রাজ্যের তথা পূর্ব ভারতের সবথেকে বড় ভক্তির মেলার আয়োজন। যেখানে কোনওদিনও কেন্দ্রের সরকার ফিরেও তাকায়নি, অথচ গোটাদেশের মানুষ আজও মকর সংক্রান্তিতে (Makar Sankranti) সেই মেলার পথেই হাঁটেন। যে মেলায় পৌঁছাতে দেশের বা অন্য যে কোনও জায়গার মতো শুধু পায়ে হাঁটা বা ট্রেন-বাসের ভরসা করলে চলে না। পেরোতে হয় একের পর এক নদী। অথচ যে পথে চললে সেই তীর্থস্থানে পৌঁছোনো সহজ হতো সাধারণ ভক্তদের, তার কথা ভাবেনি কখনও কেন্দ্রের কোনও সরকার। বাংলার ৩৪ বছরের বাম সরকারও (Left Front) ফিরে তাকায়নি মানুষের ভক্তির দিকে। সেই যাত্রাপথ সহজ করার জন্য উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মানুষের ভক্তির স্বার্থে সোমবারই শিলান্যাস মুড়িগঙ্গা সেতুর।

মুড়িগঙ্গা নদীর উপর সেতু কেমন হবে
সেতুর দৈর্ঘ্য – ৪.৭৫কিমি
সেতুর লেন – ফোর লেন
সেতুর প্রস্থ – ক্যারেজওয়ে ৮ মিটার (যানবাহন চলার যোগ্য)
ফুটপাথ উভয়পাশে ১.৫ মিটার
সেতুর আকার – দ্বিতীয় হুগলি সেতু বা নিবেদিতা সেতুর মতো
সেতু প্রস্তুতকারক – লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো
সেতু তৈরির ব্যয় – প্রায় ১,৬৭০ কোটি

আরও পড়ুন : প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সোমে সাগরে মুখ্যমন্ত্রী! শিলান্যাস গঙ্গাসাগর সেতুর
সেতু তৈরি হলে কী সুবিধা
সাগরদ্বীপে বিভিন্ন কৃষিজাত ও শিল্পজাত পণ্যের যাতায়াতে সুবিধা
পুণ্যার্থী – পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতে সুবিধা
পরবর্তীতে একটি নদী বন্দর তৈরির সম্ভাবনা
ঘূর্ণিঝড়প্রবণ সাগরদ্বীপে ঝড়-পরবর্তী সময়ে উদ্ধারকাজে সুবিধা।

–

–

–

–

–

–


