পাল্টে যাচ্ছে তিস্তা নদীর গতিপথ, যা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের অক্টোবরে তিস্তার ভয়াবহ রূপ দেখেছিল সিকিম। এবার সেই তিস্তার বুকে বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। তিস্তার গতিপথ ক্রমেই বদলাচ্ছে। চিন্তার বিষয় হল- তিস্তার গতিপথ ইতিমধ্যে একাধিক জায়গায় বদলে গেছে।

গতিপথ ছেড়ে তিস্তা নদী ঠিক কোথায় এবং কতটা দূরে সরে বইছে, তা দেখতে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘ইসরো’-র অধীনস্থ একটি সংস্থার সাহায্য নিতে চলেছে। ইসরোর সংস্থা ‘স্পেস অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার’ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইতিমধ্যে কথাবার্তাও হয়ে গিয়েছে সেচ দফতরের। পাঠানো হয়েছে চিঠিও। জানা গিয়েছে, ‘স্পেস অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের’ সঙ্গে কথাবার্তা চূড়ান্ত হলেই একটি চুক্তি হবে। তার পরেই তিস্তা নদীর বদলে যাওয়া গতিপথ খুঁটিয়ে দেখবে ইসরো-র একাধিক কৃত্রিম উপগ্রহ।

বর্ষা এলে ফুঁসে উঠবে তিস্তা, তখন কোথায় কী হয় সেটা আগে থেকে আঁচ করা মুশকিল। বিষয়টি চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সেচ দপ্তরের কাছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রিভার রিসার্চ ইন্সটিটিউট নদীপথ নিয়ে সমীক্ষা করেছে।

প্রাথমিকভাবে সেচ দফতর ২৮ কোটি টাকার কাজ শুরু করেছে। একাধিক জায়গায় বন্যা রোধে স্পার তৈরি করতে হবে। পুরনো গতিপথ বদলে ফেলার জেরে নতুন নতুন জায়গায় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। সেবক থেকেই সমতলের উপর দিয়ে বইছে তিস্তা। আর সেই পাথুরে জমির পর থেকেই তিস্তাও গতিপথ বদলে ফেলেছে।


এর আগেও উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে তিস্তার বদলে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। উপগ্রহের মাধ্যমে সেই ছবি ধরা পড়েছে। আর সেই ছবিতে দেখা গিয়েছিল একাধিক জায়গায় তিস্তার গতিপথ বদলে গেছে।


–

–

–

–
–

–

–