে তাঁর লেখা এই বই ২০১৫ সালে ইংরাজিতে অনুবাদ হয়। ২০১৬ সালে এই বইয়ের জন্য তিনি বুকার পুরস্কার জেতেন। দুবছর পরে ‘হিউম্যান অ্যাক্ট’ বইয়ের জন্য তিনি দ্বিতীয়বার বুকার পুরস্কার জেতেন। ২০১৮ সালে তিনি আত্মজীবনীতে ‘দ্য হোয়াইট বুক’ লেখেন যেখানে মায়ের মৃত্যু ও তাঁর ছোট বোনকে নিয়েলিখেছিলেন, যে অল্প বয়সেই মারা যায়।

হানের এই পুরস্কার শুধুমাত্র দক্ষিণ কোরিয়া নয়, গোটা এশিয়ার কাছে অহংকারের। তাঁর হাত ধরে এশিয়ায় লাভ হল এই সাহিত্য নোবেল।

spot_img

Related articles

IND vs NZ: নতুন বছরে বিরাটের ব্যাটিং বিক্রম, জয়ের মধ্যেও থাকল উদ্বেগের ছায়া

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে ৪ উইকেটে জিতল ভারত। ২০২৫ সালেযেখানে শেষ করেছিলেন ২০২৬ সাল সেখান থেকেই শুরু...

সোমে মিলনমেলায় ডিজিটাল যোদ্ধাদের সঙ্গে বৈঠকে অভিষেক

বাংলা বহিরাগত জমিদারদের হাতে অপমানিত, লাঞ্ছিত। সেই বাংলাবিরোধীদের মিথ্যা ও অপপ্রচারের মোকাবিলায় তৃণমূল ময়দানে নামিয়েছে ডিজিটাল যোদ্ধাদের। ডিজিটাল...

অনুপ্রবেশকারী খুঁজবে AI! নির্বাচনে নতুন গ্যাঁড়াকল শিণ্ডে-ফড়নবিশ জোটের

ভোটের আগে ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে মানুষের উপর নজরদারি আর হয়রানির রাজনীতি। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ ব্যবহার...

পদ্ধতির ভুল তুলে ধরে অব্যহতি চেয়েছিলেন AERO, উল্টে শাস্তি দেওয়ার হুমকি কমিশনের!

গোটা রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রায় প্রতিদিন মৃত্যু হচ্ছে বিএলওদের। অথবা অসুস্থ হয়ে তাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। তাঁদের...