অশান্তি পাকিয়েও লাভ হল না বিজেপির, কাঁথি কৃষি সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনে সব আসনেই জয়ী তৃণমূল

অশান্তি পাকিয়েও লাভ হল না বিজেপির। কাঁথি (Kanthi) কৃষি সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনে (Election) ৭৮টি আসনের সবকটি দখল করল তৃণমূল (TMC)। খাতাই খুলতে পারল না গেরুয়া শিবির। হার বুঝতে পেরে শুরু করে গুন্ডামি। কোথাও ভোটার স্লিপ কাড়িয়ে নেওয়া, কোথাও ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে। কিন্তু দিনের শেষে সবকটি আসন দখল করলেন তৃণমূলের প্রার্থীরা।

সক্রিয়ভাবে গুন্ডামি করতে কাঁথি (Kanthi) কৃষি সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনে আদালতের কাছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি করেছিল পদ্ম নেতারা। কিন্তু রাজ্য পুলিশের (State Police) উপরেই আস্থা রাখে আদালত। এদিন সকাল থেকে কাঁথি জুড়ে শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল ব্যাঙ্কের নির্বাচন। এরই মাঝে জিততে মরিয়া বিজেপি নিজেদের হার বুঝতে পেরে শুরু করে গুন্ডামি। তবে, দিনের শেষে ৭৮ টি আসনের সবকটি দখল করল শাসকদল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূল শক্তি প্রদর্শন করলো বলা চলে।

এই সমবায়ের মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৫৮ হাজার। সকাল থেকে রাজ্য পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় ভোট হয়। তৃণমূলের তরফ থেকে সবকটি আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়। তবে ৫৩ টি আসান বাদে বাকি আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি বিজেপি। ফলে ৬৫ আসনে ভোট হয় শনিবার। সেখানেও সবকটি আসন ভোটে জিতেছে তৃণমূল। এদিন সকালে অন্যতম ভোটগ্রহণ কেন্দ্র কাঁথির জাতীয় স্কুলের সামনে গোলমাল বাঁধানোর চেষ্টা করে বিজেপি। খবর পেয়েই ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সামনে যান কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরি। পুলিশকে আবেদন জানিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন তিনি।

এদিকে এগরার রাসনা স্কুলের সামনেও দেখা যায় বিজেপি নেতাকর্মীরা অশান্তি বাধান। সেখানে বিজেপির হাতে আক্রান্ত হন তৃণমূলের কয়েকজন কর্মী। স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক তরুণ কুমার মাইতি জানিয়েছেন, “বিজেপির গুন্ডারা দেখে দেখে তৃণমূলের কর্মীদের স্লিপ ছাড়িয়ে নিচ্ছে। আমরা শান্তিপূর্ণ ভোট চাই।”

এদিকে রামনগর কলেজের সামনে বিজেপি ভোট লুটের চেষ্টা চালাচ্ছে এমন অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় বিধায়ক অখিল গিরি। সেখানে আক্রান্ত হতে হয় অখিলকে। কোনোক্রমে তৃণমূলের কর্মী সমর্থক ও পুলিশ তাঁকে নিরাপদ আশ্রয় সরিয়ে নিয়ে আসেন। বিকেল হতেই সবকটি আসনে তৃণমূলের জয়ের খবর প্রকাশিত হয়। তৃণমূল নেতা সুপ্রকাশ জানিয়েছেন, “যেখানেই যাবেন সেখানেই তৃণমূল। এখানে বিজেপি বলে কিছু নেই। সকাল থেকে ওরা গুন্ডামি করে জয়ী হওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু আমাদের কর্মীরা রুখে দিয়েছেন।“
আরও খবরসিবিএসই বাংলা-তামিল পরীক্ষার দিনই জয়েন্ট: চাপের মুখে দিন বদল এনটিএ-র