Friday, May 22, 2026

ইলিশ উৎসব: খাদ্যাভ্যাসে চোখ তুলে তাকালে কালো হাত গুঁড়িয়ে যাবে, হুঁশিয়ারি কুণালের

Date:

Share post:

সব ধর্ম-ভাষা-বর্ণের মানুষের উৎসবের তীর্থভূমি কলকাতা। তাই কলকাতাই উৎসব নগরী। বরাবর কলকাতায় নিরাপত্তার সঙ্গে সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব আনন্দের সঙ্গে পালন করেছেন ভিন রাজ্যের মানুষেরাও। অথচ সম্প্রতি বাঙালিদের সঙ্গে, তাঁদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে পর্যন্ত যে অত্যাচারের নিদর্শন রেখেছে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি, তাতে আতঙ্কে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক থেকে প্রবাসী বাঙালিরা। খোদ দিল্লির উপকণ্ঠে হুলিয়া জারি হয়েছে মাছ খাওয়ার বন্ধের। তবে যাবতীয় চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে বাঙালি ধরে রেখেছে নিজেদের খাদ্যাভ্যাসকে। তাই আজও কলকাতা শহরে রমরমিয়ে চলে ইলিশ উৎসব। সেই উৎসব থেকেই তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের বার্তা, কোনওভাবেই দমিয়ে রাখা যাবে না। ইলিশ উৎসবের মতোই আরও অনেক উৎসবে ফুটে উঠবে বাংলার সংস্কৃতির জয়গান।২১ বছর ধরে বিধায়ক পরেশ পালের ইলিশ উৎসব এবারেও ব্যাপকভাবে উদযাপিত হয়। রবিবার এই উৎসবে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ, কাউন্সিলর স্বর্ণকমল সাহা, অয়ন চক্রবর্তী, মৃত্যুঞ্জয় পাল, পাপিয়া হালদার, প্রাক্তন বিধায়ক স্মিতা বক্সি, প্রিয়দর্শিনী ঘোষসহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি। কড়া ভাজা রুপোলি শস্য পাতে রেখে উচ্ছ্বসিত কুণাল ঘোষ বলেন, বাংলা এবং বাঙালির ঐতিহ্যের সঙ্গে ইলিশ মাছের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। পরেশদা এই ঐতিহ্যকে উত্তর কলকাতায় উৎসবের রূপ দিয়েছেন। বাংলা ও বাঙালির এই উৎসব চলতে থাকুক।

বাঙালির সেই সংস্কৃতিকে ভুলিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করে কুণাল বলেন, বাংলার উপর রাগ ফলাতে গিয়ে এখন শিকড় ধরে টান মারছে। আমরা বলছি, বাংলা আছে বাংলাতেই। একজনও বৈধ ভোটারের গায়ে হাত পড়লে গোটা বাংলা থেকে এক লক্ষ কর্মী নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস দিল্লি ঘেরাও অভিযান করবে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। সেখানে বসে বড় বড় কথা বলছে, মাছ খাওয়া যাবে না। আমি মাছ খাই, খাবো। যিনি মাংস খান, তিনি খাবেন। যিনি খান না, তিনি খাবেন না। আমি কী খাব, কী পরব, কোন ভাষায় কথা বলব, আমার মাতৃভাষা কি – বিজেপি আর কেন্দ্রীয় সরকারকে কেউ অধিকার দেয়নি সেদিকে চোখ তুলে তাকাবার। সেদিকে চোখ তুলে তাকালে তাদের কালো হাত ভেঙে দিতে হবে, গুঁড়িয়ে দিতে হবে। শুধু মিটিং মিছিলে নয়, পরেশ পালের ইলিশ উৎসবের মতো আরও অনেক উৎসবে, যাতে বাংলার ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি রক্ষা করা যায়। আরও পড়ুনঃ হিন্দিভাষীদের জন্য প্রভূত উন্নয়ন রাজ্যে! হিন্দি দিবসে শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর

Related articles

১০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ফেরাতে হবে সোনালির স্বামীকে: নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

আরও একবার সোনালি বিবির ঘটনায় কেন্দ্রের বিজেপির সরকারের স্বৈরাচারী ও প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির মুখোশ খুলে গেল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।...

সরকারি বাসে বিনামূল্যে সফরে জরুরি ডিজিটাল স্মার্ট কার্ড! আবেদন করবেন কীভাবে

বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) আগেই বিজেপি (BJP) প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ক্ষমতায় এলে মহিলাদের সরকারি বাসে (Government Bus) যাতায়াত ফ্রি...

দোকানে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী! খুনের হুমকি ঝাড়গ্রামের বিক্রেতাকে, মিলল নিরাপত্তা

ঝাড়গ্রামে বিধানসভা নির্বাচনে ঝালমুড়ি খেয়ে ভাইরাল হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এবার সেই ঝালমুড়ি দোকানদারকেই দেওয়া...

ইতিহাসে নজিরবিহীন: ক্লাব রুমে কলকাতা পুরসভার মাসিক অধিবেশন, মুলতবি প্রস্তাব পেশ

কলকাতা পুরসভার (KMC) ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা! কলকাতা পুরসভার অধিবেশন কক্ষে তালা। ভিতরে ঢুকতে পেরে ক্লাব রুমে পুরসভার মাসিক...