লোকসভায় শূন্য হয়েছে বঙ্গ সিপিআইএম। বিধানসভায় একজনকেও জেতাতে পারেননি মহম্মদ সেলিম। এই পরিস্থিতিতে একমাত্র সম্মান রেখেছিলেন সাংসদ বিকাশ ভট্টাচার্য (Bikash Bhattacharya)। বাংলা থেকে রাজ্যসভার একমাত্র সাংসদকে রাজ্যসভার (Rajyasabha) দলনেতা করেছিল সিপিআইএম। তবে ২০২৬-এর পরে কি হবে। কে হবেন রাজ্যসভায় সিপিআইএমের দলনেতা (CPIM leader), এখন সেই উত্তর খুঁজছে কেন্দ্রীয় কমিটিও।

তৃণমূল কংগ্রেস বাংলার ক্ষমতা দখলের পরে লাগাতার তুলে ধরেছে বাম আমলে রাজ্যের নিম্নগামিতার কারণ হিসাবে কীভাবে কাজ করেছে সিপিআইএমের ভ্রান্ত নীতি। নিজেদের ভুল চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার পরেও সংশোধনের পথে তো হাঁটেইনি বাংলার সিপিআইএম (CPIM)। উপরন্তু প্রবল জন সমর্থন পেয়ে ক্ষমতায় আসা তৃণমূলের বিরোধিতাকেই তারা প্রধান অ্যাজেন্ডা হিসাবে ধরে নিয়েছে। যেখানে সাম্প্রদায়িক বিজেপিকে আটকাতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে লাগাতার আন্দোলন চালানো হয়েছে, সেখানে তৃণমূলের ইস্যুকে সমর্থন করাও সমীচীন মনে করেনি বামেরা। ফলস্বরূপ, লোকসভা (Loksabha) থেকে বিধানসভা (Bidhansabha) – শূন্যে নেমে এসেছে লাল পতাকাধারীরা।

রাজ্যসভার একগুচ্ছ সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৬-এর শুরুতে। তার মধ্যেই রয়েছেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। বিধানসভায় শূন্য হওয়ার সুবাদে রাজ্যসভায় (Rajyasabha) নতুন করে কোনও সদস্য পাঠাতে পারবে না সিপিআইএম। ফলে বিকাশ ভট্টাচার্যের (Bikash Bhattacharya) মেয়াদ শেষ হলেই রাজ্যসভায় শূন্য হয়ে যাবে বাংলা থেকে সিপিআইএম (CPIM) সাংসদ সংখ্যা। বাংলার মানুষের মন বা চাহিদা যে বামেরা কোনওদিন বুঝতে পারেনি, তা তাদের বিধানসভায় শূন্যতে নেমে যাওয়াতেই প্রমাণিত। কার্যত এটাও প্রমাণিত বামের ভোট রামে গিয়ে শূন্যে নেমেছে সিপিআইএম।

২০২৬ সালেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election)। কিন্তু তার আগেই শেষ হয়ে যাবে রাজ্যসভার (Rajyasabha) একগুচ্ছ সাংসদের মেয়াদ। তার মধ্যেই থাকছেন বিকাশ ভট্টাচার্য, বর্তমান সিপিআইএম রাজ্যসভার দলনেতা। ফলে খালি হবে দলনেতার পদও। রাজ্যসভায় বর্তমানে সিপিআইএম সাংসদ ৪ জন। বিকাশ ভট্টাচার্যের আসন খালি হলে সাংসদ থাকবেন তিনজন। তিনজনই কেরালার। ফলে নিঃসন্দেহে রাজ্যসভার দলনেতার পদ এবার যাবে কেরালাতেই।


–


–

–

–

–
–

–
