সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগের পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকের মধ্যে দিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি সারছেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মালদহের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে কংগ্রেস ও বিজেপির সঙ্গে একযোগে কীভাবে মাঠে নামতে হবে, তা স্পষ্ট করে দিলেন অভিষেক। মালদহের তৃণমূল নেতৃত্ব সেনাপতিকে আশ্বাস দেন, মৌসম বেনজির নূরের দলবদল মালদহের রাজনীতিতে কোনও প্রভাব ফেলবে না। অভিষেক নিজে আবারও যাবেন মালদহে। তার প্রস্তুতির নির্দেশও দেন তিনি।

বুধবার উত্তর দিনাজপুর থেকে মালদহে পৌঁছান অভিষেকে বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সি, সমর মুখোপাধ্যায়, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, জেলা সভাপতি চৈতালি সরকার, যুব তৃণমূল সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস, জেলা পরিষদ সভাধিপতি লিপিকা দাস প্রমুখ। সেই বৈঠকেই অভিষেকের স্পষ্ট নির্দেশ দলের মধ্যে কোনও ঝামেলা নয়। সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

সম্প্রতি সাংসদ মৌসম বেনজির নূর কংগ্রেসে ফিরে যাওয়ায় নতুন করে অক্সিজেন পাচ্ছে কংগ্রেস, কংগ্রেসের তরফে এমন প্রচারও চালানো হচ্ছে। ফলে মালদহ জেলায় কংগ্রেস ও বিজেপি দুই দলের বিরুদ্ধে এক যোগে লড়াই তৃণমূলের। সেই লড়াইয়ের জন্য এলাকায় বিজেপি ও কংগ্রেসের পাল্টা সভা করতে হবে। সেই সভায় তুলে ধরতে হবে বিজেপি ও কংগ্রেসের সেটিংয়ের তত্ত্ব। অভিষেক নিজে একাধিক জায়গায় কংগ্রেসের নীতির সমালোচনায় সরব হয়েছেন সাম্প্রতিক সময়ে। এবার মালদহের নেতৃত্বকে সেই সুর বেঁধে দিলেন অভিষেক।
বৃহস্পতিবার মালদহে জনসভা করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই বুধবার জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সেখানে এসআইআর-এর কাজ শেষ পর্বে ঢিলেমি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন অভিষেক। সেই সঙ্গে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তিনি আবার মালদহে আসবেন। তার প্রস্তুতি নেওয়ারও নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন- কেন্দ্রের FCI নির্দেশিকায় পাটশিল্পে ধাক্কা! বস্ত্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ ঋতব্রতর

_

_

_

_

_
_


