রাম নবমীর প্রস্তুতি! অস্ত্রের ঝনঝনানি হাওড়ার সাঁকরাইলে

রামনবমী (Ramnavami) উপলক্ষে মূর্তি এসে পৌঁছাতেই অস্ত্র (weapon) হাতে নাচ ও মিছিলের মাধ্যমে রবিবারের রামনবমীর প্রস্তুতি সারেন স্থানীয় (Sankrail) যুবকরা

রামনবমী নিয়ে হাওড়ার দুটি মিছিলে কোন ধরনের ধাতব অস্ত্র ব্যবহার করা যাবে না, স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আর রামনবমীর আগের দিন সেই হাওড়াতে (Howrah) অস্ত্রের ঝনঝনানি রাম ভক্তদের। সোশ্যাল মিডিয়া সহ সমস্ত সংবাদ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে অস্ত্র (weapon) নিয়ে রামকে বরণের সেই ভিডিও। যদিও আগে থেকে খবর থাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনীর মোতায়েন রেখে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে সমর্থ হয়েছে হাওড়া পুলিশ। তবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে, এমন বার্তাও রয়েছে প্রশাসনের তরফে।

যেখানে রামনবমী নিয়ে গোটা রাজ্যে রাজনীতির পারদ তুঙ্গে, সেখানে মিছিলে অস্ত্রের (weapon) ব্যবহার একটা বড় ইস্যু। হাওড়ার (Howrah) দুটি ধর্মীয় সংগঠনের মিছিল এবং কলকাতার একটি মিছিলে অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। বলা হয়েছিল কোন ভাবেই ধাতু দিয়ে তৈরি অস্ত্র নিয়ে মিছিল করা যাবে না।

অথচ শনিবার দেখা গেল হাওড়ার সাঁকরাইলের (Sankrail) রাজগঞ্জে রামনবমী পালন কমিটির শোভাযাত্রায় তরোয়াল (sword) কাটারি দাঁ হাঁসুয়া হাতে যুবকরা নাচছেন। রামনবমী (Ramnavami) উপলক্ষে মূর্তি এসে পৌঁছাতেই অস্ত্র (weapon) হাতে নাচ ও মিছিলের মাধ্যমে রবিবারের রামনবমীর প্রস্তুতি সারেন স্থানীয় (Sankrail) যুবকরা। উদ্যোক্তারা যদি ও দাবি করেন তাঁরা কাউকে অস্ত্র আনতে বলেননি। তবে এই অঞ্চলে অস্ত্র হাতে মিছিল বহু বছরের প্রথা।

যদিও হাওড়া পুলিশের পক্ষ থেকে আগে থেকেই প্রস্তুতি ছিল। অস্ত্র (weapon) হাতে যুবকরা যাতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটাতে পারেন তার জন্য মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। অস্ত্র হাতে মিছিলের কোনও অনুমতি উদ্যোক্তা নেননি। ফলে পরবর্তীকালে পুলিশের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে হাওড়া পুলিশের তরফে।