Thursday, April 23, 2026

আর জি কর মামলা অন্য রাজ্যে সরানোর আর্জি জানিয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে ভর্ৎসিত আইনজীবী

Date:

Share post:

আর জি কর মামলা অন্য রাজ্যে স্থানান্তর করা হোক। বৃহস্পতিবার, শুনানিতে এই প্রস্তাব দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) কড়া ধমক শুনলেন আইনজীবী। এদিন, মামলার শুনানিতে তাঁর প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় (D Y Chandrachur)। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অন্য কোথাও মামলা স্থানান্তর করা হচ্ছে না। একই সঙ্গে আরেক আইনজীবী পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা হারাচ্ছেন বলে আদালতে মন্তব্য করে ভর্ৎসিত হন।

এদিন সুপ্রিম কোর্টে ষষ্ঠ স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে CBI। সেই রিপোর্ট দেখার পরে প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন তিন ডিভিশন বেঞ্চ আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে সপ্তম স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে।

আরও খবর: স্বাস্থ্যক্ষেত্রে নিরাপত্তায় NFT-এর রিপোর্ট: তিন সপ্তাহে মতামত জানাবে সব রাজ্য

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসক-পড়ুয়ার ধর্ষণ-খুনের মামলার শুনানিতে এদিন এক আইনজীবী আর্জি জানান, বাংলার বাইরে কোথাও মামলা স্থানান্তরিত করা হোক। আবেদন শুনেই নাকচ করে দেন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়। বলেন, “হ্যাঁ, আমরা মণিপুরের মতো ঘটনায় এরকম করেছি। কিন্তু এই মামলায় আমরা এরকম কিছু করব না। মামলার কোনও স্থানান্তর হবে না।“

তারইমধ্যে আরেক আইনজীবী আবার বলে বসেন, পুলিশ এবং বিচার ব্যবস্থার উপর থেকে সাধারণ মানুষ আস্থা হারাচ্ছেন। তাতে দৃশ্যতই বিরক্ত হন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় (D Y Chandrachur)। তিনি প্রশ্ন করেন, “আপনি কার হয়ে এই সব কথা বলছেন ? এসব তো ক্যান্টিনের গসিপ৷ এই ভাবে আপনি আদালতে কোনও অভিযোগ করতে পারেন না৷ আপনার অভিযোগের ভিত্তি কী ? কিভাবে আপনি বলছেন যে গোটা পশ্চিমবঙ্গের লোক বিচারব্যবস্থা, আইন শৃঙ্খলার উপরে আস্থা হারিয়েছেন? এই ভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানিতে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ তোলা যায় না৷“

প্রধান বিচারপতি বারবারই জানতে চান, কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের হয়ে মৌখিক ভাবে এমন অবাস্তব অভিযোগ করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবী৷ তারপরেও নিজের পরিচয় বা কাদের হয়ে এই অভিযোগ করা হচ্ছে, তা জানাননি সংশ্লিষ্ট আইনজীবী৷ প্রধান বিচারপতির কথার সূত্রেই সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের তরফে সওয়াল করা প্রবীণ আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী৷ তাঁর প্রশ্ন, এই ভাবে কোনও আইনজীবী ভিত্তিহীন অভিযোগ করেন কি ভাবে ? প্রবল চাপের মুখে পড়ে চুপ করে মুখ লুকিয়ে ফেলেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবী৷

Related articles

কেন এত ভোটদান? প্রথম দফার ভোটদানের হারের ব্যাখ্যা মমতার, কটাক্ষ মোদির প্রচারকে

বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণে বিকেল ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৭৯ শতাংশ। চৌরঙ্গীর দলীয় প্রার্থী নয়না...

রেকর্ড ভোটদান তামিলনাড়ুতে: ভোট দিলেন রজনীকান্ত, ধনুশ থেকে আটলি

বাংলার পাশাপাশি ২৩ এপ্রিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য তামিলনাড়ুতেও বিধানসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে হয়। এবার এই রাজ্যেও ভোটাদানের হার যথেষ্ট...

IPL: মানবিক মাহি, আইপিএলের মধ্যেই মাতৃহারা সতীর্থের পাশে ধোনি

আইপিএলের(IPL) শুরুতেই চোটের কবলে পড়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি(MS Dhoni)। প্রায় এক বছর অসুস্থ থাকার পর প্রয়াত হয়েছেন চেন্নাই...

৭২ ঘণ্টা বাইক বন্ধ কেন? ক্ষমতার অপব্যবহার! কমিশনকে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের

সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) অতিসক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ আদালত। বৃহস্পতিবার, ভোটগ্রহণের তিনদিন আগে থেকে মোটরবাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞাকে...