Tuesday, June 9, 2026

মোদির পর শাহের সভাতেও ডাক পেলেন না দিলীপ, বাড়ছে দূরত্ব! তুঙ্গে জল্পনা

Date:

Share post:

প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) সঙ্গে কি পাকাপাকিভাবে দূরত্ব বজায় রাখতে চাইছে গেরুয়া দল, আলিপুরদুয়ারে নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সভার পর কলকাতায় অমিত শাহের (Amit Shah) সভাতেও ডাক না পাওয়ায় দলের সঙ্গে বিজেপির (BJP ) ‘দাবাং’ নেতার সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে চর্চা শুরু রাজনৈতিক মহলের। রবিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের সাংগঠনিক সভা করলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই কর্মসূচিতে শুভেন্দু- সুকান্তরা থাকলেও বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) ব্রাত্য। আসলে পদ্ম নেতার কাছে যে আমন্ত্রণই যায় নি। তাহলে কি গেরুয়া নেতার সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে চাইছে ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ কর্তারা, ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু সব মহলে।

দিন কয়েক আগে রাজ্যে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আলিপুরদুয়ারে তাঁর সভায় শুভেন্দু অধিকারী (Shubhendu Adhikari) এবং সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumder) দেখা মিলেছিল। কিন্তু দিলীপ সেখানে ছিলেন না। এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে খড়্গপুরের প্রাক্তন সাংসদের গলায় খানিকটা অভিমানী সুর ধরা পড়ে । তিনি বলেছিলেন ‘আমি সাধারণ কর্মী, প্রধানমন্ত্রীর পাশে নেতারা থাকবেন।’ এরপর শনিবার রাতে রাজ্যে আসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। দমদম এয়ারপোর্টে তাঁকে স্বাগত জানাতে বঙ্গ বিজেপির ছোট বড় মাঝারি মাপের নেতা-নেত্রীদের দেখা যায়। এখানে যথারীতি দিলীপ ছিলেন না। কিন্তু রবিবারের সভাতেও তাঁকে আমন্ত্রণ না পাওয়াকে হালকাভাবে নিতে রাজি নয় রাজনৈতিক মহল। রবিবার ইকোপার্কে মর্নিং ওয়াকের সময়সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতা বলেন, ‘আমাকে যখন দরকার হবে, ডাকা হবে। আমি জানিনা কত জনকে ডাকা হবে। আমি দলের মধ্যে দলের সঙ্গেই আছি। আমি কারোর সঙ্গে দূরতকালেরিনি, কর্মীদের সঙ্গে বসি, চা খাই। এর আগে সব সভাতেই যেতাম। কোর কমিটির বৈঠকে ছিলাম। পার্টি সংগঠনিক রদবদল চলছে, হয়তো যাঁরা নতুন পদাধিকারী হয়েছেন তাঁদের ডাকা হয়েছে।’ দিদির যতই দূরত্ব তৈরি হয়নি বলুন না কেন, আসলে যে ব্যক্তিগত জীবনের কিছু সিদ্ধান্ত এবং মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণে জগন্নাথ মন্দির দর্শনের পর থেকেই গেরুয়া নেতারা এড়িয়ে চলছেন দিলীপকে, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। এমনিতেই বঙ্গ বিজেপিতে শুভেন্দু শিবির, সুকান্ত শিবির, দিলীপ শিবির এরকম একাধিক গোষ্ঠী রয়েছে। এবার শাহি সভাতে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির আমন্ত্রণ না পাওয়া, বঙ্গ বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ছবিটাই আরও একবার স্পষ্ট করে দিল।

 

Related articles

নবান্নের বৈঠকের পরেই ‘কনফেডারেশন’ পোস্টার সোশ্যাল মিডিয়ায়, টলিপাড়ার পরিবর্তনে সিলমোহর!

টালিগঞ্জ স্টুডিও পাড়ায় ক্ষমতার কাঠামো বদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট। 'বিশ্বাস ব্রাদার্স' জমানা শেষ হতেই ফেডারেশন অতীত, এখন চর্চায় শুধুই...

এবার ১২৫ দিনের কাজের সুযোগ গ্রামাঞ্চলে! সূচনা দিলীপের, কোদাল হাতে খাল সংস্কার মন্ত্রীর

রাজ্যে চালু হলো কেন্দ্রের নতুন গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প VB-G RAM G (Viksit Bharat – Rozgar And Aajeevika Mission...

জেনেভার যুব শীর্ষ সম্মেলনের মঞ্চে কলকাতার কাউন্সিলর মোনালিসা

ইউরোপীয় যুব শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিলেন কলকাতা পুরসভার ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায় (Councillor Monalisa Bandyopadhyay)। ৫...

প্রতীক ছেড়ে কথা বলুন, ২০২৯-এ কে কোথায় থাকে দেখব! বিদ্রোহীদের চ্যালেঞ্জ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণের

বিধানসভার পরে লোকসভা। সংসদীয় দলেও বিদ্রোহ। শুধু তাই নয়, কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ(NDA)-কে সমর্থন করছেন তৃণমূল (TMC) ব্লকের...