Monday, May 11, 2026

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ! নিউটাউনে জৈব হাটে শহরবাসীর জন্য নিরাপদ সবজি

Date:

Share post:

শহরে বসে জৈব সারের তৈরি সবজি খাওয়ার স্বপ্ন এখন বাস্তব। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে নিউটাউনে শুরু হয়েছে জৈব হাট, যা পরিচালনা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যেক মাসের চতুর্থ শনিবার নিউটাউনের অ্যাকশন এরিয়া এক-এর বাগজোলা খালের উত্তর পাড়ে যাত্রাগাছিতে তৈরি ছয় তলা ভবনে অনুষ্ঠিত হয় এই হাটের আলোচনা সভা। সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন কৃষিমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু, দোলা সেন, ডঃ সৈকত সাহা, প্রকল্প সহকারী সুদীপ রাহা এবং কৃষি বিশেষজ্ঞ রফিকুল আলম সহ অন্যান্য অতিথিরা।

সভায় প্রাক্তন কৃষিমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু বলেন, “নিউটাউনের মতো এলাকায় এই ধরনের জৈব সারে উৎপন্ন সবজি পাওয়া সত্যিই আশ্চর্যের বিষয়। সুস্থায়ী কৃষি পরিবারকে অনুরোধ করছি, এই ধরনের বিপণী আরও বাড়ানো হোক। সাধারণ মানুষকেও আহ্বান জানাচ্ছি, আসুন এবং দেখুন এখানে কী ধরনের জিনিস বিক্রি হচ্ছে।” দোলা সেন বলেন, “এই হাট থেকে আপনি আপনার সাপ্তাহিক বাজার করতে পারেন। এখানে সবজি, মুদি সামগ্রী, মাছ ও মাংস—সবই সম্পূর্ণ জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত। কোনও জিনিসের গুণমান নিয়ে সন্দেহ থাকলে ভবনের গবেষণাগারে পরীক্ষা করেও নিতে পারেন।” এই জৈব হাট শহরের মানুষকে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের সঙ্গে পরিচয় করাচ্ছে। শহরে বসেও লোকেরা এখন সহজে জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত সবজি এবং অন্যান্য কৃষিপণ্য সংগ্রহ করতে পারছেন।

আরও পড়ুন- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে অগ্রগতি! এক দশকে বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

Related articles

মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টন: একনজরে কাকে কোন দায়িত্ব

নতুন সরকারের (New State Govt.) প্রথম প্রশাসনিক বৈঠক শেষ হতেই মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ সদস্যের মধ্যে দফতর বণ্টন করে...

অনিয়মের ‘চুলচেরা’ বিচার হবে: নবান্নে প্রথম দিনেই অবস্থান স্পষ্ট করলেন শুভেন্দু 

নবান্নে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকেই মেজাজ স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার শীর্ষ আমলাদের সঙ্গে...

নাগরিকের নিরাপত্তায় জোর, প্রশাসনিক বৈঠকে আধিকারিকদের নির্ভয়ে কাজ করার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। আর সেখানেই নাগরিক সুরক্ষায় জোর দিয়েছেন...

হারের ব্যবধান ৩২ লক্ষ, নাম বিবেচনাধীন ৩৫ লক্ষ! কল্যাণকে ইন্টারলোকিউটরি অ্যাপ্লিকেশন করতে বলল সুপ্রিম কোর্ট

বাংলায় এসআইআরে (SIR) প্রায় ৩৫ লক্ষ ভোটারের আবেদন ট্রাইব্যুনালে ঝুলে থাকায় বাংলা জুড়ে ভোটের ফলে এর প্রভাব যে...