কলকাতা ও হাওড়ার অন্যতম সংযোগকারী দ্বিতীয় হুগলি সেতুর সংস্কারের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই প্রথম ধাপে সেতুর নিচের অংশের ১৬টি দুর্বল কেবল পরিবর্তনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এবার আরও বড় ও জটিল কাজ—বিয়ারিং বদলের দিকে এগোচ্ছে রাজ্য সরকার।

প্রায় ৮২৩ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর সংস্কারে যুক্ত হয়েছে কলকাতা ও জার্মানির দুই বিশেষজ্ঞ সংস্থা। রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে এবং এইচআরবিসি-র অধীনে ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চলছে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংস্কারের সময় যান চলাচল যাতে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখা যায়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। প্রথম ধাপের সময় যেমন দুটি লেন বন্ধ থাকলেও বাকি চারটি লেন সচল ছিল, তেমনই দ্বিতীয় পর্যায়েও যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটে, সেই লক্ষ্যে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ ধরা হচ্ছে দ্বিতীয় পর্যায়ের কেবল বদলকে। এই কাজ কীভাবে সম্পন্ন করা হবে, কী ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে—তা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে খুব শীঘ্রই বৈঠকে বসতে চলেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি।

জানা গিয়েছে, জার্মান সংস্থার পক্ষ থেকে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে দেখানো হবে, কীভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে এই ধরনের জটিল প্রকল্প সফলভাবে পরিচালনা করা হয়েছে।

বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন এইচআরবিসি এবং পুলিশের পদস্থ আধিকারিকরাও। নবান্ন সূত্রের খবর, ঝুঁকি এড়াতে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। সমস্ত সাবধানতা অবলম্বন করেই শুরু হবে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর সংস্কারের পরবর্তী অধ্যায়।

আরও পড়ুন – কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এবার আদালতে পরিচালক সুদেষ্ণা

_

_
_
_
_
_
_
_
_
